০৭:১৫ পি.এম
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, সরকারের পাঁচ বছর মেয়াদি অর্থনৈতিক কৌশলের সঙ্গে সমন্বয় করে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীন ফাউন্ডেশনগুলোকে ক্লাস্টারভিত্তিক কাজ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এসব ফাউন্ডেশনের কয়েকটি আগামী পাঁচ বছরে এক কোটির বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য জানিয়েছে।
শনিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এনইসি অডিটরিয়ামে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর আওতাধীন পিকেএসএফসহ ২২টি ফাউন্ডেশনের ১৮০ দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়নের অগ্রগতি, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার এবং সংস্কার ও উন্নয়নের জন্য পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ তথ্য জানান।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’-এর দার্শনিক ভিত্তির আলোকে ভঙ্গুর অর্থনীতির পুনরুদ্ধার, উত্তরণ ও পুনর্গঠনের মাধ্যমে সমৃদ্ধির পথে যেতে সরকার পাঁচ বছর মেয়াদি অর্থনৈতিক কৌশল অনুমোদন করেছে। এরই আলোকে গত ১৮০ দিনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিবর্তনের মাইলফলক অর্জিত হয়েছে।
আরও পড়ুন: অভ্যর্থনার অপেক্ষা না করেই জনতার ভিড়ে মিশে গেলেন প্রধানমন্ত্রী
তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও সমৃদ্ধির কাজে সবার অংশগ্রহণ প্রয়োজন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সংযুক্ত ফাউন্ডেশনগুলো নিজ নিজ ম্যান্ডেট অনুযায়ী কাজ করার পাশাপাশি পাঁচ বছর মেয়াদি অর্থনৈতিক কৌশলের সঙ্গে নিজেদের কার্যক্রম সমন্বয় করবে। এজন্য ফাউন্ডেশনগুলোকে ক্লাস্টারভিত্তিক কাজের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
উপদেষ্টা বলেন, ফাউন্ডেশনগুলোর কাজের ধরন অনুযায়ী কর্মসংস্থান, দারিদ্র্য বিমোচন, স্বাস্থ্য, নারী উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে তাদের ভূমিকা রয়েছে। এসব কাজ সমন্বিতভাবে এগিয়ে নিতে পাঁচটি বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এর মধ্যে প্রথমটি হলো ‘এক গ্রাম, এক পণ্য’ কর্মসূচির আলোকে সারা দেশে ফাউন্ডেশনগুলোর কার্যক্রম পরিচালনা। এর মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে।
দ্বিতীয়ত, বিদ্যুতের গ্রাহকদের উৎপাদকে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে ফাউন্ডেশনগুলোর ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: বিশ্ববাসী একদিন বাংলাদেশের উদাহরণ দেবে : তারেক রহমান
তিনি বলেন, আগামী পাঁচ বছরে সৌরবিদ্যুৎ থেকে পাঁচ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। এর মধ্যে ফাউন্ডেশনগুলো এরই মধ্যে দুই গিগাওয়াটের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভবিষ্যতে এ পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।
স্বাস্থ্যখাতের বিষয়ে রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন প্রয়োজন। একসময় সংক্রামক রোগ বেশি থাকলেও এখন জীবনযাপনজনিত রোগের প্রকোপ বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য খাতের সক্ষমতা বাড়াতে ফাউন্ডেশনগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন