০৪:২৯ এম
পিরোজপুরে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে একজনকে ১০ বছরের আটকাদেশ (কারাদন্ড) প্রদান করেছে আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে পিরোজপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো: আসাদুল্লাহ আসামীর উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন। দন্ডপ্রাপ্ত আসামী হলেন বাধন বসু (১৭), যিনি ভান্ডরিয়া উপজেলার উত্তর ভিটাবাড়িয়া গ্রামের গৌতম বসু ও শিখা রানীর পুত্র। রায়ের পর বাদী পক্ষ সন্তুষ্ট নয় বলে জানিয়েছেন বাদী রোকসানা বেগম।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ১৪ অক্টোবর ভান্ডারিয়ার ভিটাবাড়িয়া গ্রামের এক গৃহবধু রোকসানা বেগম তার ছোট মেয়ে ও শ্বশুরকে রেখে বরিশালে চিকিৎসার জন্য যান। রাতে শ্বশুর ঘুমিয়ে পড়লে সুযোগ পেয়ে আসামী বাধন ভিকটিমকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। এই ঘটনার পর ভিকটিমের মা রোকসানা বাদী হয়ে ভান্ডারিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আসামী দোষী সাব্যস্ত হলে আদালত এই রায় প্রদান করে। মামলার বাদী রোকসানা বেগম জানান, ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়া শিশুকে একা পেয়ে তাকে ধর্ষণ করেছে বাধন। তিনি আরও বলেন, "আমরা উপযুক্ত বিচার পাইনি। আসামীর সর্বোচ্চ শাস্তি হলে উপযুক্ত বিচার হতো।"
নারী-শিশু আদালতের পিপি নুরুল ইসলাম সরদার শাহজাহান জানান, শিশু ধর্ষণ অভিযোগের মামলাটি প্রসিকিউশনের পক্ষে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আসামীকে ১০ বছরের আটকাদেশ (কারাদন্ড) প্রদান করেছে।
আরও পড়ুন: বুকব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন