বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১২:২৪ এম
জাদুশিল্পকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার লক্ষ্যে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে অন্তর্ভুক্ত করার ঘোষণাটি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী আজ দিয়েছেন।
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আজ সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা, যার আয়োজন করেছে জাদুশিল্পী ঐক্য সংস্থা, সেখানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই ঘোষণা করেছেন।
সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, "জাদুশিল্পকে পারফর্মিং আর্টের একটি জনপ্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অন্তর্ভুক্ত করা হলো।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, "পারফর্মিং আর্ট তথা জাদুশিল্প হচ্ছে আমাদের সৃজনশীল অর্থনীতি বা ‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ এর একটি অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম, যা বিনোদনের পাশাপাশি ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে।" তিনি ঘোষণা করেন, জাদুশিল্পীদের কল্যাণে নতুন অর্থবছরের বাজেট থেকে যথাসম্ভব আর্থিক সহযোগিতা দেওয়া হবে।
এ সময় সংস্কৃতি মন্ত্রী জানান, "প্রতি মাসে অন্তত একবার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে জাদু প্রদর্শনীর আয়োজন করার বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সম্মতি জানানো হয়েছে।" তিনি আরও বলেন, পাহাড় ও সমতলের সকল জাতিগোষ্ঠীর সংস্কৃতিকে ঐক্যবদ্ধ করে হাজার বছরের পুরনো বিশ্বখ্যাত বাঙালি সংস্কৃতিকে পুনরুজ্জীবিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ বক্তা ও সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন জাদুকর এবং জাদুশিল্পী ঐক্য সংস্থার প্রধান উপদেষ্টা জুয়েল আইচ। তিনি দেশের জাদুশিল্পের প্রসারে সরকারের এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান।
জাদুশিল্পী ঐক্য সংস্থার সভাপতি শাহীন শাহ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, যিনি দেশীয় জাদুশিল্পের বর্তমান বাস্তবতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন: জাদুশিল্পী ঐক্য সংস্থার উপদেষ্টা এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পরিচালক ও কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন, সংস্থার উপদেষ্টা বিপাশা আইচ, এটিএন মিডিয়া কমিউনিকেশনস-এর সিইও ও উপদেষ্টা সাজেদুর রহমান মুনীম, বিআরবি ক্যাবলস-এর ডিজেএম ও উপদেষ্টা মো. সাইফুল ইসলাম এবং এটিএন এডুকেশন লিমিটেডের পরিচালক ও উপদেষ্টা রোকসানা আখতার রিনি।
অনুষ্ঠানের শেষে দেশের শীর্ষস্থানীয় ও উদীয়মান নারী-পুরুষ জাদুশিল্পীদের অংশগ্রহণে একটি মনোজ্ঞ জাদু প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) ফুটবল বিশ্বকাপ খেলা দেখা নিয়ে ছাত্রদলের মধ্যে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে আশরাফুল নামের একজন কর্মী আহত হয়েছেন।
বুধবার (৮ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় আর্জেন্টিনা বনাম মিশরের খেলাটি শেষ হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা গেছে যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে আর্জেন্টিনা বনাম মিশরের খেলা চলাকালীন শাবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক তারেক রহমান এবং সহ-অর্থ সম্পাদক কাফি কাওসারের বন্ধু, ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী নাফিসের মধ্যে কিছু কথা কাটাকাটি হয়। বিষয়টি নিয়ে কিছু সময়ের জন্য মীমাংসাও হয়।
কিন্তু পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক এলাকায় আবারও উভয় পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। এ সময় নাফিসের বন্ধু ছাত্রদলের সহ-অর্থ সম্পাদক কাফি কাওসার এবং তার বন্ধুরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে ছাত্রদল কর্মী আশরাফুল মাথায় আঘাত পান এবং পরবর্তীতে তাকে সিলেট নগরীর একটি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়।
আহত ছাত্রদল কর্মী আশরাফুল বলেন, ‘খেলার আয়োজক হিসেবে ছিল আমাদের বন্ধু তারেক। নাফিস নামের একটি ছেলে পর্দার সামনে বারবার চলে আসছিল। তারেক তাকে সামনে আসতে নিষেধ করে। তখন তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ঘটে। পরে গেটে যাওয়ার পর তারেক নাফিসের কাছে বিষয়টি বোঝাচ্ছিল। তবে সেই সময় কাফি (ছাত্রদলের সহ অর্থ সম্পাদক) মদ্যপান অবস্থায় তারেকের ওপর উত্তপ্ত হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা গোলাপ রেস্টুরেন্টের সামনে চিল্লাপাল্লা শুনে এগিয়ে যাই। সেখানে তারেক আমাকে জানায়, জুনিয়র কাফি তাকে মারতে চায়। পরে আমরা এগিয়ে গেলে আমাকে ধাক্কা দিয়ে দেওয়ালের সামনে ফেলে দেয় এবং কিল-ঘুসি মারতে শুরু করে। সেখান থেকে আহত অবস্থায় বন্ধুরা আমাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।’
এ বিষয়ে ছাত্রদলের সহ-অর্থ সম্পাদক কাফি কাওসারকে কল দিলে তার ফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মুখলেসুর রহমান বলেন, ‘ছাত্রদলের নিজেদের মধ্যে ঝামেলাকে কেন্দ্র করে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন আহত হয়েছেন। তাদের যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে। আর বিষয়টি যেহেতু ছাত্রদলের অভ্যন্তরীণ, তাই তাদের নেতাকর্মীদের মাধ্যমে মীমাংসা করা হয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শপথ গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নতুন কমিটি আগামী দুই বছরের জন্য দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। বুধবার রাত আটটায় বিএফডিসি'র আট নাম্বার ফ্লোরে এই শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
নব নির্বাচিত সভাপতি শিবা সানুকে শপথ পড়ান বিদায়ী সভাপতি মিশা সওদাগর। পরে নব নির্বাচিত সভাপতি শিবা সানু কমিটির অন্যান্য সদস্যদের শপথ পড়ান।
শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পরে গণমাধ্যমকে শিবা সানু বলেন, নির্বাচন শেষ হওয়ার পর আমরা আবার সবাই এক। আমরা চাই যে, সবাইকে নিয়ে শিল্পী সমিতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি। বিজয়ী এবং বিজিত সকলকে নিয়ে শিল্পী সমিতির মর্যাদা, পেশাদারিত্ব ও উন্নয়ন ঘটাতে চাই। আমাদের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচনে জয়ী হতে পারেন নি এমন শিল্পীদের নিয়ে বিভিন্ন উপ-কমিটি গঠন করে শিল্পী সমিতির উৎকর্ষ সাধনে কাজ করতে চাই। সংসদে শিল্পীদের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষায় সমস্ত ভেদাভেদ ভুলে আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে।
শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে সভাপতি শিবা সানু ও সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী ছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্রের নবীন ও প্রবীন শিল্পীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার চতুর্থ দিনে ইংরেজি (আবশ্যকি) দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষায় দুই হাজার ৪২৭ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল।
এছাড়াও, অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ২০ পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বুধবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যায় কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সালাহ্উদ্দিন এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, বোর্ডের অধীন কুমিল্লা, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মোট ৮৫ হাজার ১৩১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৮২ হাজার ৭০৪ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। অবশিষ্ট ২ হাজার ৪২৭ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। অনুপস্থিতির হার ২ দশমিক ৮৫ শতাংশ।
এদের মধ্যে কুমিল্লায় ৮৬৩ জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩০৪ জন, চাঁদপুরে ২১৪ জন, ফেনীতে ১৯১ জন, নোয়াখালীতে ৫৭৯ জন এবং লক্ষ্মীপুর জেলায় ২৭৬ জন।
উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সালাহ্উদ্দিন আরও বলেন, অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে কুমিল্লা জেলায় ৫ জন, চাঁদপুরে ১০ জন, নোয়াখালীতে ২ জন এবং লক্ষ্মীপুর জেলায় ৩ জনসহ মোট ২০ জন পরীক্ষার্থীকে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং ৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ব্লক এ-৩ এলাকার ইরানি পাহাড় পুলিশ ক্যাম্পের আওতাধীন খতিজাতুল মহিলা হেফজখানায় ঘটেছে পাহাড় ও দেয়াল ধসের ঘটনা, যার ফলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ জনে। তার সাথে আহত ১২ জন শিক্ষার্থী বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
গত বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর দেড়টা নাগাদ সংঘটিত হয় ঘটনাটি, যা টানা বৃষ্টি ও ঝড়ের কারণে পাহাড়ি মাটির আঘাতে ঘটে। সময়ের অন্তরালে ওই সময় ৩০ থেকে ৩৫ জন শিক্ষার্থী হেফজখানায় উপস্থিত ছিল এবং দেয়াল ধসের ফলে তারা চাপা পড়ে। এই ঘটনায় উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আক্তার এখন পর্যন্ত ৮ জন মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে রাতে ১৪ আর্মস পুলিশ ব্যাটালিয়নের কমান্ডার মো. সিরাজ আমিন একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিহত ৮ জন রোহিঙ্গা মাদরাসা ছাত্রীর মধ্যে ৫ জনের পরিচয় দিচ্ছেন। তাদের পরিচয় হলো, ক্যাম্প-৩-এর জি/৮৩ ব্লকের সামশুল আলমের মেয়ে শাহিদা (১৩), ক্যাম্প-৩-এর এফ/১ ব্লকের আব্দু. শুক্কোরের দুই মেয়ে উম্মে নেজাতুল (১৩) ও উম্মে সালমা (১২), ক্যাম্প-৫-এর এ/৮ ব্লকের মো. ইলিয়াছের মেয়ে ওমাইচা বিবি (১৩) এবং একই ক্যাম্পের এ/১১ ব্লকের হাসেম উল্লাহর মেয়ে রাশিদা (১৬)। অন্য তিনজনের নাম ও পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি।
প্রসঙ্গত, গত রবিবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতে ক্যাম্পে পৃথক পাহাড়ধসের ঘটনায় ৮ জন রোহিঙ্গার মৃত্যুর পরের ৩ দিনের মাথায় বুধবারের এই ঘটনা ঘটল।
দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে উখিয়ার ইউএনও পান্না আক্তার দ্রুত দুর্ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তিনি কালের কণ্ঠকে জানান যে, পাহাড়ধসের ঘটনায় মাদরাসা থেকে মোট ২০ জন শিশুকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তাদের মধ্যে ৪ জন ঘটনাস্থলেই মারা গেছে এবং পরে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরো ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া, আহত ১২ জনকে ক্যাম্প-৩-এর জিকে (এক) হাসপাতাল, ক্যাম্প-৫-এর ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল, ক্যাম্প-৬-এর আইআরসি (আন্তর্জাতিক রেড ক্রিসেন্ট) হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।
ইউএনও পান্না আক্তার উল্লেখ করেন যে, পাহাড়ের পাদদেশে নির্মিত এই মাদরাসাটির চারদিকে ইটের দেয়াল নির্মাণ করা ছিল এবং উপরে টিন ও বাঁশের ছাউনি ছিল। অতিবৃষ্টির ফলে পাহাড় থেকে নেমে আসা মাটি দেয়ালে আঘাত হানলে সেটি ধসে পড়ে।
এক প্রত্যক্ষদর্শী রোহিঙ্গা আনাম জানিয়েছেন, মাদরাসাটি পাহাড় কেটে পাহাড়ের কোল ঘেঁষে নির্মাণ করা হয়েছিল। প্রবল বৃষ্টিতে পাহাড়ের মাটি ধসে পড়ে দেয়ালের ওপর চাপ সৃষ্টি করলে সেটি ভেঙে পড়ে। এরপর স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধারকাজ পরিচালনা করেন। এ মাদরাসাটিতে ১৮০ জন ছাত্রী পড়াশোনা করত, তবে গতকাল ভারি বর্ষণের কারণে উপস্থিতি কম ছিল এবং ৩০ থেকে ৩৫ জন মেয়েই উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন রোহিঙ্গা জানিয়েছেন যে, মাদরাসাটির নিয়ন্ত্রণ ছিল রোহিঙ্গাদের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরসার অধীনে এবং কথিত আরসা নেতা মৌলভি জুবায়ের এটি পরিচালনা করতেন। এতে প্রতিদিন সকাল, দুপুর ও সন্ধ্যায় মোট ৩ শিফটে রোহিঙ্গা কন্যাশিশুদের কুরআন শিক্ষা দেওয়া হয়ে থাকে। তবে ঘটনার পর মৌলভি জুবায়ের পালিয়ে যাওয়ায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ