শনিবার, ১২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:০৪ এম
গাইবান্ধাসহ উত্তরবঙ্গের কোটি মানুষের বঞ্চনা দূরীকরণ এবং নদীবিজ্ঞানসম্মত সর্বাধুনিক ‘জিরো ল্যান্ড একুইজিশন’ মডেলে ২য় যমুনা সেতু বাস্তবায়নের দাবিতে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ইটাকুড়ি ও মুন্সীর হাটে এক বিশাল মানববন্ধন, পথসভা ও গণসংযোগ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‘তিস্তামুখ ঘাট–বাহাদুরাবাদ ঘাট ২য় যমুনা সেতু বাস্তবায়ন কেন্দ্রীয় কমিটি’র আহ্বানে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলার হাজারো রাজনৈতিক-সামাজিক নেতা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং চরাঞ্চলের সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা একাত্মতা প্রকাশ করে অংশ নেন।
পথসভায় বক্তারা বলেন, ঐতিহাসিক তিস্তামুখ ঘাট (ফুলছড়ি)–বাহাদুরাবাদ ঘাট (দেওয়ানগঞ্জ) রুটটি নদীবিজ্ঞানের বিচারে শত বছরের সংকুচিত ও স্থির নদী চ্যানেল। বোনারপাড়া রেলওয়ে জংশন ঘিরে প্রয়োজনীয় সরকারি জমি প্রস্তুত থাকায় নতুন কোনো জমি অধিগ্রহণ (Zero Land Acquisition) ছাড়াই প্রস্তাবিত "সাশ্রয়ী ও কম খরচে এ সেতু ও রেললাইন নির্মাণ সম্ভব। বক্তারা অকার্যকর ও নাব্যতাহীন পয়েন্টের পেছনে সময় নষ্ট না করে দেশের বিপুল অর্থ সাশ্রয়ে অবিলম্বে এ টেকসই রুটে প্রজেক্ট অনুমোদনের জন্য সরকারের নীতিনির্ধারকদের দ্রুত হস্তক্ষেপের জোর দাবি জানান।
কর্মসূচি সফল করতে সার্বিক সহযোগিতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করায় আয়োজকবৃন্দ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গণমাধ্যমকর্মী এবং উপস্থিত জনতার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, দাবির ধারাবাহিকতায় আগামীতে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১৬টি জেলায় বিশেষ ক্যাম্পেইন, স্মারকলিপি প্রদান এবং তিস্তামুখ ঘাটে মহাসমাবেশ আয়োজন করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের মুড়িয়াহাট দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংকট নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। বিদ্যালয়টিতে শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন প্রায় ১৫ থেকে ২০ জন। তবে তুলনামূলকভাবে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ও শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি কম বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
স্থানীয় অভিভাবকদের অভিযোগ, শিক্ষার্থী সংকটের কারণে অনেক সময় শ্রেণিকক্ষে হাতেগোনা শিক্ষার্থী দেখা যায়। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম ও পাঠদানের মান নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
এদিকে শিক্ষার্থী সংকটের মধ্যেই অন্য প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীদের মুড়িয়াহাট দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের নামে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রতিবছরই এভাবে অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থী আনার ঘটনা ঘটে। তবে অভিযোগটির সত্যতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের ভর্তি, নিবন্ধন ও এসএসসি পরীক্ষার নথিপত্র যাচাই করা প্রয়োজন।
বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের সন্তানদের পড়াশোনা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, কয়েকজন শিক্ষক-কর্মচারীর সন্তান এই বিদ্যালয়ে না পড়ে অন্য প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করছে। এ বিষয়েও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা প্রয়োজন বলে মনে করছেন অভিভাবকরা।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, বাড়ির কাছে বিদ্যালয় থাকা সত্ত্বেও অনেক শিক্ষার্থী নাগেশ্বরী উপজেলা সদরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হচ্ছে। ফলে এলাকার একটি প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয় কেন নিজ এলাকার শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করতে পারছে না, তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে বিদ্যালয়ের প্রকৃত শিক্ষার্থী সংখ্যা, উপস্থিতির হার, পাঠদান কার্যক্রম, শিক্ষক-কর্মচারীদের দায়িত্ব পালন এবং অন্য প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের দিয়ে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অভিযোগসহ সার্বিক বিষয় তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল।
তাদের দাবি, উপজেলা ও জেলা শিক্ষা প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী সংকটের প্রকৃত কারণ এবং উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ সকাল আনুমানিক ১০:৪৫ঘটিকায় মির্জাপুর থানাধীন মির্জাপুর নতুন বাইপাস সংলগ্ন মারকাযুল উম্মা হাফিজিয়া মাদ্রাসার (পুরুষ) নাজেরা বিভাগের ছাত্রকে উক্ত মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ মোঃ আল-আমীন(২৪), পিতা-আব্দুল মালেক, মাতা-মোছাঃ আছমা বেগম, সাং-শশধর পট্টি, পোঃ কামারপাড়া, থানা-মির্জাপুর, জেলা-টাঙ্গাইল কর্তৃক বলাৎকারের অভিযোগ উঠে।
ভিকটিমের পিতা সৌদি প্রবাসী। গত জানুয়ারি/২০২৬ ভিকটিমের মা ভিকটিমকে মারকাযুল উম্মা হাফিজিয়া মাদ্রাসায় নাজেরা বিভাগে ভর্তি করায়। গত ৩/৪মাস পূর্ব হতে ভিকটিমের পায়খানা রাস্তা দিয়ে রক্তঝরা সমস্যা দেখা দিলে ভিকটিমের মা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা করায়। গত ০৮-০৯-২৬ তারিখ শারীরিক অসুস্থতার কারণে ভিকটিমকে তার মা মাদ্রাসা থেকে বাসায় নিয়ে যায় এবং গতকাল ১০-০৯-২৬ তারিখ মির্জাপুর পপুলার হাসপাতালে ডাক্তার দেখালে বলাৎকারের বিষয়টি জানতে পারে। পরবর্তীতে ভিকটিমকে জিজ্ঞাসাবাদে মাদ্রাসা শিক্ষক হাফেজ আল আমিনের কথা তার মাকে বলে দেয়।
আজ ভিকটিমের মা ভিকটিমসহ আরো কয়েকজনকে সাথে নিয়ে মাদ্রাসায় আসে এবং অভিযুক্ত হাফেজ আল-আমিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরবর্তীতে থানা পুলিশকে জানালে মির্জাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভিকটিমসহ অভিযুক্ত হাফিজ আল-আমিন ও উক্ত মাদ্রাসার পরিচালককে হেফাজতে নেয়।
হাফেজ মোঃ আল-আমীন(২৪), পিতা-আব্দুল মালেক, মাতা-মোছাঃ আছমা বেগম, সাং-শশধর পট্টি, পোঃ কামারপাড়া, থানা-মির্জাপুর, জেলা-টাঙ্গাইল। শিক্ষক, নাজেরা বিভাগ, মাকাযুল উম্মা মাদ্রাসা ও হাফেজ মোঃ মনিরুজ্জামান (৫১), পিতা-মোঃ আব্দুল হালিম, মাতা-মৃত মনোয়ারা বেগম,
সাং-পারদিঘী, পোঃ থলপাড়া, থানা-মির্জাপুর, জেলা-টাঙ্গাইলকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
মির্জাপুর থানা পুলিশ কর্তৃক পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের মাটিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক হামলার পর থেকে তার দেশের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এবং রাজনৈতিক চাপ মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
তবে, এই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দাঁড়িয়ে তিনি যুদ্ধ চান না। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে নতুন করে রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের পরিবর্তে, তিনি তার দেশের অভ্যন্তরীণ শক্তি ও অর্থনীতিকে নতুন করে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
তবে, যুদ্ধ থামানোই তার একমাত্র লক্ষ্য নয়; তিনি পরিষ্কারভাবে জানিয়েছেন যে, কোনো দুর্বল অবস্থানে দাঁড়িয়ে বা যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে তেহরান আলোচনায় বসবে না।
দেশের সার্বিক পরিস্থিতি সামাল দিতে তিনি ইরানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। রাজনৈতিক মতপার্থক্য ভুলে দেশের সংকট সমাধানে তরুণ প্রজন্ম ও শিক্ষার্থীদের সাহায্য চেয়েছেন, যাতে তারা ক্ষোভ প্রকাশ না করে সমস্যার সমাধানে এগিয়ে আসে।
চলতি বছরের শুরুতে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ও ইসরাইলি বিমান হামলার পর পুরো অঞ্চলে যুদ্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। জবাবে, ইরান পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান পথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। এর মধ্যে একটি অস্থায়ী চুক্তি স্বাক্ষর হলেও, দুই পক্ষই নিজেদের দাবিতে অনড় থাকায় গত জুলাই থেকে
নতুন করে যুদ্ধ ও মার্কিন নৌ-অবরোধ শুরু হয়। এমতাবস্থায়, পেজেশকিয়ান দেশের সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মার্কিন অবরোধ মোকাবেলা করার নতুন কৌশল গ্রহণ করেছেন।
সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুর, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ভঙ্গুর করে পালিয়েছে আওয়ামী লীগ। এখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।
আজ শুক্রবার দিনাজপুরের বিরামপুর পৌর শহরের পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে পৌর বিএনপির কর্মী সম্মেলন ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, গত ২০২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানে স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ এবং দোসরেরা পালিয়ে গেছে। কিন্তু দেশের অর্থনীতি, কৃষি, বিদ্যুৎ, শিল্প, বাণিজ্য, শিক্ষাসহ সব খাত তারা ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। বর্তমান বিএনপি সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের রাস্তাঘাট, বিদ্যুৎ, সার, চিকিৎসা, কৃষি, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষাসহ সব খাতের উন্নয়নের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যাতে দেশের জনসাধারণ আগামী দিনগুলো সুখে শান্তিতে বসবাস ও চলাফেরা করতে পারে।
তিনি বলেন, সরকার কৃষি খাতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে কৃষকদের সমস্যা সমাধানে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। কৃষি খাতে উন্নয়ন বাড়লে, দেশের উন্নয়ন হবে।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের বয়স মাত্র ৭ মাস। এই স্বল্প সময়ের মধ্যে একেবারে সবকিছু ঢেলে সাজানো সম্ভব নয়, সে জন্য কিছুটা সময়ের প্রয়োজন। তবে বিএনপি সরকার জনকল্যাণে দেশের এসব সমস্যা সমাধান করবে।
বিরামপুর পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি মো. মহিবুর এলাহী চৌধুরী রবিনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান নয়নের সঞ্চালনায় কর্মী সম্মেলন ও মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সভাপতি মো. হুমায়ুন কবির ও সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল করিম রেজু।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ