ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শিক্ষার্থীর সাফল্যের পেছনে বাবা-মায়ের ত্যাগ অপরিসীম: মাহদী আমিন


শিক্ষার্থীর সাফল্যের পেছনে বাবা-মায়ের ত্যাগ অপরিসীম: মাহদী আমিন

প্রতিটি শিক্ষার্থীর সাফল্য ও অর্জনের পেছনে বাবা-মায়ের ত্যাগ, ভালোবাসা, ধৈর্য এবং কঠিন সংগ্রামের গল্প রয়েছে, এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

তিনি ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) ৩৮তম সমাবর্তনে বক্তৃতা প্রদানকালে এ কথা বলেন। শিক্ষার্থীদের অর্জনের পেছনে পরিবারের অবদানের কথা স্মরণ করে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের আহ্বান জানান তিনি।

মাহদী আমিন বলেন, স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর সমাবর্তনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের জীবনে একটি বিশেষ মুহূর্ত আসে। এই দিনটি তারা চিরকাল মনে রাখবেন। সমাবর্তনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শেষ করে নতুন পথে যাত্রা শুরু করছেন।

আরও পড়ুন: অষ্টম শ্রেণিতে পিথাগোরাসের গণিতবিদ্যা ও জ্যামিতিক সমস্যা

শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়ে তিনি বলেন, তাদের সামনে উচ্চশিক্ষা, মাস্টার্স এবং পিএইচডি অর্জনের সুযোগ রয়েছে, পাশাপাশি পেশাগত জীবনে প্রবেশ কিংবা নতুন উদ্ভাবনের মতো সম্ভাবনাও রয়েছে। কেউ বাংলাদেশে, কেউ বিদেশে নিজের ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন দেখছেন। আজকের অর্জিত ডিগ্রি তাদের সমৃদ্ধ ও আলোকিত ভবিষ্যৎ গড়তে প্রস্তুত করবে।

তবে ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখার পাশাপাশি অতীতের পথচলার কথাও স্মরণ রাখার আহ্বান জানান মাহদী আমিন। তিনি বলেন, শিক্ষাজীবনে শিক্ষার্থীদের নির্ঘুম রাত কাটাতে হয়েছে, পরীক্ষার উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা সামলাতে হয়েছে এবং গবেষণাগারে নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে। এসব বাধা পেরিয়ে আজকের অবস্থানে পৌঁছানোর পেছনে তাদের নিজেদের পরিশ্রমের পাশাপাশি পরিবারের অবদানও রয়েছে।

মাহদী আমিন বলেন, বাংলাদেশ কিংবা বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে একজন শিক্ষার্থীর সাফল্যের পেছনে বাবা-মায়ের ভালোবাসা ও ত্যাগ জড়িয়ে থাকে। তাদের ধৈর্য, ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি এবং কঠিন সংগ্রাম সন্তানের অর্জনের পথ তৈরি করে দেয়। তাই পরিবারের সদস্যদের অবদান কখনো ভুলে যাওয়া উচিত নয়। তাদের প্রতি হৃদয় থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে হবে।

আইইউটির সঙ্গে নিজের রাজনৈতিক দলের ঐতিহাসিক সম্পৃক্ততার কথাও তুলে ধরেন মাহদী আমিন। তিনি বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাতকে সঙ্গে নিয়ে আইইউটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। এ কারণে মুসলিম ভ্রাতৃত্বের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে।

আরও পড়ুন: যবিপ্রবির শিক্ষার্থী তানভীরুল হককে কান ফাটানোর ঘটনায় সাময়িক বহিষ্কার

তিনি আরো বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বহুবার আইইউটি ক্যাম্পাসে এসেছেন এবং সমাবর্তনে অংশ নিয়েছেন। তার বিশ্বাস, বিএনপি সরকার পরিচালনার দায়িত্বে থাকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও আগামী দিনে একইভাবে এ ক্যাম্পাসে আসবেন।

সমাজের প্রতি দায়িত্ব পালনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মাহদী আমিন বলেন, শিক্ষার্থীদের এমন মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে হবে, যারা সমাজের কল্যাণে কাজ করবেন। মানুষের ক্ষমতায়ন, বিশেষ করে নারী, শিশু এবং তরুণদের ক্ষমতায়নে তাদের কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। এ দায়িত্ব থেকে কখনো পিছিয়ে আসা উচিত নয়।

শিক্ষক, পরিবার এবং শিক্ষার ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, শিক্ষকেরা শিক্ষার্থীদের জ্ঞান দিয়েছেন, পরিবার দিয়েছে শেকড় ও আত্মপরিচয়, আর শিক্ষা ও অর্জিত ডিগ্রি দিয়েছে সামনে এগিয়ে যাওয়ার ডানা। তবে কোন পথে এগিয়ে যাবেন, সেই সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদেরই নিতে হবে। নিজেদের মেধা ও সামর্থ্য কীভাবে কাজে লাগাবেন এবং বৃহত্তর সমাজের প্রতি দায়িত্ব কীভাবে পালন করবেন, তা নির্ধারণ করতে হবে তাদেরই।

মাহদী আমিন বলেন, শিক্ষার্থীদের অর্জিত ডিগ্রি তাদের সামনে বাংলাদেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিশ্বে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের সুযোগ তৈরি করেছে। এই অর্জন কাজে লাগিয়ে আইইউটি, পরিবার, সমাজ ও দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনতে হবে। একই সঙ্গে নিজেদের পেশাগত জীবনেও সাফল্যের আলো ছড়িয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: কুবিতে ৮০ লাখ টাকার মাস্টারপ্ল্যান, প্রথম ধাপে নির্মিত হবে অ্যাসেম্বলি পয়েন্ট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমতলী চৌরাস্তায় নেই ট্রাফিক পুলিশ বক্স, প্রতিকূল পরিবেশে ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৩ পি.এম


আমতলী চৌরাস্তায় নেই ট্রাফিক পুলিশ বক্স, প্রতিকূল পরিবেশে ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে
আমতলী পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ বাঁধঘাট চৌরাস্তায় ট্রাফিক পুলিশ বক্স না থাকায় প্রতিকূল পরিবেশে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের। প্রচণ্ড রোদ, বৃষ্টি ও ঝড় উপেক্ষা করে সড়কে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, যানজট নিরসন এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কাজ করছেন তাঁরা। অথচ দায়িত্ব পালনের জন্য নেই নির্ধারিত আশ্রয়স্থল।

এতে পুলিশ সদস্যদের কর্মপরিবেশ ও স্বাচ্ছন্দ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একই সঙ্গে ব্যস্ত এ সড়কে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করতে দ্রুত একটি ট্রাফিক পুলিশ বক্স স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আমতলী পৌর শহরের বাঁধঘাট চৌরাস্তা ঢাকা–কুয়াকাটা মহাসড়কের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল। এ পথে প্রতিদিন যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাক, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল, অটোরিকশাসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে। স্থানীয় যানবাহনের পাশাপাশি দূরপাল্লার পরিবহন চলাচলের কারণে গুরুত্বপূর্ণ এ মোড়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সদস্যদের সার্বক্ষণিক তৎপর থাকতে হয়।

বিশেষ করে যানবাহনের চাপ বাড়লে সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা ও নির্বিঘ্নে যান চলাচল নিশ্চিত করা তাঁদের জন্য বাড়তি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।
কিন্তু এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ট্রাফিক পুলিশের জন্য নির্ধারিত বক্স কিংবা পর্যাপ্ত আশ্রয় ও বিশ্রামের ব্যবস্থা না থাকায় দায়িত্ব পালনে নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। প্রচণ্ড রোদে দীর্ঘ সময় সড়কে দাঁড়িয়ে কাজ করা যেমন কষ্টসাধ্য, তেমনি বৃষ্টি ও ঝড়ের সময় নিরাপদ আশ্রয় পাওয়াও কঠিন হয়ে পড়ে। অনেক ক্ষেত্রে প্রতিকূল আবহাওয়া থেকে সাময়িক রক্ষা পেতে রাস্তার পাশের দোকানে আশ্রয় নিতে হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

ট্রাফিক পুলিশ বক্স কেবল রোদ-বৃষ্টি থেকে রক্ষার আশ্রয়স্থল নয়; এটি ট্রাফিক কার্যক্রম পরিচালনা, প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও সরঞ্জাম সংরক্ষণ এবং দায়িত্ব পালনের মধ্যবর্তী সময়ে নিরাপদে অবস্থানের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ফলে ব্যস্ত এই চৌরাস্তায় একটি উপযুক্ত পুলিশ বক্স স্থাপন করা হলে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার পরিবেশ আরও উন্নত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

মানবাধিকার কর্মী আবদুর রহমান সালেহ বলেন: ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কটি ব্যস্ততম সড়ক এ সড়কে ট্রাফিক ব্যাবস্থা আরো উন্নত, নিরাপদ হওয়া দরকার যাতে ট্রাফিক পুলিশ ভাইয়েরা নিজ দ্বায়িত্ব পালনে আরো বেশি উৎসাহিত হয়।

আমতলী থানার ট্রাফিক সাব-ইন্সপেক্টর নারায়ণ চন্দ্র মিত্র বলেন, “আমতলী চৌরাস্তায় একটি ট্রাফিক পুলিশ বক্স স্থাপন করা হলে আমাদের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের কাছে ট্রাফিক পুলিশের সেবা পৌঁছে দেওয়া সহজ হবে।”
তিনি আরও জানান, প্রতিকূল আবহাওয়ায় দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বিভিন্ন সময়ে রাস্তার পাশের দোকানে আশ্রয় নিতে হয়। একটি নির্দিষ্ট পুলিশ বক্স থাকলে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সময়ে নিরাপদে অবস্থান করাও সম্ভব হবে।

আমতলী থানার ট্রাফিক ইন্সপেক্টর সঞ্জীব মিত্র জানান, বিষয়টি জেলা পুলিশ সুপারকে অবহিত করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সুপার লিখিতভাবে জেলা প্রশাসককে বিষয়টি জানিয়েছেন। সমস্যাটির বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে আমতলীর সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) উপযুক্ত জমি চিহ্নিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের এ তথ্য অনুযায়ী, জমি চিহ্নিতকরণ ও প্রশাসনিক উদ্যোগের অগ্রগতির ওপর ট্রাফিক পুলিশ বক্স স্থাপনের পরবর্তী কার্যক্রম নির্ভর করছে। তবে কবে নাগাদ জমি চিহ্নিতকরণ এবং বক্স নির্মাণের কাজ শুরু হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সময়সীমা জানা যায়নি।

নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার প্রত্যাশা
সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে ট্রাফিক পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ দায়িত্ব পালনের জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও সরঞ্জামের পাশাপাশি নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করাও জরুরি।

বিশেষ করে মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে দায়িত্ব পালনকারী সদস্যদের জন্য উপযুক্ত আশ্রয়স্থল থাকলে প্রতিকূল আবহাওয়ায় কাজের চাপ সামলানো সহজ হতে পারে।
একটি ট্রাফিক পুলিশ বক্স স্থাপন করা হলে পুলিশ সদস্যদের সাময়িক বিশ্রাম, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও নথিপত্র সংরক্ষণ এবং ট্রাফিক কার্যক্রম সমন্বয়ে বাড়তি সুবিধা তৈরি হতে পারে।

পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজনে সাধারণ মানুষও দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগের একটি নির্দিষ্ট স্থান পেতে পারেন।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, জনস্বার্থ ও সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে জেলা পুলিশ, জেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট ভূমি প্রশাসন সমন্বিত উদ্যোগে দ্রুত উপযুক্ত স্থান নির্ধারণ ও ট্রাফিক পুলিশ বক্স স্থাপনের কার্যকর ব্যবস্থা নেবে। এতে পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালনের পরিবেশ উন্নত হওয়ার পাশাপাশি আমতলী চৌরাস্তায় যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও সড়কে শৃঙ্খলা রক্ষার কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
 

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রী খুলনার খান সাইফুলের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫০ পি.এম


প্রধানমন্ত্রী খুলনার খান সাইফুলের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন

খুলনা মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক খান সাইফুলের চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে পরিচিত।

সম্প্রতি খুলনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় খান সাইফুলের একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হয়। এর পর প্রধানমন্ত্রী তাঁর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে সাইফুলের চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে এবং সার্বিক খোঁজখবর নেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অধ্যাপক ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহর তত্ত্বাবধানে সাইফুলের চিকিৎসার কার্যক্রম শুরু হয়।

রোববার (১১ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নুরুজ্জামান খানের অধীনে ভর্তি করা হয় খান সাইফুলকে।

সাইফুলের চিকিৎসা সম্পর্কে অধ্যাপক ডা. মো. নুরুজ্জামান খান জানান, আগামী এক থেকে দুই দিনের মধ্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হবে। এই বোর্ডের মাধ্যমে সাইফুলের চিকিৎসার কার্যক্রম চলমান থাকবে।

এ সময় হাসপাতালের অ্যানেসথেশিয়া বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. এ জেড এম সাইফউদ্দিন, ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্যসচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন (মিথুন), ড্যাবের আইনবিষয়ক সম্পাদক ডা. এম আর হাসান, আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. মাজহারুল ইসলাম, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসনাইন নাহিয়ান সজীব, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক ডা. জহিরুল ইসলাম, ছাত্রদল নেতা মশিউর রহমান মহান এবং শেকৃবি ছাত্রদল নেতা শোআইব ইসলামসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে তৎকালীন সরকারের পুলিশের নির্যাতনের শিকার হওয়ার পর থেকে খান সাইফুল দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতায় ভুগছেন। এর আগে বিভিন্ন সময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা করা হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাষ্ট্রীয় খরচে দেশে আনা হবে রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় নিহত ২ বাংলাদেশির মরদেহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫০ পি.এম


রাষ্ট্রীয় খরচে দেশে আনা হবে রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় নিহত ২ বাংলাদেশির মরদেহ

সৌদি আরবের রিয়াদে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুতিদের হামলায় ২ জন বাংলাদেশি নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জানিয়েছেন, নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ রাষ্ট্রীয় খরচে দেশে আনা হবে। একই ঘটনায় আরো ৪ বাংলাদেশি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

রবিবার (১১ অক্টোবর) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, হামলায় ২ বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মরদেহ দেশে আনার ব্যবস্থা রাষ্ট্রীয় খরচে করা হবে। তিনি আরও জানান, কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় ৪ বাংলাদেশি নাগরিক বর্তমানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন। আহত ও নিহতদের পরিচয় শনাক্তের প্রক্রিয়া চলছে বলেও তিনি জানান।

গত শনিবার হুতিদের হামলায় দুই বাংলাদেশিসহ মোট ১২ জন নিহত এবং ৩০৯ জন আহত হয়েছেন। বাংলাদেশ সরকার এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহত ও আহত বাংলাদেশিদের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে রিয়াদে বাংলাদেশ মিশন সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। বাংলাদেশ সরকার নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও আন্তরিক সমবেদনা জানিয়ে আহতদের দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতা কামনা করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অক্টোবরজুড়ে সাইবার নিরাপত্তায় বিশেষ কর্মসূচি ডিএসইর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫১ পি.এম


অক্টোবরজুড়ে সাইবার নিরাপত্তায় বিশেষ কর্মসূচি ডিএসইর

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) প্রথমবারের মতো অক্টোবর মাসজুড়ে বিশেষ সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে, যা পুঁজিবাজারের প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রমে সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করার উদ্দেশ্যে। এই কর্মসূচির আওতায় কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ট্রেকহোল্ডারদের জন্য সচেতনতামূলক প্রচার, অনলাইন প্রশিক্ষণ, কুইজ প্রতিযোগিতা এবং সফল অংশগ্রহণকারীদের স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ডিএসইর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রোববার (১১ অক্টোবর) এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাস ২০২৬ উপলক্ষে গৃহীত এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো ডিএসইর কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ট্রেকহোল্ডারদের মধ্যে সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা, অনলাইন প্রতারণা সম্পর্কে সতর্কতা তৈরি করা এবং নিরাপদ ডিজিটাল কার্যক্রমে উৎসাহিত করা। একই সঙ্গে সাইবার ঝুঁকি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সবার মধ্যে দায়িত্বশীল আচরণ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে ডিএসই প্রাঙ্গণে সাইবার নিরাপত্তাবিষয়ক সচেতনতামূলক ফেস্টুন ও ব্যানার প্রদর্শন করা হয়েছে। কর্মকর্তাদের কম্পিউটারে সচেতনতামূলক ডেস্কটপ ওয়ালপেপার ব্যবহারের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে সন্দেহজনক ই-মেইল, ক্ষতিকর লিংক এবং সম্ভাব্য সাইবার ঝুঁকি শনাক্ত ও মোকাবিলায় সংশ্লিষ্টদের সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

ডিএসই ট্রেকহোল্ডারদের জন্য অনলাইনভিত্তিক প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে। জুম প্ল্যাটফর্মে বিভিন্ন দলে ভাগ করে এসব প্রশিক্ষণ সেশন পরিচালনা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে পুঁজিবাজারের লেনদেন ও অন্যান্য প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিদের সাইবার নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সম্পর্কে বাস্তবভিত্তিক ধারণা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া ট্রেকহোল্ডারদের সাইবার নিরাপত্তাবিষয়ক জ্ঞান যাচাই এবং এ বিষয়ে তাঁদের আগ্রহ বাড়াতে অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিযোগীদের উত্তর মূল্যায়ন করে বিজয়ীদের নির্বাচন করা হবে।

কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের উৎসাহিত করতে সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জনকারী ট্রেকহোল্ডারদের স্বীকৃতি দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ডিএসইর নিয়মিত ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট’ অনুষ্ঠানে নির্বাচিত সেরা পারফরম্যান্সকারী ট্রেকহোল্ডারদের স্বীকৃতি ও সনদ দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে পুঁজিবাজারের অংশীজনদের সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগে আরও সক্রিয়ভাবে যুক্ত করতে চায় প্রতিষ্ঠানটি।

ডিএসইর সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর সমন্বয়ে মাসব্যাপী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি নিরাপত্তা বিভাগ কর্মসূচির পরিকল্পনা, সচেতনতামূলক উপকরণ তৈরি, প্রশিক্ষণ সেশন পরিচালনা এবং কুইজ প্রতিযোগিতা আয়োজনের দায়িত্ব পালন করছে। এ ছাড়া আইটি অবকাঠামো, নেটওয়ার্ক, জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগ এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কার্যালয় প্রয়োজন অনুযায়ী সহযোগিতা করছে।

ডিএসই মনে করে, পুঁজিবাজারের প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রম নিরাপদ রাখতে শুধু প্রযুক্তিগত সুরক্ষাব্যবস্থা যথেষ্ট নয়; সংশ্লিষ্ট সবার সচেতনতা ও দায়িত্বশীল আচরণও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সন্দেহজনক অনলাইন কার্যক্রম শনাক্ত করা, ক্ষতিকর লিংক এড়িয়ে চলা এবং সম্ভাব্য সাইবার ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক থাকার মাধ্যমে নিরাপত্তাঝুঁকি কমানো সম্ভব।

প্রতিষ্ঠানটির মতে, মাসব্যাপী এ সমন্বিত উদ্যোগ ডিএসই ও এর অংশীজনদের মধ্যে সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা জোরদার করবে। একই সঙ্গে পুঁজিবাজারের প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রমকে আরও নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য করে তুলতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%