প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রংপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই আসামির ডিএনএ পরীক্ষা এবং ডোপ টেস্ট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এমন তথ্য জানিয়েছেন মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ। তিনি উল্লেখ করেন, হত্যাকাণ্ডের শিকার দুই নারীর ক্ষেত্রে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।
আজ বৃহস্পাতিবার সকালে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের হলরুমে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন পুলিশ কমিশনার।
পুলিশ কমিশনার দাবি করেন, আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ চারজনকে শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় পরিবারের প্রত্যেককে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস।’
মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ আরও জানান, ‘ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে চারজনকে শ্বাসরোধ করে হত্যার বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে।
নারী ভিকটিমদের ভ্যাজাইনাল সোয়াব নেওয়া হয়েছিল এবং সেখানে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।’
হত্যাকাণ্ডের পেছনে জমি বিক্রির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে ক্ষোভের বিষয়টিও পুলিশ তদন্ত করছে। পুলিশ কমিশনার জানান, সিদ্ধার্থ দাসের পূর্বপুরুষদের কাছ থেকে গণপতি চক্রবর্তী জমি কিনে বাড়ি নির্মাণ করেছিলেন।
জমিটি বেশি মূল্যে কেনার বিষয়টি সিদ্ধার্থের পরিবারের অনেকেই ভালোভাবে নেননি বলে জানা গেছে। তিনি জানান, তদন্তের সব বিষয়ই গুরুত্ব দিয়ে যাচাই করা হচ্ছে।
গত শনিবার রাতে রংপুর নগরের কামাল কাছনা এলাকার মাছুয়াপাড়ার বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় সিদ্ধার্থ দাস এবং মুগ্ধ দাস নামের দুই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন