সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:১০ এম
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাড. রুহুল কবীর রিজভী মন্তব্য করেছেন, ‘একটি দল ধর্মের নামে রাজনীতি করে এবং জান্নাতের টিকিট বিক্রি করে। কিন্তু তারা সমাজে দোজখের আগুন জ্বালিয়ে দিচ্ছে। ইসলামের মূল উদ্দেশ্য মানবতার সেবা করা হলেও তাদের সেই লক্ষ্য নেই। তারা রাজনৈতিক লাভের পেছনে ছুটছে এবং বর্তমানে ত্রাস ও সন্ত্রাসের রাজনীতি করছে।’
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মাসকরা গ্রামে দুর্বৃত্তদের দ্বারা আগুনে পুড়ে যাওয়া বিএনপি নেতা মিলনের পরিবারের জন্য নবনির্মিত ঘরের চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী আরও বলেন, ‘গুলশানে পালিয়ে যাওয়া নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের দোসররা একটি মিছিল করার চেষ্টা করেছে। জামায়াত বলেছে, বিএনপির আশকারায় তারা মিছিল করার চেষ্টা করেছে। বিএনপির ইতিহাস হচ্ছে ন্যায়ের পক্ষে, অঙ্গীকার রক্ষার পক্ষে এবং সব মোনাফেকির বিরুদ্ধে।’
তিনি উল্লেখ করেন, ‘বিএনপির প্রয়াত নেত্রী খালেদা জিয়া বলেছিলেন, এরশাদ একটি অবৈধ সরকার, তার অধীনে নির্বাচন হবে না। খালেদা জিয়া এরশাদের পতন পর্যন্ত সেই অবস্থানে অটল ছিলেন। কিন্তু আওয়ামী লীগ ও জামায়াত একসঙ্গে দাঁড়িয়ে সেই নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। তাদের রাজনৈতিক ইতিহাস হচ্ছে বর্বরদের পক্ষে অবস্থান নেওয়া। জামায়াত ধর্মের নামে রাজনীতি করে মানুষের বাড়িঘরে আগুন দিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা নিচ্ছে।’
জামায়াতের উদ্দেশে রিজভী বলেন, ‘আওয়ামী লীগের পক্ষে কারা থাকে? ৫ আগস্টের আগে তাদের দুঃশাসনে জুলাই আন্দোলনে রক্তের গঙ্গা বয়ে গিয়েছিল। মাসুম শিশু থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যারা গুলি করে হত্যা করেছে, পুলিশ ও র্যাবকে লেলিয়ে দিয়েছে, হেলিকপ্টার থেকে ছাত্রদের মিছিলে গুলি করেছে—সেই বর্বরদের বিরুদ্ধে গোটা জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদের পতন ঘটিয়েছে। অথচ ৫ আগস্টের পর এই রাজনৈতিক দলটি বলেছে, আমরা আওয়ামী লীগকে মাফ করে দিয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘তাহলে তাদের রাজনৈতিক ইতিহাস হচ্ছে বর্বরদের পক্ষে থাকা এবং গণতন্ত্র বিনষ্টকারীদের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষা করা। তারা ধর্মের নামে রাজনীতি করে সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি, গাছপালা সব জ্বালিয়ে দেয়।’
রিজভী বলেন, ‘বিএনপি বিরোধী দলে থাকাকালীনও জনগণের কাছে এসেছে, ক্ষমতায় এসেও জনগণের কাছে এসেছে। তাই যেখানে ধর্ম, যেখানে মানবতা, যেখানে সামাজিক সুরক্ষা, যেখানে মানুষকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করার বিষয়—সেখানেই বিএনপি এবং তারেক রহমান।’
তিনি উল্লেখ করেন, ‘বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তৎকালীন বিরোধী দল বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মীকে গুম-খুন করা হয়েছে। তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও এবং প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরেও সেই সব পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এ জন্য তিনি ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ নামে একটি সংগঠন তৈরি করেছেন।’
উপজেলা বিএনপির সভাপতি কামরুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল, ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্যসচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন, সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য রাশেদা বেগম হিরা, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবু, কুমিল্লা ওয়াসার চেয়ারম্যান আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াশিমসহ জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টঙ্গীতে মাদকসহ পাঁচটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তারের পর পুলিশের কাছ থেকে হাতকড়াসহ ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপের ফলে এক কনস্টেবল আহত হয়েছেন।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে টঙ্গী রেলওয়ে স্টেশনে এই ঘটনা ঘটে।
আহত কনস্টেবলের নাম মাসুদ। তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টঙ্গি পূর্ব থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ কেরানীরটেক মাদক বস্তি থেকে কুখ্যাত মাদক সম্রাজী রানী বেগমের ছেলে পাঁচটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি রাহুলকে গ্রেপ্তার করে। এরপর টঙ্গী রেলওয়ে স্টেশন দিয়ে নিয়ে আসার সময় মাদককারবারিরা পুলিশের উপর আক্রমণ করে। এসময় সন্ত্রাসীরা রেললাইনের পাথর কুড়িয়ে পুলিশের উপর বৃষ্টির মতো নিক্ষেপ করলে কনস্টেবল মাসুদ আহত হন এবং এই সুযোগে আসামি হাতকড়াসহ ছিনতাই হয়ে যায়।
ঘটনার খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ এসে ঘটনাস্থল ঘিরে ফেলে। কিছুক্ষণ পর স্টেশন এলাকায় হাতকড়া পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে ছিনতাই হওয়া আসামি উদ্ধারে সাঁড়াশি অভিযান চালায় পুলিশ। রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ছিনতাই হওয়া আসামি গ্রেপ্তার হয়নি।
টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাকছুদুল আলম কালের কণ্ঠকে বলেন, "পাঁচটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি রাহুলকে গ্রেপ্তারের পর নিয়ে আসার সময় সন্ত্রাসীরা রেললাইনের পাথর বৃষ্টির মতো ছুঁড়ে আসামি ছিনতাই করে নিয়ে যায়। এসময় পাথরের আঘাতে কনস্টেবল মাসুদ আহত হয়। বর্তমানে ছিনতাই হওয়া আসামি গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর উন্নয়ন ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে সারা বিশ্বের মানুষের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হচ্ছে। তবে, বিশ্বের শীর্ষ তিন প্রযুক্তিবিদ এবারে একটি অভূতপূর্ব সমঝোতায় পৌঁছেছেন। তারা মনে করেন, এআই প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ আপাতত ‘ধীর’ বা সীমিত করা উচিত। অ্যানথ্রপিক-এর প্রধান নির্বাহী দারিও আমোদেই-এর একটি সতর্কতামূলক ব্লগ পোস্টের পর ওপেনএআই-এর প্রধান স্যাম অল্টম্যান এবং এক্সএআই-এর প্রধান ইলন মাস্কও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) পোস্টের মাধ্যমে এর পক্ষে সম্মতি প্রকাশ করেন।
বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক এক্সে লিখেছেন, "দারিও সঠিক কথা বলেছেন।" অন্যদিকে, স্যাম অল্টম্যান মন্তব্য করেছেন, "আমি দারিওর সঙ্গে একমত।" অল্টম্যান আরও জানান, তার প্রতিষ্ঠানও আমোদেইয়ের পরামর্শ অনুযায়ী তৃতীয় পক্ষের নিরাপত্তা মূল্যায়নকারীদের স্বাগত জানাবে।
‘সুপারইন্টেলিজেন্ট’ বা অতি-বুদ্ধিমান কম্পিউটার সিস্টেমের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে, আমোদেই নিজের ব্যক্তিগত ওয়েবসাইটে লিখেছেন যে, এআই মডেলগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির গতি আমাদের কিছুটা কমাতে হবে।
অগ্রগতি এখনও দ্রুত মনে হতে পারে, তবে এই সময়ে পাওয়া সুযোগকে আমাদের বুদ্ধিমানের মতো কাজে লাগাতে হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রযুক্তি তৈরি না করা মানবজাতিকে এর সুফল থেকে বঞ্চিত করবে অথবা এটি কর্তৃত্ববাদী শক্তির হাতে চলে যেতে পারে, আবার খুব দ্রুত এটি তৈরি করা চরম বেপরোয়া আচরণ। তাই তারা একটি মধ্যপন্থা চেয়েছিলেন, কিন্তু সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তিনি উপলব্ধি করেছেন যে ঝুঁকিগুলো মোকাবিলা করতে আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।
সম্প্রতি ওপেনএআই ছেড়ে অ্যানথ্রপিকে যোগ দেওয়া গবেষক জ্যাকব কক্সন উভয় কোম্পানির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে এআই শিল্প ত্যাগ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, স্ব-উন্নয়নশীল মডেল তৈরির এ প্রতিযোগিতায় কোম্পানিগুলো মানুষের জীবন নিয়ে ‘জুয়া খেলছে’। এর কিছুদিন পরই আমোদেইয়ের এ সতর্কবার্তা সামনে এল। আমোদেই সতর্ক করে বলেন, মানুষের নজরদারি ছাড়া কাজ করতে সক্ষম এআই এজেন্টদের কর্মকাণ্ড বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। যেভাবে দ্রুত এদের সক্ষমতা বাড়ছে, তাতে আগামী ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে এ ধরনের ক্ষতিকর এআই ব্যবস্থা গোটা ইন্টারনেট ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিতে পারে, যা শত শত কোটি ডলারের ক্ষতি করতে পারে। এই ঝুঁকি এড়াতে অ্যানথ্রপিক তাদের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা মূল্যায়নে তৃতীয় পক্ষের স্বাধীন দলকে কর্মীর মতো সব ধরনের প্রবেশাধিকার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। পাশাপাশি, প্রতিষ্ঠানটির প্রধান সব প্রতিষ্ঠানকে একই ধরনের নিরাপত্তা নীতি মানার আহ্বান জানিয়েছেন। সূত্র : দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) এস এ জিন্নাহ কবির মাদকের বিষয়ে কাউকে ন্যূনতম ছাড় না দেওয়ার কঠোর হুঁশিয়ারি প্রদান করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, "দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে মাদক ব্যবসা কিংবা মাদক সেবনের সঙ্গে জড়িত থাকার সুযোগ নেই।" তিনি আরও বলেন, দলের কেউ যদি মাদকের সঙ্গে জড়িত থাকে, তাহলে তাকেও আইনের আওতায় আনতে হবে।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে শিবালয় উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন।
এমপি জিন্নাহ কবির বলেন, "প্রতিটি এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।" তিনি পুলিশকে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, "মাদক নির্মূল করা গেলে চাঁদাবাজি ও সামাজিক অপরাধও কমে আসবে।"
তিনি আরো বলেন, "প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দ্বিতীয় বিপ্লবকে সফল করতে হলে সমাজ থেকে মাদক নির্মূল করতে হবে। স্বয়ংসম্পূর্ণ আগামীর সোনার বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশ আমাদের সবাইকে মেনে চলতে হবে। মাদকের বিষয়ে কাউকে ন্যূনতম ছাড় দেওয়া হবে না।"
জিন্নাহ কবির আরও জানান, সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে শিবালয়, ঘিওর ও দৌলতপুর উপজেলায় অর্ধশতাধিক মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। তিনি বলেন, "বর্তমানেও এ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।" সংসদ অধিবেশন ছাড়া অন্য সময়ে প্রায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো এলাকায় গিয়ে মাদকের ভয়াবহতা তুলে ধরে মানুষকে সচেতন করার কাজ চলছে। তিনি পুলিশ প্রশাসনকে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন শিবালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম, মানিকগঞ্জ জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কাজী মোস্তাক হোসেন দীপু, শিবালয় উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি রহমত আলী লাভলু, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান লিটন, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এস এম বাবুল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক নাসিরুদ্দিন, কৃষক দলের সভাপতি আনিসুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেন বাদলসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুর, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : পিরোজপুর সদর হাসপাতালের সার্বিক স্বাস্থ্যসেবা, চিকিৎসাধীন রোগীদের খোঁজখবর এবং সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর হাসপাতালটি পরিদর্শন করেছেন।
আজ রোববার সন্ধ্যায় হাসপাতাল পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ, সিভিল সার্জন ডা. মো. মতিউর রহমানসহ স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
দুই প্রতিমন্ত্রী পরিদর্শনকালে বিভিন্ন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রোগীদের চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নেন। তারা রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন, যাতে নিশ্চিত হতে পারেন যে রোগীরা নিয়মিত ওষুধপত্র এবং কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন কি না, কিংবা তারা কোনো ধরনের ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন কি না।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের জন্য প্রস্তুতকৃত ও পরিবেশন করা খাবারের মান এবং পরিমাণও সরেজমিন পরীক্ষা করেন দুই প্রতিমন্ত্রী। তারা পর্যবেক্ষণ করেন যে নির্ধারিত খাদ্যতালিকা অনুযায়ী সঠিক পরিমাপে এবং উন্নত গুণগত মান বজায় রেখে খাবার দেওয়া হচ্ছে কি না।
পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রীদ্বয় হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, সার্বিক চিকিৎসাসেবার পরিবেশ উন্নত করা এবং রোগীদের জন্য সর্বোচ্চ রোগীবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি রোগীদের খাবারে যেন কোনো ধরনের অনিয়ম না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোর নজরদারির জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ