০৮:২৯ পি.এম
ফেনীর পরশুরামের সাঈদ বিন আমীনের (১০) কোরআনের হাফেজ হওয়ার স্বপ্ন ছিল। সে ইতোমধ্যে পবিত্র কোরআনের ১৩ পারা হেফজ সম্পন্ন করেছিল। কিন্তু দুঃখজনকভাবে হাফেজ হওয়ার আগেই ঈদের ছুটিতে এসে গ্রাম বাড়িতে পানিতে ডুবে তার মৃত্যু ঘটে।
এ খটনার সময়, সোমবার (১ জুন) দুপুরের দিকে উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম অলকা গ্রামে ঘটে। সাঈদ ওই গ্রামের মুফতি আমিনুল ইসলাম আমীনের বড় ছেলে।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাঈদ তার পরিবারের সঙ্গে গাজীপুরের কাশিমপুর নয়াপাড়া এলাকায় থাকেন। তার বাবা, মুফতি আমিনুল ইসলাম, সেখানে একটি মাদ্রাসা পরিচালনা করেন। ঈদুল আজহার পরের দিন ছুটি কাটাতে বাবার সঙ্গে গ্রামের বাড়িতে আসে। সোমবার দুপুরে সে বাড়ির কাছে মুহুরী নদীর বেড়িবাঁধ এলাকায় মাছ ধরতে যায়। কিছুক্ষণ পর সেখানে বন্যায় সৃষ্ট একটি খাদের পানিতে সে ডুবে যায়।
আরও পড়ুন: চৌদ্দগ্রামে এক মোটরসাইকেল রাইডারকে পিটিয়ে হত্যা
সাঈদের বাবা, আমিনুল ইসলাম বলেছেন, ‘দীর্ঘ সময় ধরে খোঁজাখুঁজির পর ছেলেকে না পেয়ে বেড়িবাঁধ এলাকায় যাই। পরে খাদের পানি থেকে তাকে উদ্ধার করে পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই, কিন্তু কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সে গাজীপুরের একটি মাদ্রাসার হিফয বিভাগে পড়াশোনা করত। ইতোমধ্যে ১৩ পারা হেফজ সম্পন্ন করেছিল। আমাদের ইচ্ছা ছিল যে সে কুরআনের হাফেজ হবে। কিন্তু আল্লাহ তাকে আমাদের কাছ থেকে নিয়ে গেছেন।’
পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ইফতেখার হাসান ভূঁইয়া বলেন, ‘হাসপাতালে আনার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।’
পরশুরাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, পানিতে ডুবে ওই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ নেই।
আরও পড়ুন: মাদারীপুরে তাইজুল হত্যা: অর্ধশতাধিক বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন