০৩:১০ পি.এম
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই প্রস্তাবের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গরীব ও মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের বিনা বেতনে পড়ার সুযোগসহ বেশ কিছু শর্তও উল্লেখ করেন সরকারপ্রধান।
সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, "কর-সুবিধা ভোগের বিনিময়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণায় আরও বেশি বিনিয়োগ করতে হবে।" তিনি আরও যোগ করেন, "এটি একটি প্রয়োজন।" একই সঙ্গে তিনি ভাষা শিক্ষার প্রসার এবং ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিতে হবে বলে উল্লেখ করেন। এছাড়া দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিনা বেতনে উচ্চশিক্ষার সুযোগ আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন মাভাবিপ্রবি উপাচার্য
কর ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, আধুনিক ও জনবান্ধব করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, প্রস্তাবিত বাজেটে কয়েকটি খাতে ভ্যাট কমানোর প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
তারেক রহমান বলেন, "করের আওতা সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে ব্যাংক হিসাব খোলা, বণ্টননামা দলিল নিবন্ধন এবং সম্পত্তি মিউটেশনের ক্ষেত্রে টিআইএন সনদ বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।" এ কারণে তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে জানান যে, "প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করতে হবে।"
ব্যক্তিগত আয়করের অব্যাহতি সীমা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরের জন্য করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা, ২০২৮-২৯ ও ২০২৯-৩০ অর্থবছরের জন্য ৪ লাখ টাকা এবং ২০৩০-৩১ কর বছরের জন্য ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।
তবে ব্যক্তিগত করদাতাদের কিছুটা স্বস্তি দিতে প্রধানমন্ত্রী এই সীমা আরও বাড়ানোর প্রস্তাব করেন। তার প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ কর বছরের জন্য করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ টাকা, ২০২৮-২৯ ও ২০২৯-৩০ কর বছরের জন্য ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ২০৩০-৩১ কর বছরের জন্য ৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা যেতে পারে।
আরও পড়ুন: ক্ষমতা হারালেই কি গ্রেফতার হবেন নেতানিয়াহু?
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন