ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া


ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া

একদিনে দুবার জোড়া ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া। ভোরে ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূকম্পনের পর একই দিনে ফের ৬.৯ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপে এখনো অনেকে আটকে আছেন। এরই মধ্যে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮ জনে দাঁড়িয়েছে।

প্রথম ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটেছে পূর্বঞ্চলীয় ফ্লোরেস দ্বীপে। উদ্ধার কর্মকর্তা ফাথুর রহমান জানান, দ্বীপের চারটি শহরে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। প্রতিবেশী মাংগারাই অঞ্চলেও ধ্বংসস্তূপের নিচে দুজন জীবিত আটকে আছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ছয়জন। এখন মূল লক্ষ্য চাপা পড়া ব্যক্তিদের জীবিত উদ্ধার করা। তবে ভূমিধসে কয়েকটি সড়ক বন্ধ থাকায় উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে।

ভূমিকম্পের পর সুনামির আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। উৎপত্তিস্থলের কাছের এলাকা নাগেকেওর বাসিন্দারা সমুদ্রের পানি সরে যেতে দেখে দ্রুত উঁচু স্থানে আশ্রয় নেন। পরে আবহাওয়া সংস্থা (বিএমকেজি) সুনামির সতর্কতা তুলে নেয়। তবে আফটারশকের কারণে কাউকে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে ফিরতে নিষেধ করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ৬.১ মাত্রার আফটারশকসহ ডজনখানেক কম্পন রেকর্ড করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: সৌদি রুটে ১৪৪ ফ্লাইট স্থগিত, ২২ হাজার যাত্রী ভোগান্তিতে

ভোরের ঝাঁকুনি বেশ বড় ছিল বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দা ইয়োহানেস বাবো। আরেক বাসিন্দা লুকাস লোতার জানান, আতঙ্কে হাসপাতালের রোগীরা বাইরে বেরিয়ে আসেন। তিনি ভবনের দেয়ালে ফাটলও দেখতে পান। ওই এলাকাগুলোতে মূলত ছোট শহর ও গ্রাম থাকায় বহুতল ভবন তেমন নেই।

ভূমিকম্পপ্রবণ ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে থাকায় দেশটিতে প্রায়ই এমন দুর্যোগ ঘটে। ১৯৯২ সালে এই ফ্লোরসেই ভূমিকম্প ও সুনামিতে আড়াই হাজার মানুষ মারা যান। আর ২০০৪ সালের ভারত মহাসাগরের সুনামিতে দেশটিতে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

র‍্যাবের পরিবর্তে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১১ পি.এম


র‍্যাবের পরিবর্তে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে

ঢাকা, ১৫ আগস্ট, ২০২৬ : সরকার ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)’ নামে একটি নতুন বিশেষায়িত আইন প্রয়োগকারী সংস্থা গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, যা বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে পরিচালিত হবে।

র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) বিলুপ্ত করার লক্ষ্যে প্রস্তাবিত ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া অনুযায়ী এ বিশেষায়িত সংস্থাটি গঠন করা হচ্ছে।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে জানানো হয়েছে, গত ৪ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে জনগণের মতামত প্রদানের জন্য খসড়া আইনটি প্রকাশ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সবাইকে [email protected] ইমেইল ঠিকানায় মতামত পাঠাতে অনুরোধ করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত আইনে র‌্যাবের বিদ্যমান আইনি কাঠামো প্রতিস্থাপন করে নতুন ইউনিটের অধীনে এর কর্মক্ষম সম্পদ, জনবল এবং প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্বসমূহ অপরিবর্তিত রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

খসড়া অনুযায়ী, বাংলাদেশ পুলিশ ও অন্যান্য সুশৃঙ্খল বাহিনীর কর্মকর্তাদের নিয়ে পদায়ন, প্রেষণ বা সাময়িক সংযুক্তির মাধ্যমে এসআরবি গঠন করা হবে। এসআরবি গঠনের জন্য প্রেষণ বা সংযুক্তির মেয়াদ সাধারণত ন্যূনতম দুই বছরের জন্য হতে পারে।

এদিকে, ইউনিটের সদরদপ্তর ঢাকায় অবস্থিত হবে। তবে সরকারের অনুমোদনক্রমে দেশের অন্যান্য স্থানে এর অধীনস্থ কার্যালয় স্থাপন করা যাবে। এটি বিভিন্ন সেকশনে বিভক্ত থাকবে, যেমন ব্যাটালিয়ন, কোম্পানি ও প্লাটুন।

এসআরবি প্রধান হিসেবে একজন মহাপরিচালক (ডিজি) থাকবেন, যিনি বাংলাদেশ পুলিশের কর্মরত অন্তত অতিরিক্ত আইজিপি পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের মধ্যে থেকে সরকারের দ্বারা নিয়োগ করা হবে।

মহাপরিচালক পুলিশ মহাপরিদর্শকের সাধারণ নিয়ন্ত্রণের অধীনে প্রশাসনিক, আর্থিক ও পরিচালনাগত ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

প্রস্তাবিত এসআরবি-কে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষা এবং সন্ত্রাসবাদ, সংগঠিত অপরাধ, সাইবার অপরাধ, মাদকপাচার ও অবৈধ অস্ত্রসহ বিভিন্ন গুরুতর অপরাধ মোকাবিলার দায়িত্ব প্রদান করা হবে।

এছাড়া এর কার্যাবলিতে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রতিরোধ, অপহরণ, হত্যা, গুম, জমি দখল রোধসহ অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সহায়তা করাও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

আদালত, সরকার অথবা পুলিশ মহাপরিদর্শকের নির্দেশ পেলে এই ইউনিট মামলা দায়ের এবং ফৌজদারি তদন্ত পরিচালনা করার সুযোগ পাবে।

ফৌজদারি কার্যবিধি (সিআরপিসি) এবং অন্যান্য প্রযোজ্য আইন সাপেক্ষে এসআরবি কর্মীরা মাদক, অবৈধ অস্ত্র, বিস্ফোরক, সন্ত্রাসবাদ, মানবপাচার, সংগঠিত অপরাধসহ অন্যান্য আমলযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে প্রবেশ, তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেপ্তারের ক্ষমতা সহকারে নিয়োগপ্রাপ্ত হবেন। তবে খসড়ায় গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি এবং জব্দকৃত আলামত অবিলম্বে নিকটস্থ থানায় হস্তান্তর এবং উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন দাখিলের বিধান রাখা হয়েছে।

ফৌজদারি তদন্তের জন্য অন্তত সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া যাবে।

খসড়ায় এসআরবি সদর দপ্তরে আটক কেন্দ্র, মালখানা এবং জিজ্ঞাসাবাদ কক্ষ স্থাপনের বিধান রেখেছে। ‘এসআরবি’ কর্মীদের জন্য খসড়াটিতে বিস্তারিত শৃঙ্খলা কাঠামোর রূপরেখা দেওয়া হয়েছে।

বৈধ আদেশ অমান্য করা, কর্মস্থল ত্যাগ করা, সহকর্মীদের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগ, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় দায়িত্ব পালন, সরকারি সম্পদের অপব্যবহার, অবহেলা এবং অবিলম্বে অর্থ আদায়ের মতো অসদাচরণের জন্য শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।

অবস্থার কারণে অভিযুক্ত কোনো সদস্যকে সুনির্দিষ্ট সুরক্ষাব্যবস্থা সাপেক্ষে আটক রাখা যাবে। এই সুরক্ষাব্যস্থায় অন্তর্ভুক্ত থাকবে আটক সত্ত্বেও কাউকে লিখিত নোটিশ প্রদান, তদন্ত শুরু করা এবং প্রাথমিক কোনো প্রমাণ না পাওয়া গেলে মুক্তি দেয়া।

নাগরিকদের অভিযোগ এবং এসআরবি কর্মীদের ক্ষোভ-বিক্ষোভ সমাধানের জন্য একটি পৃথক ‘অভিযোগ প্রতিকার কমিটি’ গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

কমিটি গঠনের মধ্যে সরকারের প্রতিনিধি, এসআরবির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এবং মানবাধিকার, আইন বা বিচার বিভাগীয় প্রশাসনে অন্তত ১০ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত করার বিধান রাখা হয়েছে।

কমিটিকে অভিযোগ তদন্ত করার, অভিযোগ প্রমাণিত হলে পদক্ষেপের সুপারিশ করার এবং অসন্তোষ পরীক্ষার ক্ষমতা দেওয়া হবে।

এটি ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনও সরকারকে জমা দিতে পারবে।

অন্তর্বর্তীকালীন বিধানের অধীনে, র‌্যাবের সম্পদ, তহবিল, ব্যাংক হিসাব, সম্পত্তি, রেকর্ড এবং চুক্তির বাধ্যবাধকতা এসআরবিতে স্থানান্তরিত হবে।

র‌্যাবের বিদ্যমান সকল কর্মকর্তা এবং সশস্ত্র কর্মীরা এসআরবির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে। নতুন আইনের অধীনে পরবর্তীতে সংশোধিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের বিদ্যমান চাকরির শর্তাবলী অপরিবর্তিত থাকবে।

নতুন আইনের সাথে সঙ্গতি রাখা সাপেক্ষে, বিদ্যমান র‌্যাবের মামলা, আইনি প্রক্রিয়া, বিভাগীয় কার্যক্রম এবং শৃঙ্খলা অব্যাহত থাকবে।

নতুন বিধিমালা প্রণয়ন না হওয়া পর্যন্ত, বিদ্যমান ‘র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যবস্থাপনা (কোর্ট প্রসিডিউর ও ডিপার্টমেন্টাল প্রসিডিংস) রুলস, ২০০৫’ প্রযোজ্য হতে থাকবে।

প্রস্তাবিত আইনটিতে এসআরবি-র কর্মীদের জন্য বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণের বিধান রাখা হয়েছে এবং কার্যক্রম ও তদন্ত-সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণের জন্য সদর দপ্তরে একটি বিশেষ গবেষণা ইউনিট গঠনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

আইনটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিধি ও প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা সরকারের হাতে রাখা হবে। প্রস্তাবিত আইনটি পাস হলে, এটি র‌্যাব থেকে এসআরবিতে রূপান্তরের ক্ষেত্রে একটি বড় প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তন হিসেবে চিহ্নিত হবে।

একইসাথে, বাংলাদেশ পুলিশের নিয়ন্ত্রণে থাকা নতুন কাঠামোর আওতায় বিদ্যমান বাহিনীর জনবল, সম্পদ ও আইনি দায়িত্বের বড় একটি অংশ অক্ষুণ্ন থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিল্লি সফরে আসছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৩ পি.এম


দিল্লি সফরে আসছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট

 

ভারতে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে আসছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে অষ্টাদশ ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন।

পশ্চিম এশিয়ায় চলমান উত্তেজনার মধ্যেই তার নয়াদিল্লিতে আগমন নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে।

ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন এবং দক্ষিণ আফ্রিকা নিয়ে গঠিত হয়েছে ব্রিকস। এই সংগঠন সম্প্রসারণের মাধ্যমে ২০২৪ সালে এতে যুক্ত হয়েছে মিসর, ইথিওপিয়া, ইরান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত। ব্রিকসে ২০২৫ সালে যোগ দেয় ইন্দোনেশিয়া।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এবারের সম্মেলন হবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে জানা যাচ্ছে, ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আবদোলনাসের হেম্মতি জানিয়েছেন, তেহরান শিগগিরই ‘নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকে’ (ব্রিকসের প্রতিষ্ঠিত উন্নয়ন ঋণদানকারী সংস্থা) যোগ দিতে চলেছে। বর্তমানে আমেরিকা ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘাতের অবসানে কোনো শান্তিচুক্তি হয়নি। এর মধ্যেই ডলার-ভিত্তিক আর্থিক ব্যবস্থার বাইরে বিকল্প আর্থিক পথ খোঁজা তেহরানের জন্য একটি বাড়তি উদ্বেগ হিসেবে কাজ করছে।

এদিকে, প্রশ্ন উঠছে যে, ব্রিকস সম্মেলনে তাদের যোগদানের দিকে সবাই নজর রাখবে তা বলাই যায়।

‘ব্রিকস মুদ্রা’ নিয়ে গুঞ্জনের মধ্যে সম্প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্প কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, আমরা ওই দেশগুলোর কাছে একটি প্রতিশ্রুতি চাই যে, তারা মার্কিন ডলারকে প্রতিস্থাপিত করতে ব্রিকসের জন্য কোনো নতুন মুদ্রার প্রচলন করবে না। যদি তারা এমন কিছু করে, তবে শুল্কের মুখে পড়তে হবে একশ শতাংশ।

এই হুঁশিয়ারির কারণে অস্বস্তি বেড়েছে আমেরিকার। যদিও বিকল্প পথের কোনো স্পষ্ট ছবি এখনও মেলেনি। তবে গুঞ্জন ক্রমশ বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে ইরানের প্রেসিডেন্টের ভারতে আগমন নতুন করে হোয়াইট হাউসের উত্তেজনার পারদ চড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, মার্কিন ডলারই আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত মুদ্রা। কিন্তু অনেক দেশ অভিযোগ করেছে যে, আমেরিকাকে তারা নিয়ে ক্লান্তি অনুভব করছে বিশ্ব অর্থনীতিতে।

গত অক্টোবরে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছিলেন, ওয়াশিংটন ডলারকে ‘অস্ত্র’ হিসেবে ব্যবহার করে এক ‘বড় ভুল’ করছে এবং এর ফলে রাশিয়া ডলারের বিকল্প সন্ধানে কাজ করছে। সেখান থেকেই উঠে আসে ব্রিকস মুদ্রার প্রসঙ্গ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ন্যাটো ও ইইউকে ধ্বংসের গোপন ছক কষছে রাশিয়া!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৩ পি.এম


ন্যাটো ও ইইউকে ধ্বংসের গোপন ছক কষছে রাশিয়া!

ন্যাটো এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ‘ভেতর থেকে ধ্বংস’ করতে গোপন ছক কষছে রাশিয়া। এই কাজের নির্দেশ দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, যা রুশ সামরিক ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে দেওয়া হয়েছে। দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদন অনুসারে, ক্রেমলিনের এক গোপন বৈঠক থেকে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

২০২৫ সালের ডিসেম্বরের ওই বৈঠক সম্পর্কে অবগত থাকা দুই দেশের গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মতে, রাশিয়া একটি দ্বিমুখী কৌশল গ্রহণ করেছে। তাদের পরিকল্পনা হলো—ন্যাটোর সম্মিলিত প্রতিরক্ষা সক্ষমতা যাচাই করা এবং সেই সঙ্গে মলদোভার রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করা। মার্কিন গোয়েন্দাদের ধারণা, চলতি বছরের শরৎকালেই ন্যাটো এই সংকটের মুখোমুখি হতে পারে। এই সময়ে সাইবার হামলা, অবকাঠামোতে নাশকতা এবং ন্যাটোর পূর্ব সীমান্তে অজ্ঞাত সশস্ত্র গোষ্ঠীর অনুপ্রবেশের মতো অনেক ঘটনা ঘটতে পারে। পশ্চিমা গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মতে, পুতিনের প্রধান লক্ষ্য ইউক্রেন দখল করা হলেও দ্বিতীয় লক্ষ্য হলো মলদোভা নিয়ন্ত্রণ। মলদোভা-র মাধ্যমে ইউরোপকে অস্থিতিশীল করতে চায় মস্কো।

মস্কোর দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রুশ-নিয়ন্ত্রিত এলাকা থেকে দক্ষিণ ইউক্রেন দখল করে মলদোভা পর্যন্ত একটি সরাসরি করিডোর তৈরির কথা ভাবা হচ্ছে। এটি বাস্তবায়িত হলে ন্যাটোয় অন্তর্ভুক্ত রোমানিয়া এবং ইউক্রেনের মাঝে থাকা ২৪ লাখ মানুষের দেশ মলদোভা পুরোপুরি অরক্ষিত হয়ে পড়বে। এ ছাড়া, মলদোভা বিচ্ছিন্নতাবাদী অঞ্চল ট্রান্সনিস্ট্রিয়ায় রুশ সেনাদের পূর্বে থেকেই উপস্থিতি রয়েছে, যেখান থেকে রাজধানী চিসিনাউ খুবই অদূরে।

শুধু সামরিক আক্রমণই নয়, পরোক্ষ হামলায় মলদোভা কতটা নাজুক, তা সম্প্রতি দেখা গেছে। গেল মার্চে ইউক্রেনের জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে রুশ হামলার কারণে দনিস্টার নদীতে তেল ছড়িয়ে পড়ায় মলদোভা সরকারের তৃতীয় বৃহত্তম শহরের পানির সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীকালে ড্রোন হামলায় মলদোভায় বিদ্যুৎ সরবরাহকারী লাইনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

জার্মানির প্রতিরক্ষাপ্রধান জেনারেল কারস্টেন ব্রেউয়ার জানান, ইউরোপের পূর্ব প্রান্তে প্রতিদিনই এ ধরনের ‘হাইব্রিড হামলা’ চলমান রয়েছে। এই কারণে পোল্যান্ড এবং বাল্টিক দেশগুলো তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর নিরাপত্তা জোরদার করেছে। বাল্টিক অঞ্চলের এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন, এসব হামলার মূল উদ্দেশ্য ধ্বংসযজ্ঞ সৃষ্টি করা নয়, বরং ন্যাটোর মধ্যে রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা তৈরি করা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জন্য বড় সুখবর দিল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৭ পি.এম


অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জন্য বড় সুখবর দিল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জন্য বড় সুখবর ঘোষণা করেছে।

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জন্য সুখবর হলো, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত দেশের কলেজগুলোতে শিক্ষক সংকট কমাতে বিষয়ভিত্তিক খণ্ডকালীন শিক্ষক পুল গঠনের নীতিমালা অনুমোদন করা হয়েছে। এটি শনিবার (১৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের গাজীপুরে মূল ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত একাডেমিক কাউন্সিলের ১০৩তম সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত।

নীতিমালা অনুযায়ী, এই পুলে অবসরপ্রাপ্ত যোগ্য ও অভিজ্ঞ শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষ বিশেষজ্ঞদের যুক্ত করা হবে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, অবসর নেওয়া অভিজ্ঞ শিক্ষকদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে। বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষ বিশেষজ্ঞদের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষার্থীদের শেখানোর সুযোগ তৈরি করতে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক পুল গঠন করা হচ্ছে।

ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর মো. লুৎফর রহমান, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. নাজমুল হোসাইন, স্নাতকোত্তর শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. ফকির রফিকুল আলম, স্নাতকপূর্ব শিক্ষাবিষয়ক স্কুলের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মো. আশেক কবির চৌধুরী, কারিকুলাম উন্নয়ন ও মূল্যায়ন কেন্দ্রের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) ড. এইচ এম রুহুল কুদ্দুস, কাউন্সিলের সদস্যসচিব রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন, সরকারি-বেসরকারি কলেজের অধ্যক্ষসহ ৪৩ জন একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বিভাগীয় প্রধান ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%