মোঃ শাহিন,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
০৩:৩১ পি.এম
চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) এর আওতাধীন সোনামসজিদ আইসিপি চেকপোস্টে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ভারত থেকে আনা বিপুল পরিমাণ কসমেটিকস ও অন্যান্য পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
সোমবার (৩০ আগস্ট) রাতে ৫৯ বিজিবির পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৩০ আগস্ট আনুমানিক ১৮৩০ ঘটিকায় সোনামসজিদ আইসিপি চেকপোস্টে বিজিবি সদস্যরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তল্লাশি চালিয়ে এক ভারতীয় পাসপোর্টধারী যাত্রীর নিকট থেকে ৩৯৭ পিস বিভিন্ন প্রকার ভারতীয় কসমেটিক্স, ০৩ পিস ভারতীয় শাড়ী, ৯১ পিস মলম এবং ২৪ পিস কনফেকশনারী জব্দ করেন। জব্দকৃত পণ্যের আনুমানিক বাজার মূল্য ৪,০৫,৪০০/- (চার লক্ষ পাঁচ হাজার চারশত) টাকা।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, ওই ভারতীয় পাসপোর্টধারী যাত্রী দীর্ঘদিন ধরে মাল্টিপল ভিসার মাধ্যমে নিয়ম বহির্ভূতভাবে বাংলাদেশ ভ্রমন করে নিয়মিত রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ভারত থেকে অবৈধভাবে পণ্যসামগ্রী বাংলাদেশে নিয়ে আসছিল।
মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী, এসজিপি, বিএফএম, পিএসসি বলেন, "আমাদের সীমান্তে কঠোর নজরদারির কারণে চোরাচালান প্রবণতা বহুলাংশে হ্রাস পেয়েছে। তবে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী/চোরাকারবারী প্রতিবেশী দেশের চোরাকারীদের সাথে যোগসাজশের মাধ্যমে বৈধ পথে অবৈধ উপায়ে রাজস্ব ফাঁকির মাধ্যমে পণ্যসামগ্রী বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। বিজিবি সদস্যরা দেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দেয়া এই ধরণের অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে সর্বদা সচেষ্ট রয়েছে।"
জব্দকৃত পণ্যসামগ্রী প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী কাস্টমসে জমা দেয়ার কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এই সফল অভিযানের ফলে সোনামসজিদ আইসিপি সীমান্তে চোরাকারবারিদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিজিবি'র এই ধরনের তৎপরতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘদিনের তীব্র অনাবৃষ্টি ও খরা থেকে রক্ষা পেতে এবং রহমতের বৃষ্টির আশায় নওগাঁর নিয়ামতপুরে সালাতুল ইস্তিস্কা (বৃষ্টি প্রার্থনার নামাজ) অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ সকালে নিয়ামতপুর উপজেলার হাজীনগর ইউনিয়নের মাকলাহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সকাল ৬:৩০ মিনিটে এ বিশেষ নামাজ আদায় করা হয়।
নামাজে ইমামতি ও বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন মাকলাহাট দারুল কুরআন ইসলামিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ শাইখ আব্দুর রহিম।
উল্লেখ্য, বর্তমানে নিয়ামতপুর উপজেলার অধিকাংশ জমিতে আমন ধানের চাষ করা হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি না থাকায় খরায় ধান খেত শুকিয়ে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমতাবস্থায় একমাত্র আল্লাহর রহমতের বৃষ্টিই পারে মাঠের এই ফসল রক্ষা করতে। নামাজ শেষে মুসল্লিরা রব্বুল আলামিনের দরবারে ধান খেত ও প্রকৃতিকে রক্ষা করতে আকুল মনে রহমতের বৃষ্টির জন্য খাস দোয়া প্রার্থনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যার মামলায় গ্রেপ্তার দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডোপ টেস্টে মাদকের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (ডিবি) সনাতন চক্রবর্তী এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়ে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল আসামিদের ডোপ টেস্টের নমুনা সংগ্রহ করে। তার ফলাফল পাওয়া যায় সোমবার দুপুরে। এই ফলাফলে আসামিদের ইউরিনে কোন মাদকের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
উপপুলিশ কমিশনার আরও জানান, ১০ দিন পর ডোপ টেস্ট করার কারণে এমনটি হতে পারে। তবে মামলার তদন্ত কাজ চলমান থাকবে।
এর আগে রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়ে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল আসামিদের ডোপ টেস্টের নমুনা সংগ্রহ করেন। এ সময় ডিবি পুলিশের সঙ্গে রংপুর মেডিকেল কলেজের ল্যাবের একজন টেকনোলজিস্ট ও একজন সহকারী ছিলেন।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মহানগর ডিবির পরিদর্শক জিন্নাত আলী জানান, আদালত ডোপ টেস্টের আবেদন মঞ্জুর করার পর আসামিদের নমুনা সংগ্রহের জন্য কারাগারে যাওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে আসামিদের কারাগার থেকে বাইরে নিয়ে আসা সম্ভব নয়। এ কারণে রংপুর মেডিকেল কলেজের ল্যাবের টেকনোলজিস্টদের কারাগারে নিয়ে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ২২ আগস্ট রাতে নিজ বাসা থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী বালা (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী (২৫) ও ছেলে আয়ুস চক্রবর্তী প্রিয়মের (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাদের সবাইকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় পরদিন দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকার কানুদাসের ছেলে মুগ্ধ দাস (২৩) ও বিনয়চন্দ্র দাসের ছেলে সিদ্ধার্থ দাস (১৯)।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের গ্রেটার নয়ডায় চলন্ত বাসে ১৬ বছর বয়সি এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বাসের চালক ও কন্ডাক্টরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে সোমবার (৩১ আগস্ট) এ তথ্য জানানো হয়। চলতি মাসের ৪ আগস্ট ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন বাসচালক কুলদীপ (৩৯) এবং কন্ডাক্টর সন্দীপ (২৬)। তারা বেসরকারি পরিবহন প্রতিষ্ঠান বিশ্বনাথ ট্রাভেলসের হয়ে দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করছিলেন বলে প্রতিষ্ঠানটির এক কর্মী জানিয়েছেন।
পুলিশ জানায়, উত্তরপ্রদেশের মৈনপুরী থেকে নয়ডায় এক কাজিনের বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে পরিবারের সদস্যদের না জানিয়েই বাড়ি থেকে বের হয় কিশোরীটি। পড়াশোনা নিয়ে মায়ের বকাঝকার পর সে বাড়ি ছেড়ে বের হয়েছিল বলে পুলিশের কাছে দেওয়া অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
নয়ডার প্যারী চকে নামার পর প্রচণ্ড বৃষ্টি ও অন্ধকারের মধ্যে কিশোরীটি বুঝতে পারে, এখনও তার গন্তব্যে পৌঁছায়নি। তখন রাত প্রায় ৯টা। তার কাজিনের বাড়ি ছিল সেখান থেকে আরও প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে। একা ও বৃষ্টিতে ভেজা অবস্থায় সে একটি যানবাহনের অপেক্ষা করছিল।
একপর্যায়ে একটি যাত্রীবিহীন স্লিপার বাস সেখানে এসে থামে। কন্ডাক্টর কিশোরীকে জানান, বাসটিও নয়ডার সেক্টর-৬৩ এলাকার দিকে যাচ্ছে। এরপর সে বাসটিতে ওঠে। তবে পুলিশের দাবি, বাসটি আসলে গ্রেটার নয়ডার সুরজপুর এলাকার একটি ওয়ার্কশপ থেকে ফিরছিল।
কিশোরীর অভিযোগ, বাস চলতে শুরু করার পর কন্ডাক্টর তার সঙ্গে অসদাচরণ করেন এবং যৌন নির্যাতন চালান। বাধা দিলে তাকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, নির্যাতনের পর অভিযুক্তরা কিশোরীকে দিল্লির কাশ্মীরি গেটের কাছে রিং রোড এলাকায় ফেলে রেখে চলে যায়। পরে কিশোরী পুলিশের কাছে অভিযোগ করলে অভিযুক্তদের ধরতে অভিযান শুরু করে পুলিশ। একই সঙ্গে ঘটনার তদন্তও শুরু হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, বাসটি ছিল স্লিপার ধরনের এবং প্রতিটি বার্থ পর্দা দিয়ে ঢাকা ছিল। তদন্তকারীদের ধারণা, এই ব্যবস্থার সুযোগ নিয়েই অভিযুক্তরা অপরাধ সংঘটিত করেছে।
ঘটনার তদন্তে ফরেনসিক দল বাসের ভেতর থেকে কিশোরীর চুলের নমুনা সংগ্রহ করেছে। পুলিশ বাসটি জব্দ করেছে। পাশাপাশি বাসটি যে পথে চলাচল করেছিল, সেই রুটের বিভিন্ন এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে তদন্ত চালানো হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ