ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কত টাকায় চেলসিতে যোগ দিলেন মার্টিনেজ?


কত টাকায় চেলসিতে যোগ দিলেন মার্টিনেজ?

চেলসি ক্লাবটি আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্টিনেজকে অ্যাস্টন ভিলা থেকে দলে নিয়েছে। ৩৩ বছর বয়সী এই গোলরক্ষকের সঙ্গে তিন বছরের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছে পশ্চিম লন্ডনের ক্লাবটি।

রোববার (৩০ আগস্ট) চেলসি এক বিবৃতির মাধ্যমে মার্টিনেজকে দলে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে। তবে ক্লাবটি চুক্তির আর্থিক বিস্তারিত প্রকাশ করেনি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, মার্টিনেজকে দলে ভিড়াতে চেলসির খরচ হয়েছে আনুমানিক ৭ দশমিক ৫ মিলিয়ন পাউন্ড, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১২০ কোটি টাকার সমান।

চেলসিতে যোগ দেওয়ার পর মার্টিনেজ বলেন, ‘আমি এখানে সফল হতে চাই। আমি এমন একজন, যে নিজের প্রতিটি কাজে জিততে চায়। এই ক্লাবের জন্যও সেই মানসিকতা নিয়ে আসতে চাই। কারণ এই ক্লাব শিরোপা জেতে। তাই আমার মনে হয়, এটি আমার জন্য ভালো একটি জায়গা।’

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-জাপান চুক্তি: ২০২৭ সালের এপ্রিল থেকে শুরু হবে পাঁচ বছর মেয়াদি কর্মসংস্থান চুক্তি

মার্টিনেজ অ্যাস্টন ভিলায় ছয় বছর কাটানোর পর ক্লাবটি ছাড়লেন। ২০২০ সালে আর্সেনাল থেকে ভিলায় যোগ দেওয়ার পর তিনি ক্লাবটির হয়ে সব প্রতিযোগিতায় ২৫৬ ম্যাচ খেলেছেন। এই সময়ে তিনি প্রিমিয়ার লিগের অন্যতম সেরা গোলরক্ষক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

চেলসিতে এসে মূল একাদশে জায়গা করে নেওয়ার জন্য মার্টিনেজকে রবার্ট সানচেজের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে। ২০২৩ সালে ব্রাইটন অ্যান্ড হোভ অ্যালবিয়ন থেকে চেলসিতে যোগ দেওয়ার পর সানচেজ ক্লাবটির প্রথম পছন্দের গোলরক্ষক হিসেবে খেলছেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তার পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন উঠায় মার্টিনেজের আগমন নতুন প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

মার্টিনেজ আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে বিভিন্ন অর্জনের তালিকা সমৃদ্ধ। ২০২২ সালে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এছাড়া ২০২১ ও ২০২৪ সালে কোপা আমেরিকার শিরোপাও জিতেছেন এই গোলরক্ষক।

বর্তমান দলবদলের বাজারে মার্টিনেজের বিদায় অ্যাস্টন ভিলার জন্য একটি বড় পরিবর্তন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ক্লাবটির কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়ও ইতোমধ্যে দল ছেড়েছেন। অন্যদিকে, অভিজ্ঞ ও শিরোপাজয়ী একজন গোলরক্ষককে দলে নিয়ে নিজেদের স্কোয়াডকে আরও শক্তিশালী করেছে চেলসি।

আরও পড়ুন: হাসনাত আবদুল্লাহর অভিযোগ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতার শিকার প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

সূত্র: রয়টার্স

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সামরিক শিল্প বিশ্বকে যেভাবে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:০৪ পি.এম


সামরিক শিল্প বিশ্বকে যেভাবে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে

বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও পরিবেশগত পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে, সারাবিশ্বে যখন কার্বন নিঃসরণ কমানোর বিভিন্ন উদ্যোগ জোরদার করা হচ্ছে, তখন বিশ্বের সামরিক খাত এবং প্রতিরক্ষা শিল্প পরিবেশের জন্য একটি ভয়াবহ ও অলক্ষিত হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত গবেষণা ও বিশ্লেষণে দেখা গেছে, যুদ্ধ প্রস্তুতি এবং যুদ্ধের প্রত্যক্ষ প্রভাব উভয়ই পৃথিবীর জলবায়ু বিনষ্টের ক্ষেত্রে অন্য যেকোনো একক উপাদানের তুলনায় দ্রুতগতিতে ক্ষতি সাধন করছে। বৈশ্বিক পরিবহন খাতের বেসামরিক বিমান ও আন্তর্জাতিক নৌ-পরিবহন ব্যবস্থার সম্মিলিত ক্ষতিকেও ছাপিয়ে যাচ্ছে বৈশ্বিক প্রতিরক্ষা খাতের ক্ষতিকর প্রভাব।

গবেষকদের ধারণা অনুযায়ী, যুদ্ধের প্রত্যক্ষ প্রভাব বাদ দিয়ে, বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের প্রায় ৩.৩ থেকে ৭ শতাংশের জন্য দায়ী বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সামরিক বাহিনীর নিয়মিত কার্যক্রম। এই নিঃসরণের মাত্রা রাশিয়ার মতো শিল্পোন্নত দেশের বার্ষিক মোট জাতীয় নিঃসরণের চেয়েও বেশি। আধুনিক সশস্ত্র বাহিনীর এই বিপুল পরিবেশগত মাশুল পরিশোধ করতে হচ্ছে মূলত তাদের উচ্চ মাত্রায় ফসিল ফুয়েল (জীবাশ্ম জ্বালানি) ব্যবহারের কারণে। যুদ্ধবিমান, বোমারু বিমান, হেলিকপ্টার, যুদ্ধজাহাজ ও সাঁজোয়া যান চলাচলে দৈনিক বিপুল পরিমাণ জেট ফুয়েল ও ডিজেল পোড়ানো হয়। এমনকি সরাসরি যুদ্ধ সংঘটিত না হলেও, সামরিক মহড়া, কর্মী স্থানান্তর এবং ঘাঁটি রক্ষণাবেক্ষণের নামে নিয়মিতভাবে বায়ুমণ্ডলে টন টন কার্বন যুক্ত হচ্ছে। বিশ্বের সামরিক অবকাঠামো ও নেটওয়ার্ক পরিচালনা করতে সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ এবং উত্তাপের প্রয়োজন হয়, যা জলবায়ু পরিবর্তনকে মারাত্মক ত্বরান্বিত করছে।

সামরিক সরঞ্জামের মূল উৎপাদন প্রক্রিয়া এবং আধুনিক অস্ত্রের ব্যবহারের ফলে যে কার্বন শৃঙ্খল তৈরি হয়, তা চরম উদ্বেগজনক। বিভিন্ন ধরণের মারাত্মক মারণাস্ত্র, ক্ষেপণাস্ত্র, যুদ্ধজাহাজ, ট্যাংক ও গোলাবারুদ তৈরিতে ভারী শিল্প ব্যবহৃত হয়। এর ফলে স্টিল, অ্যালুমিনিয়াম, টাইটানিয়াম, সিমেন্ট ও নানা রাসায়নিক দ্রব্যের সুবিশাল সাপ্লাই চেইন প্রচুর কার্বন নির্গমন ঘটায়। পরবর্তীতে যখন এসব অস্ত্র প্রকৃত যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়, তখন এর পরিবেশগত প্রতিক্রিয়া কয়েক গুণ বেড়ে যায়। যুদ্ধের কারণে সামরিক বিমানগুলোর অতিরিক্ত ফ্লাইট, স্থলযানগুলোর অবিরাম মহড়া, তেল শোধনাগার বা জ্বালানি ডিপোতে হামলা এবং নগরকেন্দ্রিক যুদ্ধের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড বায়ুমণ্ডলে বিপুল মাত্রায় বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে দেয়।

যুদ্ধের শেষেই পরিবেশের প্রতি এই বিধ্বংসী আচরণের ইতি ঘটে না। ধ্বংসপ্রাপ্ত নগর ও পরিকাঠামো পুনর্নির্মাণের প্রক্রিয়াটিও অত্যন্ত কার্বন-ঘনত্বযুক্ত। বিধ্বস্ত অবকাঠামো পুনর্নির্মাণে বিপুল পরিমাণ সিমেন্ট, কংক্রিট, স্টিল, গ্লাস এবং অ্যাসফাল্ট ব্যবহৃত হয়, যা দীর্ঘমেয়াদে দ্বিতীয় ধাপে কার্বন নির্গমনের ঢেউ সৃষ্টি করে। অতিরিক্ত হিসেবে ফলে বনভূমি ধ্বংস, আর্দ্রভূমির বিনাশ, মাটির ধারণক্ষমতা হ্রাস এবং বিভিন্ন বাস্তুতন্ত্র বা ইকোসিস্টেম ধসে পড়ে, যা প্রাকৃতিকভাবে কার্বন শোষণের ক্ষমতাকেও স্থবির করে দেয়।

বিশ্বজুড়ে চলমান চরম সামরিক প্রতিযোগিতার মুখে সাম্প্রতিক সময়ে ন্যাটোর পুনর্সজ্জিতকরণ কর্মসূচি এই সংকটে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ২০৩৫ সালের মধ্যে সামরিক বাজেট ব্যাপকভাবে বৃদ্ধির যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, তা বাস্তবায়িত হলে বিশ্বজুড়ে সামরিক ব্যয়ের পরিমাণ অভূতপূর্ব উচ্চতায় পৌঁছাবে। গবেষকদের মতে, কৌশলগত প্রতিরক্ষা ব্যয়বৃদ্ধির ফলে বার্ষিক অতিরিক্ত কোটি কোটি টন গ্রিনহাউস গ্যাস বায়ুমণ্ডলে যোগ হতে পারে, যা একটি বড় সামরিক শক্তির বার্ষিক নিঃসরণের সমান।

বেসামরিক খাত যেখানে কার্বন নিঃসরণ হ্রাস ও ডিকার্বোনাইজেশনের চেষ্টা চালাচ্ছে, সেখানে সামরিক খাত ক্রমাগত তা বাড়িয়ে চলেছে। সামরিক খাতের অতিরিক্ত ব্যয় জলবায়ু অর্থায়ন, নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদন, সার্বজনীন যাতায়াতব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং বিশ্বজুড়ে জলবায়ু অভিযোজন কর্মসূচিকে সম্পদহীন করে তুলছে। সামগ্রিক বিচারে, সামরিক উৎপাদনের এই অনিয়ন্ত্রিত বিস্তার রোধ করতে না পারলে এটি জলবায়ু ধ্বংসের রূপ ধরে সমগ্র মানবজাতির অস্তিত্বকে চরম বিপদের মুখে ঠেলে দেবে।

সূত্র: মিডলইস্ট আই

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবকে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের শুভেচ্ছা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:০৭ পি.এম


বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবকে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের শুভেচ্ছা

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ফ্যাসিস্ট সরকারবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনের অন্যতম শরিক জোট জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের শীর্ষ নেতারা।

শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের প্রধান সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (বিএমএল) সভাপতি ব্যারিস্টার নাসিম খান, জোটের মুখপাত্র ও বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান এস এম শাহাদাৎ, গণদল চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এ টি এম গোলাম মাওলা চৌধুরী, বাংলাদেশ ন্যাপের চেয়ারম্যান এম এন শাওন সাদেকী, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এনডিপি) চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ-আল-হারুন (সোহেল), ডেমোক্রেটিক লীগের সাধারণ সম্পাদক খোকন চন্দ্র দাস, জাগপা সভাপতি জাকির হোসেন রিয়াজ, এনডিপি মহাসচিব জামিল আহমেদ, বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল বারেক, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পার্টির মহাসচিব সাইফুল ইসলাম, বিএমএল মহাসচিব রেজওয়ান মর্তুজা, ডিএলের সহ-সভাপতি মাহবুব আলম ও এনপিপির যুগ্ম-মহাসচিব সোহেল রানা প্রমুখ।

শুভেচ্ছা বিনিময়কালে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের আন্দোলনে বিএনপির সঙ্গে থেকে আন্দোলনকে বেগবান করেছিল। গণতন্ত্রকে সুদৃঢ় করতে বর্তমানে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট পূর্বের মতো বিএনপির পাশে থেকে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের প্রধান সমন্বয়ক ব্যারিস্টার নাসিম খান বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রেখে দেশকে সমৃদ্ধশালী করতে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট বিএনপির পাশে থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারায়ণগঞ্জে পরিত্যক্ত কারখানা থেকে বিদেশি রিভলবার ও গুলি উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:০৮ পি.এম


নারায়ণগঞ্জে পরিত্যক্ত কারখানা থেকে বিদেশি রিভলবার ও গুলি উদ্ধার

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি পরিত্যক্ত ফ্যাক্টরিতে অভিযান পরিচালনা করে র‍্যাব-১১ বিদেশি একটি রিভলবার ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে। তবে, অভিযানের সময় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

 

সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কুতুবাইল এলাকার প্যারাডাইস ক্যাবলের পরিত্যক্ত ফ্যাক্টরিতে এই অভিযানটি পরিচালিত হয়।

র‍্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব-১১, সিপিএসসির একটি বিশেষ আভিযানিক দল পরিত্যক্ত ফ্যাক্টরিতে অভিযান চালায়। র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে সেখানে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি দ্রুত পালিয়ে যায়। এরপর ফ্যাক্টরির আশপাশে তল্লাশি চালিয়ে ঝোপের আড়ালে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি বিদেশি রিভলবার ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

 

উদ্ধার করা অস্ত্র ও গুলি পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ফতুল্লা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‍্যাব-১১ কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার নাঈম উল হক বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফতুল্লার কুতুবাইল এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি রিভলবার ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদ্ধার আলামত ফতুল্লা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেছারাবাদে পূবালী ব্যাংকের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১৬ পি.এম


নেছারাবাদে পূবালী ব্যাংকের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

পিরোজপুরের নেছারাবাদে (স্বরূপকাঠি) পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়নের উদ্দেশ্যে পূবালী ব্যাংক পিএলসি মিয়ারহাট শাখার উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে উপজেলার মিয়ারহাট বন্দরের নুরজাহান হাবিব সেমি-ইংলিশ মিডিয়াম কিন্ডারগার্টেনের মাঠে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উদ্বোধন করেন ফজিলা রহমান মহিলা কলেজের অধ্যাপিকা এবং নুরজাহান হাবিব সেমি-ইংলিশ মিডিয়াম কিন্ডারগার্টেনের সভাপতি উম্মে সালমা।

এছাড়া, উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ কামাল পারভেজ, পূবালী ব্যাংক পিএলসি মিয়ারহাট শাখার ম্যানেজার মুজাফফর হোসেন, স্বরূপকাঠি প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম মোস্তফা, নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুল ইসলাম লিটু, সোহেল রানা মৃধা, মেহজাবিন কিবরিয়া শোহেবসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উম্মে সালমা উল্লেখ করেন, "পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষের কোনো বিকল্প নেই। একটি গাছ শুধু আমাদের অক্সিজেনই দেয় না, এটি পরিবেশকে শীতল রাখে এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।" তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃক্ষরোপণ ও গাছের পরিচর্যার বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করতে এ ধরনের কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও বলেন, "আজ যে গাছগুলো রোপণ করা হলো, আগামী দিনে এগুলোই আমাদের বিদ্যালয় ও এলাকার পরিবেশকে আরও সুন্দর ও সবুজ করে তুলবে।"

তিনি যোগ করেন, "শুধু গাছ লাগালেই হবে না, গাছগুলোকে নিয়মিত পরিচর্যা করে বড় করে তুলতে হবে। এজন্য শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ সবাইকে সম্মিলিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।"

পূবালী ব্যাংক পিএলসি মিয়ারহাট শাখার ম্যানেজার মুজাফফর হোসেন বলেন, "সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে পূবালী ব্যাংক পিএলসি বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণ একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। আমরা চাই, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে সমাজের সর্বস্তরে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে সবুজ ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে উঠুক।"

তিনি আরও বলেন, "আজকের এই কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে বলে আমরা আশা করি। ভবিষ্যতেও পরিবেশ ও মানুষের কল্যাণে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার চেষ্টা থাকবে।"

পরে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অতিথিরা বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সংরক্ষণ ও বৃক্ষ পরিচর্যার বিষয়ে সচেতনতামূলক বার্তা দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%