শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:৫৬ পি.এম
অ্যাসাইনমেন্ট, প্রেজেন্টেশন, পরীক্ষার চাপ এবং বিভিন্ন ধরনের পড়াশোনার সমস্যা তো রয়েছেই। এর সাথে যদি প্রিয় ফুটবল দল একের পর এক ম্যাচে খারাপ পারফর্ম করে, তাহলে রাতের ঘুম হারানো স্বাভাবিক বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।
এমন ‘মানসিক যন্ত্রণা’ থেকে শিক্ষার্থীদের মুক্তি দিতে মজার একটি পরামর্শ দিয়েছে কেনিয়ার কেসিএ বিশ্ববিদ্যালয়। শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, তারা যেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে সমর্থনের বিষয়টি নতুন করে ভাবেন।
কেনিয়ার শীর্ষ অনলাইন সংবাদমাধ্যম টুকো জানায়, গত ২১ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রকাশিত একটি ব্যঙ্গাত্মক বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষার্থীদের ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে সমর্থন ও ক্লাবটির জার্সি পরার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করতে বলা হয়েছে। তবে বিজ্ঞপ্তিটিতে উল্লেখ করা হয়েছে ‘বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনানুষ্ঠানিক দপ্তর’ এর কথা।
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে সমর্থন না করার পরামর্শ দিয়েছে কেনিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: সংগৃহীত
কেসিএ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য, ঘুমের ধরন এবং সার্বিক সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য নিয়ে উদ্বেগের পরিপ্রেক্ষিতে, অবিলম্বে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে সমর্থন করার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।’
এরপর বিজ্ঞপ্তিতে আসল খোঁচা দেওয়া হয়েছে, ‘অপ্রয়োজনীয় মানসিক আঘাত, সপ্তাহান্তের হতাশা এবং সোমবার সকালের হৃদয়ভাঙা কষ্ট থেকে শিক্ষার্থীদের রক্ষা করতেই এই পরামর্শ। পরীক্ষা, অ্যাসাইনমেন্ট, সনদ সংগ্রহের আনুষ্ঠানিকতা এবং সময়সীমার চাপ সামলাতে শিক্ষার্থীদের যথেষ্ট বেগ পেতে হয়। সেখানে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে যুক্ত করা কোনোভাবেই উৎসাহিত করা হচ্ছে না।’
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের পরিবর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ফুটবল দলকে সমর্থনের আহ্বান জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তির শেষাংশে বলা হয়েছে, ‘আপনার মানসিক স্বাস্থ্য, মানসিক শান্তি এবং পড়াশোনায় সাফল্য গুরুত্বপূর্ণ। আনন্দকে বেছে নিন। কেসিএ বিশ্ববিদ্যালয়কে বেছে নিন। নিজের জন্য যেটি ভালো, সেটিই বেছে নিন।’
উল্লেখ্য, ইংল্যান্ডের অন্যতম সফল ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ২০২৬-২৭ মৌসুমে অত্যন্ত বাজে সময় পার করছে। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে শেষ সাত ম্যাচে জয়হীন রেড ডেভিলরা। চ্যাম্পিয়নস লিগে সর্বশেষ ম্যাচে নবাগত কোমোর কাছে ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছে তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ/পিজি) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ও ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনুকে দেখতে গিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস।
আজ শুক্রবার হাসপাতালে গিয়ে তিনি অসুস্থ ভূমিমন্ত্রীর পাশে কিছু সময় অবস্থান করেন এবং তার সার্বিক শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, মির্জা আব্বাস হাসপাতালে গিয়ে জ্যেষ্ঠ এ রাজনৈতিক নেতার শয্যাপাশে কিছু সময় কাটান। এ সময় তিনি কর্তব্যরত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তার চিকিৎসা ও শারীরিক অগ্রগতির বিশদ বিবরণ নেন। পাশাপাশি মিজানুর রহমান মিনুর দ্রুত আরোগ্য ও সুস্থতা কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরগুনায় কৃষকরা তীব্র সার সংকটের কারণে সমস্যায় পড়েছেন। আমতলী, তালতলী ও বরগুনা সদরের বিভিন্ন স্থানে প্রয়োজনের সময় সার না পাওয়ায় তাঁরা বাজার ও বিক্রয়কেন্দ্রে ঘুরছেন। নির্ধারিত সময়ে সার প্রয়োগ করতে না পারায় আমনসহ বিভিন্ন ফসলের উৎপাদন নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। নতুন সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি, অযোগ্যদের সুপারিশ এবং স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ কৃষকদের উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
বরগুনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি জাকির হোসেন মিরাজ জানিয়েছেন, ১৯ অক্টোবর চালিতাতলী খেয়াঘাট এলাকায় তিনি দেখেছেন, তালতলীর এক কৃষক সার না পেয়ে বেতাগী উপজেলার চান্দখালী বাজার থেকে সার সংগ্রহ করে ট্রলারে বাড়ি ফিরছেন। তিনি উল্লেখ করেন, গত ইরি-বোরো মৌসুমে সার ও জ্বালানি সংকটে উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। চলতি আমন মৌসুমেও পরিস্থিতির উন্নতি না হলে কৃষক এবং সামগ্রিক অর্থনীতি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
তালতলীর সোনা কাটার ইউনিয়নের লাউপাড়া গ্রামের কৃষক মোঃ নিজাম উদ্দিন বলেন, "জমিতে সার দেওয়ার নির্দিষ্ট সময় আছে। সেই সময়ে সার না পেলে পরে কিনে আনলেও কাঙ্ক্ষিত ফলন পাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তা থাকে। এক দোকানে না পেয়ে অন্য দোকানে যেতে হয়। দূরের বাজার থেকে সার আনতে গেলে পরিবহন খরচও বাড়ে।"
আমতলী উপজেলার চাওলা ইউনিয়নের পাতাকাটা গ্রামের আব্দুল লতিফ মাতুব্বর বলেন, "সার কিনতে বাজারে গিয়ে প্রয়োজনমতো না পেলে চাষাবাদের কাজ পিছিয়ে যায়। সময়মতো সার না পেলে ধানসহ অন্যান্য ফসলের উৎপাদন কমে যাওয়ার ভয় থাকে। আমরা চাই, সরকারি নির্ধারিত দামে পর্যাপ্ত সার বিক্রি নিশ্চিত করা হোক।"
বরগুনা সদরের কৃষক আব্দুল কাদের মোল্লা বলেন, "কৃষকের যখন সার প্রয়োজন, তখনই সরবরাহ থাকতে হবে। সংকটের সময় কোথায় কত সার বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে, ডিলারদের কাছে কত মজুত রয়েছে এবং কী দামে বিক্রি হচ্ছে, এসব তদারকি করা দরকার। কৃষক যেন সার কিনতে গিয়ে হয়রানির শিকার না হন।"
তালতলীতে ডিলার নিয়োগের সুপারিশ নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, ইউনিয়ন পরিষদের এক চেয়ারম্যানের ছেলেকে নতুন ডিলারশিপ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যদিও তাঁর আগে থেকেই খুচরা সার বিক্রির লাইসেন্স রয়েছে। পর্যাপ্ত গুদামসুবিধা না থাকা এক আবেদনকারীর নাম সুপারিশের তালিকায় রাখার অভিযোগও রয়েছে। গুদামঘরের মালিক স্বপন চন্দ্র শীলের স্বাক্ষর জাল করার অভিযোগটিও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি রাখে।
আমতলীর আড়পাঙ্গাশিয়া ও হলদিয়া ইউনিয়নে ডিলার নিয়োগের সুপারিশে রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতারা। তাঁদের দাবি, আড়পাঙ্গাশিয়ায় সোহাগ মুন্সী এবং হলদিয়ায় মো. ওহাব খানকে সুপারিশের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। অভিযোগগুলোর সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
বরগুনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এস এম বদরুল আলম জানিয়েছেন, ডিলার নিয়োগ নিয়ে ওঠা অভিযোগ যাচাই করা হবে। অনিয়ম প্রমাণিত হলে সুপারিশ বা ডিলারশিপ বাতিলসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কৃষকদের দাবি, সার সংকটের কারণ অনুসন্ধান করে দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক করতে হবে। পাশাপাশি ডিলারদের মজুত, বরাদ্দ ও বিক্রির হিসাব নিয়মিত তদারকি এবং নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে। তাঁদের মতে, সময়মতো ন্যায্যমূল্যে সার নিশ্চিত করা না গেলে কৃষকের উৎপাদন ব্যয় বাড়বে, ক্ষতিগ্রস্ত হবে ফসলের ফলন এবং চাপে পড়বে গ্রামীণ অর্থনীতি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বসিলায় ৪০ ফিট খাল পরিষ্কার ও পুনরুদ্ধার অভিযান সম্পন্ন হয়েছে। গো আপ ফাউন্ডেশন এবং ফুটস্টেপ বাংলাদেশের উদ্যোগে ১০ থেকে ১৪ অক্টোবর পাঁচদিন ধরে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে ৬০০ জনেরও বেশি স্বেচ্ছাসেবক, শিক্ষার্থী, স্থানীয় বাসিন্দা এবং বর্জ্যকর্মী অংশগ্রহণ করেন।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) সহযোগিতায় এবং সিটি ব্যাংক পিএলসির অংশীদারিত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এটি ফুটস্টেপ বাংলাদেশের ‘চলো খাল বাঁচাই’ উদ্যোগের পঞ্চম কার্যক্রম হিসেবে পরিচিত।
দীর্ঘদিন ধরে ময়লা-আবর্জনায় খালটির পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল। ফলে এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছিল, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছিল। অভিযানে খালের বর্জ্য পরিষ্কার করা হয় এবং সংগৃহীত বর্জ্য প্রতিদিন ডিএনসিসির সহায়তায় সরিয়ে নেওয়া হয়।
এছাড়া, এলাকায় ১০টি ডাস্টবিন স্থাপন করা হয় এবং বাসিন্দাদের মধ্যে সচেতনতা তৈরির জন্য প্রচার চালানো হয়। খালের ভাঙা রেলিং মেরামত করা হয়েছে এবং স্থানীয়দের বসার জন্য একটি বেঞ্চ স্থাপন করা হয়।
অভিযানের সময় আয়োজকেরা ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিলন এবং প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের কাছে এলাকার নষ্ট স্ট্রিটলাইটের সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তাদের অনুরোধের পর মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে বাতিগুলো সচল করা হয়।
ঢাকা-১৩ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, "দেশের খাল, নদী ও জলাশয় পুনরুদ্ধারে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ কাজে তরুণ সমাজের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও এগিয়ে আসতে হবে।"
ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিলন জানান, পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ ঢাকা গড়তে সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
গো আপ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ইশতিয়াক উদ্দিন আহমেদ খান বলেন, "পাঁচ দিনে ৬০০ জনের বেশি মানুষের অংশগ্রহণে একটি খাল পরিষ্কার করা সম্ভব হয়েছে। একসময় খালটি মাদক বিক্রি, মশা ও ডেঙ্গুর প্রজননক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত ছিল। পরিষ্কারের পর সেখানে মানুষের চলাচল বেড়েছে। মাদকের কারবার বন্ধ হয়েছে। মশার উপদ্রবও কমেছে।"
তিনি আরও জানান, খালের পাশে স্থাপিত ডাস্টবিন, রেলিং এবং বেঞ্চের দেখভাল করবে গো আপ ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবকেরা। নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমও চলবে। ডিএনসিসির সঙ্গে সমন্বয় করে ঢাকার অন্যান্য খালগুলোতেও এমন উদ্যোগ ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
আয়োজকেরা এই কার্যক্রমে সহযোগিতার জন্য সিটি ব্যাংক পিএলসি, ডিএনসিসি, স্বেচ্ছাসেবক, শিক্ষার্থী, স্থানীয় বাসিন্দা এবং বর্জ্যকর্মীদের ধন্যবাদ জানান।
উল্লেখ্য, গো আপ ফাউন্ডেশন একটি বাংলাদেশি অলাভজনক সংস্থা। শিক্ষা, মানবিক সহায়তা, সামাজিক উন্নয়ন এবং স্বেচ্ছাসেবার মাধ্যমে তরুণদের ক্ষমতায়ন এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে সংস্থাটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মেহেরপুর, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ : আজ মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা জেলা বিএনপি’র উদ্যোগে পরিচালিত হয়।
এ কর্মসূচিটি আজ শুক্রবার সকাল ১০ টায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামরুল হাসানের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
এই সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক লিটন, রোমানা আহমেদ, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফয়েজ মোহাম্মদ এবং সাধারণ সম্পাদক সাহিদুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এহান উদ্দিন মনা, জেলা জাসাসের সদস্য সচিব বাকা বিল্লাহ সহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীরা।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামরুল হাসান জানান, "হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হবে। রোগীরা যাতে নির্বিঘ্নে চিকিৎসাসেবা পান এবং কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন, সে লক্ষ্যে জেলা বিএনপি কাজ করবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ