বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৬:০৩ পি.এম
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে গুমের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানকে গ্রেফতার দেখিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
প্রসিকিউশনের আবেদনে আজ বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই আদেশ দেন। সেই সঙ্গে এই মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৭ অক্টোবর দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।
আজ বৃহস্পতিবার ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশন পক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, প্রসিকিউটর শাইখ মাহদী, তাসমিরুল ইসলামসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সাতজনের বিরুদ্ধে ২০২৫ সালের ৩ জুন চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে নিজের গুম হওয়ার অভিযোগ করেন সালাহউদ্দিন আহমদ। অভিযুক্ত অন্য ছয় আসামি হলেনÑ সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ, সাবেক আইজিপি একেএম শহীদুল হক, ডিএমপির সাবেক কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান ও কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলাম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর থেকে অভিবাসন এবং ভিসার ক্ষেত্রে কঠোর নীতির অনুসরণ করা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট বিভিন্ন সময়ে দেওয়া অস্থায়ী ভিসাগুলোর যাচাই করছে গোপনে।
অস্থায়ী ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সময় ভিসাধারীরা কোনো মিথ্যা তথ্য প্রদান করেছেন কি না, এটাই যাচাইয়ের মূল বিষয়। জানা গেছে, যাচাইয়ের তালিকায় থাকা অস্থায়ী ভিসার সংখ্যা প্রায় ২ লাখ। যদিও স্টেট ডিপার্টমেন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।
ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি স্টেট ডিপার্টমেন্টের কাছে জানতে চেয়েছিল, এই যাচাইয়ের আওতায় ভারতীয় নাগরিকেরা পড়তে পারেন কি না।
স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র টমি পিগট এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যাননি।
তিনি জানান, ‘মার্কিন ভিসা কোনো অধিকার নয়, বরং একটি বিশেষ সুবিধা।’ তার মতে, ট্রাম্প প্রশাসন মার্কিন ভিসা ব্যবস্থার জালিয়াতি ও অপব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
জানা গেছে, স্টেট ডিপার্টমেন্ট ও ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির যৌথভাবে এমন সব মামলা বা ঘটনা খুঁজছে, যেখানে কোনো ব্যক্তি অস্থায়ী ভিসা নিয়ে প্রবেশ করার পর স্থায়ীভাবে থাকার চেষ্টা করেছেন; তা রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেই হোক বা স্থায়ী মর্যাদার অন্য কোনো উপায়ের মাধ্যমে।
পুরো যাচাই প্রক্রিয়াটি একটি মাত্র প্রশ্নের ওপর ভিত্তি করে চলছে- ওই ব্যক্তি শুরু থেকেই নিজের উদ্দেশ্যের বিষয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়েছিলেন কিনা?
পিগট উল্লেখ করেন, ভিসাধারী ব্যক্তি ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নিজ দেশে ফিরে যাবেন, এই প্রত্যাশার ভিত্তিতেই অস্থায়ী ভিসা প্রদান করা হয়।
এনডিটিভিকে পিগট বলেন, ‘যদি কোনো ব্যক্তি কনস্যুলার কর্মকর্তার কাছে তাদের আসল উদ্দেশ্যের বিষয়ে মিথ্যা বলেন, তবে সেটি জালিয়াতি হিসেবে গণ্য হতে পারে এবং এর ফলে তাদের ভিসা বাতিল হতে পারে।’ তবে তিনি নিশ্চিত করেন যে অস্থায়ী ভিসা নিয়ে আসার পর রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করলেই সেটিকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে জালিয়াতি হিসেবে গণ্য করা হয় না।
তদন্তকারীরা মূলত সময় এবং সততার বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। তারা পরীক্ষা করে দেখছেন যে, ওই ব্যক্তি ভিসা সাক্ষাৎকারের আগেই স্থায়ীভাবে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কি না এবং পরবর্তীতে আবেদনপত্র যাচাইকারী কর্মকর্তার কাছে সেই তথ্যটি গোপন করেছিলেন কি না।
স্টেট ডিপার্টমেন্ট নজরদারির তালিকায় থাকা ভারতীয়দের নির্দিষ্ট সংখ্যা জানায়নি এবং ভবিষ্যতে ভারতীয় আবেদনকারীদের জন্য আলাদা করে চিহ্নিতও করেনি। তবে তিনি কোনো সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেননি।
একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই যাচাই এখনও চলছে এবং কাজ এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই সংখ্যাগুলো পরিবর্তিত হতে পারে। যাচাই প্রক্রিয়াটি একবারে না হয়ে ধাপে ধাপে সম্পন্ন হবে বলে তিনি জানান।
বর্তমানে মার্কিন ভিসা ধারণকারী যে কারও জন্য মূল বার্তাটি খুব স্পষ্ট : একটি ভিসা মানেই অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকার নিশ্চয়তা নয়। স্টেট ডিপার্টমেন্ট যদি মনে করে যে কোনো ব্যক্তি নিজের উদ্দেশ্যের বিষয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন, তবে তিনি ইতিমধ্যে যত দিনই দেশটিতে অবস্থান করে থাকুন না কেন, তার ভিসা বাতিল করা হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সেপ্টেম্বরে স্থানীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
বৃহস্পতিবার নির্বাচন ভবনের নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, নভেম্বরের শেষের দিকে বা ডিসেম্বরে ভোট হতে পারে। এজন্য আমরা বার্ষিক পরীক্ষা অ্যাডজাস্ট করার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বলবো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম এর নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা নওগাঁ একটি টীম ২৬ জুলাই রাতে বদল গাছি থানার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালীন, অভিযানিক টীম গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, বদল গাছি থানাধীন হলুদ বিহার গ্রামে সুমন নামক একজনের বসত বাড়িতে মাদক বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।
উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে অভিযানিক টীম রাত ১০ ঘটিকায় আসামি ১। সুমন হোসেন (৩৬), পিতা ময়েন উদ্দিন, গ্রাম হলুদ বিহার, থানা বদল গাছি, জেলা নওগাঁ-এর বাড়িতে তল্লাশি চালায়। উপস্থিত লোকজনের সামনে আসামি সুমনের দেহ তল্লাশি করার সময় তার পড়নের প্যান্টের পকেট থেকে ১২০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
এ সময় সুমনের দুই সহযোগী আসামি ২। গোলাম মোস্তফা (২৮), পিতা মৃত আহমেদ আলী, গ্রাম কোলার পালশা, থানা বদল গাছি, জেলা নওগাঁ এবং আসামি ৩। আবুল কাশেম (৪৬), পিতা মৃত শাজাহান, গ্রাম খামার আক্কেল পুর, থানা বদল গাছি, জেলা নওগাঁ-কে গ্রেফতার করা হয়।
আসামিদের বিরুদ্ধে বদল গাছি থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানা যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের জনপ্রিয় লেখক ও কথাসাহিত্যিক শাম্মী তুলতুল। চট্টগ্রামের মাটি থেকে দুই বাংলার সাহিত্যাঙ্গনে নিজস্ব আলো ছড়িয়ে দেওয়া এক নাম—শাম্মী তুলতুল।
সমকালীন বাংলা সাহিত্যে বহুমাত্রিক পরিচয়ে কাজ করছেন এমন লেখকদের মধ্যে তিনি নিঃসন্দেহে একজন আলোচিত ও জনপ্রিয় লেখক।
একটি সাহিত্য-সাংস্কৃতিক পরিবেশে তার জন্ম। পারিবারিক ইতিহাসে সাহিত্যচর্চার বীজ লুকিয়ে রয়েছে। তার দাদা আব্দুল কুদ্দুস মাস্টার ছিলেন ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের নেতা এবং লেখক, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম–এর বাল্যবন্ধু।
নানী কাজী লতিফা হক বেগম ছিলেন পত্রিকার সুপরিচিত লেখক।
শাম্মী তুলতুলের বেড়ে ওঠা ছিল চিন্তা, চেতনা ও সংস্কৃতির আলোকিত পরিমণ্ডলে।
তিনি ছোটবেলা থেকেই বাংলাদেশ ও ভারতের প্রথম সারির পত্রিকাগুলোতে লিখে যাচ্ছেন। যেমন, প্রথম আলো, কালের কণ্ঠ, সমকাল, যুগান্তর, বাংলাদেশ প্রতিদিন, প্রতিদিনের সংবাদ, খোলা কাগজ, সরকারি পত্রিকা শিশু, নবারুণ।
এছাড়া বিদেশের মাটিতেও তিনি শক্ত অবস্থানে আছেন। যেমন, প্যারিস, কানাডা, নিউইয়র্ক, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, জার্মানির বাংলা পত্রিকায় লিখে তিনি আন্তর্জাতিক গৌরব অর্জন করেন। তার উপর আমেরিকাতেও বিশাল সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছে।
শৈশবে তিনি ছিলেন প্রাণবন্ত ও ডানপিটে স্বভাবের। নাচ, গান, আবৃত্তি, খেলাধুলা সবকিছুতেই ছিল সমান আগ্রহ।
তবে সময়ের সাথে লেখালেখিই হয়ে ওঠে তাঁর প্রধান পরিচয়। বর্তমানে তিনি একাধারে লেখক, উপন্যাসিক, গল্পকার, শিশুসাহিত্যিক, নজরুল অনুরাগী, রেডিও খবর পাঠিকা, অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট, ভয়েস প্রেজেন্টার ও মডেল। বহুমাত্রিক এই পরিচয় তার সৃষ্টিশীলতার বিস্তারকেই তুলে ধরে। তার প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ভারত ও বাংলাদেশ মিলিয়ে ১৭টি।
২০২২ সালের কলকাতা বইমেলায় প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ ‘নরকে আলিঙ্গন’ পাঠকমহলে আলোচনার জন্ম দেয় এবং বর্তমানে ভারতের জনপ্রিয় অনলাইন প্ল্যাটফর্ম –এ পাওয়া যাচ্ছে। তার জনপ্রিয় উপন্যাসগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘চোরাবালির বাসিন্দা’, ‘পদ্মবু’ ও ‘মনজুয়াড়ি’, একজন কুদ্দুস ও কবি নজরুল, পিঁপড়ে ও হাতির যুদ্ধ, গণিত মামার চামচ রহস্য, নান্টু ঝান্টুর বক্স রহস্য।
—যেগুলো পাঠকপ্রিয়তা অর্জন করে বেস্টসেলার হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। প্রতিটি বইয়ে তিনি বিনোদনের পাশাপাশি শিক্ষণীয় বার্তা রাখার চেষ্টা করেন। যা তার লেখাকে কেবল গল্প নয়, সামাজিক দায়বদ্ধতার মাধ্যমেও পরিণত করেছে। তাছাড়া তার উপন্যাস একজন কুদ্দুস ও কবি নজরুল, নজরুলে উপর রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস। এটি লেখা তার কাছে একটি সাহসের কাজ মনে করেন। তাছাড়া এই বইয়ের তথ্য অনেকেই লেখায় রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করছেন। এটি তার বিশাল প্রাপ্তি।
শিশু-কিশোর সাহিত্যে তার সক্রিয় উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য। তার লেখা ‘পিঁপড়ে ও হাতির যুদ্ধ’ গল্পটি দীপ্ত টিভি–তে নাট্যরূপে প্রচারিত হয়েছে। পাশাপাশি তার রচনায় নির্মিত ‘লাল শরবত’ নাটক সম্প্রচারিত হয়েছে সিটি এফএম–এ। সাম্প্রতিক সময়ে তার একটি গল্প ভারতে গবেষণার কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে—যা তাঁর সাহিত্যকর্মের প্রভাব ও গ্রহণযোগ্যতার আন্তর্জাতিক মাত্রা নির্দেশ করে। তাছাড়া তিনি প্রতিনিয়ত সামাজিক অসঙ্গতি নিয়ে লিখছেন। তার বই পাওয়া যাচ্ছে, বাংলাদেশের বৃহত্তম অনলাইন বইয়ের বাজার রকমার ডট কম, প্রথমা, দারাজ ছাড়াও সকল অনলাইনে।
এ ছাড়াও রবি বইঘর এপ্স, বাংলালিংক এয়ারটেল এপ্সে তার বই ই-বুকে পড়তে পারবে তার পাঠকরা। লেখালেখির স্বীকৃতি হিসেবে তিনি পেয়েছেন বহু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার। এর মধ্যে রয়েছে মাদার তেরেসা অ্যাওয়ার্ড, মহাত্মা গান্ধী পিস অ্যাওয়ার্ড, সাউথ এশিয়া গোল্ডেন পিস অ্যাওয়ার্ড, নজরুল অগ্নিবীণা সাহিত্য পুরস্কার, সোনার বাংলা সাহিত্য সম্মাননা, রোটারি সম্মাননা, উইমেন পাওয়ার লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড ২০২৫, ময়ূরপঙ্খী স্টার অ্যাওয়ার্ড ২০২৫ এবং খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক সম্মাননা। খাগড়াছড়ির পাঠকসমাজ ভালোবেসে তাঁকে ‘রাজকন্যা’ উপাধিতেও ভূষিত করেছে। সেখানে পর পর তার দু বার একক বইমেলা আয়োজন করেন খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসন।
সম্প্রতি তিনি পেয়েছেন ভারত থেকে, রবীন্দ্র জন্ম জয়ন্তী উপলক্ষে রবীন্দ্র রত্ন পুরস্কার ২০২৬। সম্প্রতি তিনি বেগম রোকেয়া চরিত্রে একটি ম্যাগাজিনের কভার মডেল হিসেবে উপস্থিত হয়ে নতুন করে আলোচনায় আসেন—যা তাঁর বহুমাত্রিক সত্তারই আরেকটি দৃষ্টান্ত।
সামাজিক ও পারিবারিক নানা বাধা অতিক্রম করে নিজের অবস্থান তৈরি করার যে সংগ্রাম, সেটিই শাম্মী তুলতুলের ব্যক্তিত্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দিক। তার লেখালেখি কেবল সৃজনশীলতার বহিঃপ্রকাশ নয়; বরং আত্মবিশ্বাস, প্রতিরোধ এবং সামাজিক বার্তারও ধারক।
নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে শাম্মী তুলতুল বলেন, লেখালেখি তার কাছে শুধু পেশা নয়—এটি দায়বদ্ধতা, মানুষের হৃদয়ে আলো পৌঁছে দেওয়ার এক অবিরাম প্রয়াস। তিনি বিশ্বাস করেন, সাহিত্য মানুষের ভেতরের অন্ধকার দূর করে আলো জ্বালাতে পারে। প্রতিটি বইয়ে তিনি বিনোদনের সঙ্গে শিক্ষণীয় বার্তা রাখতে চান। পাঠকের হৃদয়ে পরিবর্তন আনাই তার কাছে বড় অর্জন। নারী হিসেবে পথচলায় নানা প্রতিবন্ধকতা ও সামাজিক বাধার মুখোমুখি হওয়ার কথাও তিনি অকপটে স্বীকার করেন। তবে তিনি বিশ্বাস করেন, প্রতিকূলতাই মানুষকে শক্ত করে। পিছুটান নয়, সামনে এগিয়ে যাওয়াই তার লক্ষ্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ