ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভারতে পলাতক আসামিরা যেন অস্থিতিশীলতার চেষ্টা করতে না পারে: মাহদী আমিন


ভারতে পলাতক আসামিরা যেন অস্থিতিশীলতার চেষ্টা করতে না পারে: মাহদী আমিন

ভারতে পলাতক ফ্যাসিবাদের সহযোগী এবং আদালতের দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা যেন কোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা না করে, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীকে আহ্বান জানিয়েছেন।

 

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে, তেজগাঁওয়ের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মাহদী আমিনের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সার্বিক উন্নয়ন এবং জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধির বিষয়গুলো নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। এই সময় ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাসের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন বাধে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন সময়সীমা ১ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়াল ইসি

বৈঠকের সময়, দুই দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও মূল্যবোধকে আরো সুসংহত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমতা, ন্যায্যতা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ভিত্তিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে একটি টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হন। তারা বিদ্যমান বিভিন্ন চ্যালেঞ্জগুলো সমাধানের জন্য পারস্পরিক সংলাপ ও সহযোগিতার মাধ্যমে গঠনমূলক আলোচনা করেন।

 

বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বহুমাত্রিক রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও পর্যটনে সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। ব্যবসা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বিষয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। তথ্যপ্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের অপার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে তারা একমত হন যে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন: রাজউকের ১২৬৯ ভবনের মালিককে চূড়ান্ত নোটিশ, নির্দেশনা না মানলে আইনানুগ ব্যবস্থা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হোটেল রোদেলা, ইম্পিয়াল ও সামসসহ বরিশালের কয়েকটি হোটেলে মাদক ও নারী ব্যবসার অভিযোগ: নেপথ্যে বেপরোয়া মানিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার বরিশাল

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:১১ পি.এম


হোটেল রোদেলা, ইম্পিয়াল ও সামসসহ বরিশালের কয়েকটি হোটেলে মাদক ও নারী ব্যবসার অভিযোগ: নেপথ্যে বেপরোয়া মানিক

বরিশাল নগরীর গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও ঐতিহ্যবাহী এলাকাগুলোতে অবস্থিত কয়েকটি আবাসিক হোটেলকে ঘিরে ইয়াবা, মাদক ও নারী বাণিজ্যের মাধ্যমে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে নগরীর লঞ্চঘাট এলাকার ‘হোটেল রোদেলা’, হেমায়েত উদ্দিন সড়ক ও গির্জা মহল্লা এলাকার ‘হোটেল ইম্পিয়াল’ এবং সদর রোডের ‘হোটেল সামস’—এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে কেন্দ্র করে অপরাধ চক্রের তৎপরতা বৃদ্ধির তথ্য উঠে এসেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, এসব হোটেলের কর্মকাণ্ড প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নিয়ন্ত্রণ করছেন মানিক নামে এক প্রভাবশালী ব্যক্তি।

সাধারণ সেবার আড়ালে বিশেষ বাণিজ্য

স্থানীয় সূত্রের দাবি, এসব হোটেলে সাধারণ দূর-দূরান্তের যাত্রীরা কক্ষ ভাড়া নিলেও কিছু কক্ষে বিশেষ সুবিধার নামে অসামাজিক কার্যকলাপ ও মাদকের আসর বসানো হয়। অভিযোগ রয়েছে, অতিথিদের জন্য সাধারণ বাসস্থানের বাইরেও ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক এবং নারী সরবরাহের বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়, যার নেপথ্যে রয়েছে একটি সুসংগঠিত সিন্ডিকেট।

‘অনেক বছর ধরে করি, কেউ ধরতে পারে না’—ফোনালাপে মানিকের চাঞ্চল্যকর দাবি

অভিযোগের সত্যতা জানতে মানিকের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অত্যন্ত বেপরোয়া বক্তব্য প্রদান করেন। প্রতিবেদকের কাছে আসা ফোনালাপের অডিওতে মানিককে প্রকাশ্যে বলতে শোনা যায়, তিনি নাকি ‘অনেক বছর ধরে ইয়াবা ব্যবসা পরিচালনা করছেন এবং তাকে কেউ ধরতে পারে না।’

মানিকের এই ঔদ্ধত্যপূর্ণ স্বীকারোক্তির পর স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে তিনি কীভাবে এই অবৈধ বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন এবং তাঁর এই অদম্য শক্তির পেছনে কার বা কাদের ‘খুঁটির জোর’ বা আশ্রয়-প্রশ্রয় রয়েছে, তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

ইম্পিয়ালের কর্মী ইয়াবাসহ আটক, দায় এড়ানোর চেষ্টা

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সম্প্রতি হোটেল ইম্পিয়ালের এক কর্মী আলমগীর ইয়াবাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হন। এ বিষয়ে মানিকের কাছে জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন, আলমগীর বর্তমানে তাঁর হোটেলে কর্মরত নেই। তবে একজন দায়িত্বশীল কর্মী মাদকসহ গ্রেফতার হওয়ার পর হোটেল কর্তৃপক্ষের সচ্ছলতা, পরিচালনা ব্যবস্থা ও অভ্যন্তরীণ নজরদারি নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি ও স্থানীয়দের ক্ষোভ

নগরীর কেন্দ্রস্থলে বছরের পর বছর ধরে এসব আবাসিক হোটেল কেন্দ্রিক মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড চললেও দৃশ্যমান কোনো শক্ত পদক্ষেপ না থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। সচেতন নাগরিকদের প্রশ্ন—এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কি প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃষ্টিগোচর হচ্ছে না, নাকি কোনো প্রভাবশালী মহলের ছায়াতলে থেকে এসব নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে?

প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপের দাবি

হোটেলগুলোর অশুভ তৎপরতা বন্ধে স্থানীয় বাসিন্দারা অবিলম্বে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। তাঁদের মতে, হোটেলগুলোর অতিথি রেজিস্টার নিয়মিত যাচাই, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ, গোপন নজরদারি এবং আকস্মিক মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হলে এই অপরাধ চক্রের মূল রূপ ও নেপথ্যের কারিগরদের নাম প্রকাশ্যে আসবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্নীতির অভিযোগে বিপিএলের ২ কর্মকর্তা সাময়িক নিষিদ্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:১১ পি.এম


দুর্নীতির অভিযোগে বিপিএলের ২ কর্মকর্তা সাময়িক নিষিদ্ধ

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে। যদিও বিপিএল বন্ধ রয়েছে, ফিক্সিং সংক্রান্ত তদন্ত চলমান রয়েছে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে, দুটি দলের কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। সাময়িক নিষেধাজ্ঞা প্রাপ্ত দুইজন হলেন—মো. আব্দুল কাইয়ুম রাশেদ এবং মো. আমিন খান।

কাইয়ুম রাশেদ এবং আমিনকে আইসিসি অ্যান্টি-করাপশন কোডের বিভিন্ন ধারার লঙ্ঘনের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে। কাইয়ুম রাশেদ দ্বাদশ আসরে চট্টগ্রাম রয়্যালসের মালিক ছিলেন। অপরদিকে, আমিন খান একাদশ আসরে দুর্বার রাজশাহীর এবং দ্বাদশ আসরে চট্টগ্রাম রয়্যালসের টিম অফিসিয়াল (অপারেশন-ম্যানেজার) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের পরিচালিত তদন্তের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনা হয়েছে। বিপিএলের একাদশ ও দ্বাদশ আসরকে ঘিরে দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ড, দুর্নীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশে ব্যর্থতা, দুর্নীতিবিরোধী তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং তদন্তে বাধা দেওয়া বা বিলম্ব ঘটানোর অভিযোগ রয়েছে।’

কাইয়ুম রাশেদ আইসিসির দুর্নীতি বিরোধী ২.১.১, ২.৪.৪, ২.৪.৬ ও ২.৪.৭ ধারার লঙ্ঘন করেছেন। এই ধারাগুলোর মধ্যে রয়েছে, অনৈতিকভাবে ম্যাচের ফলাফল প্রভাবিত করা, দুর্নীতির প্রস্তাবের বিষয়ে দুর্নীতি দমন কর্মকর্তাকে অবহিত না করা এবং তদন্তের কাজে অসহযোগিতা না করা।

অন্যদিকে, আমিন খান ২.১.১, ২.১.৪, ২.৪.৬ ও ২.৪.৭ ধারার লঙ্ঘনের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন। এই ধারাগুলোর মধ্যে রয়েছে, ম্যাচের ফলাফল প্রভাবিত করা, দুর্নীতিতে প্ররোচনা দেওয়া, তদন্তে অসহযোগিতা করা এবং প্রমাণাদি ধ্বংস করা বা তদন্তে বাধা দেওয়া।

নিয়ম অনুযায়ী, অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তাকে জবাব দেওয়ার জন্য ১৪ দিন সময় দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিডিআর হত্যা-র প্রত্যক্ষদর্শীদের হ-ত্যা করে বস্তায় বেঁধে নদীতে ফেলেন জিয়াউল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:১১ পি.এম


বিডিআর হত্যা-র প্রত্যক্ষদর্শীদের হ-ত্যা করে বস্তায় বেঁধে নদীতে ফেলেন জিয়াউল

বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী চারজনকে হত্যার পর তাদের দেহের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তার সঙ্গে বেঁধে বলেশ্বর নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। ২০১০ সালের মে মাসে র‍্যাবের ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের তৎকালীন প্রধান জিয়াউল আহসানের উপস্থিতি ও নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়, যেখানে র‍্যাব ৮ এর ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের সদস্যরা জড়িত ছিল।

আজ বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ গুমের মামলায় সাক্ষ্য প্রদানকালে মেজর সাব্বির এসব তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি ওই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

মেজর সাব্বির উল্লেখ করেন যে, জিয়াউল আহসানের নির্দেশে র‍্যাব-৮ এর ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের সদস্যরা পাথরঘাটার চরদুয়ানির বলেশ্বর নদীতে ফ্রিশিং ট্রলারে চারজনকে নিয়ে যায়, যেখানে তাদের মুখ এবং পুরো শরীর ঢেকে দেওয়া হয় এবং নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।

তিনি আরও জানান, একই কায়দায় ২০১০ সালে আরেক ব্যক্তিকে হত্যা করে নদীতে ফেলা হয়। এই সাক্ষী জানান, ২০১১ সালে জিয়াউল আহসানের গলফ অপারেশনে জড়িত ট্রলার মাঝিদের মধ্যে একজন আলকাস মাঝিকেও গুম করে হত্যা করা হয়।

গুমের মামলায় এখন পর্যন্ত জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভুইয়া, হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী সেনা ও র‍্যাবের কর্মকর্তারা সাক্ষ্য প্রদান করেছেন। এরপর এ মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য নেওয়া হবে এবং পরে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হবে। বিগত ১৬ বছরে এটিই প্রথম গুমের মামলা, যা বিচার শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

মেজর সাব্বির ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন যে নজরুল ইসলামসহ চারজনকে বলেশ্বর নদীতে নিয়ে গিয়ে চোখ বেঁধে, গুলি করে, পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে পানিতে ফেলা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঘুমধুম সীমান্তে বিজিবির নতুন দুটি টিওবি উদ্বোধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:১৮ পি.এম


ঘুমধুম সীমান্তে বিজিবির নতুন দুটি টিওবি উদ্বোধন

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে নজরদারি বৃদ্ধি এবং অপারেশনাল সক্ষমতা উন্নত করার উদ্দেশ্যে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তবর্তী এলাকায় নতুন দুটি টেম্পোরারি অপারেশনাল বেস (টিওবি) উদ্বোধন করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

গতকাল বুধবার সকালে ঘুমধুম ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী আরচ্ছতলা টিলা ও হাতুরানী টিলা এলাকায় নবনির্মিত টিওবি দুটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিজিবির কক্সবাজার রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী সামশের উদ্দীন।

উদ্বোধন শেষে রিজিয়ন কমান্ডার টিওবি দুটির বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি দায়িত্ব পালনরত বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে কৌশলগত বিষয়ে আলোচনা করেন এবং সীমান্ত সুরক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা, পেশাদারিত্ব ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন।

বিজিবি সূত্র জানাচ্ছে, দুর্গম সীমান্ত এলাকায় নতুন দুটি টিওবি স্থাপনের ফলে সীমান্তে বিজিবির নজরদারি ও টহল কার্যক্রম আরও জোরদার ও কার্যকর হবে। একই সঙ্গে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ, সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকানো এবং সীমান্তবর্তী জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবির সক্ষমতা কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাবে। বিশেষ করে দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় দ্রুত টহল পরিচালনা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানানোর ক্ষেত্রে এই টিওবি দুটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে বিজিবি জানিয়েছে।

উদ্বোধনী বক্তব্যে কক্সবাজার রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী সামশের উদ্দীন উল্লেখ করেন, সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালনকারী প্রতিটি সদস্যকে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করতে হবে। দুর্গম সীমান্ত এলাকায় যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবিলায় এই নতুন টিওবিগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

এটি উল্লেখযোগ্য যে, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের ঘুমধুম এলাকা ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত দুর্গম ও স্পর্শকাতর। সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাবের কারণে এ অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে সীমান্তবর্তী এলাকায় বিজিবির স্থায়ী ও অস্থায়ী নজরদারি ব্যবস্থা জোরদারের উদ্যোগকে অত্যন্ত সময়োপযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিজিবির রামু সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. আনোয়ার-উল-আলম, কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলমসহ বিজিবির অন্যান্য সামরিক কর্মকর্তা ও জোয়ানরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%