ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ডেঙ্গুতে মারা গেল জুলাই যোদ্ধা বেরোবি শিক্ষার্থী চন্দন


ডেঙ্গুতে মারা গেল জুলাই যোদ্ধা বেরোবি শিক্ষার্থী চন্দন

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী চন্দন সূত্রধর, যিনি জুলাই অভ্যুত্থানের সম্মুখসারির যোদ্ধা ছিলেন।

রবিবার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঢাকার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বড় ভাই আনন্দ সূত্রধর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

চন্দন সূত্রধর বেরোবির জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাড়ি মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় উপজেলায় অবস্থিত।

আরও পড়ুন: জাবিতে পরিচালক নিয়োগে উত্তেজনা, ছাত্রদল উপাচার্যকে মুক্ত করল

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সহপাঠীদের সূত্রে জানা যায়, চন্দন বৈষম্যবিরোধী জুলাই অভ্যুত্থানে সম্মুখসারিতে থেকে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন। আন্দোলনের সময় আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ার পর তার মাথায় এখনো গুলির অংশ (বুলেট) রয়ে গিয়েছিল।

চন্দনের অকালমৃত্যুতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার সহপাঠী আজিজুর রহমান গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন, ‘ডেঙ্গুতে আমার বন্ধুকে হারাতে হবে, তা কখনো কল্পনাও করিনি। এমন একজন প্রাণবন্ত মানুষের এভাবে চলে যাওয়া মেনে নেওয়া কঠিন। আমরা এমন এক বন্ধুকে হারিয়েছি, যার শূন্যতা কখনো পূরণ হওয়ার নয়।’

এ সময় ডেঙ্গুর ভয়াবহতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি আরো বলেন, ডেঙ্গু এখন আর সাধারণ কোনো রোগ নয়, এটি প্রাণঘাতী রূপ নিয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

চন্দনের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ত্বহা হুসাইন বলেন, ‘খবরটি শুনে অত্যন্ত মর্মাহত হয়েছি। চন্দন খুব ভালো মনের একটি ছেলে ছিল এবং সে একজন সাহসী জুলাই যোদ্ধাও ছিল। হঠাৎ করে তার এভাবে চলে যাওয়া কোনোভাবেই বিশ্বাস করা যাচ্ছে না।’

আরও পড়ুন: ঢাবির ৮ শিক্ষার্থীকে হোসনে আরা হায়দার কোরাইশী ট্রাস্ট বৃত্তি প্রদান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাবাকে হারানোর শোক সত্ত্বেও লিজার জিপিএ ৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪৬ এম


বাবাকে হারানোর শোক সত্ত্বেও লিজার জিপিএ ৫

যে বাবার হাত ধরে জীবনের পথচলা শুরু হয়েছিল, যে মানুষটি সন্তানের ভালো ফলের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতেন, সেই বাবাই আজ নেই। এইচএসসি পরীক্ষার মাত্র কয়েক দিন আগে বাবাকে হারান লিজা আক্তার। শোকের ভারে চারপাশ থমকে গিয়েছিল, স্বপ্ন ও প্রস্তুতি এলোমেলো হয়ে গিয়েছিল। তবুও বাবার স্বপ্নকে বুকে ধারণ করে, চোখের জল মুছে পরীক্ষার হলে বসেছিলেন তিনি।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত পরীক্ষার ফলাফলে লিজা পেয়েছেন জিপিএ ৫। জীবনের এই আনন্দের দিনে সবচেয়ে প্রিয় মানুষটিকে পাশে না পাওয়ার বেদনা তার আনন্দকে ছাপিয়ে যাচ্ছে।

লিজা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার মোগড়া এলাকার ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। বাবার মৃত্যুর শোক সামলে তার এই সাফল্যে পরিবার, শিক্ষক ও সহপাঠীদের মধ্যে আনন্দের পাশাপাশি আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

লিজার বাড়ি আখাউড়া পৌর এলাকার মসজিদপাড়া এলাকায়। তার বাবা মৃত রেজাউল ইসলাম (ছায়েদ) এবং মা রোজিনা আক্তার গৃহিণী। লিজা দুই ভাইয়ের মধ্যে বড়। এর আগে এসএসসি পরীক্ষাতেও সে জিপিএ ৫ পেয়েছিল। পড়াশোনায় মেধাবী লিজার সাফল্যের পেছনে বাবা-মায়ের অনুপ্রেরণা ও যত্ন ছিল সবচেয়ে বড় শক্তি।

কিন্তু এইচএসসি পরীক্ষার কয়েক দিন আগে বাবার মৃত্যুতে লিজার চেনা জীবন হঠাৎ বদলে যায়। মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে লিজা। বই খুললেই বাবার কথা মনে পড়ত। পড়ায় মন বসত না। এমন পরিস্থিতিতে স্বজনদের সাহস ও পরামর্শে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সে। বাবার স্বপ্ন পূরণের তাগিদেই নিজেকে সামলে নেয়। বুকের ভেতর জমে থাকা শোক নিয়েই একে একে শেষ করে পরীক্ষাগুলো।

ফল প্রকাশের পর জিপিএ ৫ পাওয়ার খবর শুনে স্বজন, প্রতিবেশী ও এলাকাবাসী আনন্দিত হয়েছেন। তবে এই আনন্দের সঙ্গে মিশে আছে এক গভীর অপূর্ণতা। লিজার বিশ্বাস, বাবা বেঁচে থাকলে তার এই ফলাফলে সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন। হয়তো সবার আগে মেয়েকে বুকে টেনে নিতেন। অথচ আজ সেই মানুষটিই নেই।

নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে লিজা বলেন, ‘বাবা সব সময় চাইতেন আমার ফল ভালো হোক। পরীক্ষার আগে বাবাকে হারানো ছিল জীবনের সবচেয়ে কঠিন মুহূর্ত। বাবার স্বপ্ন পূরণের কথা ভেবেই নিজেকে সামলে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলাম। বাবার মৃত্যুর পর কোনো কিছুই ভালো লাগত না। বারবার বাবার মুখ মনে পড়ত, পড়াশোনায় মন বসত না। বাবা বেঁচে থাকলে আমার এই ফল দেখে অনেক খুশি হতেন। সবার কাছে বাবার জন্য দোয়া চাই।’

আখাউড়া নাছরীন নবী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক খোরশেদ আলম জানান, আখাউড়া ক্যামব্রিয়ান কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পুরো আখাউড়া উপজেলায় একমাত্র জিপিএ ৫ পেয়েছে আমাদের শিক্ষার্থী লিজা। পরীক্ষা শুরুর অল্প কিছুদিন আগে তার বাবা মারা যান। তারপরও সে ভেঙে পড়েনি। সে তার বিশেষত্ব ধরে রেখেছে। সে এখন ঢাকায় রেটিনাতে কোচিং করছে। সেখানে তার মন টিকতে চায় না। সময়ে অসময়ে ফোন দিয়ে কান্নাকাটি করে। তাকে মোটিভেট করার চেষ্টা করা হয়।

ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. আব্দুর রাজ্জাক হাজারী বলেন, ‘লিজা শুরু থেকেই মেধাবী ও পরিশ্রমী শিক্ষার্থী। তার ভালো ফলের ব্যাপারে শিক্ষকদের প্রত্যাশা ছিল। তবে পরীক্ষার কিছুদিন আগে বাবার মৃত্যুতে সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। এসময় কলেজের শিক্ষকরা তাকে সাহস জুগিয়েছেন এবং সার্বিক সহযোগিতা করেছেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘বাবাকে হারানোর মতো বড় শোক সামলে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ ৫ অর্জন করা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। তার এ সাফল্যে কলেজের সবাই আনন্দিত। আশা করি, ভবিষ্যতেও সে সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখবে।’

লিজার হাতে আজ জিপিএ ৫-এর সাফল্য, সামনে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু এই অর্জনের গল্পে যে মানুষটির সবচেয়ে বেশি আনন্দিত হওয়ার কথা ছিল, তিনি নেই। তাই ফলাফলের আনন্দের মাঝেও লিজার কাছে সবচেয়ে বড় হয়ে আছে বাবার শূন্যতা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যালন ডি’অর: স্বর্ণের বলের সাত দশকের গল্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪৭ এম


ব্যালন ডি’অর: স্বর্ণের বলের সাত দশকের গল্প

একটি সোনালি বল। এটি ফুটবলারের কাছে শুধুমাত্র একটি পুরস্কার নয়, বরং স্বপ্নের চূড়ান্ত স্বীকৃতি। মাঠে অসংখ্য গোল, ট্রফি এবং ব্যক্তিগত কীর্তির মাঝে যে সম্মান একজন খেলোয়াড়কে আলাদা উচ্চতায় নিয়ে যায়, সেটি হল ব্যালন ডি’অর। কিন্তু এই পুরস্কারের সূচনা হয়েছিল একটি ছোট পরিসরে। ১৯৫৬ সালে ফ্রান্সের ফুটবল সাময়িকী ‘ফ্রান্স ফুটবল’ ইউরোপের সেরা ফুটবলারকে স্বীকৃতি দিতে এই আয়োজন শুরু করে। প্রথমবার পুরস্কারটি জিতেছিলেন ইংল্যান্ডের স্ট্যানলি ম্যাথিউস, যিনি তখন ৪১ বছর বয়সী ছিলেন।

ছোট পরিসরের সেই আয়োজন আজ বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত স্বীকৃতিগুলোর একটি হয়ে উঠেছে। সাত দশকের ইতিহাসে এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে ইয়োহান ক্রুইফ, মিশেল প্লাতিনি, রোনালদো নাজারিও, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এবং লিওনেল মেসির মতো কিংবদন্তিদের নাম।

শুরুর দিকে ব্যালন ডি’অরের জন্য শুধুমাত্র ইউরোপীয় নাগরিকত্ব থাকা ফুটবলাররাই বিবেচিত হতেন। ফলে পেলে কিংবা ম্যারাডোনার মতো কিংবদন্তিরা ইউরোপের ক্লাবে খেললেও পুরস্কারটির জন্য যোগ্য ছিলেন না। ১৯৯৫ সালে নিয়ম পরিবর্তন করে ইউরোপের ক্লাবে খেলা সব দেশের ফুটবলারদের জন্য দরজা খুলে দেওয়া হয়। সেই বছর প্রথম নন-ইউরোপীয় হিসেবে পুরস্কারটি জিতেছিলেন লাইবেরিয়ার জর্জ উইয়াহ। ২০০৭ সালে যোগ্যতার পরিধি আরও বাড়িয়ে বিশ্বের যেকোনো লিগে খেলা ফুটবলারদের জন্য ব্যালন ডি’অর উন্মুক্ত করা হয়।

২০১০ সালে ফ্রান্স ফুটবলের ব্যালন ডি’অর ও ফিফার বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার একীভূত হয়ে ‘ফিফা ব্যালন ডি’অর’ নাম ধারণ করে। ছয় বছর পর আবারও দুই আয়োজন আলাদা হয়ে যায়। ফিফা চালু করে ‘দ্য বেস্ট’ পুরস্কার। ২০২৪ সাল থেকে ব্যালন ডি’অর আয়োজনে ফ্রান্স ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে উয়েফা।

কীভাবে হয় ভোটিং?

ব্যালন ডি’অরের বিজয়ী নির্ধারিত হন সাংবাদিকদের ভোটের মাধ্যমে। ২০২৬ সালের নিয়ম অনুযায়ী, পুরুষদের বিভাগে ফিফা র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষ ১০০ দেশের একজন করে সাংবাদিক ভোট দেন। নারীদের বিভাগে ভোট দেন শীর্ষ ৫০ দেশের সাংবাদিক। ফ্রান্স ফুটবলের সম্পাদকীয় দল প্রথমে ৩০ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করে। এরপর ভোটাররা সেখান থেকে নিজেদের পছন্দের সেরা ১০ জনকে নির্বাচন করেন।

প্রথম পছন্দের জন্য ১৫ পয়েন্ট বরাদ্দ থাকে, দ্বিতীয় পছন্দে ১২, তৃতীয়তে ১০। এরপর যথাক্রমে ৮, ৭, ৫, ৪, ৩, ২ ও ১ পয়েন্ট দেওয়া হয়। সব ভোটের পয়েন্ট যোগ করে বিজয়ী নির্ধারণ করা হয়। পয়েন্ট সমান হলে প্রথম স্থানে সবচেয়ে বেশি ভোট পাওয়া খেলোয়াড়কে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। বিচারে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায় ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স ও মাঠে প্রভাব। এরপর বিবেচনায় আসে দলীয় সাফল্য এবং খেলোয়াড়সুলভ আচরণ। অর্থাৎ, শুধুমাত্র গোল অথবা শিরোপা জিতলেই ব্যালন ডি’অর নিশ্চিত হয় না।

রেকর্ডের শীর্ষে মেসি

ব্যালন ডি’অরের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি আটবার পুরস্কার জিতেছেন লিওনেল মেসি। ২০০৯ সালে প্রথমবার জয়ের পর তিনি ২০১০, ২০১১ ও ২০১২ সালে টানা চারবার সেরা হন। এরপর ২০১৫, ২০১৯, ২০২১ ও ২০২৩ সালেও পুরস্কারটি তার হাতে ওঠে। তার পরেই পাঁচবার পুরস্কার জিতেছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তিনবার করে পুরস্কার জিতেছেন ইয়োহান ক্রুইফ, মিশেল প্লাতিনি এবং মার্কো ফন বাস্তেন।

নারীদের ব্যালন ডি’অর ২০১৮ সালে চালু হয়। প্রথম পুরস্কারটি জিতেছিলেন নরওয়ের আডা হেগারবার্গ। এরপর স্পেনের আলেক্সিয়া পুতেয়াস এবং আইতানা বোনমাতি একাধিকবার এই সম্মান অর্জন করেছেন। ২০২৬ সালে নারীদের পুরস্কারটি জিতেছেন পুতেয়াস।

২০২৬ সালে নতুন বিজয়ী কেইন

২০২৬ সালের পুরুষদের ব্যালন ডি’অর জিতেছেন ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন। প্রথমবারের মতো সোনালি বল হাতে তুলেছেন বায়ার্ন মিউনিখের এই স্ট্রাইকার। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে, তৃতীয় স্থানে লামিন ইয়ামাল। একই আয়োজনে কোপা ট্রফি, ইয়াশিন ট্রফি, গের্ড মুলার ট্রফিসহ বিভিন্ন বিভাগে দেওয়া হয় স্বীকৃতি।

বিতর্ক, ভোটের হিসাব কিংবা তারকাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা; সবকিছুর মধ্যেও ব্যালন ডি’অরের আবেদন অটুট রয়েছে। ১৯৫৬ সালে ইউরোপের সেরা ফুটবলার খোঁজার যে যাত্রা শুরু হয়েছিল, তা এখন বিশ্ব ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের প্রতীক। প্রজন্ম বদলাবে, নতুন তারকা আসবেন, কিন্তু সোনালি বল হাতে তোলার স্বপ্ন ফুটবলারের কাছে চিরকাল রয়ে যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ ও বাহরাইনের সেনাবাহিনীর চিফ অব স্টাফের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪৭ এম


বাংলাদেশ ও বাহরাইনের সেনাবাহিনীর চিফ অব স্টাফের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাইনুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাহরাইন ডিফেন্স ফোর্সের চিফ অব স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধিয়াব বিন সাকর আল নুয়াইমির।

২২তম মানামা ডায়ালগ ফোরাম ২০২৬-এ অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ ২৯ অক্টোবর বাহরাইনে পৌঁছান। সফরের সময়, গত ৩১ অক্টোবর তিনি বাহরাইন ডিফেন্স ফোর্সের চিফ অব স্টাফের সঙ্গে এই সৌজন্য সাক্ষাৎটি সম্পন্ন করেন।

রোববার (১ নভেম্বর) সেনাবাহিনীর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়।

পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে, সাক্ষাৎকালে বাহরাইনের চিফ অব স্টাফ তাকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান এবং মানামা ডায়ালগ ফোরামে অংশগ্রহণের জন্য শুভেচ্ছা জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফের এই সফর ফলপ্রসূ হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামায়াতের ছায়ায় থাকলে এনসিপি পরগাছা হবে: রাশেদ খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪৮ এম


জামায়াতের ছায়ায় থাকলে এনসিপি পরগাছা হবে: রাশেদ খান

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান মন্তব্য করেছেন যে, জামায়াতের ছায়ায় দীর্ঘকাল অবস্থান করলে এনসিপি চারাগাছ থেকে পরগাছায় পরিণত হবে এবং বটবৃক্ষ হওয়ার আর কোনো সম্ভাবনা থাকবে না।

তিনি বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত সোয়া ১২টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই কথা জানান।

ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান উল্লেখ করেন, "জনসভা থেকে শিবির নেতা সাদিক কায়েম যেভাবে সাবেক ছাত্র উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদকে বেইমান আখ্যায়িত করেছে এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা ‘ঠিক’ বলে চিল্লায়ে সমর্থন জানিয়েছে, এরপর নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদসহ এনসিপির নেতাকর্মীদের ন্যূনতম গাটস্ থাকলে এর প্রতিকার ছাড়া জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের কোনো বৈঠক কিংবা সমাবেশে অংশগ্রহণ করতে পারে না।"

তিনি আরও লেখেন, "দেখা যাক, গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের সেই শক্তি আছে, নাকি জামায়াতের কাছে ৮ আসনের বিনিময়ে নিজেদের পুরোপুরি সঁপে দিয়েছে। আমরা চাই, এনসিপি চারাগাছ থেকে বটবৃক্ষ হোক। কিন্তু দীর্ঘসময় জামায়াতের ছত্রছায়ায় থাকলে চারাগাছ থেকে এনসিপি পরগাছায় পরিণত হবে, বটবৃক্ষ হওয়ার আর সুযোগ থাকবে না। কিন্তু ৮ আসন পাওয়াকে তারা সবচেয়ে বড় সুযোগ মনে করলে, এটা আর ৮০ হবে, কখনো ১৫০ প্লাসও হবে না! এনসিপি হবে আরেকটি খণ্ডবিখণ্ড জাসদ!"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%