০৯:৩৮ পি.এম
হবিগঞ্জের মাধবপুরে এক যুবক নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাহফুজ মিয়ার বসতবাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার সোয়াবই ও রাজেন্দ্রপুর গ্রামে
সোমবার (২২ জুন) সকালে এই সহিংসতার ঘটনা ঘটে।
এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে
খবর পেয়ে কাশিমনগর পুলিশ ফাঁড়ি ও মাধবপুর থানা পুলিশের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
আরও পড়ুন: বরগুনার বেতাগীতে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভার মাধ্যমে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোয়াবই গ্রামের ফুয়াদ হাসান সাকিব ও রাজেন্দ্রপুর গ্রামের মাহফুজ মিয়ার মধ্যে একটি মাছের দীঘি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জেরে গত শনিবার রাতে গন্ধবপুর এলাকায় সাকিবের মাছের খামারে হামলার ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ রয়েছে, মাহফুজ মিয়ার নেতৃত্বে ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি দল খামারে ভাঙচুর চালিয়ে সাকিবকে জোরপূর্বক অপহরণ করে তুলে নিয়ে যায়। এরপর থেকে সাকিবের কোনো সন্ধান না পাওয়ায় তাঁর পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
রোববার রাতে সোয়াবই গ্রামবাসীর এক জরুরি বৈঠকে সাকিবকে উদ্ধারের দাবিতে সোমবার সকালে রাজেন্দ্রপুর গ্রামে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিপুল সংখ্যক গ্রামবাসী রাজেন্দ্রপুর গ্রামে গিয়ে সাকিবের খোঁজ করতে থাকে। একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা প্রধান অভিযুক্ত মাহফুজ মিয়ার বাড়িতে হামলা চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়।
আরও পড়ুন: সিরাজগঞ্জে পাবনা ও রাজবাড়ীর ৬৫ চরমপন্থির আত্মসমর্পণ
সাকিবের বাবা সিরাজুল ইসলাম ইতিমধ্যে মাধবপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অন্যদিকে, অভিযুক্ত মাহফুজ মিয়া অপহরণের দায় অস্বীকার করে বলেন, “সাকিবের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে আমরা কিছুই জানি না। পূর্বশত্রুতার জেরে বিনা কারণে আমার বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে। আমি আইনের আশ্রয় নেব।”
কাশিমনগর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান জানান, সাকিবকে উদ্ধারে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে। পাশাপাশি অগ্নিসংযোগের ঘটনাটিও গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।
মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা বলেন, “অপহরণ ও অগ্নিসংযোগ—দুটি ঘটনাকেই পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। পরিস্থিতি বর্তমানে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
আরও পড়ুন: ‘মেম্বার-চেয়ারম্যান প্রার্থী দিবা, নালা ভেঙে ফেলব’: মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন