১০:২৭ পি.এম
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, দেশে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোয় শিক্ষকের শূন্যপদ পূরণের লক্ষ্যে ৭৭ হাজার ৭৯৯টি শূন্যপদের তালিকা ই-রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়েছে। এই শূন্যপদগুলো পূরণের জন্য শিগগিরই নতুন গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।
রোববার (১৪ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ষষ্ঠতম দিনে রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আখতার হোসেনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।
সংসদ সদস্য আখতার হোসেন তার প্রশ্নে জানতে চেয়েছিলেন, অত্র এলাকায় সরকারি এবং এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে মোট কতটি শিক্ষকের শূন্যপদ রয়েছে এবং এনটিআরসিএ এর মাধ্যমে চলমান নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এই শূন্য পদগুলো পূরণে বিশেষ কোনো অগ্রাধিকার বা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে কি না।
আরও পড়ুন: মঞ্জু: ৫ আগস্টও এনে দিয়েছে ফ্যাসিস্ট শাসন থেকে মুক্তি
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী বলেন, সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকট নিরসনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে। সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষক স্বল্পতা নিরসনের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে শূন্য পদের তালিকা প্রস্তুতপূর্বক বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনে (পিএসসি) প্রস্তাব পাঠানোর জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য পাঠানো হয়েছে। এই নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হলে রংপুর-৪ এলাকার সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহসহ দেশের অন্যান্য সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষক সংকট উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।
শিক্ষামন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহের (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি ও ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা) প্রবেশ পর্যায়ের শূন্যপদ পূরণের লক্ষ্যে সম্পূর্ণ অটোমেশন পদ্ধতিতে জাতীয় মেধাতালিকার ভিত্তিতে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) নিয়োগ সুপারিশ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এই প্রক্রিয়ার আওতায় গত বছরের ১৯ আগস্ট ৪১ হাজার ৬২৭ জন এবং চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারি ১১ হাজার ৭১৩ জনসহ মোট ৫৩ হাজার ৩৪০ জন শিক্ষককে দেশের বিভিন্ন এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।
মন্ত্রী জানিয়েছেন, বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহে শিক্ষকের শূন্যপদ পূরণের লক্ষ্যে ই-রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ৭৭ হাজার ৭৯৯টি শূন্যপদের তালিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। শিগগিরই নতুন গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। রংপুর-৪ এলাকার শূন্যপদসমূহও জাতীয় মেধাভিত্তিক নিয়োগ প্রক্রিয়ার আওতায় অগ্রাধিকারসহ পূরণ করা হবে বলে মন্ত্রী আশ্বাস দেন। সরকার আশা করছে, চলমান এই নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হলে সংশ্লিষ্ট এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকট উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে এবং পাঠদান কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
আরও পড়ুন: পলাতক আওয়ামী ফ্যাসিস্টরা দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে: এমপি রানু
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন