১০:২৭ পি.এম
বরিশালের বাকেরগঞ্জে কলেজছাত্র সাইদুল ইসলাম সজিব হত্যা মামলার প্রধান আসামি মিলন খান (৪০)কে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
শনিবার (১৩ জুন) রাতে ঢাকার ডেমরা থানার সারুলিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রোববার (১৪ জুন) দুপুরে তাকে বাকেরগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়।পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা
বাকেরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক এস আই দেলোয়ার হোসেন । তিনি জানান, দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল ১৩ জুন বরিশাল র্যাব-৮ এবং যাত্রাবাড়ীর র্যাব-১০এর একটি যৌথ আভিযানিক দল ডিএমপির ডেমরা থানাধীন সারুলিয়া এলাকা হতে মোঃ মিলন খানকে গ্রেপ্তার করে।
আরও পড়ুন: বরিশালে জমি বিরোধে মামার হাতে ভাগ্নে খুন
এজাহারের সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ১২ নং রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের লোচনাবাদ গ্রামে গত ২৮ মার্চ সকাল ১০ টায়
জমি সংক্রান্ত বিরোধ কেন্দ্র করে মোঃ আবুল হোসেন খান (৫৮)তার স্ত্রী পিয়ারা বেগম (৫৫), হাসান আলী খান (৫৮) ও আয়শা বেগম (৫০)। সাইদুল ইসলাম সজীব (২৬) কে লোহার শাবল, রড, ধারালো দা এবং লাঠিসোটাসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করে একই বাড়ির মৃত রুস্তম আলী খানের পুত্র মিলন খান (৪০), জাফর খান (৪৭), নাসির খান (৪৩), জালাল খান (৫৫), মোকসেদ খানের পুত্র লিটন খান (৪০), রিপন খান (৪২) ও মিলন খানের স্ত্রী বিথী বেগম (৩৫) সহ আরো ৮ থেকে ১০ জন লোকজন মিলে। এসময়ে আহতদের ডাক-চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাদেরকে উদ্ধার করে প্রথমে বাকেরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন এবং সাইদুর ইসলাম সজীব এর অবস্থা আশংকা জনক বিধায় উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রথমে বরিশাল শেরে-ই- বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়ে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৩১ মার্চ রাত ০১:৩০ মিনিটের সময় সাইদুল ইসলাম মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের পিতা আবুল হোসেন খান বাদী হয়ে রোববার (২৯ মার্চ) থানায় ৮ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।
নিহত সাইদুল ইসলাম সজিব বরিশাল সরকারি কলেজের অনার্স শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি চলতি বছর অনার্স ফাইনাল পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। ঘটনার পর থেকেই মামলার প্রধান আসামি মিলন খান আত্মগোপনে ছিলেন।
বাকেরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ আদিল হোসেন জানান, মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি মিলন খান ঘটনার পর আত্মগোপনে চলে যায়। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে
অবস্থান নিশ্চিত হয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দিরাইয়ে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন