বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:০৯ পি.এম
চট্টগ্রামের রাউজানে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত একটি চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার সময় পুলিশের সঙ্গে গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে।
এই ঘটনায় ১২ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দিলদার হোসেন (৩৭) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দিলদারের হেফাজত থেকে উদ্ধার করা হয়েছে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র, ১১৯ রাউন্ড চায়না রাইফেলের গুলি, ছয় রাউন্ড সীসা কার্তুজসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এক সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম এ তথ্য জানান। এর আগে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে উপজেলার ৮ নম্বর কদলপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ কদলপুর জয়নগর বড়ুয়া পাড়ায় অভিযানটি পরিচালিত হয়।
পুলিশের দাবি, ২৫ সেপ্টেম্বর আবু বক্কর চৌধুরী নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে চাঁদা দাবি করা হয়। জানে আলমের বসতঘরের সামনে অভিযান চালানোর সময় পুলিশ উপস্থিতি টের পেয়ে ঘরের ভেতর থেকে জানে আলম, আজিজ বস, দিলদার হোসেন, মো. রুবেল (২৭), মো. মামুন-অর-রশিদ ওরফে মামুন (৩৫) এবং মো. বাঁচা (৪৫) সহ কয়েকজন পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।
পুলিশ আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। অভিযানের একপর্যায়ে দিলদার হোসেনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আটক করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আফগানিস্তানের কুনার ও হেলমান্দ প্রদেশে পাকিস্তানি বিমান হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত ২২ জনে। গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় এ হামলা সংঘটিত হয়।
সংবাদ মাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে ইসলামাবাদ দাবি করেছে যে, নিহতদের মধ্যে সকলেই সন্ত্রাসী।
পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয় জানায়, অভিযানের সময় সশস্ত্র গোষ্ঠীর গোপন আস্তানায় মজুদ থাকা বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদও ধ্বংস করা হয়েছে।
তবে তালেবানের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, পাকিস্তান বাহিনী কুনার ও হেলমান্দ প্রদেশে তিনটি বাড়িতে হামলা চালিয়েছে। এ হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) ক্যাম্পাসে মাদক সেবনরত অবস্থায় তিন কলেজছাত্রকে হাতেনাতে আটক করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও ক্যাম্প পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আরো একজন দৌড়ে পালিয়ে যায়।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেইরি ফার্ম এলাকায় এক অভিযানে তাদেরকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
ক্যাম্প পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডেইরি ফার্ম এলাকায় অভিযান চালানো হয়। ঘটনাস্থলে গিয়ে চারজনকে মাদক সেবন করতে দেখা যায়। তিনজনকে হাতেনাতে ধরলেও একজন দৌড়ে পালিয়ে যায়। আটক তিনজনের কাছ থেকে গাঁজাসহ মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। আটক তিনজন ও পালাতে সক্ষম ব্যক্তি, সকলেই বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে অবস্থিত কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (কেবি) কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।
ঘটনার বিষয়ে ক্যাম্প পুলিশ ইনচার্জ সাইফুল হক বলেন, "প্রক্টর স্যারের মাধ্যমে জানতে পারি ডেইরি ফার্মের একটি নির্জন জায়গায় কয়েকজন নিয়মিত গাঁজাসহ মাদক সেবন করে। এর আগেও অভিযান চালানো হলেও তাদের দেখা পাওয়া যায়নি। আজকে দুপুরের দিকে প্রক্টরিয়াল বডির সঙ্গে অভিযান চালানো হয়। এসময় তাদের চারজনকে দেখতে পাই। একজন ব্যাগ রেখে দৌড়ে পালাতে সক্ষম হলেও তিনজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়।"
অভিনব পদ্ধতিতে মাদক সেবনের বিষয়ে তিনি বলেন, "এরা এক বোতলে দুই ছিদ্র করে হুক্কার মতো করে মাদক সেবন করে। বোতলের নিচে ছিদ্র করে পাইপে মাদকের স্টিক ঢুকিয়ে পানি দিয়ে অর্ধেক বোতল ভর্তি করে। পরে উপরের দিকে একটা ছিদ্র করে। চিপি বন্ধ করে উপরের ছিদ্র দিয়ে হুক্কার মতো করে টানে। অবাক করা বিষয় এরা মাত্র কলেজের শিক্ষার্থী।" পরে আটক তিনজনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুলিশ ক্যাম্পে নেওয়া হয় বলে জানান তিনি।
এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আবদুল আলীম বলেন, "ডেরি ফার্ম এলাকা আছে অভিযান চালিয়ে তিনজকে ধরা ধরা হয়। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে মাদক সেবনের কথা স্বীকার করে। যে পালিয়ে ব্যাগ রেখে পালিয়ে গেছে তার ব্যাগের মধ্যে মাদকের সরঞ্জাম পাওয়া যায়।" তিনি বলেন, "তারা মাত্র কলেজে পড়াশোনা করছে। এদের অনেকের অভিভাবক বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি করছে। বিষয়টি আসলেই হতাশাজনক।"
প্রক্টর আরো বলেন, "আটক শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে সামনে এ ধরনের কাজ না করার অঙ্গীকার নেওয়া হয়েছে। তাদের অভিভাবকদের ডাকা হয়। পরে মুচলেকা নিয়ে লিখিতভাবে অভিভাবকদের জিম্মায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে অভিভাবকদের কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে, যাতে তারা সন্তানদের নিয়মিত কাউন্সেলিং ও নজরদারিতে রাখেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেনীর ফুলগাজীতে বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজের প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণের আয়োজন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন তিনি করেন।
কর্মসূচির একটি পর্যায়ে কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী কথা বলেন। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি তাদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
পরে প্রধানমন্ত্রী কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভিন্ন ক্রীড়াসামগ্রী বিতরণ করেন। এ সময় শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে দুপুরে ফেনীর পরশুরামে ‘মহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ প্রকল্পের উদ্বোধন এবং মহুরী নদী খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মোজতবা খামেনি বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানি জাতির সংগ্রাম, বিজয় এবং সাফল্যের প্রধান শক্তি ও ভিত্তি হলো নামাজ।
তিনি এই মন্তব্যটি করেছেন ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা মেহের নিউজ এজেন্সির মাধ্যমে, যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে, দেশটির মাশহাদ শহরের পবিত্র ইমাম রেজা মাজার প্রাঙ্গণে আয়োজিত ৩৩তম ‘জাতীয় নামাজ সম্মেলনে’ পাঠানো এক বিশেষ বার্তায় তিনি এ কথা বলেন। সম্মেলনে তার এই বার্তাটি পড়ে শোনানো হয়।
মোজতবা খামেনি বার্তায় নামাজকে মহান আল্লাহর দেওয়া অন্যতম সেরা নিয়ামত এবং ধর্মের মূল স্তম্ভ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘নামাজ মানুষের সঙ্গে মহান সৃষ্টিকর্তার সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যম। এটি মানুষের ভেতরের অহংকার ও জাগতিক কুপ্রবৃত্তির বিরুদ্ধে লড়াই করার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার এবং একই সঙ্গে মনে শান্তি, আশা ও ভালোবাসার উৎস।’
বিপ্লবী এই নেতা আরও উল্লেখ করেন, ‘নামাজ কেবল ব্যক্তিগত কোনো বাধ্যবাধকতা নয়, বরং এটি একটি সামাজিক দায়িত্ব।’
মোজতবা খামেনি ক্ষমতা ও সামর্থ্য অর্জিত হলে নামাজ কায়েম করাই সৎকর্মশীলদের অন্যতম প্রধান কাজ হিসেবে উল্লেখ করেন। পবিত্র কোরআনের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ‘বর্তমান ইরানি জাতির প্রেক্ষাপটে নামাজ কায়েম করা এবং এর চেতনা ছড়িয়ে দেওয়া জাতীয় অগ্রগতি ও সংগ্রামের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
এই লক্ষ্য অর্জনে সমাজের সব স্তরের প্রভাবশালীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে মোজতবা খামেনি বলেন, ‘পরিবার, শিক্ষক, সমাজের গুণীজন, প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব এবং সব সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানকে নামাজ কায়েমের বিষয়ে দ্বিগুণ দায়িত্ব পালন করতে হবে।’
বার্তার শেষে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ‘মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে ইরানি জনগণ নামাজ কায়েমের মাধ্যমে এর সকল বরকত ও কল্যাণ লাভ করতে সক্ষম হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ