বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
১২:৪৩ এম
রাজনীতি
জ্বালানি সংকটের ৬টি কারণ তুলে ধরে ১৫ দফা প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি মন্তব্য করেছেন, "বিএনপি সরকারের ‘পরিকল্পনাহীনতা এবং জ্বালানী ক্রয়ের সিদ্ধান্তহীনতা থেকেই’ বর্তমান সংকট সৃষ্টি হয়েছে এবং ‘এই অন্ধকার সরকারের তৈরি’।"
বুধবার তিনি গণমাধ্যমে এক বিবৃতিতে তাঁর তথ্য ও প্রস্তাবগুলো বিস্তারিত তুলে ধরেন।
নাহিদ ইসলামের বিবৃতিটি নিম্নরূপ: বিএনপি ভবিষ্যৎ সরকারের দিকে ইঙ্গিত করে বলেছিল, এটি জনগণের সরকারের হবে। কিন্তু বাস্তবে অলিগার্কদের সরকার গড়ে উঠেছে। নির্বাচনী ইশতেহারে বিএনপি বলেছিল, 'লুটপাট নয়, উৎপাদন; বৈষম্য নয়, ন্যায্যতা।' তারা দাবি করেছিল, এটি একটি নতুন সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় চুক্তির ঘোষণা। এখন ছয় মাস পর তাদের প্রতিশ্রুতি ভেঙে সরকার বিপরীত পথে অগ্রসর হচ্ছে। তারা বেসরকারিকরণের নামে জ্বালানী আমদানি ও বিদ্যুৎ বিতরণে অলিগার্ক বসানোর চেষ্টা করছে।
এক. ইশতেহারের উল্টো পথে
বিএনপি ৩১ দফা ও নির্বাচনী ইশতেহারে অবিলম্বে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ খাতে দায়মুক্তি আইনসহ সব কালাকানুন বাতিল করার স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কারণ পতিত ফ্যাসিবাদী সরকার এই আড়ালে কুইক রেন্টাল ও আইপিপির মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করেছিল। অথচ, বর্তমানে বিএনপি তাদের দেয়া প্রতিশ্রুতিই মানছে না।
গণমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, বসুন্ধরা অয়েল অ্যান্ড গ্যাস সরকারের কাছে বড় পরিমাণে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি ও বাজারজাতের অনুমতি চায়। এরপরই ৬ আগস্ট জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বিপিসিকে মাত্র ৪ দিন সময় দিয়ে ১০ আগস্টের মধ্যে 'বেসরকারি খাতে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি, মজুত, পরিবহন, বিতরণ ও বিপণন নীতিমালা ২০২৬' র খসড়া জমা দিতে বলেছে। এ প্রেক্ষিতে বিপিসির চেয়ারম্যানকে অন্যায়ভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
জাতীয় জনগুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি নীতিমালার জন্য চারদিনের সময় কি বিএনপির সুসাশনের নমুনা? ২৮ জুলাই অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর মেয়াদের জ্বালানি তেল আমদানির আন্তর্জাতিক দরপত্রের সময়সীমা ৪২ দিন থেকে ১০ দিনে নামিয়ে এনেছে। ফলে বড় আন্তর্জাতিক সরবরাহকারীরা অংশ নিতে পারবে না এবং দরদাতা সংকট তৈরি হবে। পণ্যদ্রব্যের দাম বাড়বে, সিন্ডিকেটের দরজা খুলে যাবে।
দুই. ইতিহাস ফিরে আসছে
বিএনপি সরকারের সঙ্গে লোডশেডিং শব্দটি আবারও সমার্থক হয়ে উঠেছে। ২০০১-২০০৬ মেয়াদেও এমন অসঙ্গত উন্নয়ন দেখা গিয়েছিল। দুই দশক পরেও তারা শিক্ষা নেয়নি।
তিন. টাকার অভাব? তথ্য বলছে ভিন্ন কথা
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহের জন্য অর্থের যোগান নেই। তবে বাংলাদেশের ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাবে দেশের গ্রস রিজার্ভ প্রায় ৩৬.৯ বিলিয়ন ডলার। বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ প্রায় ৩২ বিলিয়ন ডলার। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪২.৯ শতাংশ বেশি রেমিট্যান্স এসেছে।
বাস্তবে ডলার আছে। সমস্যা হলো ক্রয়ের টাইমলি শিডিউল। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নির্ধারিত শিডিউল ছাড়া জ্বালানি সরবরাহ হতে পারে।
চার. উৎপাদিত সংকট
বিষয়টি হচ্ছে, বিপিসিকে আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়নি এবং ক্রয় শিডিউলের অনুমোদন সময়মতো পরিশোধ করা হয়নি।
প্রশ্ন হচ্ছে, পছন্দের সরবরাহকারীর ব্যাপারে চাপ দিতে গিয়েই কি আমদানির শিডিউল বিপর্যস্ত হয়েছে? সরকারের পক্ষে বেসরকারি অলিগার্ক হাতে লাইসেন্স তুলে দেওয়া হবে।
পাঁচ. যুদ্ধের একমুখী অজুহাত টেকে না
এখন দেশের সেরা লোডশেডিং চলছে। ১০ আগস্ট ২০২৬ রাত ১টায় ৩,৭৫৭ মেগাওয়াট লোডশেডিং রেকর্ড হয়। ৪১ টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ রয়েছে। সরকার দায় চাপাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ওপর, কিন্তু তথ্য বলছে যুদ্ধের আগেও পরিস্থিতি খারাপ ছিল।
ছয়. মহেশখালীর আগুন এবং জাতীয় সক্ষমতার প্রশ্ন
২১ জুলাই মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে আগুন লাগে। ১৫ দিন ধরে দৈনিক ৫১ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ বন্ধ ছিল। এখানে প্রশ্ন রয়েছে যে, স্বাধীন তদন্ত হয়েছে কি না এবং জাতীয় সক্ষমতার প্রশ্নও উঠে এসেছে।
এলপিজির অভিজ্ঞতা আমাদের সামনে রয়েছে। বর্তমানে ডিজেল, পেট্রল ও অকটেনের দাম বৃদ্ধির প্রক্রিয়া চলছে।
প্রধানত, মানুষ নিয়মিত শুল্কের মধ্যে জ্বালানির চাহিদা তোলা দৃষ্টিতে যথেষ্ট স্ত্রী হতে পারে। বিএনপি সরকারের হাতে বিদ্যুৎ এবং জ্বালানী সমস্যার কার্যকর কোনো সমাধান নেই। বিদ্যালয় শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে এই পরিস্থিতিও সম্পর্ক রাখে।
বিএনপি'র পরিকল্পনা ও নীতি বিদ্যুৎ ও জ্বালানী খাতের নতুন সমস্যা সূত্র।
তাকে তাৎক্ষণিকভাবে (আগামী ৩০ দিন) কিছু প্রস্তাব দেনঃ
১. তড়িঘড়ি বেসরকারিকরণ প্রক্রিয়া স্থগিত করুন।
২. আন্তর্জাতিক দরপত্রের সময়সীমা ১০ দিন থেকে ৪২ দিনে ফিরিয়ে আনুন।
৩. বিপিসির সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর ক্রয় শিডিউল অবিলম্বে অনুমোদন করুন।
৪. মহেশখালী দুর্ঘটনার স্বাধীন কারিগরি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করুন।
৫. জাতীয় নিরাপত্তার সাথে যুক্ত থাকার পরিপ্রেক্ষিতে, জ্বালানির অভ্যন্তরীণ প্রকল্পের উন্নয়ন করা হবে।
এছাড়া ভূমিকা রেখেছিল ব্যাপক সিদ্ধান্তের গুরুত্ব দেশের ইতিহাসে।
জনগণের স্বার্থে অপরাধের জন্য কোনো পদক্ষেপ কোনো গোষ্ঠীর প্রতি নয়, সরকারের প্রথম দায় জনগণের প্রতি।
সুতরাং, বিএনপি সরকার যতটা চেষ্টা করছে জনগণের ব্যবস্থাপনা সে তেমন সফল হতে পারবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় ঋণ দেওয়ার কথা বলে গ্রাহকদের কাছ থেকে সঞ্চয়ের নামে টাকা নিয়ে উধাও হয়ে গেছে ‘এমপাওয়ারমেন্ট সেন্টার ফর ওমেন (ইসিডব্লিউ)’ নামের একটি কথিত এনজিও। গ্রাহকেরা ঋণ নিতে এসে অফিসে তালা ঝুলতে দেখে বিপাকে পড়েছেন। বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে ঢেউখালী ইউনিয়নের চন্দ্রপাড়া গ্রামের গ্রাহক মো. মুস্তাকিম হাওলাদার প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে সদরপুর থানায় গিয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দেন। ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে যে, প্রায় এক সপ্তাহ আগে চার-পাঁচজন ব্যক্তি, একজন মহিলাসহ, নিজেদের ইসিডব্লিউ এনজিওর কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে ঢেউখালী ইউনিয়নের চর কুমারিয়া এলাকার সৌদি প্রবাসী শিহাব বেপারীর তিনতলা ভবনের নিচতলা ভাড়া নেন। এরপর তারা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে সহজ শর্তে বড় অঙ্কের ঋণ দেওয়ার কথা বলে গ্রাহক সংগ্রহ করতে থাকেন।ঋণ পাওয়ার আগে প্রত্যেক গ্রাহকের কাছে ১০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত সঞ্চয় হিসেবে জমা নেন তারা। বুধবার (১২ আগস্ট) গ্রাহকদের ঋণ দেওয়ার কথা ছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঋণ নিতে এসে গ্রাহকরা অফিসে তালা ঝুলতে দেখে বিস্মিত হন। অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কাউকে খুঁজে পাননি। সবগুলো নম্বর বন্ধ পাওয়ার পর ভুক্তভোগীরা সদরপুর থানায় গিয়ে অভিযোগ করেছেন। ঢেউখালী ইউনিয়নের দুর্জয় খার ডাঙ্গী গ্রামের গ্রাহক জোসনা বেগম জানিয়েছেন, ‘আমি ৫০ হাজার টাকা দিয়েছি। বুধবার আমাকে ৫ লাখ টাকা ঋণ দেওয়ার কথা ছিল। সেই টাকা দেওয়ার জন্য আমি ধার করে সঞ্চয়ের টাকা জোগাড় করেছিলাম।’ ভাষাণচর ইউনিয়নের হাওলাদার ডাঙ্গী গ্রামের সাহিনুর বেগম বলেছেন, ‘আমি ১৫ হাজার টাকা জমা দিয়েছি। ঋণ দেওয়ার কথা বলে আমাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে। এখন অফিস বন্ধ।’ ভবনের মালিক শিহাব বেপারীর স্ত্রী বলেন, অফিস ভাড়া দেওয়ার সময় অভিযুক্তদের কাছে জাতীয় পরিচয়পত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চাইলে তারা জানান, শুক্রবার ঢাকা থেকে তাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসে অফিস উদ্বোধন করবেন। ওই সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও অগ্রিম ভাড়ার টাকা দেওয়া হবে। কিন্তু তার আগেই তারা অফিসে তালা দিয়ে চলে গেছেন। সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আল মামুন শাহ্ বলেছেন, এই ঘটনার জন্য একজন গ্রাহক থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. মনজুর আলম প্রধানকে বাংলাদেশ পেট্রলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যানের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বুধবার(১২ আগস্ট) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রশাসন-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করা হয়।
এ বিষয়ে সিনিয়র সহকারী সচিব মিল্টন রায় সই করা আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে। অফিস আদেশে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিপিসির দাপ্তরিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের সুবিধার্থে, সংযুক্ত নিশ্চয়তার জন্য জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. মনজুর আলম প্রধানকে তার নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে বিপিসির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
অফিস আদেশে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এ আদেশ জারি করা হয়েছে। এর আগে গত ২ আগস্ট জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. জিয়াউল হককে বিপিসির চেয়ারম্যানের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এরপর গত ৬ আগস্ট জিয়াউল হককে পদোন্নতি দিয়ে একই বিভাগের সচিব করা হয়। ফলে বিপিসির চেয়ারম্যানের পদটি শূন্য হয়ে যায়।
সম্প্রতি গত ২৬ জুলাই বিপিসির তৎকালীন চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমানকে বদলি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১২ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস) : রাজধানী ঢাকা শহরের পল্টন ও হাজারীবাগ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ ৪২ জনকে গ্রেফতার করেছে। এই ব্যক্তিরা বিভিন্ন ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত।
গত ২৪ ঘণ্টায় পল্টন থানা পুলিশ বিভিন্ন জায়গা থেকে ২৪ জনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছে মো. সেলিম (৩০), মো. দেলোয়ার (২০), মো. রনি (১৮), মো. স্বপন (২৯), বিপ্লব (২২), মো. শাকিল (২২), মো. ভুট্টু (৬০), কামাল (৫৫), মো. রাবি (১৯), মো. রাব্বি (১৮), মো. সুমন (৩২), মো. রুমান (২২), মো. জাহাঙ্গীর আলম (৩২), মো. শাহিন মিয়া (৪৮), মো. ফয়সাল (৩১), মো. রবিউল ইসলাম ওরফে শহিদুল ইসলাম বাবু (৪৬), মো. শাহ আলম (৪২), মো. শামীম ওরফে আকাশ (৩৫), মোসাম্মত নাসিমা (৫০), মোসাম্মত শিলা (৪৩), মোসাম্মত সুমি (৩৮), মোসাম্মত সাথী আক্তার (২০), মো. নয়ন মিয়া ওরফে সুজন মিয়া (২১) এবং মো. মোস্তফা খান (১৯)।
অন্যদিকে, হাজারীবাগ থানা পুলিশ গত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন এলাকা থেকে ১৮ জনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছে জুম্মান (২৪), মঞ্জুর হোসেন (২২), মো. আকাশ (২৫), মো. আলমগীর (২৫), মো. আরিফ (২৪), শাহীন (২২), মো. শাওন খান (২৬), কাদির ভক্তি (২৬), মো. রাকিব প্রামানিক (২৮), মো. রুবেল (২৮), মো. মেহেরুল ইসলাম খান (২২), মো. আরমান (১৯), মো. জামান (৫০), মো. সাইফুল ইসলাম (২১), মো. রাজু আহমেদ (২৮), মো. আব্দুল মতিন (৪০), মো. মনির হোসেন (২৩) এবং সুমন শেখ (৩৪)।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশনস বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী আজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে নিয়মিত, পরোয়ানাভুক্ত মামলার আসামি এবং বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত অপরাধী রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে পাঁচদিন ধরে অবস্থান করছেন লায়লা নামে এক তরুণী। এ সময় তিনি বি×ষের বো×তল সঙ্গে নিয়ে অনশন করছেন বলে জানা গেছে।
শনিবার (৮ আগস্ট) থেকে বুধবার (১২ আগস্ট) পর্যন্ত উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের হরিণবেড় গ্রামে প্রেমিক আমিন খানের বাড়িতে অবস্থান করছেন ওই তরুণী।
লায়লার দাবি, দুবাইপ্রবাসী আমিন খানের সঙ্গে তার প্রায় চার বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক। আমিন দেশে থাকা অবস্থায় দুই বছর এবং পরে দুবাই যাওয়ার পর আরও দুই বছর বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখেন। দীর্ঘদিনের সম্পর্কের পর এখন আমিন বিয়েতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন লায়লা।
লায়লার বাবা হরিপুর ইউনিয়নের শংকরাদহ গ্রামের বাসিন্দা সোহাগ খান বলেন, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সম্পর্ক করার পর এখন অস্বীকার করায় তার মেয়ে পাঁচদিন ধরে অনশন করছেন। গ্রামের সর্দার-মাতব্বররা বিষয়টি সমাধানের জন্য ছেলেপক্ষকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে তারা প্রথমে সম্মতি জানালেও পরে টালবাহানা শুরু করেছে। এতে মেয়ের জীবন নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
এদিকে আমিন খানের বড় ভাই আজমল খান অনশনের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, তার ছোট ভাইয়ের সঙ্গে লায়লার সম্পর্ক ছিল। তবে তার ভাই বিয়েতে সম্মতি দিচ্ছেন না।
বিষের বোতল রাখার বিষয়ে আজমল খান বলেন, বিষের বোতল ছিল। তবে গ্রামের সর্দাররা সেটি সরিয়ে নিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিষয়টি মীমাংসার জন্য গ্রামের সর্দার-মাতব্বররা কয়েক দফা উদ্যোগ নিলেও এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সমাধান হয়নি।
দীর্ঘ সময় ধরে তরুণী প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান করায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আমিন খান হরিণবেড় গ্রামের কামাল খানের ছেলে। তিনি বর্তমানে দুবাইপ্রবাসী।
এ ঘটনায় বুধবার পর্যন্ত নাসিরনগর থানায় কোনো মামলা হয়নি বলে জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ