প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী চারজনকে হত্যার পর তাদের দেহের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তার সঙ্গে বেঁধে বলেশ্বর নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। ২০১০ সালের মে মাসে র্যাবের ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের তৎকালীন প্রধান জিয়াউল আহসানের উপস্থিতি ও নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়, যেখানে র্যাব ৮ এর ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের সদস্যরা জড়িত ছিল।
আজ বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ গুমের মামলায় সাক্ষ্য প্রদানকালে মেজর সাব্বির এসব তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি ওই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
মেজর সাব্বির উল্লেখ করেন যে, জিয়াউল আহসানের নির্দেশে র্যাব-৮ এর ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের সদস্যরা পাথরঘাটার চরদুয়ানির বলেশ্বর নদীতে ফ্রিশিং ট্রলারে চারজনকে নিয়ে যায়, যেখানে তাদের মুখ এবং পুরো শরীর ঢেকে দেওয়া হয় এবং নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।
তিনি আরও জানান, একই কায়দায় ২০১০ সালে আরেক ব্যক্তিকে হত্যা করে নদীতে ফেলা হয়। এই সাক্ষী জানান, ২০১১ সালে জিয়াউল আহসানের গলফ অপারেশনে জড়িত ট্রলার মাঝিদের মধ্যে একজন আলকাস মাঝিকেও গুম করে হত্যা করা হয়।
গুমের মামলায় এখন পর্যন্ত জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভুইয়া, হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী সেনা ও র্যাবের কর্মকর্তারা সাক্ষ্য প্রদান করেছেন। এরপর এ মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য নেওয়া হবে এবং পরে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হবে। বিগত ১৬ বছরে এটিই প্রথম গুমের মামলা, যা বিচার শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
মেজর সাব্বির ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন যে নজরুল ইসলামসহ চারজনকে বলেশ্বর নদীতে নিয়ে গিয়ে চোখ বেঁধে, গুলি করে, পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে পানিতে ফেলা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন