ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

লেবানন জাতিসংঘকে ইউনিফিল প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানালো


লেবানন জাতিসংঘকে ইউনিফিল প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানালো

লেবানন জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন ইউনিফিলের কার্যক্রম বন্ধের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য আহ্বান জানিয়েছে। দেশটির উদ্বেগ, বর্তমান পরিস্থিতিতে মিশনটি সরিয়ে নেওয়ার ফলে দক্ষিণ লেবাননে ব্যাপক নিরাপত্তাশূন্যতা সৃষ্টি হতে পারে।

লেবাননের বক্তব্য, ২ মার্চের পর দেশটির সীমান্ত এবং মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটেছে। এই নতুন বাস্তবতার প্রেক্ষিতে ইউনিফিলের কার্যক্রম শেষ করার সিদ্ধান্ত পুনরায় পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে পাঠানো ২৬ আগস্টের একটি চিঠিতে লেবানন এই অবস্থান তুলে ধরেছে। চিঠিটি দ্য ন্যাশনালের কাছে এসেছে। এতে জাতিসংঘে লেবাননের রাষ্ট্রদূত আহমাদ আরাফা উল্লেখ করেন, ২ মার্চের পর পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের কারণে ইউনিফিলের কার্যক্রম বন্ধ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা সময়োপযোগী নয়। তিনি বলেন, লেবানন, সীমান্তের নীল রেখা এবং পুরো মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ব্যাপকভাবে বদলে গেছে। এই অবস্থায় ইউনিফিল বন্ধের সিদ্ধান্ত সতর্কতার সঙ্গে পুনর্বিবেচনা করা উচিত।

আরো পড়ুন

আরও পড়ুন: রাত পোহালেই ভোট, বিএনপি না জামায়াত হাসবে?

বরিস জনসনসহ ইউরোপীয় নেতারা অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন। আহমাদ আরাফার মতে, ইউনিফিল সরিয়ে নেওয়া হলে এমন একটি নিরাপত্তা শূন্যতা তৈরি হবে, যা লেবানন সরকারের নিরাপত্তা প্রচেষ্টাকে দুর্বল করবে। একই সঙ্গে, অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে কাজ করা অন্যান্য পক্ষের প্রচেষ্টার ওপরও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বৃদ্ধি পাওয়ার মধ্যে ২ মার্চ হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে আবার লড়াই শুরু হয়। এর ফলে দক্ষিণ লেবাননে ইউনিফিল যে নিরাপত্তা পরিস্থিতির মধ্যে কাজ করে, তা অনেকটাই পরিবর্তিত হয়ে যায়। পরে ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননের সীমান্তবর্তী প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকা নিয়ন্ত্রণে নেয়। ইসরায়েলের দাবি, উত্তর ইসরায়েলের বসতিগুলোকে হিজবুল্লাহর হামলা থেকে রক্ষা করতে ওই এলাকায় একটি নিরাপত্তা বেষ্টনী প্রয়োজন।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মার্চ থেকে ইসরায়েলি হামলায় ৪ হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। লেবানন জানিয়েছে, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ১৭০১ নম্বর প্রস্তাব পুরোপুরি বাস্তবায়নে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ২০০৬ সালে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর যুদ্ধ শেষ করার কাঠামো হিসেবে এই প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছিল। বৈরুত আরও জানিয়েছে, ২০২৪ সালের নভেম্বরে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নেও তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একইভাবে, ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে সই হওয়া ত্রিপক্ষীয় কাঠামোও বাস্তবায়ন করতে চায় তারা। লেবাননের মতে, এসব উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো নিরাপত্তা পরিষদের ১৭০১ নম্বর প্রস্তাবের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাওয়া।

আরো পড়ুন

সুইডেনের নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, সামান্য এগিয়ে বামপন্থী জোট। ইউনিফিলের কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর দক্ষিণ লেবাননের পরিস্থিতি সামাল দিতে জাতিসংঘ যে কয়েকটি বিকল্প পরিকল্পনা বিবেচনা করছে, সেগুলো নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে লেবানন। লেবাননের রাষ্ট্রদূত আহমাদ আরাফা বলেন, জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের ১ জুনের প্রতিবেদনে যে বিকল্পগুলোর কথা বলা হয়েছে, সেগুলো তৈরি করা হয়েছিল মার্চের সংঘাত এবং ২৬ জুনের ত্রিপক্ষীয় কাঠামো সইয়ের আগের পরিস্থিতি ও আলোচনার ভিত্তিতে। তার মতে, এরপর পরিস্থিতিতে যে পরিবর্তন এসেছে, তাতে ওই বিকল্পগুলো বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি মানানসই নাও হতে পারে। এই অবস্থায় ইউনিফিলের মেয়াদ সীমিত সময়ের জন্য বাড়ানোকে সবচেয়ে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ বলে মনে করছে লেবানন।

আরও পড়ুন: সৌদি আরব থেকে ৯ মাসে ২ হাজার মরদেহ, নারী কর্মীরা সন্তানের বাবার পরিচয় জানেন না

আহমাদ আরাফা বলেন, ইউনিফিলের দীর্ঘদিনের কাজের অভিজ্ঞতা, এর সরবরাহ ও পরিচালনার ব্যবস্থা এবং স্থানীয় জনগণ ও লেবানন সরকারের কাছে মিশনটির গ্রহণযোগ্যতা- সব কিছু বিবেচনায় নিয়ে মেয়াদ বাড়ানোই ভালো সিদ্ধান্ত হতে পারে। লেবানন সরকার বলেছে, দক্ষিণাঞ্চলে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ইউনিফিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। মিশনটি লেবাননের সশস্ত্র বাহিনীকে বিভিন্নভাবে সহায়তা করেছে। একই সঙ্গে নিরাপত্তা পরিষদের ১৭০১ নম্বর প্রস্তাব বাস্তবায়নের বিষয়টিও পর্যবেক্ষণ করেছে। ১৯৭৮ সাল থেকে দক্ষিণ লেবাননে কাজ করছে ইউনিফিল। মিশনটির অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো সেখানে সংঘর্ষ বন্ধ থাকার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা। পাশাপাশি ইসরায়েল-লেবানন সীমান্তের নীল রেখা বরাবর নিরাপত্তা বজায় রাখতে লেবাননের সেনাবাহিনীকে সহায়তা করা। বর্তমানে ইউনিফিলে ৭ হাজারের বেশি সদস্য রয়েছে।

আরো পড়ুন

তিউনিশে অবতরণের সময় তুর্কি বিমানে ভয়াবহ পরিস্থিতি। তবে ইউনিফিলের মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে ইসরায়েলের অবস্থান ভিন্ন। গত সপ্তাহে ইসরায়েল জানিয়েছে, ইউনিফিলের বর্তমান মেয়াদ শেষ হওয়ার পর দক্ষিণ লেবাননে বড় ধরনের আন্তর্জাতিক বাহিনী রাখার যেকোনো উদ্যোগের তারা বিরোধিতা করবে। ইসরায়েলের যুক্তি, সীমান্তের নিরাপত্তার দায়িত্ব লেবাননের সেনাবাহিনীকেই নিতে হবে। জাতিসংঘের সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের ইসরায়েলের জাতিসংঘ দূত ড্যানি ডানন বলেন, ইউনিফিলের মেয়াদ বছরের শেষ নাগাদ শেষ করার বিষয়ে নিরাপত্তা পরিষদ যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেটিই মেনে চলা উচিত। যুক্তরাষ্ট্রের চাপের পর ২০২৫ সালের আগস্টে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ইউনিফিলের কার্যক্রম শেষ করার সিদ্ধান্ত নেয়। বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর ইউনিফিলের কার্যক্রম শেষ হওয়ার কথা। এর মাধ্যমে ১৯৭৮ সাল থেকে দক্ষিণ লেবাননে চলা প্রায় পাঁচ দশকের এই শান্তিরক্ষা মিশনের সমাপ্তি ঘটবে।

আরও পড়ুন: দুধের উৎপাদন খরচ ৪৪.৮০ টাকা, বিক্রি ১০০-১১০ টাকায়

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘ছেলে যা হতে চায়, তাই হবে’—মায়ের বিশ্বাসের ঋণ শোধ করলেন জভেরেভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৩৪ পি.এম


‘ছেলে যা হতে চায়, তাই হবে’—মায়ের বিশ্বাসের ঋণ শোধ করলেন জভেরেভ

নিউইয়র্কের ফ্লাশিং মিডোসের কোর্টে আলেকজান্ডার জভেরেভ ইউএস ওপেনের ট্রফিটি উঁচিয়ে ধরেছেন। অন্তত আগামী এক বছরের জন্য তিনি এই কোর্টের নতুন রাজা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।

তবে জভেরেভের জন্য এই জয় শুধুমাত্র আরেকটি গ্র্যান্ড স্লাম নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে তার শৈশবের সংগ্রাম, অসুস্থতা এবং মায়ের অদম্য বিশ্বাস।

ফাইনালে যুক্তরাষ্ট্রের বেন শেল্টনকে ৬-৩, ৭-৬ (৭-২), ৫-৭, ৬-২ গেমে পরাজিত করে জভেরেভ প্রথমবারের মতো ইউএস ওপেন জিতেছেন। জার্মানির এই টেনিস তারকা মাত্র তিন মাস আগে ফ্রেঞ্চ ওপেনেও জয়লাভ করেছিলেন।

ট্রফি হাতে নেওয়ার পর জভেরেভ বিশেষভাবে তার মা ইরিনা জভেরেভাকে স্মরণ করেছেন। বিলুপ্ত সোভিয়েত ইউনিয়নের পেশাদার টেনিস খেলোয়াড় হিসেবে পরিচিত ইরিনা পরে কোচ হিসেবেও কাজ করেছেন। জভেরেভের টেনিস ক্যারিয়ার গড়ে তোলার পেছনে তার অবদান অপরিসীম।

মাকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি ২৯ বছর বয়সী জভেরেভ। তিনি বলেন, ‘আমি এমন একজন মানুষকে ধন্যবাদ দিতে চাই, যিনি আসলে আমার ম্যাচ কখনো দেখেন না। কিন্তু আমার টেনিস ক্যারিয়ার এবং সাধারণ জীবন—দুই ক্ষেত্রেই তিনি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষ।’

এরপর জভেরেভ বলেন, ‘চার বছর বয়সে আমার টাইপ-১ ডায়াবেটিস ধরা পড়েছিল। চিকিৎসকেরা তখন বলেছিলেন, এই শিশুর জীবন ও খেলাধুলার সুযোগ অনেকটাই সীমিত হয়ে যেতে পারে।’

কিন্তু ইরিনা সেই কথা মেনে নেননি। জভেরেভের ভাষায়, ‘এমন পরিস্থিতিতে একজন মায়ের পক্ষে চিকিৎসকের সেই কক্ষ থেকে বেরিয়ে এসে বলা যে, আমার ছেলে যা হতে চায়, সে তা-ই হবে—এটা ভীষণ শক্ত মনের পরিচয়। মা তখন দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেছিলেন, অসুস্থতা কখনো আমার জীবনকে সংজ্ঞায়িত করবে না।’

মায়ের সেই বিশ্বাসের কথাই ইউএস ওপেন জয়ের পর আবার মনে করিয়ে দিয়েছেন জভেরেভ। তিনি বলেছেন, ‘আমি খুব খুশি যে আমরা সেই কঠিন সময় একসঙ্গে পার করে এসেছি এবং লক্ষ্যে পৌঁছাতে পেরেছি। মা যা করেছেন, তা করতে সত্যিই অসাধারণ এক সাহসী নারী হতে হয়।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছুরি ভেঙে প্রাণ বাঁচাল, হামলাকারীর প্রতি ক্ষোভ নেই সাইফের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৩৪ পি.এম


ছুরি ভেঙে প্রাণ বাঁচাল, হামলাকারীর প্রতি ক্ষোভ নেই সাইফের

ভারতের মুম্বাইয়ে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে মধ্যরাতে দুষ্কৃতকারীদের দ্বারা হামলার শিকার হন বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খান। এক বছরেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও, সেই ভয়াবহ ঘটনার আতঙ্ক এখনো তার মনে বিদ্যমান। সম্প্রতি, এক সাক্ষাৎকারে তিনি সেই ঘটনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন এবং বলেন, যে কোনো ধারালো অস্ত্র বা ছুরি দেখলেই তিনি মানসিক আতঙ্কে ভোগেন।

সাইফ হামলাকারীর প্রতি কোনো দীর্ঘস্থায়ী ক্ষোভ প্রকাশ না করে বলেন, “এ ধরনের ঘটনা মূলত আর্থিক বৈষম্যের কারণে ঘটে। আমার মনে হয় না লোকটি বুঝতে পেরেছিল সে কী করছে। চাইলে আমি তাকে ক্ষমা করে দিতে পারি।” হাসপাতালে শুয়ে থাকা অবস্থায়, তিনি জীবনকে শেষ মুহূর্ত হিসেবে ভাবছিলেন এবং মনে করেছিলেন, তার জীবনটা খারাপ কাটেনি। এই অভিজ্ঞতা তার জীবন সম্পর্কে মানসিকতা পরিবর্তন করেছে। এই মর্মান্তিক ঘটনার প্রভাব তার স্ত্রী কারিনা কাপুর খানের ওপরও গভীর ছিল, তবে তারা পরে মানসিকভাবে পরিস্থিতি সামলে নিতে সক্ষম হন।

ঘটনার দিন সাইফের শরীরে মোট ছয়টি আঘাত লেগেছিল। ছুরিকাঘাতে তার ঘাড়, বাম হাত এবং মেরুদণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাৎক্ষণিকভাবে লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর, অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে পাঁচ দিন চিকিৎসা শেষে তিনি বাড়ি ফেরেন। সাইফ জানান, হামলার সময় তিনি খুবই ভাগ্যবান ছিলেন, কারণ টানাটানির এক পর্যায়ে হামলাকারীর ছুরিটি ভেঙে যায়। ছুরিটি যদি আরো ধারালো হতো, তবে পরিস্থিতি প্রাণঘাতী হতে পারত। মেরুদণ্ডে আঘাত লাগার কারণে কিছু সময়ের জন্য পায়ে কোনো অনুভূতি ছিল না, তবে তিনি বড় ধরনের পক্ষাঘাত বা স্থায়ী ক্ষতি থেকে বেঁচে যান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভোলায় ৪০ কেজি গাঁজাসহ ২ মাদক কারবারি আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৩৫ পি.এম


ভোলায় ৪০ কেজি গাঁজাসহ ২ মাদক কারবারি আটক

ভোলায় কোস্ট গার্ডের একটি অভিযানে ৪০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এই তথ্য প্রকাশ করেন।

আটক ব্যক্তিরা হলেন নোয়াখালী সদর উপজেলার মো. নুরনবীর ছেলে মো. নুর ইসলাম (৩১) এবং একই এলাকার আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে মো. রাসেল (১৯)।

লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড নিয়মিতভাবে তার দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় নিরাপত্তা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধের জন্য অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায়, গত রবিবার বিকেল ৫টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোলার সদর উপজেলার ইলিশার ৬নম্বর ওয়ার্ডের বাঘার হাওলাসংলগ্ন এলাকায় কোস্ট গার্ড ভোলা বেইস কর্তৃক একটি বিশেষ অভিযান চালানো হয়।

অভিযানের সময় সন্দেহজনক একটি সিএনজি তল্লাশি করে প্রায় ১৬ লাখ টাকা মূল্যের ৪০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। জব্দকৃত গাঁজা এবং আটককৃত মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ভয়াবহ মাদকের বিস্তার রোধে কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যাংকের এমডি-সিইওদের ৬ মাস পর পর কর্মক্ষমতা মূল্যায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৩৫ পি.এম


ব্যাংকের এমডি-সিইওদের ৬ মাস পর পর কর্মক্ষমতা মূল্যায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের সরকারি ও বেসরকারি সকল ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহী বা ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের দায়দায়িত্ব এবং কর্মমূল্যায়ন (কেপিআই) নির্ধারণ করেছে। এ লক্ষ্যে নতুন নীতিমালা জারি করা হয়েছে। নীতিমালায় এমডিদের কাজের মূল্যায়নের জন্য ১০০ নম্বরের একটি কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে। এই কাঠামোয় খারাপ ঋণ নিয়ন্ত্রণ, মূলধনভিত্তিক সক্ষমতা, সুশাসন, আর্থিক স্থায়িত্ব এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, বিভিন্ন মানদণ্ডের ভিত্তিতে ১০০ নম্বরের ওপর ভিত্তি করে এমডি ও সিইওদের মূল্যায়ন করা হবে। যদি কোনো শীর্ষ নির্বাহীর ধারাবাহিকভাবে খারাপ পারফরম্যান্স দেখা যায়, তবে তার মেয়াদ বৃদ্ধি নাও হতে পারে। খারাপ পারফরম্যান্সের কারণে এমডি অপসারণের জন্য পরিচালনা পর্ষদকে নির্দেশ দেওয়া হতে পারে। ব্যাংকের পর্ষদকে আগামী এক মাসের মধ্যে এমডি ও সিইওদের জন্য কেপিআই লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করতে হবে। এই লক্ষ্যমাত্রা তিন বছর বা এমডির অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য নির্ধারিত হবে। প্রতি ছয় মাস পরপর এসব লক্ষ্যমাত্রা পূরণের অগ্রগতি পর্যালোচনা করতে হবে এবং পরে তা বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, এমডি ও সিইওদের বেতন-ভাতা, প্রণোদনা এবং অন্যান্য সুবিধা নির্ধারণে স্কোরকার্ড ব্যবহার করতে হবে। প্রধান পাঁচটি সূচকের ভিত্তিতে এই স্কোরকার্ড যাচাই করা হবে। স্কোরকার্ডে সূচকগুলোর মধ্যে তহবিল সুরক্ষা ও তারল্য পরিস্থিতির জন্য ২৫ নম্বর, সম্পদের গুণগত মানের জন্য ২৫ নম্বর, সুশাসন ও অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণের জন্য ২৫ নম্বর, আর্থিক অন্তর্ভুক্তকরণ, গ্রাহকসেবা ও বাজার আচরণের জন্য ১৫ নম্বর এবং মুনাফা অর্জনের ওপর ১০ নম্বর বরাদ্দ থাকবে।

এই পাঁচটি সূচকের ভিত্তিতে মোট ১০০ নম্বরের মধ্যে এমডি বা সিইও কেপিআই মূল্যায়ন করতে হবে। ১০০ নম্বরের মধ্যে কোনো এমডি ৭৫ বা তার বেশি নম্বর পেলে সেটি হবে মানসম্মত রেটিং। ৬৫ থেকে ৭৫ নম্বর পেলে ‘এভারেজ’ বা উন্নতি প্রয়োজন রেটিং পাবে এমডিরা। ৬৫-এর নিচে নম্বর পেলে ‘বিলো এভারেজ’ বা অবিলম্বে উন্নতি প্রয়োজন বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট এমডিকে নোটিশ দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংক এমডিদের পারফরম্যান্স মূল্যায়নে ন্যূনতম ৩০টি কেপিআই নির্ধারণ করেছে। এর মধ্যে ছয়টি প্রধান কেপিআই অর্জনে ব্যর্থতার জন্য নম্বর কর্তনের বিধান রাখা হয়েছে। কোনো কেপিআইয়ের নির্ধারিত টার্গেটের অন্তত ৫০ শতাংশ অর্জিত হলেই নম্বর পাওয়া যাবে। ৫০ শতাংশের কম অর্জন হলে ওই কেপিআইয়ে নম্বর মিলবে শূন্য (০)। তবে ৫০ শতাংশ বা তার বেশি অর্জিত হলে আনুপাতিক হারে নম্বর যোগ হবে এবং শতভাগ অর্জিত হলে পূর্ণ নম্বর পাওয়া যাবে।

আমানত-ঋণ অনুপাত, মোট খেলাপি ঋণের অনুপাত, প্রকৃত খেলাপি ঋণের অনুপাত, বড় ঋণ ও শীর্ষ ঋণগ্রহীতার কেন্দ্রীভূত ঝুঁকি, খেলাপি ও অবলোপনকৃত ঋণ আদায়, সিএমএসএমই, কৃষি, গ্রিন ফাইন্যান্স ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তির প্রসার—এই ছয়টি ক্ষেত্রে পারফরম্যান্স ৫০ শতাংশের কম হলে বা শূন্য পেলে নম্বর কেটে নেওয়া হবে। এই নীতিমালার আওতায় খেলাপি ঋণ ব্যবস্থাপনা এমডিদের পারফরম্যান্স মূল্যায়নের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে পরিণত হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%