ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

নতুন এনআইডি কার্ড ডাউনলোড করার পদ্ধতি


নতুন এনআইডি কার্ড ডাউনলোড করার পদ্ধতি

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) শুধু পরিচয়ের প্রমাণ নয়। এটা ছাড়া পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, বিকাশ-নগদ ব্যবহার করা, এমনকি মোবাইলের সিম কেনার কাজেও বিভিন্ন ঝামেলায় পড়তে হয়।

আপনি যদি নতুন ভোটার হয়ে থাকেন এবং ছবির পাশাপাশি আঙুলের ছাপ দিয়েও থাকেন; কিন্তু এখনো আপনার কার্ড হাতে পাননি, তাহলে চিন্তার কিছু নেই। বর্তমানে আপনি আপনার বাড়ির সান্ত্বনায় বসেই অনলাইনে এনআইডি কার্ডের ডিজিটাল কপি ডাউনলোড করতে পারবেন।

চলুন ধাপে ধাপে আমরা জেনে নিই কিভাবে আপনি মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে নতুন ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করবেন।

আরও পড়ুন: সাইবার সিকিউরিটি ও তথ্য সুরক্ষা সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন

কী লাগবে - ভোটার নিবন্ধনের সময় প্রাপ্ত ফরম নম্বর (এর শুরুতে NIDFN লিখতে হবে)

- আপনার জন্মতারিখ

- নিবন্ধনের সময় যা মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়েছিলো

- স্মার্টফোনে NID Wallet App (ফেস ভেরিফিকেশনের জন্য)

আরও পড়ুন: অনলাইনে সেবা দিলেই ডিজিটাল রূপান্তর হয় না: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী

নতুন ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার প্রক্রিয়া:

প্রথমে ব্রাউজারে যান: https://services.nidw.gov.bd/nid-pub/

Register বা ‘নিবন্ধন’ বাটনে ক্লিক করুন।

প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করুন:

আরও পড়ুন: ক্যানভা ১৩ বছরে সবচেয়ে বড় সংকটে, ২২ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই

- ফরম নম্বর (যেমন: NIDFN123456789)

- জন্মতারিখ

- নিচে থাকা ভেরিফিকেশন কোডটি লিখে Submit করুন।

ঠিকানা দিন:

আরও পড়ুন: ‘বিজনেস ব্রেইন’ ও ‘জয়া’ দিয়ে ব্যবসা সামলাবে বিটোপিয়া

আপনার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা লিখুন।

মোবাইল নম্বর ভেরিফাই করুন:

- আপনার মোবাইলে একটি OTP (একবার ব্যবহারযোগ্য কোড) যাবে।

- এই কোডটি ব্যবহার করে মোবাইল নম্বর নিশ্চিত করুন।

আরও পড়ুন: এআই দিয়ে অপতথ্য ছড়ানো বন্ধের আহ্বান জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ

- প্রয়োজন হলে মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করার সুযোগ পাবেন।

ফেস ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করুন:

- এবার আপনাকে ফেস ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করার জন্য বলা হবে।

এজন্য আপনার মোবাইলে NID Wallet App থাকতে হবে, যা ব্যবহার করে নির্দিষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী ফেস স্ক্যান করুন।

আরও পড়ুন: লিও আইসিটি ক্যাবলস ইআরপি বাস্তবায়ন শুরু করেছে

কাজ শেষ! এখন ড্যাশবোর্ডে প্রবেশ করুন।

যখন ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হবে, আপনি NID সেবা ড্যাশবোর্ডে প্রবেশ করতে পারবেন। নিচের দিকে Download অপশন থেকে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের PDF কপি ডাউনলোড করতে পারবেন।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ:

- ফরম নম্বর না থাকলে, নিবন্ধনের সময় মোবাইলে আসা SMS-এ দেওয়া ID নম্বর ব্যবহার করা যেতে পারে।

- ফেস ভেরিফিকেশন ছাড়া ডাউনলোড করা সম্ভব নয়।

- ডাউনলোড করা কপি সরকারি কাজে প্রাথমিকভাবে ব্যবহার করা যাবে, তবে স্মার্ট কার্ড পেতে কিছু সময় লাগতে পারে।

সমস্যা হলে আপনি কী করবেন?

যদি ওয়েবসাইটে লগইন করতে সমস্যা হয়, তাহলে আবার চেষ্টা করুন অথবা স্থানীয় ইসি অফিসে যোগাযোগ করুন। প্রয়োজনে NID Helpline (১০৫)-এ ফোন করে সহায়তা নিতে পারেন।

জাতীয় পরিচয়পত্রের ডিজিটাল কপি এখন আপনার হাতের মুঠোয়। আর অপেক্ষা করবেন না—আপনার আইডি নিজের মাঝে ডাউনলোড করুন, নিরাপদ থাকুন এবং সচেতন থাকুন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাসপাতালে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরকে ধর্ষণ, ওয়ার্ডবয় আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:২২ পি.এম


হাসপাতালে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরকে ধর্ষণ, ওয়ার্ডবয় আটক

লক্ষ্মীপুর জেলায় এক হাসপাতালে কক্ষে ডেকে নিয়ে ১১ বছর বয়সী বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরের উপর বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় রিমন হোসেন নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। রিমন জেলার আল মানার হাসপাতালের ওয়ার্ডবয় হিসেবে কর্মরত আছেন।

শুক্রবার (৫ জুন) সকালে সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ঝলক মোহন্ত এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

ঘটনা অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে আল-মানার হাসপাতালে এই ঘটনা ঘটে। পরে রাতে খবর পেয়ে পুলিশ অভিযুক্ত রিমনকে আটক করে।

রিমন লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১০নং ওয়ার্ড মজুপুর এলাকার মো. সেলিমের সন্তান।

ভুক্তভোগী কিশোরের মায়ের বক্তব্য মতে, হাসপাতালের পাশেই তাদের বসবাস। তিনি জানান, তার ছেলে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। ছেলে নামাজ পড়তে বের হন এবং কখনও কখনও আল-মানার হাসপাতালে গিয়ে টেলিভিশন দেখেন। রিমন তাকে একটি কক্ষে ডাকেন এবং সেখানে বলাৎকার করেন। মা বলেন, “আমার ছেলে চিৎকার চেচামেচিও করেছে।” পরবর্তীতে সে হাসপাতাল থেকে বের হয়ে ঘটনাটি তার বন্ধুদের জানায়।

তিনি আরও জানান, এই ঘটনায় তিনি মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। "আমি রিমন নামের ওই ছেলেটির বিচার চাই। ভবিষ্যতে কেউ যেন এমন ঘটনা না ঘটাতে পারে, সেজন্য তার বিচার হওয়া অবশ্যই প্রয়োজন।"

পুলিশ পরিদর্শক ঝলক মোহন্ত বলেন, আল-মানার হাসপাতালের ৩য় তলার একটি কক্ষে ঘটনাটি ঘটে। অভিযুক্ত ওয়ার্ডবয়কে পুলিশ আটক করেছে এবং এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এবার বল নিজেই ধরবে অফসাইড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:২৩ পি.এম


এবার বল নিজেই ধরবে অফসাইড

ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রযুক্তির ব্যবহার নতুন কোনো বিষয় নয়। কিন্তু ২০২৬ বিশ্বকাপে ব্যবহৃত হতে যাচ্ছি অফিসিয়াল ম্যাচ বল ‘ট্রাইওন্ডা’ প্রযুক্তিগত উন্নয়নের এক নতুন মাত্রা যোগের জন্য প্রস্তুত। উন্নত সেন্সর, রিয়েল-টাইম ডেটা আদান-প্রদান এবং আধুনিক নকশার সমন্বয়ে তৈরি এই বলকে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম আধুনিক ‘স্মার্ট বল’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

ক্রীড়াসামগ্রী নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাস তৈরি করেছে ২০২৬ বিশ্বকাপের এই অফিসিয়াল বল। ‘ট্রাইওন্ডা’ নামটি এসেছে ইংরেজি শব্দ Tri এবং স্প্যানিশ শব্দ Onda থেকে। Tri নির্দেশ করে বিশ্বকাপের তিন স্বাগতিক দেশ কানাডা, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রকে। আর Onda অর্থ ‘ঢেউ’। তাই নামটির অর্থ দাঁড়ায় ‘তিন দেশের ঐক্যের ঢেউ’।

বলের নকশাতেও ফুটে উঠেছে তিন আয়োজক দেশের পরিচয়। এতে স্থান পেয়েছে কানাডার ম্যাপল লিফ, মেক্সিকোর ঈগল এবং যুক্তরাষ্ট্রের তারার প্রতীক। লাল, সবুজ ও নীল রঙের সমন্বয়ে তৈরি নকশা যৌথ আয়োজনের প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

ট্রাইওন্ডার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো এর ‘কানেক্টেড বল’ প্রযুক্তি। বলটির ভিতরে সংযুক্ত করা হয়েছে ৫০০ হার্টজের একটি মোশন সেন্সর, যা প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ বার তথ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম। এই সেন্সর বলের গতি, অবস্থান, স্পর্শ এবং গতিপথ সম্পর্কিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) সিস্টেমের কাছে পাঠাবে।

ফলে অফসাইড, হ্যান্ডবল কিংবা বল স্পর্শসংক্রান্ত বিতর্কিত সিদ্ধান্ত অনেক দ্রুত এবং আরও নির্ভুলভাবে নেওয়া সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। অনেকের মতে, এই প্রযুক্তির কারণে ভবিষ্যতে বিতর্কিত সিদ্ধান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য অনুযায়ী, স্মার্ট বল প্রযুক্তি প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল ২০২২ বিশ্বকাপে। তবে ট্রাইওন্ডায় সেই প্রযুক্তির আরেকটি উন্নত সংস্করণ যুক্ত করা হয়েছে, যা ম্যাচ পরিচালনায় রেফারিদের কার্যকর সহায়তা দেবে।

প্রযুক্তিগত দিক ছাড়াও বলটির গঠনেও রয়েছে নতুনত্ব। ট্রাইওন্ডা তৈরি করা হয়েছে মাত্র চারটি প্যানেল দিয়ে, যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে কম প্যানেলযুক্ত বল হিসেবে মনে করা হচ্ছে। অ্যাডিডাসের দাবি, এই নকশা বলের উড্ডয়নকে আরও স্থিতিশীল করবে, নিয়ন্ত্রণ বাড়াবে এবং গতিপথকে আরও পূর্বানুমানযোগ্য করে তুলবে। ফলে খেলোয়াড়রা বল নিয়ন্ত্রণ এবং পাসিংয়ে বাড়তি সুবিধা পাবেন।

সেন্সরচালিত প্রযুক্তি সচল রাখতে বলটির ভিতরে থাকা চিপ নিয়মিত চার্জ দিতে হয়। পূর্ণ চার্জে এটি প্রায় ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত কার্যকর থাকে।

উল্লেখ্য, ২০২৬ বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসর। প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল অংশ নেবে এবং অনুষ্ঠিত হবে ১০৪টি ম্যাচ। ১১ জুন মেক্সিকো সিটিতে পর্দা উঠবে টুর্নামেন্টের, আর ১৯ জুলাই নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল।

ফুটবলের ঐতিহ্য ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে তৈরি ট্রাইওন্ডা শুধু একটি ম্যাচ বল নয়, বরং বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রযুক্তিনির্ভর নতুন যুগের প্রতীক বলেই মনে করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:২৪ পি.এম


ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক আটক

চাঁপাইনবাবগঞ্জে একাধিকবার ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ মিজানুর রহমান (৪৫) নামে এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে।

বুধবার (৩ জুন) ভুক্তভোগীর বাবার দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়। জনশ্রুতি অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (৪ জুন) আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার হওয়া মিজানুর রহমান সদরের শাহীবাগ মহল্লার বাসিন্দা। তিনি ইসলাইল হকের ছেলে এবং বিবাহিত, এক সন্তানের জনক।

স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ছাত্রী অভিযুক্ত শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়তেন, এবং এর মাধ্যমে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন সময়ে প্রলোভন ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে শিক্ষক ছাত্রীকে শাহীবাগ এলাকায় তার নিজ বাড়িতে ডেকে নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন।

এ ঘটনায় বুধবার বিকেলে, ভুক্তভোগীর পরিবার স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে অভিযুক্ত মিজানুর রহমানের বাড়িতে গিয়ে ঘটনার বিষয়ে জানতে চান।

অভিযোগ অনুযায়ী, আসামী সঠিক উত্তর দিতে ব্যর্থ হলে ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে মারমুখী আচরণ করায় উপস্থিত জনতা তাকে আটকে ফেলে।

পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করার পর চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাকে আটক করে।

ভুক্তভোগীর পিতা বাদী হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০২৫)-এর ৯(১) ধারায় মামলা দায়ের করেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. একরামুল হোসাইন বলেন, "ভুক্তভোগীর বাবার লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে।"

তিনি আরও যোগ করেন, "ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষা এবং আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২২ ধারা অনুযায়ী জবানবন্দি গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসলামে ধর্ষণ প্রমাণে চার সাক্ষী বাধ্যতামূলক নয়: ডা. জাকির নায়েক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:২৫ পি.এম


ইসলামে ধর্ষণ প্রমাণে চার সাক্ষী বাধ্যতামূলক নয়: ডা. জাকির নায়েক

ইসলামে ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণের জন্য চারজন প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী প্রয়োজন যে ধারণা, সেটি অনেক ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া একটি ভুল ব্যাখ্যা বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামি বক্তা ও গবেষক ডা. জাকির নায়েক।

তিনি আন্তর্জাতিক ইসলামি স্যাটেলাইট ও ইন্টারনেট টেলিভিশন হুদা টিভিতে প্রচারিত এক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠানে বলেন, অনেক মুসলিম এবং অমুসলিম ধর্ষণের বিষয়কে জিনা বা ব্যভিচারের বিধানের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেন। অথচ ইসলামী শরিয়তে জিনা এবং ধর্ষণ সম্পূর্ণ ভিন্ন অপরাধ।

ডা. নায়েক ব্যাখ্যা করেন, যখন কোন ব্যক্তি অপর কারোর বিরুদ্ধে জিনা বা ব্যভিচারের অভিযোগ তুলবেন, তখন তাকে চারজন প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী হাজির করতে হবে। অন্যথায়, সে অভিযোগকারী নিজে শাস্তিযোগ্য হবেন। তবে, এই বিধান কেবল জিনার অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, ধর্ষণের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়।

তার মতে, ধর্ষণ একটি জোরপূর্বক সংঘটিত অপরাধ। ইসলামী আইনবিদদের ব্যাখ্যায় এটি ‘হিরাবাহ’ বা সমাজে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টির অন্তর্ভুক্ত। এ প্রসঙ্গে আল্লাহর পবিত্র কোরআনের সূরা মায়েদার ৩৩ নম্বর আয়াতের উল্লেখ করে তিনি বলেন, যেখানে সমাজে ভয়ভীতি ও নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের জন্য কঠোর শাস্তির কথা বলা হয়েছে।

ডা. নায়েক বলেন, ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণে চারজন সাক্ষীর প্রয়োজন নেই। এই ধরনের মামলায় দুইজন সাক্ষী, পারিপার্শ্বিক তথ্য-প্রমাণ, ফরেনসিক আলামত এবং অন্যান্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণ গ্রহণযোগ্য হতে পারে। বিচারক যদি সমস্ত প্রমাণ পর্যালোচনা করে অপরাধীর বিরুদ্ধে নিশ্চিত হন, তাহলে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যেতে পারে।

তিনি আরও বলেন, যদি অপরাধ শতভাগ প্রমাণিত না হয়, তবে অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী কারাদণ্ড, বেত্রাঘাত বা অন্য উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হতে পারে। কিন্তু ধর্ষণের মতো গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে ইসলামি আইন অনুযায়ী কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে।

আলোচনায় ডা. জাকির নায়েক রাসুলুল্লাহ (সা.) এর যুগে সংঘটিত একটি ধর্ষণের ঘটনাতে উল্লেখ করেন, যা সুনানে আবু দাউদ ও সুনানে ইবনে মাজায় বর্ণিত হয়েছে। ওই ঘটনায় ভুক্তভোগী নারীর কাছে চারজন সাক্ষী চাওয়া হয়নি। বরং পরিস্থিতিগত প্রমাণ এবং ঘটনার বর্ণনার ভিত্তিতে তদন্ত পরিচালিত হয়েছিল। পরবর্তীকালে প্রকৃত অপরাধী নিজেই অপরাধ স্বীকার করলে তাকে শাস্তি দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

ডা. নায়েকের মতে, এই ঘটনা থেকে অস্পষ্ট হয় যে ইসলামে ধর্ষণ প্রমাণের জন্য চারজন সাক্ষী স্থাপন করা বাধ্যতামূলক নয়। বরং অপরাধের সত্যতা নির্ধারণের জন্য পারিপার্শ্বিক, সাক্ষ্যভিত্তিক এবং বৈজ্ঞানিক প্রমাণকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, ধর্ষণের ক্ষেত্রে চার সাক্ষীর শর্ত রয়েছে এ ধারণা ইসলামের সঠিক শিক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ইসলাম ধর্ষকের জন্য কঠোর শাস্তির বিধান দিয়েছে যদি অপরাধ প্রমাণিত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%