মাসুদ রানা, জেলা প্রতিনিধি টাংগাইল,
বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০১:০৯ পি.এম
রংপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই আসামির ডিএনএ পরীক্ষা এবং ডোপ টেস্ট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এমন তথ্য জানিয়েছেন মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ। তিনি উল্লেখ করেন, হত্যাকাণ্ডের শিকার দুই নারীর ক্ষেত্রে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।
আজ বৃহস্পাতিবার সকালে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের হলরুমে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন পুলিশ কমিশনার।
পুলিশ কমিশনার দাবি করেন, আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ চারজনকে শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় পরিবারের প্রত্যেককে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস।’
মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ আরও জানান, ‘ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে চারজনকে শ্বাসরোধ করে হত্যার বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে।
নারী ভিকটিমদের ভ্যাজাইনাল সোয়াব নেওয়া হয়েছিল এবং সেখানে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।’
হত্যাকাণ্ডের পেছনে জমি বিক্রির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে ক্ষোভের বিষয়টিও পুলিশ তদন্ত করছে। পুলিশ কমিশনার জানান, সিদ্ধার্থ দাসের পূর্বপুরুষদের কাছ থেকে গণপতি চক্রবর্তী জমি কিনে বাড়ি নির্মাণ করেছিলেন।
জমিটি বেশি মূল্যে কেনার বিষয়টি সিদ্ধার্থের পরিবারের অনেকেই ভালোভাবে নেননি বলে জানা গেছে। তিনি জানান, তদন্তের সব বিষয়ই গুরুত্ব দিয়ে যাচাই করা হচ্ছে।
গত শনিবার রাতে রংপুর নগরের কামাল কাছনা এলাকার মাছুয়াপাড়ার বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় সিদ্ধার্থ দাস এবং মুগ্ধ দাস নামের দুই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে বিশ্বের প্রথমবারের মতো যুক্তরাজ্যের চিকিৎসকেরা সফলভাবে মস্তিষ্কের টিউমার অপসারণ করেছেন। এই অস্ত্রোপচারের ফলে চিকিৎসাক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার সূচনা হয়েছে বলে মনে করছেন গবেষকেরা।
এই তথ্যটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের বেডফোর্ডশায়ারের ৪৮ বছর বয়সী রিস হিবার্ট, যিনি দুই সন্তানের বাবা এবং পেশায় গ্রাহকসেবা ব্যবস্থাপক, দেড় বছর আগে পর্যন্ত সুস্থ জীবনযাপন করছিলেন। প্রতিদিন দুপুরের খাবারের বিরতিতে প্রায় দুই মাইল হাঁটতেন তিনি।
একদিন হাঁটার সময় হঠাৎ করে তিনি রাস্তায় অচেতন হয়ে পড়েন এবং খিঁচুনি শুরু হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকেরা জানান, তার মস্তিষ্কে একটি বড় টিউমার রয়েছে। যদিও টিউমারটি ক্যানসারযুক্ত ছিল না, তবে এটি দৃষ্টিশক্তি নিয়ন্ত্রণকারী স্নায়ুর ওপর চাপ সৃষ্টি করছিল। সময়মতো অস্ত্রোপচার না করলে স্থায়ীভাবে দৃষ্টিশক্তি হারানোর সম্ভাবনা ছিল।
এরপর ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন হাসপাতালের চিকিৎসকেরা হিবার্টের অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন। এই অস্ত্রোপচারে প্রথমবারের মতো সরাসরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তা নেওয়া হয়।
চিকিৎসকেরা জানান, হিবার্টের মাথার খুলির নিচে মার্বেলের মতো একটি পিটুইটারি গ্রন্থিতে ১১ মিলিমিটার আকারের টিউমারটি ছিল। এই গ্রন্থি শরীরের বৃদ্ধি, বিপাকক্রিয়া, রক্তচাপ ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
টিউমারটির অবস্থান ছিল ক্যারোটিড ধমনির খুব কাছে, যা মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ করে। একই এলাকায় দৃষ্টিশক্তি নিয়ন্ত্রণকারী স্নায়ু অবস্থিত। ফলে অস্ত্রোপচারের সময় সামান্য ভুলও গুরুতর ক্ষতির কারণ হতে পারত।
টিউমারটি বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হিবার্টের পার্শ্বদৃষ্টি কমতে থাকে। পরে বিভিন্ন জিনিসের সঙ্গে ধাক্কা খাওয়া, অতিরিক্ত ক্লান্তি এবং মাথা ঘোরানোর সমস্যা দেখা দেয়।
অস্ত্রোপচারের সময় নাকের ভেতর দিয়ে একটি সরু ক্যামেরাযুক্ত যন্ত্র প্রবেশ করিয়ে মাথার খুলির নিচে পৌঁছান চিকিৎসকেরা। তবে হাড় ও শক্ত ঝিল্লির আড়ালে থাকা রক্তনালি, স্নায়ু ও টিউমারের অবস্থান সরাসরি দেখা কঠিন ছিল।
এ সময় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক বিশেষ ব্যবস্থা চিকিৎসকদের সহায়তা করে। অস্ত্রোপচারের সরাসরি দৃশ্য বিশ্লেষণ করে এটি গুরুত্বপূর্ণ রক্তনালি ও স্নায়ুর অবস্থান চিহ্নিত করে এবং টিউমার অপসারণের জন্য নিরাপদ জায়গাগুলোও নির্দেশ করে।
এই প্রযুক্তি মানুষের মুখ শনাক্ত করার ব্যবস্থার মতো কাজ করে, তবে এটি মস্তিষ্কের গুরুত্বপূর্ণ ও অনেক সময় আড়ালে থাকা শারীরিক কাঠামো শনাক্ত করতে সক্ষম।
গবেষকেরা পিটুইটারি টিউমার অপসারণের শত শত অস্ত্রোপচারের ভিডিও ব্যবহার করে এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ব্যবস্থাকে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। ভিডিওগুলোতে রক্তনালি ও স্নায়ুর অবস্থান চিহ্নিত করা হয়েছিল, যা ব্যবস্থাকে গুরুত্বপূর্ণ শারীরিক কাঠামো শনাক্ত করতে শেখায়।
অস্ত্রোপচারে সহায়তা করা অধ্যাপক হানি মার্কাস জানান, একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যে পরিমাণ অস্ত্রোপচার সারাজীবনে দেখেন বা করেন, তার চেয়ে বেশি অস্ত্রোপচারের তথ্য দিয়ে এই ব্যবস্থা প্রশিক্ষিত হয়েছে। ফলে এটি চিকিৎসকের জন্য একজন বিশেষজ্ঞের ‘দ্বিতীয় জোড়া চোখের’ মতো কাজ করতে পারে।
তবে চিকিৎসকেরা স্পষ্ট করেছেন, অস্ত্রোপচারের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি তাদের হাতে ছিল। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় তথ্য ও পরামর্শ প্রদান করেছে।
চিকিৎসকদের মতে, ভবিষ্যতে অস্ত্রোপচারকক্ষে একজন অতিরিক্ত বিশেষজ্ঞের মতো কাজ করবে এমন ব্যবস্থা তৈরি করাই তাদের লক্ষ্য। চিকিৎসকেরা প্রয়োজন অনুযায়ী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কাছ থেকে পরামর্শ নিতে পারবেন এবং প্রয়োজন মনে না করলে তা গ্রহণ না করার স্বাধীনতাও থাকবে।
গবেষক দলটি কয়েক বছর ধরে গবেষণাগারে এই প্রযুক্তি পরীক্ষা ও উন্নয়ন করেছে। যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্য গবেষণা সংস্থা ও গুগলের অর্থায়নে পরিচালিত এই গবেষণার প্রথম বাস্তব অস্ত্রোপচারের ফল নিয়ে তারা সন্তুষ্ট। এখন আরও বড় পরিসরে পরীক্ষা চালানোর প্রস্তুতি চলছে।
অস্ত্রোপচারের পর নিজের অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে হিবার্ট বলেন, চোখ খোলার পর তার মনে হয়েছিল যেন পুরো চারপাশের দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেয়েছেন। অস্ত্রোপচারের পর আট সপ্তাহে তার দৃষ্টিশক্তি কয়েক দিন পরপর আরও উন্নত হয়েছে।
হিবার্ট জানান, তার দৃষ্টিশক্তি ফিরে এসেছে এবং অস্ত্রোপচারের আগে যে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো ছিল, সেগুলোও চলে গেছে। তার ভাষায়, অস্ত্রোপচারটি তাকে যেন আবার নিজের জীবন ফিরিয়ে দিয়েছে।
যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য উদ্ভাবনবিষয়ক মন্ত্রী জেমস ফ্রিথ এই অস্ত্রোপচারকে জীবন বদলে দেওয়া ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের ক্ষেত্রে যথাযথ নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।
সূত্র: বিবিসি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধ্যরাতে ঢাকা-টঙ্গী হাইওয়ে রোডে একটি মোটরসাইকেলে দুই তরুণের মাঝে এক তরুণীকে অচেতন অবস্থায় বহনের দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। মোটরসাইকেলের মাঝখানে থাকা তরুণীর খালি পা নিচের দিকে ঝুলে ছিল। পেছনে থাকা এক তরুণ তাকে জাপটে ধরে রেখেছিলেন।
দৃশ্যটি দেখে তরুণীকে মৃত অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া কয়েকটি মন্তব্যে দাবি করা হয়েছে, উত্তরা এলাকার একটি বারে ওই তরুণী অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ভোরে মাদরাসাতুল মাদীনা-বগুড়ার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মুফতি মনোয়ার হোসেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবিগুলো পোস্ট করেন। তিনি জানান, উমরার সফর শেষে বগুড়া ফেরার পথে গাড়ি থেকে দৃশ্যটি দেখেন এবং ছবি তোলেন।
পোস্টে তিনি লেখেন, ‘এটা কি মরদেহ নিয়ে যাচ্ছে? আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কেউ থাকলে বিষয়টি দ্রুত অ্যাকশন নেন। ৩টা ১৫ থেকে ২০ মিনিটের দিকে আমি টঙ্গী পর্যন্ত সর্বশেষ দেখেছি। রাত তিনটা। উত্তরার আব্দুল্লাহপুর পার হয়ে টঙ্গী পর্যন্ত একটি মোটরসাইকেল ফলো করলাম। একজন যুবক ড্রাইভ করছেন। মাঝখানে একজন তরুণী। তার পা খালি ছিল এবং নিচের দিকে ঝুলছিল।’
তিনি লেখেন, জাগ্রত বা জীবিত মানুষের এমনভাবে পা ঝোলার কথা নয়। পেছন থেকে আরেকজন যুবক প্রাণান্তকর চেষ্টা করে তাকে জাপটে ধরে রেখেছেন। নয়তো তিনি নিশ্চিত পড়ে যেতেন। প্রাইভেট কারের ভেতর থেকে দেখে আমার খুব সন্দেহ হলো। খুব কাছ থেকে ছবি তুললাম। দেখলাম, মেয়েটি হয় অজ্ঞান, অথবা মৃত দেখে এমনটাই মনে হয়েছে। ৯৯৯-এ কল দিলাম, কিন্তু যোগাযোগ করতে পারিনি। টঙ্গী পর্যন্ত এভাবেই আমরা দেখেছি। জানি না, প্রকৃত বিষয়টা কী। ছবিগুলো শেয়ার করে রাখলাম। যদি এমন কিছু হয়ে থাকে, তাহলে এদের ক্লু পাওয়া যাবে।
পোস্টটির মন্তব্যের ঘরে জারা চৌধুরী রাত্রী নামে একজন দাবি করেন, তিনি ওই তরুণীকে আগে দেখেছেন। তার দাবি, উত্তরা এলাকার একটি বারে মদ পান করে ওই তরুণী অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে হুইলচেয়ারে করে নিচে নামানো হয়। তিনি নিজেও ওই বারে ছিলেন বলে দাবি করেন।
অন্যদিকে রাকিব হোসেন নামে একজন মন্তব্য করেন, ভোর ৩টার দিকে উত্তরা ফ্লাইওভারে তারও ওই তরুণদের সঙ্গে দেখা হয়েছিল। প্রথম দেখায় তারও মনে হয়েছিল, কোনো মরদেহ হয়তো নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
তবে পরে মোটরসাইকেলের পেছনের আলোর কারণে তরুণীর পা স্বাভাবিক ও জীবিত মানুষের মতো মনে হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তার মন্তব্যেও তরুণী মদ পান করে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন বলে দাবি করা হয়।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এসব মন্তব্যের কোনোটি স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।
এ বিষয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের নজরে আসার পর এটি নিয়ে আমরা তদন্ত করছি। তদন্তের পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর পৌরসভাকে পরিচ্ছন্ন, জঞ্জালমুক্ত ও আধুনিক মডেল পৌরসভায় রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছেন নবনিযুক্ত পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিল্লুর রহমান।
বৃহস্পতিবার সকালে পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় পৌর প্রশাসক জিল্লুর রহমান নিজে মাঠে উপস্থিত থেকে রাস্তা, ড্রেন ও বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা অপসারণ কার্যক্রম তদারকি করেন।
অভিযানের সময় পৌর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ মোড়, সড়কের পাশ ও অলিগলিতে জমে থাকা আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়। পাশাপাশি পৌর এলাকার পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।
পৌর প্রশাসক জিল্লুর রহমান বলেন, “নাগরিকদের সুস্থ ও সুন্দর জীবনযাত্রা নিশ্চিত করতে পৌর এলাকার পরিচ্ছন্নতা অত্যন্ত জরুরি। রহনপুর পৌরসভাকে জঞ্জালমুক্ত ও আধুনিক শহর হিসেবে গড়ে তুলতে আমাদের নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
এ সময় পৌরসভার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সচেতন নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন।
নবনিযুক্ত পৌর প্রশাসকের সরাসরি মাঠে থেকে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম তদারকির উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় সাধারণ মানুষ। তাদের প্রত্যাশা, এমন কার্যক্রম নিয়মিত অব্যাহত থাকলে রহনপুর পৌরসভা ধীরে ধীরে একটি পরিচ্ছন্ন ও মডেল পৌরসভায় রূপ নেবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে সম্প্রতি একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করেছে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান। এই চুক্তিটি ‘মক্কা প্যাক্ট’ নামে পরিচিত, যা অনুযায়ী, তিন দেশের যে কোনো একটির ওপর হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের ওপরই হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে।
বাংলাদেশও এই প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দিতে পারে—এমন গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে; চলছে বিভিন্ন আলোচনা। এই প্রসঙ্গে ইতোমধ্যে পক্ষে-বিপক্ষে নানা মতামত প্রকাশিত হয়েছে। বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান এবার এ বিষয়ে নিজের মতামত তুলে ধরেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানান। জামায়াত আমির লিখেছেন, ‘মক্কা প্যাক্টে যোগদান বাংলাদেশের একান্ত নিজস্ব বিষয়। দেশ ও জাতির প্রয়োজন এবং স্বার্থে বাংলাদেশ কোনো সিদ্ধান্ত নিলে তাতে অন্য কারও শ্বাসকষ্টে ভোগার প্রয়োজন নেই।’
প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১৯ মার্চ ইসলামি সম্মেলনের সময় সৌদি আরবের রিয়াদে তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বৈঠক করেন। সেখানে একটি যৌথ নিরাপত্তা চুক্তি কেমন হতে পারে সেটি নিয়েও আলোচনা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় গত ৭ আগস্ট এই তিন দেশের মধ্যে একটি চুক্তি সই হয়েছে মক্কায়।
বাংলাদেশের এ জোটে যোগ দেওয়ার বিষয়ে আগ্রহের কথা সম্প্রতি জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি উল্লেখ করেছেন, মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশ আগ্রহ প্রকাশ করেছে এবং বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ