ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিনিয়োগ আকর্ষণে বড় বাধা সুষ্ঠু পরিকল্পনার অভাব


বিনিয়োগ আকর্ষণে বড় বাধা সুষ্ঠু পরিকল্পনার অভাব

বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের ক্ষেত্রে একটি বড় বাধা সুষ্ঠু পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনার অভাব। তবে যদি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ, কার্যকর নীতিমালা এবং যথাযথ তদারকি নিশ্চিত করা যায়, তাহলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং শিল্পের প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা সম্ভব হবে। বাংলাদেশ-চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিসিসিসিআই) সভাপতি মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য জানান। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন ইসমাঈল হোসাইন সোহেল।

আমার দেশ : আপনাকে স্বাগতম।

খোরশেদ আলম : ধন্যবাদ।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ ব্যাংক ২ কোটি ডলার বিক্রি করেছে

আমার দেশ : সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বিসিসিসিআইকে আরো গতিশীল করতে আপনার প্রাথমিক অগ্রাধিকারগুলো কী?

খোরশেদ আলম : গত বছরের অক্টোবরে আমি এখানে দায়িত্ব গ্রহণ করি। এর আগে আমি এই চেম্বারের উপদেষ্টা হিসেবে ছিলাম। সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর আমি প্রথমেই বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাক্ষাৎ করি বিসিসিসিআই প্রতিনিধিদের নিয়ে। আমাদের দেশে উন্নয়নের জন্য চীনের কী ধরনের সহযোগিতা প্রয়োজন, সে বিষয়ে ছয়টি দাবি তুলে ধরি। আমার ভিশন হলো এই ছয়টি কাজ আগে করা।

আমার দেশ : অগ্রাধিকারের সেই ছয়টি বিষয় কী?

খোরশেদ আলম : প্রথমত, বাংলাদেশে চীন থেকে প্রচুর আমদানি হয় এবং আমরা বড় একটি অংশ রপ্তানি করি। আমাদের মধ্যে একটি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। কিন্তু আমদানি-রপ্তানির জন্য এখানে চীনের কোনো ব্যাংক নেই, যেখানে শ্রীলঙ্কার মতো দেশেরও একটি ব্যাংক রয়েছে। চীন একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক দেশ; তাদের একটি ব্যাংক আমাদের দেশে প্রয়োজন। আমরা বলেছি, তোমাদের একটি ব্যাংক এখানে খোলার ব্যবস্থা করে দাও, এতে আমরা সরাসরি চাইনিজ কারেন্সিতে তোমাদের পে করে কাঁচামাল আনতে পারব। আমরা তোমাদের কাছে যেটা রপ্তানি করি, সে টাকাও কাজে লাগাতে পারব। এতে আমাদের খরচ কমবে এবং আমাদের ‘ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল’ও বাড়বে।

আরও পড়ুন: বড় মূলধনি ও অবকাঠামো কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে আনতে শর্ত শিথিল করেছে বিএসইসি

দ্বিতীয়ত, আমি ম্যানমেইড ফাইবারের (এমএমএফ) কারখানা স্থাপনের আহ্বান জানিয়েছি। কারণ, বর্তমান বিশ্বে এমএমএফের ব্যাপক প্রচলন হয়েছে। আমরা যেটা বানাচ্ছি, সেটা হলো কাঁচামাল এনে তারপর বানাচ্ছি। আমরা বলেছি, এখানে একটি এমএমএফ ইন্ডাস্ট্রি তারা যেন স্থাপন করে বা জয়েন্ট ভেঞ্চারে বিনিয়োগ করে। তৃতীয়ত, আমাদের পুঁজিবাজারে চীনের বিনিয়োগ প্রয়োজন। আমাদের পুঁজিবাজারের বর্তমান অবস্থা ভালো নয়; এখানে যদি তোমরা ইনভেস্ট কর, তবে ভবিষ্যতে তোমরা ভালো লাভ করতে পারবে।

চতুর্থত, আমাদের এখানে ইপিজেড বা অর্থনৈতিক অঞ্চলে চীনের বিনিয়োগ চাচ্ছি। পঞ্চম হলো, চীনে রপ্তানি বাড়াতে তাদের বিভিন্ন শহরে ডিপার্টমেন্টাল স্টোর ফ্রি অব কস্টে দেওয়ার কথা বলেছি, যাতে সে দেশের মানুষ আমাদের পণ্য সম্পর্কে অবহিত হতে পারে। সবশেষ দাবি ছিলÑচীনের উদ্যোগে বাংলাদেশে ২০টি পলিটেকনিক স্কুল করে এখানকার ছেলেমেয়েদের হাতে-কলমে প্রযুক্তি শিক্ষা দেওয়া।

আমার দেশ : চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনতে আপনার সুনির্দিষ্ট পরামর্শ কী?

খোরশেদ আলম : চীন বাংলাদেশে ১৭ থেকে ১৮ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি করে। অন্যদিকে আমরা মাত্র ৭৮০ মিলিয়ন ডলার রপ্তানি করছি। এই গ্যাপটি পূরণ করার জন্য আমাদের চীনের সঙ্গে রপ্তানি বাড়াতে হবে। এর জন্য একটি পদক্ষেপ হতে পারে চীনের বিভিন্ন শহরে আমাদের পণ্য প্রদর্শনী বা বিক্রির জন্য ২০টি আউটলেটের অনুমতি পাওয়া। এর জন্য আমাদের কোনো টাকা দিতে হবে না। এখানে বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় সব ধরনের পণ্য থাকবে। আমরা ছয় মাস সেখানে পর্যবেক্ষণ করব যে, আমাদের কোন পণ্যটি তারা চাচ্ছে। আমাদের দেশে কী কী পণ্য হয়, কারা এখানে বিনিয়োগ করতে চায়Ñএ ধরনের সহযোগিতার জন্য আমাদের চায়না চেম্বারের একটি ছোট কাউন্টার থাকবে। এটা আমার একটি ভিশন। আমি এটা করব।

আরও পড়ুন: আজ থেকে ৫ দিন বন্ধ ব্যাংক, কিছু সেবা চালু থাকবে

আমার দেশ : আপনাদের প্রস্তাবের বিপরীতে এখন পর্যন্ত চীনের পক্ষ থেকে কী ধরনের সাড়া পেয়েছেন?

খোরশেদ আলম : সর্বশেষ তথ্য হলোÑচীন আমাদের বিনা ভাড়ায় কুনমিংয়ে ২০০০ বর্গমিটারের একটি ডিপার্টমেন্টাল স্টল দিতে রাজি হয়েছে। এর পাশে আরো ২০০০ মিটারের একটি গুদাম দেওয়ার কথাও আমরা বলেছি। তারা এ নিয়ে সরকারিভাবে ইপিবির সঙ্গে যোগাযোগ করছে। আমরা মনে করি, এটি আমাদের বিরাট পাওনা।

আমার দেশ : বিদেশি বিনিয়োগ আসার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের কী ধরনের প্রতিবন্ধকতা আছে? এগুলো থেকে উত্তরণে আপনার পরামর্শ কী?

খোরশেদ আলম : বর্তমানে আমাদের যেসব সরকারি প্রতিষ্ঠান কাজ করছে, এসব বিষয়ে তাদের অভিজ্ঞতা কম। অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশে এখনো প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনার ঘাটতি রয়েছে। আমার মতে, এটিই বিদেশি বিনিয়োগে সবচেয়ে বড় বাধা। এ কারণে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগকারীরা আসেননি। ধরুন, আপনি চট্টগ্রাম বা ঢাকার কোথাও একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলবেন। প্রথমেই আপনাকে ঠিক করতে হবে সেখানে কী ধরনের শিল্প স্থাপন করবেন—চামড়া, গার্মেন্টস, সিরামিক নাকি টেক্সটাইল। এরপর একটি কারখানা স্থাপনে ন্যূনতম কত বিঘা জমি প্রয়োজন এবং একজন বিনিয়োগকারীকে কতটুকু জমি দেওয়া হবে, তা আগে থেকেই পরিকল্পনা করতে হবে। টেক্সটাইল শিল্পের জন্য একটি কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার (ইটিপি) স্থাপন করতে হবে। এতে প্রতিটি কারখানাকে আলাদাভাবে ইটিপি স্থাপন করতে হবে না। কারখানাগুলোর বর্জ্যপানি কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনায় শোধন করে পুনঃব্যবহারের উপযোগী করা যাবে। এ ধরনের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে চীনের বিশেষজ্ঞদের প্রযুক্তিগত সহায়তা নেওয়া যেতে পারে।

আরও পড়ুন: দেশের বাজারে ২২ ক্যারেট সোনার দাম ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা

দ্বিতীয়ত, অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভেতরে একটি ছোট টার্মিনাল থাকতে হবে। কাঁচামাল আনা বা পণ্য সরবরাহের সময় প্রতিটি কারখানার দরজায় ট্রাক নিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে নির্দিষ্ট স্থানে পণ্য উঠানো-নামানোর ব্যবস্থা থাকবে।

তৃতীয়ত, সেখানে ফর্কলিফটসহ প্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহন সুবিধা থাকতে হবে। প্রতিটি কারখানাকে আলাদাভাবে এসব সরঞ্জাম কিনতে হবে না। এ ছাড়া একটি ফায়ার স্টেশনসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও সেবার ব্যবস্থা রাখতে হবে। এসব সুবিধা কেন্দ্রীয়ভাবে নিশ্চিত করা গেলে কারখানাগুলোর ব্যয় কমবে।

একইভাবে ডাইং কারখানার জন্য আলাদা আলাদা বয়লার স্থাপনের পরিবর্তে কেন্দ্রীয় বয়লারের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এতে প্রতিটি কারখানাকে আলাদাভাবে বয়লার কিনতে হবে না। ফলে ব্যয়, গ্যাসের অপচয় এবং নিরাপত্তা ঝুঁকি কমবে। এ ধরনের একটি শিল্পাঞ্চল সম্পূর্ণ প্রস্তুত করে বিনিয়োগকারীদের আহ্বান জানানো হলে ছয় মাসের মধ্যে বিনিয়োগকারীরা প্লট নিতে পারেন এবং দুবছরের মধ্যে শিল্পকারখানাগুলো উৎপাদনে যেতে পারে।

আমার দেশ : প্রচলিত পোশাকশিল্পের বাইরে আর কোন কোন খাতে চীনা বিনিয়োগ আকর্ষণ সম্ভব। এ জন্য করণীয় কী?

আরও পড়ুন: জ্বালানি খাত অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে: অর্থমন্ত্রী

খোরশেদ আলম : নবায়নযোগ্য জ্বালানির ক্ষেত্রে শুধু সৌরবিদ্যুতের ওপর নির্ভর করলে হবে না। বায়ুবিদ্যুৎ উৎপাদনের মতো প্রযুক্তিও বিবেচনায় নিতে হবে। চীনে এ ধরনের নতুন প্রযুক্তি রয়েছে। এ ছাড়া পৌরসভার বর্জ্য ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রযুক্তিও বাংলাদেশে কাজে লাগানো যেতে পারে। সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সূর্যালোকের ওপর নির্ভরশীল হলেও বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে বিকল্প উৎস তৈরি করা সম্ভব। চীন এসব প্রযুক্তি বাংলাদেশে সরবরাহের বিষয়ে প্রস্তাব দিয়েছে। সরকারের উচিত দ্রুত তাদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রযুক্তি স্থানান্তর ও বিনিয়োগের উদ্যোগ এগিয়ে নেওয়া।

এ ছাড়া অটোমোবাইল, চামড়া, ওষুধশিল্প ও স্বাস্থ্য খাতেও বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। যৌথ উদ্যোগে হাসপাতাল স্থাপনের বিষয়টিও বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে ওষুধশিল্পে বিদেশি বিনিয়োগ ও প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে বিদ্যমান বাজারব্যবস্থা এবং স্থানীয় কোম্পানিগুলোর স্বার্থের বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে।

আমার দেশ : দেশের বর্তমান পরিবর্তিত প্রেক্ষাপট ও অর্থনৈতিক সংস্কারের সময়ে চীনা বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে ধরে রাখতে ও নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে বিসিসিসিআইয়ের পরামর্শ কী?

খোরশেদ আলম : বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে হলে বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। বিনিয়োগের আগে কী ধরনের অবকাঠামো ও সেবা দেওয়া হবে, তা পরিকল্পিতভাবে নির্ধারণ করা জরুরি। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা কাঁচামাল এনে পণ্য উৎপাদন করে বিদেশে রপ্তানি করতে চাইলে সে প্রক্রিয়া সহজ করতে হবে। এছাড়া নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। বর্তমানে চাঁদাবাজি ও নিরাপত্তাহীনতা নিয়েও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা কোথাও কোথাও আতঙ্ক তৈরি করছে। এসব সমস্যা বিনিয়োগকারীদের সিদ্ধান্তে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

আরও পড়ুন: সরকারি চাকরিজীবীদের ভাতা নির্ধারণ হবে ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে

চীনা বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

বিশেষ করে উত্তরা থেকে সাভার ইপিজেড ও আশুলিয়ায় যাতায়াতে বেহাল সড়ক এবং যানজট তাদের জন্য সমস্যা তৈরি করছে। শিল্পাঞ্চলে বিনিয়োগ বাড়াতে হলে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করতে হবে। ফ্লাইওভার নির্মাণের পাশাপাশি নিচের সড়ক ও সংযোগ ব্যবস্থাও পরিকল্পিতভাবে উন্নত করা প্রয়োজন। এ ছাড়া ট্রেড লাইসেন্স করতে গিয়ে বিদেশি কোম্পানিগুলোকে হয়রানি ও অতিরিক্ত অর্থ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এসব বিষয় বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি করে। ট্রেড লাইসেন্সসহ সরকারি সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া স্বচ্ছ করতে হবে এবং অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করা প্রয়োজন।

আমার দেশ : দেশের নতুন ও তরুণ উদ্যোক্তাদের যারা চীনের সঙ্গে বাণিজ্য করতে আগ্রহী, তাদের উদ্দেশে আপনার পরামর্শ কী?

খোরশেদ আলম : চীনের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বাড়াতে হলে প্রথমে চীনা ভাষা সম্পর্কে ধারণা অর্জন করতে হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিপণন, বিক্রয় কৌশল এবং পণ্যের বাজার সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। শুধু প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি অর্জন করলেই হবে না; হাতে-কলমে প্রশিক্ষণও প্রয়োজন। চীনে কোন কোন বাংলাদেশি পণ্যের চাহিদা রয়েছে, তা নিয়ে গবেষণা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে চীনা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করা যেতে পারে। বাংলাদেশে উৎপাদিত পণ্য তাদের সামনে তুলে ধরতে হবে এবং চীনের ক্রেতা ও বিপণনসংশ্লিষ্টদের বাংলাদেশে এনে সেমিনার আয়োজনের মাধ্যমে বাজারের চাহিদা সম্পর্কে ধারণা নিতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কালিয়াকৈরে পিচঢালাই রাস্তা এখন কাদার সাগর, দ্রুত মেরামতের দাবি এলাকাবাসীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:০৫ এম


কালিয়াকৈরে পিচঢালাই রাস্তা এখন কাদার সাগর, দ্রুত মেরামতের দাবি এলাকাবাসীর

গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ডালাস রাস্তার মাটিকাটা মাঝুখান এলাকার পিচঢালাই রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় রয়েছে। সামান্য বৃষ্টির কারণে রাস্তাটি কাদা-পানিতে একাকার হয়ে পড়ে, ফলে যাতায়াতের জন্য অযোগ্য হয়ে যায়। এর ফলে প্রতিদিন হাজার হাজার গার্মেন্টস শ্রমিক, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী এবং সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

রবিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আমতলা সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে, ইট-সুরকি উঠে গেছে এবং জমে আছে হাঁটুসমান কাদা-পানি। অটোরিকশা, সিএনজি, মোটরসাইকেল, প্রাইভেট কার ও পিকআপ ভ্যান এই কাদা মাড়িয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। যেকোনো সময় গাড়ি উল্টে যাওয়ার আশঙ্কা বিদ্যমান। রাস্তার একপাশে বিল ও জলাশয় থাকায় পথটি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বৃষ্টি হলেই বিলের পানি রাস্তায় উঠে আসে, তখন রাস্তা ও বিল একাকার হয়ে মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়। গাদাগাদি করে শ্রমিকবোঝাই পিকআপ ভ্যান কাদা ছিটিয়ে পার হচ্ছে। সাইকেল ও মোটরসাইকেল চালকেরা পা দিয়ে ঠেলে ঠেলে গাড়ি পার করছেন। গর্ভবতী নারী, বৃদ্ধ ও শিশুদের এই রাস্তা দিয়ে পার হতে গিয়ে প্রতিনিয়ত পিছলে পড়ে আহত হওয়ার ঘটনা ঘটছে। এটি এখন আর রাস্তা নয়, যেন দুঃখ-দুর্দশার আরেক নাম।

দীর্ঘ ৫-৬ বছর ধরে এই রাস্তায় চলাচলকারী এক পথচারী মো. রুবেল মিয়া বলেন, "আমি এই রাস্তা দিয়ে দীর্ঘ পাঁচ থেকে ছয় বছর চলাচল করি। এই রাস্তার গত তিন বছর যাবত এমন বেহাল দশা হয়ে গেছে। গার্মেন্টস সেক্টরে যারা চলাচল করে, তাদের ভোগান্তির কোনো শেষ নেই।"

আরেকজন গার্মেন্টস শ্রমিক সুমি আক্তার বলেন, "এই রাস্তাটা খুবই খারাপ। আমরা খুব কষ্টে আছি। প্রতিদিন কাপড় নষ্ট হয়, দেরি হলে হাজিরা কাটা যায়। আমরা জীবন হাতে নিয়ে ফ্যাক্টরিতে যাই।"

অটোরিকশাচালক আল আমিন বলেন, "এই রাস্তা দিয়ে খুব সমস্যা হয়। দেখেন এই গাড়ি উল্টে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। আমাদের দাবি, এই রাস্তা খুব দ্রুত মেরামত করে দেওয়া হোক। একটা রোগী নিয়ে যেতেও ভয় লাগে, যদি উল্টে বিলে পড়ে যাই।"

এলাকাবাসী স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, "আমরা এলাকার এমপি মহোদয়ের কাছে আকুল অনুরোধ করছি, এই রাস্তাটার দিকে নজর দেওয়া হোক। একই সাথে গ্রামের যেসব ছোট ছোট চলাচলের রাস্তা আছে, সেগুলোর দিকে একটু নজর দেওয়া হোক। এখানে প্রতিদিন হাজার হাজার শ্রমিক মারাত্মক দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে।"

এ বিষয়ে গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান বলেন, "আমতলা সড়কের বেহাল দশার বিষয়টি আমি জানতে পেরেছি। মৌচাক ইউনিয়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প এলাকা। হাজার হাজার শ্রমিক এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করে। এই দুর্ভোগ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমি ইতিমধ্যে উপজেলা প্রকৌশলীকে নির্দেশ দিয়েছি, আগামী কিছুদিনের মধ্যে এই রাস্তার জন্য জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার কাজ শুরু করার জন্য। গ্রামীণ জনপদে দ্রুত উন্নয়নের ছোঁয়া পৌঁছে দেওয়াই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।"

এ বিষয়ে কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ এইচ এম ফখরুল হোসাইন বলেন, "মৌচাক ইউনিয়নের আমতলা সড়কের বিষয়ে অভিযোগ আমরা পেয়েছি। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। এটি একটি জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। আমি আজই উপজেলা প্রকৌশলীকে সরেজমিনে তদন্ত করে রিপোর্ট দিতে বলেছি। রাস্তাটি দ্রুত মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আপাতত ইটের সোলিং বা বালু ফেলে চলাচল উপযোগী করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।"

এ বিষয়ে কালিয়াকৈর উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) ইঞ্জিনিয়ার মো. মাকসুদুন্নবী বলেন, "মাটিকাটা মাঝুখান আমতলা সড়কটি আমাদের তালিকাভুক্ত। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়া, ভারী যান চলাচল ও বৃষ্টির কারণে রাস্তাটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমরা ইতিমধ্যে রাস্তাটি পরিদর্শন করেছি। এর জন্য একটি প্রকল্প তৈরি করা হচ্ছে। বরাদ্দ পেলেই আমরা ঢালাইসহ পূর্ণ সংস্কার কাজ শুরু করবো। আপাতত জনদুর্ভোগ লাঘবে জরুরি মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে যাতে কোনো বড় ধরনের দুর্ঘটনা না ঘটে।"

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও উপজেলা প্রকৌশলী দপ্তরকে বারবার জানিয়েও দীর্ঘদিন কোনো প্রতিকার মেলেনি বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। অবিলম্বে এই জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটি টেকসইভাবে সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এলাকাবাসীর প্রশ্ন, আর কত দুর্ঘটনা ঘটলে এবং আর কত শ্রমিক কাদায় পড়লে কর্তৃপক্ষের কার্যকর টনক নড়বে?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যান্ত্রিক পাখি কেনা নিয়ে প্রকাশ্যে বিবাদে কেলি ক্লার্কসন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:০৬ এম


যান্ত্রিক পাখি কেনা নিয়ে প্রকাশ্যে বিবাদে কেলি ক্লার্কসন

আমেরিকার ব্রুকলিনের একটি খেলনা বা উপহারসামগ্রীর দোকান ‘আর্ট অব প্লে’ রয়েছে। দোকানটির দেয়ালে স্থাপন করা ‘মলি’ নামের একটি যান্ত্রিক পাখি, যা বোতাম টিপলে গান গায় এবং ডানা নেড়ে নাচতে পারে। সাধারণ দৃষ্টিনন্দন সাজসজ্জার অংশ মনে হলেও, এই কৃত্রিম পাখিটি বর্তমানে সংবাদে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় গায়িকা কেলি ক্লার্কসন এবং দোকান কর্তৃপক্ষের মধ্যে এই পাখিকে কেন্দ্র করে একটি প্রকাশ্য মতবিরোধ সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনাটি শুরু হয় কেলি ক্লার্কসনের ওই দোকানে সফরের সময়। সফরের পর দোকান কর্তৃপক্ষ তাদের এক বিবরণীতে উল্লেখ করে যে, এই গায়িকা ‘মলি’ পাখিটি কিনতে চেয়েছিলেন। কিন্তু পাখিটি দোকানের দেয়ালের সঙ্গে স্থায়ীভাবে যুক্ত থাকায় এটি কখনোই বিক্রির জন্য নির্ধারিত ছিল না বলে দাবি করা হয়।

কিন্তু দোকান কর্তৃপক্ষের এই ব্যাখ্যা গ্রহণ করতে রাজি নন কেলি ক্লার্কসন। রবিবার (১১ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রাম স্টোরিজে এসে তিনি দোকানটির বিবরণের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানান। ক্লার্কসন বলেন, ঘটনাটিকে যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে তা সঠিক নয়। তিনি পাখিটি কেনার ব্যাপারে তাদের সঙ্গে কী আলোচনা হয়েছিল, সে বিষয়ে দোকান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিজের দ্বিমত প্রকাশ করেন।

একটি দোকানের শোপিস কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে সাধারণ কথোপকথন থেকে উদ্ভূত এই বিতর্কটি বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। তবে ‘আর্ট অব প্লে’ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে নতুন করে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রিয়াদে বিমানবন্দরে হামলায় ২৬ বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:০৭ এম


রিয়াদে বিমানবন্দরে হামলায় ২৬ বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্ত

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় দুই বাংলাদেশি নিহত এবং ২৪ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ১১ জন কর্মী এবং ১৩ জন ওমরাহ যাত্রী রয়েছেন। তারা বর্তমানে রিয়াদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আহতদের মধ্যে তিনজন কিং আব্দুল্লাহ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। তাদের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গেছে। রোববার রাতে বাংলাদেশ দূতাবাস এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

গত শনিবার দিবাগত রাত ৩টা ১৫ মিনিটে বিমানবন্দরের টার্মিনাল-৩ এর ওপর একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়। এই ঘটনায় বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের যাত্রীরা হতাহত হন। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, হামলায় মোট ১২ জন নিহত এবং ৩০৯ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুই বাংলাদেশি রয়েছেন এবং আহতদের মধ্যে ২৪ জন বাংলাদেশি।

দূতাবাস জানিয়েছে, আহত বাংলাদেশিরা রিয়াদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। কিং আব্দুল্লাহ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন তিন বাংলাদেশির সঙ্গে দূতাবাসের একটি প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করেছে। চিকিৎসাধীন বাংলাদেশিরা হলেন হাফেজ হাসান (ঢাকা), কাজী নুরুল্লাহ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) এবং মো. ওমর ফারুক (সৌদি প্রবাসী কর্মী)।

ন্যাশনাল গার্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দুই বাংলাদেশি হলেন সাফকাত রহমান (নওগাঁ) ও মো. দাউদুল ইসলাম (কুমিল্লা)। রিয়াদ মেডিক্যাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন মো. সাইমুল ইসলাম সৌরভ এবং আবুল মনসুর মো. রিয়াজ উদ্দীন। দুজনেরই বাড়ি ঢাকা।

প্রিন্স সুলতান মিলিটারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মো. আব্দুল্লাহ (ঢাকা)। সুলাইমান আলহাবিব হাসপাতালের তাখাসসুসি শাখায় চিকিৎসাধীন আরমান হোসেনসহ (ঢাকা) তিন বাংলাদেশি কর্মী রয়েছেন।

কিংডম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন মো. রফিক মিয়া। কিং খালেদ মেডিক্যাল সিটিতে চিকিৎসাধীন ইসমাইল হোসাইন, মো. মিসবাহ উদ্দিন হীরক এবং মো. রায়হানুল ইসলাম।

প্রিন্স মোহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পাঁচ বাংলাদেশি কর্মী হলেন সালমা আক্তার, মো. শাহাদাত হোসেন, মোশাহিদ আহমেদ সৈকত, জাহিদ আহমেদ এবং সোহবে সাদেক মো. শাহজাহান সরকার।

এছাড়া, এজতাহ সনদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মো. আসাদুল ইসলাম এবং মো. জামাল; সুলাইমান ফকিহ হাসপাতালে নাজমা আক্তার এবং সুলাইমান আলহাবিব হাসপাতালের আলসাহাফা শাখায় উমায়ের ও আব্দুল্লাহ কামিল চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিল্লি মেট্রোতে আসন নিয়ে বিরোধে নিহত ১, গ্রেফতার বাবা-ছেলে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:০৮ এম


দিল্লি মেট্রোতে আসন নিয়ে বিরোধে নিহত ১, গ্রেফতার বাবা-ছেলে

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে মেট্রোরেলে প্রবীণদের জন্য সংরক্ষিত আসনে বসাকে কেন্দ্র করে বিরোধের ফলে এক ব্যক্তির মৃত্যু ঘটেছে। পুলিশ এ ঘটনায় সাবেক এক আইএএস কর্মকর্তা এবং তার ছেলেকে গ্রেফতার করেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়ার (পিটিআই) প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৮ অক্টোবর দিল্লি মেট্রোর সুপ্রিম কোর্ট স্টেশনে এই ঘটনা সংঘটিত হয়। নিহত ব্যক্তির নাম পবন শর্মা, যিনি ৪৮ বছর বয়সী ছিলেন।

পুলিশের এফআইআরের তথ্য অনুযায়ী, আসন নিয়ে বিরোধের একপর্যায়ে পবন শর্মার সঙ্গে সঞ্জয় প্রতাপ সিং ও তার ছেলে সিদ্ধার্থ সিংয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। এই সময় পবনকে চড় মারা এবং ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে তিনি পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পান।

পরে মেট্রো কর্তৃপক্ষের কর্মীরা পবন শর্মাকে অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে লোকনায়ক জয়প্রকাশ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই ঘটনায় মামলা দায়েরের পর সঞ্জয় প্রতাপ সিং এবং তার ছেলে সিদ্ধার্থ সিংকে গ্রেফতার করা হয়।

সঞ্জয় প্রতাপ সিং একজন সাবেক আইএএস কর্মকর্তা। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এর আগে ঘুষের অভিযোগে তাকে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা সিবিআই গ্রেফতার করেছিল। তার ছেলে সিদ্ধার্থ বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে আইন পেশায় নিয়োজিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%