বিশেষ প্রতিনিধি, রাঙ্গামাটি প্রতিনিধ
০৮:৫০ পি.এম
রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার রাইখালীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই কার্যক্রমে এলাকার পাহাড়ের স্বাভাবিক গঠন এবং পরিবেশের ভারসাম্য মারাত্মকভাবে নষ্ট হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বর্ষা মৌসুমে পাহাড় দুর্বল হয়ে যেকোনো সময় ভয়াবহ ভূমিধসের ঘটনা ঘটতে পারে—এমন আশঙ্কায় উদ্বেগে রয়েছেন এলাকাবাসী।
রোববার (২ আগস্ট) রাইখালী ২ নম্বর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের খন্তাকা এলাকায় সরেজমিনে এ চিত্র দেখা গেছে বলে স্থানীয়দের দাবি। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে该 এলাকায় পাহাড় কেটে বিপুল পরিমাণ বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। উত্তোলিত বালু বিভিন্ন যানবাহনে করে এলাকার বাইরে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলেও তাদের অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ভূমির মালিক শহিদুল হক (শইক্যা) এবং তার সহযোগী হিসেবে পরিচিত মিজান নামে এক ব্যবসায়ীর তত্ত্বাবধানে পাহাড় কেটে এভাবে বালু উত্তোলন চলছে। তাদের দাবি, নির্বিচারে পাহাড় কাটার ফলে একদিকে যেমন পাহাড়ের প্রাকৃতিক ভারসাম্য বিনষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে মাটির ক্ষয় বাড়ছে এবং পাহাড়ের স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে পড়ছে।
এলাকাবাসীর আশঙ্কা, চলমান বর্ষা মৌসুমে ভারী বৃষ্টিপাত হলে কাটা পাহাড়ের মাটি ধসে পড়তে পারে। এতে আশপাশের বসতবাড়ি, কৃষিজমি ও মানুষের জীবন-জীবিকা মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে। তারা যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা জানান, বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে চললেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে দিন দিন পাহাড় কেটে বালু উত্তোলনের পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে। তাদের অভিযোগ, দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, নির্বিচারে পাহাড় কাটা শুধু পরিবেশের জন্যই ক্ষতিকর নয়; এর ফলে জীববৈচিত্র্য, কৃষিজমি ও আশপাশের বসতবাড়িও হুমকির মুখে পড়তে পারে। তারা তাই বিষয়টি দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে পাহাড় কাটার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন, জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের দাবি, পরিবেশ ও জননিরাপত্তার স্বার্থে অবৈধ পাহাড় কাটা এবং বালু উত্তোলন বন্ধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত শহিদুল হক (শইক্যা) ও মিজানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী সময়ে প্রকাশ করা হবে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, প্রশাসন দ্রুত ঘটনাটি তদন্ত করে পরিবেশ রক্ষা, পাহাড়ের প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী আন্ত নগর মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রাপথ কক্সবাজার পর্যন্ত বর্ধিত করা হচ্ছে।
আগস্টেই ট্রেনটির নতুন গন্তব্যের বিষয়ে ঘোষণা আসতে পারে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে, যা রেলওয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।
এ ক্ষেত্রে ট্রেনটির পরিচালনা ও যাত্রার সময়সূচিতে কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। সম্প্রতি ঢাকা-কক্সবাজার পথে নতুন এক জোড়া ট্রেন চালুর বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। রেলপথমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ নতুন একটি জোড়া ট্রেন চালুর ঘোষণা দেওয়ার পর ট্রেনটির নাম ও চলাচলের সময় নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে বিভিন্ন আলোচনা চলছে।
তবে রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছেন, নতুন ট্রেন চালুর পরিবর্তে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের মহানগর এক্সপ্রেসকে কক্সবাজার পর্যন্ত বর্ধিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে এ লক্ষ্যে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে এবং ট্রেনটির পরিচালন সময় ও যাত্রাপথে কিছু পরিবর্তন আনা হতে পারে।
রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে কেউ কেউ বলছেন, একটি রেক দিয়ে এত দূরের গন্তব্যে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুই দফা ট্রেন পরিচালনা করা কঠিন। এতে নিয়মিত বিলম্বের আশঙ্কা থাকতে পারে। এ ক্ষেত্রে জামালপুর-ময়মনসিংহ রুটে চলাচলকারী বিজয় এক্সপ্রেসের উদাহরণও সামনে আনা হয়েছে।
এ বিষয়ে পূর্বাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) সুবক্তগীন রবিবার (২ আগস্ট) দুপুরে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের বদলে কক্সবাজার পর্যন্ত বর্ধিত করা হবে। ইতোমধ্যে এ লক্ষ্যে প্রস্তুতি নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।’
প্রসঙ্গত, মহানগর এক্সপ্রেস বর্তমানে ঢাকা-চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে চলাচল করছে। বর্তমান সময়ে ট্রেনটি বেলা সাড়ে ১২টায় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায় এবং রাত ৯টা ২০ মিনিটে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা করে।
মহানগর এক্সপ্রেসের যাত্রাপথ কক্সবাজার পর্যন্ত বর্ধিত করা হলে পর্যটক ও ভ্রমণপিপাসু যাত্রীদের জন্য রেলপথে কক্সবাজার যাতায়াতের সুযোগ আরও বাড়ে বলে আশা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী জানিয়েছেন, যারা দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামে আহত ও নিহত হয়েছেন, তাদের অবদান রাষ্ট্র কখনও ভুলে যাবে না। সরকার পর্যায়ক্রমে সকলকে রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মান জানাতে চাইছে এবং তাদের পাশে সহায়তার হাত বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে এ জন্য কিছুটা ধৈর্য ধরতে হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, আমরা একটি সময়ের ভেতর দিয়ে চলে এসেছি, যেখানে আন্দোলনের সময় কেউ নিরাপত্তা পাওয়ার সুযোগ পেতো, আবার কেউ পেতো না। কিন্তু আজকের বাংলাদেশে সকলেই নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার রাখে। সরকার একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার জন্য কাজ করছে।
রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত ‘ফ্যাসিবাদের ১৫ বছর ও চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান’ শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনীর সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
সালেহ শিবলী আরও বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাসে অসংখ্য মানুষ জীবন দিয়েছেন, আহত হয়েছেন, পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছেন। বিশেষ করে আন্দোলনে নিহত ও আহত সাংবাদিকদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।
তিনি জানালেন, প্রত্যেক ত্যাগের মূল্যায়ন একদিনে সম্ভব নয়। তবে রাষ্ট্র ধীরে ধীরে সবার অবদান মূল্যায়ন করার পরিকল্পনা করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্টভাবে বলেছেন, দীর্ঘদিনের আন্দোলনে যারা আহত ও নিহত হয়েছেন, তাদের পর্যায়ক্রমে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও সহায়তা দেওয়া হবে।
প্রেস সচিব বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। আন্তর্জাতিক যুদ্ধ পরিস্থিতি, অর্থনৈতিক চাপ এবং বিগত সরকারের রেখে যাওয়া নানা সংকট এতে অন্তর্ভুক্ত। এসব কারণে বাস্তবায়নে সময় লাগছে।
তিনি আরও বলেন, গত ১৫ বছরে যেসব নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, তার বাস্তবতা থেকে দেশকে বের করে আনতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। তাই নতুন সরকারকে কিছুটা সময় দিন। ইতোমধ্যে পরিবর্তন লক্ষ্য করা শুরু করেছেন।
সালেহ শিবলী বলেন, শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে পুনর্গঠনের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে। নিরাপদ, গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে সাংবাদিক, আলোকচিত্রীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, বিএনপি চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে এম মহসীন, সাধারণ সম্পাদক বাবুল তালুকদার, ডিইউজের সহসভাপতি রাশেদুল হক, বিপিজেএর সহসভাপতি মশিউর রহমান সুমন, অর্থ সম্পাদক নাসিম শিকদার, দপ্তর সম্পাদক ফরিদ আহমেদসহ অন্যান্য আলোকচিত্রী, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামায়াতে ইসলামী যতদিন থাকবে, ততদিন আওয়ামী লীগও টিকে থাকবে, এমন মন্তব্য করেছেন কবি, চিন্তক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ফরহাদ মজহার।
রোববার (২ আগস্ট) রাজধানী ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি আয়োজিত ‘৩৬ জুলাইয়ের অবদান বিতর্ক ও ব্যর্থতার দায় পর্যালোচনা’ শীর্ষক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফরহাদ মজহার এ মন্তব্য করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জাতীয় অর্জন এবং এ অর্জনের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করা যাবে না। একাত্তরের মাধ্যমে বাঙালি জনগোষ্ঠী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
ফরহাদ মজহার এই বক্তব্যে বলেন, ইসলাম একটি ধর্ম, রাজনৈতিক দলের পরিচয় নয়। তাই ‘জামায়াতে ইসলামী’ নাম ব্যবহার করে রাজনীতি করার ঘোরবিরোধী তিনি। যতদিন এ নাম নিয়ে জামায়াতে ইসলামী থাকবে, ততদিন বাংলাদেশে আওয়ামী লীগও থাকবে, বলেন ফরহাদ।
এ সময় তিনি ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রব্যবস্থা শেষ করতে গেলে ১৯৭২ সালের সংবিধান পুনর্বিবেচনা নয়, বরং বাতিল করা প্রয়োজন, এমন কথাও তুলে ধরেন।
তিনি ১৯৭২ সালের সংবিধানের সমালোচনা করে বলেন, এটি জনগণের সার্বভৌমত্বকে সীমাবদ্ধ করেছে। জনগণ রাষ্ট্রক্ষমতার প্রকৃত মালিক এবং জনগণের ইচ্ছার ভিত্তিতে নতুন গঠনতন্ত্র প্রণয়ন করা সম্ভব। বর্তমান সংবিধানের পরিবর্তে গণসার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, তিনি উল্লেখ করেন।
জুলাই অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্রক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়াতেও অসন্তোষ প্রকাশ করেন ফরহাদ মজহার। তার অভিযোগ, অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে পূর্ণ ক্ষমতাসম্পন্ন অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের সুযোগ সৃষ্টি হয়নি। তিনি দাবি করেন, সে সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক বাস্তবতায় একটি পূর্ণাঙ্গ অন্তর্বর্তী সরকার গঠনে বাধা সৃষ্টি হয়েছিল।
ফরহাদ মজহার আরও বলেন, পূর্ণাঙ্গ ক্ষমতাসম্পন্ন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের সুযোগ দেওয়া হয়নি। শেখ হাসিনার আমলের সংবিধান বহাল রেখে প্রকৃত অর্থে সরকার পরিচালনা সম্ভব নয়। তার ভাষায়, সংবিধানকে জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, যদি অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে অবৈধ বলা হয়, তাহলে একই সাংবিধানিক ধারাবাহিকতায় অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত বিএনপি সরকারকেও অবৈধ বলা হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সাবেক উপদেষ্টা শারমিন এস মুরশিদ। তিনি বলেন, ১৯৭১ ও ২০২৪ সালের চেতনাকে ধারণ করে রাষ্ট্র পুনর্গঠনের কাজ এগিয়ে নিতে হবে। দুর্নীতি, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও পুরোনো রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সংস্কার ছাড়া কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন সম্ভব নয়।
সংলাপে সভাপতিত্ব করেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপদেষ্টা ও এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া, আইনজীবী আবু হেনা রাজ্জাকী, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া, এ বি এম খালিদ হাসান, ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক সুলতানা রাজিয়া প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ