বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:৫২ পি.এম
সরকার দেশের অভ্যন্তরীণ বৃহত্তম গ্যাস উৎপাদন ক্ষেত্র তিতাসে দুটি উন্নয়ন ও অনুসন্ধানমূলক কূপ খননের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এই প্রকল্পের জন্য ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৯২ কোটি টাকা।
কূপ দুটি চালু হলে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হবে।
‘তিতাস গ্যাসক্ষেত্রে দুটি অনুসন্ধানমূলক ও উন্নয়ন কূপ (তিতাস-৩২ ও তিতাস-৩৩) খনন’— শীর্ষক প্রকল্পটির সঙ্গে যুক্ত এক কর্মকর্তা বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) জানান, প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপন করা হবে।
বাংলাদেশ সচিবালয়ে আগামী ২৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য সভায় সভাপতিত্ব করবেন একনেকের চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অধীনে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে পেট্রোবাংলার কোম্পানি বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল)।
পেট্রোবাংলার এক কর্মকর্তা জানান, প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৯ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারি অর্থায়ন থেকে ৪১৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা এবং কোম্পানির নিজস্ব তহবিল থেকে ১৭৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা জোগান দেওয়া হবে।
পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান জানান, নতুন দুটি কূপ থেকে দৈনিক প্রায় ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে। কূপ দুটি থেকে কনডেনসেটও পাওয়া যাবে।
তিনি বলেন, নতুন কূপ দুটির গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ বাড়াতে সহায়তা করবে। পাশাপাশি ১৮ ব্যারেল কনডেনসেট পাওয়া যাবে। সরকার নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী আরও গ্যাসকূপ খননের উদ্যোগ নিয়েছে। এর ফলে আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) ওপর নির্ভরতা কমবে।
আব্দুল মান্নান উল্লেখ করেন, দেশে গ্যাসের উৎপাদন বাড়াতে ২০৩১ সালের মধ্যে ১৫০টি কূপ খননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এরপর ২০৩১ সাল থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে আরও ১৫০টি কূপ খনন করা হবে। এর মাধ্যমে দেশের নিজস্ব গ্যাস উৎপাদনকে আরও শক্তিশালী করা হবে।
প্রকল্প প্রস্তাব অনুযায়ী, কূপ দুটি থেকে ১০ বছরে প্রায় ১০০ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ঘনফুট (বিসিএফ) গ্যাস ও ৬০ হাজার ৪৪৪ ব্যারেল কনডেনসেট উৎপাদন করা সম্ভব হতে পারে।
কোম্পানির বর্তমান উৎপাদনস্থলের মূল্য (ওয়েলহেড প্রাইস) অনুযায়ী, উৎপাদিত গ্যাস ও কনডেনসেটের আনুমানিক মূল্য দাঁড়াবে ৩৩৯ কোটি ৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে গ্যাসের মূল্য ২৮৫ কোটি ২৬ লাখ টাকা এবং কনডেনসেটের মূল্য ৫৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা।
অন্যদিকে, ভোক্তা পর্যায়ের গ্যাসের দাম বিবেচনায় নিলে একই সময়ে উৎপাদিত গ্যাসের আনুমানিক মূল্য দাঁড়াবে ৬ হাজার ৫২৩ কোটি ৯৭ লাখ টাকা।
বিজিএফসিএল বর্তমানে তাদের ছয়টি উৎপাদনশীল গ্যাসক্ষেত্রের মধ্যে পাঁচটি থেকে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৪৮০ থেকে ৪৮৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করছে।
কোম্পানিটির সবচেয়ে বড় তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের খনন করা ২৮টি কূপের মধ্যে ২৩টি থেকে দৈনিক প্রায় ৩৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদিত হচ্ছে।
২০১০ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে তিতাস ও বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রে সংগৃহীত ত্রিমাত্রিক ভূকম্পন জরিপের তথ্য পর্যালোচনার ভিত্তিতে প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছে। এসব তথ্য পর্যালোচনার জন্য বিজিএফসিএল চায়না ন্যাশনাল পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (সিএনপিসি) প্রতিষ্ঠান বিজিপি ইনকরপোরেটেডকে নিয়োগ দিয়েছিল। পরামর্শক প্রতিষ্ঠানটি ওই দুই গ্যাসক্ষেত্রে ১৬টি নতুন কূপ ও সাতটি গভীর কূপ খননের সুপারিশ করে।
দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে স্থলভাগে ১৫০টি গ্যাসকূপ খননের সরকারি পরিকল্পনার আওতায় তিতাস-৩২ ও তিতাস-৩৩ কূপ দুটিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
প্রকল্পের আওতায় বিদেশি ঠিকাদারের মাধ্যমে কূপ দুটি খনন, দেশি ও বিদেশি পরামর্শক নিয়োগ, গ্যাস সংগ্রহের পাইপলাইন স্থাপন এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কাজ করা হবে।
ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ফ্যাসিলিটেশন কোম্পানি (আইআইএফসি) ২০২৬ সালে প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা করে।
পরিকল্পনা কমিশন বলেছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে এলএনজি আমদানি কমিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের পাশাপাশি দেশীয় গ্যাস উৎপাদন ও শিল্পোন্নয়নে সহায়তা করবে।
২০২৬ সালের ১৮ জুন অনুষ্ঠিত প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভায় প্রকল্পের ব্যয় যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনার সুপারিশ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় প্রাথমিক প্রস্তাবের ৬৩২ কোটি টাকা থেকে ৪০ কোটি টাকা কমিয়ে ৫৯২ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সূত্র: বাসস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারে বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালন করা হয়েছে। এই দিবস উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি এবং সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক সচেতনতামূলক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে জেলা প্রশাসন এবং নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) কক্সবাজার জেলা শাখার যৌথ উদ্যোগে এসব কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচির উদ্বোধনের পর কক্সবাজার বাস টার্মিনাল থেকে একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি টার্মিনালের বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে। পরে বাস টার্মিনালে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক সচেতনতামূলক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়। এতে সড়কে চলাচলের নিয়মকানুন, দুর্ঘটনা প্রতিরোধ এবং নিরাপদ যাতায়াতের বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা তথ্য অফিসার মোহাম্মদ আবদু ছাত্তার, কক্সবাজার বিআরটিএর সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ার) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, ট্রাফিক পুলিশের কর্মকর্তা জানে আলম ভূঁইয়া, নিসচা কক্সবাজার জেলা শাখার সভাপতি জসিম উদ্দিন কিশোর, সাধারণ সম্পাদক হাকিম আলী, উপদেষ্টা নুরুল ইসলাম হেলালী ও মোয়াজ্জেম হোসাইন সাকিল, সহসভাপতি নুরুল আমিন ও আমিরুল ইসলাম দুলু, সাংবাদিক শামসুল হক শারেক, সাংবাদিক মোর্শেদুর রহমান খোকনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধের জন্য চালক, যাত্রী ও পথচারীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সড়কে আইন মেনে চলার গুরুত্ব তুলে ধরতেই এই দিবসের কর্মসূচিগুলি আয়োজন করা হয়েছে। নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্বশীল আচরণ ও সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের সাত খুন হত্যা মামলার প্রধান আসামী নূর হোসেনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখার প্রত্যাশা নিহত পরিবারগুলোর। তারা আশা করছেন, ১২ বছর আগে ঘটে যাওয়া এই আলোচিত হত্যা মামলার আপিল বিভাগের শুনানি ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। আপিল বিভাগ যেন মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রাখে।
নারায়ণগঞ্জের সাত খুন মামলার আপিল শুনানির জন্য ১৭ নভেম্বর তারিখ নির্ধারণ করেছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। মামলাটি দীর্ঘদিন ধরে সর্বোচ্চ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে এবং এর আপিল দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
গত ১৮ অক্টোবর, সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক মামলাটির শুনানির জন্য আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে এ দিন নির্ধারণ করেন। একই দিনে সুপ্রিম কোর্টে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। তিনি জানান, নারায়ণগঞ্জের সাত খুনসহ দেশের অন্যান্য আলোচিত হত্যা মামলার আপিল দ্রুত শুনানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আলোচিত এসব হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায়ের পর আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের চলমান অবকাশকালীন ছুটি শেষে নিয়মিত আদালতের কার্যক্রম শুরু হলে মামলাগুলোর দ্রুত শুনানির ব্যবস্থা করা হবে।
২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের ফতুল্লার লামাপাড়া এলাকা থেকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামসহ ৭ জনকে অপহরণের তিনদিন পর তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এই ঘটনায় নিহত হন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২নং ওয়ার্ডের তৎকালীন কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র-২ নজরুল ইসলাম, তার বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন, নজরুলের গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম, আইনজীবী চন্দন কুমার সরকার এবং তার গাড়িচালক ইব্রাহিম।
সাত খুনের ঘটনায় প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম ও তার ৪ সহকর্মীর হত্যার ঘটনায় তার স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি ফতুল্লা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পাশাপাশি আইনজীবী চন্দন সরকার ও তার গাড়ির চালক ইব্রাহিম হত্যার ঘটনায় জামাতা বিজয় কুমার পাল একই থানায় আরেকটি মামলা করেন।
দুটি মামলার বিচারিক কার্যক্রম একসঙ্গে শেষ করে ২০১৭ সালের ১৬ জানুয়ারি, নুর হোসেন ও তৎকালীন র্যাবের বরখাস্তকৃত তিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ২৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন নারায়ণগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেনের আদালত। ৩৫ জন আসামির মধ্যে বাকি ৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আসামিরা পরে আপিল করেন এবং ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য নথি) হাইকোর্টে পাঠানো হয়।
এরপর, হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখা থেকে মামলার সব নথি বিজি প্রেসে পাঠানো হয়। বিজি প্রেস পেপারবুক প্রস্তুত করে একই বছরের ০৭ মে হাইকোর্টে পাঠায়। একই বছরের ২২ মে থেকে আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শুরু হয়। উভয়পক্ষের শুনানি ৩৩ কার্যদিবসে অনুষ্ঠিত হয়।
২০১৭ সালের ২২ আগস্ট, হাইকোর্ট রায় দেন। রায়ে বিচারিক আদালতের মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত ২৬ আসামির মধ্যে ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয় এবং বাকি ১১ জনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ মামলার মোট ৩৫ আসামির মধ্যে বাকি ৯ জনের বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ডও বহাল রাখেন হাইকোর্ট।
মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা আসামিদের মধ্যে রয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) সাবেক কাউন্সিলর নূর হোসেন এবং র্যাব-১১ (বর্তমানে এরআরবি) এর চাকরিচ্যুত তিন কর্মকর্তা, সাবেক অধিনায়ক লে. কর্নেল (অব.) তারেক সাঈদ মুহাম্মদ, মেজর (অব.) আরিফ হোসেন এবং লে. কমান্ডার (অব.) মাসুদ রানা।
অন্যদিকে, ১১ জনের ফাঁসির আদেশ বহাল রয়েছে, তারা হলেন র্যাবের চাকরিচ্যুত সাবেক হাবিলদার মো. এমদাদুল হক, ল্যান্সনায়েক হীরা মিয়া, আরওজি-১ এ বি মো. আরিফ হোসেন, ল্যান্সনায়েক বেলাল হোসেন, সিপাহী আবু তৈয়্যব আলী, কনস্টেবল শিহাব উদ্দিন, এসআই পুর্ণন্দু বালা, সৈনিক আবদুল আলীম, সৈনিক মহিউদ্দিন মুন্সী, সৈনিক আলামিন শরীফ এবং সৈনিক তাজুল ইসলাম।
বিচারিক আদালতে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড পাওয়া ৯ জনও র্যাবের বরখাস্তকৃত কর্মকর্তা ও সদস্য। তাদের মধ্যে কনস্টেবল হাবিবুর রহমানের ১৭ বছর, এএসআই আবুল কালাম আজাদ, এএসআই কামাল হোসেন, কনস্টেবল বাবুল হাসান, কর্পোরাল মোখলেসুর রহমান, ল্যান্স কর্পোরাল রুহুল আমিন এবং সিপাহী নুরুজ্জামানের ১০ বছর করে এবং এএসআই বজলুর রহমান ও হাবিলদার নাসির উদ্দিন ৭ বছর করে কারাদণ্ডাদেশ বহাল রাখেন উচ্চ আদালত। পরে আসামিরা আপিল করেন উচ্চ আদালতে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) রাজধানীতে ‘রোড শো’ কর্মসূচির আয়োজন করেছে। ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার, নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ সবার আগে বাংলাদেশ- এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ পালন করা হয়। রোড শোটি বিআরটিএ সাভার সাব অফিস গেট থেকে শুরু হয়ে গেন্ডা বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে শেষ হয়।
রোড শো'তে বক্তব্য রাখেন বিআরটিএ ঢাকা জেলা সার্কেলের উপ-পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ার) মোবারক হোসেন। এছাড়া নিরাপদ সড়ক চাই সাভার শাখা, সাভার হাইওয়ে থানার পরিদর্শকসহ আরও অনেক বক্তা বক্তব্য প্রদান করেন। রোড শোতে সচেতনতামূলক লিফলেট, স্টিকার বিতরণ এবং প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনের কার্যক্রমও পরিচালিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং সাবেক মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। গতকাল বুধবার রাতে, রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে (করোনারি কেয়ার ইউনিট) তাকে ভর্তি করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুর ২টায়, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন তাকে দেখতে হাসপাতালে যান। তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের কাছ থেকে ড. মঈন খানের শারীরিক অবস্থার সার্বিক খোঁজখবর নেন।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বর্তমানে ড. আব্দুল মঈন খান বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। তার দ্রুত আরোগ্য ও সুস্থতা কামনায়, পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ