ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার হলেন কামরুল ইসলাম


প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার হলেন কামরুল ইসলাম

কামরুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রটোকল অফিসার-২ পদে নিয়োগ পেয়েছেন।

সোমবার (১ জুন) তার নিয়োগ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জনতা প্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এতে স্বাক্ষর করেন উপসচিব মো. গোলাম রব্বানী।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, কামরুল ইসলামকে অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা অথবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্মসম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার-২ (গ্রেড-৬) পদে যোগদানের তারিখ থেকে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল অথবা তার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে (যেটি আগে ঘটে) চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হলো।

আরও পড়ুন: পিরোজপুরে লাশ দাফনে বাধা, নাহিদ ইসলামের নিন্দা ও ইনসাফের আহ্বান

এতে আরও জানানো হয়েছে, এ নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে। জনস্বার্থে এই আদেশ জারি করা হলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত সম্মেলন শুরু হবে ৮ জুন নয়াদিল্লিতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৩২ পি.এম


বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত সম্মেলন শুরু হবে ৮ জুন নয়াদিল্লিতে

বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত সম্মেলন আগামী ৮ জুন নয়াদিল্লিতে শুরু হতে যাচ্ছে। এটি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এর মধ্যে মহাপরিচালক পর্যায়ের ৫৭তম সীমান্ত সম্মেলন। চার দিনব্যাপী এই শীর্ষ সম্মেলন ১১ জুন পর্যন্ত চলবে।

সোমবার (১ জুন) বিজিবি সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সম্মেলনে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করবে। বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, ভূমি জরিপ অধিদপ্তর এবং যৌথ নদী কমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও প্রতিনিধিত্ব করবেন।

অন্যদিকে, বিএসএফ মহাপরিচালকের নেতৃত্বে ভারতের একটি প্রতিনিধিদলও সম্মেলনে অংশ নেবে। ভারতীয় প্রতিনিধিদলে বিএসএফের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কর্মরত এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থার কর্মকর্তারাও উপস্থিত থাকবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম এর দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপে মসজিদ-মাদ্রাসার উন্নয়ন নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সন্দ্বীপ(চট্টগ্রাম)প্রতিনিধি

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৩২ পি.এম


চট্টগ্রাম এর দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপে মসজিদ-মাদ্রাসার উন্নয়ন নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার মগধরা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আদর্শ পাড়া এলাকার বায়তুল মামুর জামে মসজিদ ও তৎসংলগ্ন মাদ্রাসার উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন অভিযোগকে ‘মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছে মসজিদ ও মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি।
সোমবার (১ জুন) বিকেল ৫টায় মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মসজিদ কমিটির নেতৃবৃন্দ। এতে তারা বলেন, ২০২৩ সালে এলাকাবাসীর উদ্যোগে সরকারি পুকুর সংলগ্ন পুরোনো মসজিদটি পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু হয়। স্থানীয়দের অনুদান ও কমিটির সংগৃহীত তহবিলের মাধ্যমে নির্মাণকাজের প্রায় ৭০ শতাংশ সম্পন্ন হওয়ার পর এলাকার প্রবাসী আব্দুর রহিম তার কর্মস্থলের কফিলের সহযোগিতায় বাকি কাজ সম্পন্ন করার আশ্বাস দেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আব্দুর রহিম তার কফিলের কাছ থেকে চার ধাপে মসজিদের জন্য ১৩ লাখ ৩৫ হাজার টাকা এবং মাদ্রাসার জন্য প্রায় ২১ লাখ টাকা অনুদান সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেন। মোট ৩৪ লাখ ৩৫ হাজার টাকার এই অনুদানের যথাযথ প্রমাণ ও নথিপত্র মসজিদ ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে বলে দাবি করা হয়।
কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়, অনুদানের অর্থ উন্নয়ন কাজেই ব্যয় করা হয়েছে এবং সব হিসাব-নিকাশ যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও গণমাধ্যমের সামনে এসব হিসাব উপস্থাপন করা হবে।
লিখিত বক্তব্যে আরও অভিযোগ করা হয়, উন্নয়ন কাজের অধিকাংশ সম্পন্ন হওয়ার পর আব্দুর রহিম মসজিদের প্রবেশপথ সংলগ্ন মসজিদের মালিকানাধীন জায়গা থেকে একটি দোকানভিটার জন্য ব্যক্তিগত নামে এক কড়া জমি লিখে দেওয়ার দাবি জানান। বিষয়টি স্থানীয় আলেম-ওলামা, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসীর বিবেচনায় আনা হলে সর্বসম্মতিক্রমে তা প্রত্যাখ্যাত হয়। কারণ মসজিদের সম্পত্তি ব্যক্তি মালিকানায় হস্তান্তর শরিয়ত, আইন ও জনস্বার্থের পরিপন্থী বলে কমিটির দাবি।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ওই দাবি প্রত্যাখ্যানের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মসজিদ কমিটি ও এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে অনুদানের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগসহ বিভিন্ন ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। পাশাপাশি কমিটির কোষাধ্যক্ষ মাস্টার বেলায়েত হোসেন ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধেও মানহানিকর বক্তব্য ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়।
মসজিদ ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তাদের বক্তব্যে স্পষ্টভাবে জানায়, তারা মোট ৩৪ লাখ ৩৫ হাজার টাকা অনুদান পেয়েছেন। এর বাইরে এক কোটি টাকা অনুদান আনার যে দাবি করা হচ্ছে, তার কোনো তথ্য বা অর্থ মসজিদ কিংবা মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের কাছে নেই।
সংবাদ সম্মেলনে ছয় দফা বক্তব্য তুলে ধরে কমিটি জানায়, মসজিদ ও মাদ্রাসার কোনো অর্থ আত্মসাৎ করা হয়নি, সব অর্থ উন্নয়ন কাজে ব্যয় করা হয়েছে, মসজিদের সম্পত্তি ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নামে হস্তান্তরের সুযোগ নেই এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে।
তারা আরও বলেন, মসজিদ কমিটি সবসময় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জনকল্যাণের নীতিতে পরিচালিত হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
এদিকে, চলমান বিরোধের প্রেক্ষাপটে মাদ্রাসার নির্মাণকাজের দায়িত্ব আব্দুর রহিমের পিতা আব্দুল বায়েছ চৌকিদারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং তিনি বর্তমানে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
কমিটির নেতারা বলেন, অপপ্রচার ও মানহানিকর তথ্য প্রচার অব্যাহত থাকলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের অধিকার তারা সংরক্ষণ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বায়তুল মামুর জামে মসজিদের সভাপতি ডা. শামসুল আলম, সাধারণ সম্পাদক তাজুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক মাস্টার বেলায়েত হোসেন, সদস্য জামান মোল্লা, সিরাজুদ্দৌলা বাবুল, হাফেজ আবু তারেকসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হবে ১৫ বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ড রি-ইস্যুর নিলাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৩৮ পি.এম


মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হবে ১৫ বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ড রি-ইস্যুর নিলাম

বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী মঙ্গলবার (২ জুন) ১৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট ট্রেজারি বন্ড বিক্রির নিলাম অনুষ্ঠিত হবে, যার অবশিষ্ট মেয়াদ ২.৩৯ বছর।

সোমবার (১ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের যোগাযোগ ও প্রকাশনা বিভাগ (ডিসিপি) একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকে ১৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট ট্রেজারি বন্ড বিক্রির নিলাম হবে। এই নিলামে ২০১৩ সালের ২৩ অক্টোবরের তথ্য অনুযায়ী ১২ দশমিক ৪২ শতাংশ কুপন হারে ইস্যু হওয়া ১৫ বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ড, যা ৪ হাজার কোটি টাকা অভিহিত মূল্যে রি-ইস্যু করা হবে। ট্রেজারি বন্ডের আইএসআইএন নম্বর হলো বিডি ০৯২৮১৬১১৫৯।

এই বন্ডটির মেয়াদ ২০২৮ সালের ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত। এছাড়া, বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে ট্রেজারি বন্ডের রি-ইস্যু নিলাম হবে প্রাইসভিত্তিক।

বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানিয়েছে, নিলামে অংশগ্রহণের জন্য শুধুমাত্র সরকারি সিকিউরিটিজের প্রাইমারি ডিলারের ভূমিকায় নিয়োগ পাওয়া ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বিড দাখিল করতে পারবে। তবে অন্যান্য ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান তাদের ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী গ্রাহকদের জন্য প্রাইমারি ডিলারের মাধ্যমে নিলামে বিড দাখিল করতে পারবে।

অভিহিত মূল্যে প্রতি ১০০ টাকা মূল্যের বন্ড কেনার জন্য কাঙ্ক্ষিত প্রাইস এবং বন্ড কেনার পরিমাণ উল্লেখ করে নিলামে অংশ নিতে হবে। বিড দাখিলের সময়সীমা সকাল ১০ টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত। এই প্রক্রিয়া হবে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে, বাংলাদেশ ব্যাংকে স্থাপিত এফএমআইয়ের মাধ্যমে।

বিশেষ কিছু পরিস্থিতিতে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিভাগের অনুমতি নিয়ে ম্যানুয়াল বিডস ইন সিলড কভারস পদ্ধতি ব্যবহারের অনুমতি রয়েছে।

এদিকে, নিলামে অংশগ্রহণের বিস্তারিত নির্দেশনা ইতোমধ্যে প্রাইমারি ডিলারসহ বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে চিঠির মাধ্যমে জানানো হয়েছে বলে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন কামরুদ্দীন আবসার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪০ পি.এম


শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন কামরুদ্দীন আবসার

কামরুদ্দীন আবসার শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন। উদ্বেগের মধ্যে, সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে তিনি মিরপুরে চিরনিদ্রে শায়িত হলেন, যেখানে বিশিষ্ট গণসংগীত শিল্পী হিসেবে তার পরিচিতি ছিল।

গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্যের উদ্যোগে তার মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাখা হয়েছিল। সোমবার (১ জুন) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত, সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হয়। সেখানে রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মী, শিল্পী এবং শুভানুধ্যায়ীরা ফুলেল শ্রদ্ধা জানান।

শ্রদ্ধা নিবেদনকারী সংগঠনগুলোর মধ্যে ছিল গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্য, গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, এবং আরো অনেক সংগঠন। গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্যের জোটভুক্ত সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকেও পৃথকভাবে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

শ্রদ্ধা নিবেদন উপলক্ষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন আনু মোহাম্মদ, প্রয়াত শিল্পীর ছেলে আদনান মুকিত এবং ডা. হারুন অর রশীদ। সভায় সভাপতিত্ব করেন জামশেদ আনোয়ার তপন। বক্তারা বলেন, কামরুদ্দীন আবসার শৈশব থেকেই গণসংগীতকে সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসেবে গ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ মার্কসবাদী সাংস্কৃতিক কর্মী ও সংগঠক।

শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তিনি সারাজীবন সক্রিয় ছিলেন। তার হাত ধরে অনেক শিল্পী গণসংগীতের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রাম এবং সভা-সমাবেশে তিনি সংগ্রামের গান গেয়ে মানুষের প্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছিলেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। গত শনিবার (৩০ মে) রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কামরুদ্দীন আবসার মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৫৪ সালের ১৫ নভেম্বর কুমারখালীতে তার জন্ম হয়। শৈশব থেকেই সংগীতের প্রতি তিনি গভীর অনুরাগী ছিলেন। ওস্তাদ ফুল মোহাম্মদ, মুন্সি রইসউদ্দীন ও আলতাফ মাহমুদ-এর কাছে সংগীতে তালিম গ্রহণ করার পর ১৯৭২ সালে আলতাফ মাহমুদ সংগীত বিদ্যানিকেতন সঙ্গে যুক্ত হন। পরবর্তীতে সেগুনবাগিচা মিউজিক কলেজে অধ্যয়ন করেন।

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন-এর সংগীত ও পরিচালনা বিভাগে সহকারী হিসেবে কাজ করা অবস্থায় তিনি গণসংগীত শিল্পী হিসেবেই সর্বাধিক পরিচিতি লাভ করেছিলেন। 'চল রে ভাই, উজান বেয়ে যাই', 'আমি কোনো ভালোবাসার গল্প জানি না, যেটুকু জেনেছি সবটুকুই যুদ্ধের' এবং 'তোমরা যদি বলো ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখা যায়, আমি মানবো না'-এ ধরনের গান মানুষের সংগ্রামী চেতনা জাগ্রত করেছে।

তার প্রকাশিত অ্যালবামের মধ্যে 'মে দিবসের গান' এবং 'বাংলার কমরেড বন্ধু' বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ লেখক শিবির-এর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পর তিনি দীর্ঘদিন সংগঠনটির সংগীত ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কৃষক, শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে তিনি দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে বেড়িয়েছেন। সত্তরের দশকের দুর্ভিক্ষের সময় গান গেয়ে ক্ষুধার্ত মানুষের জন্য তহবিল সংগ্রহ করেছেন।

নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, জাতীয় সম্পদ রক্ষা আন্দোলন এবং গার্মেন্টস শ্রমিক আন্দোলনেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%