মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:২৪ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা ও গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদনকারীদের জন্য সময়সীমা গণনার নিয়মে পরিবর্তন এনেছে নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা সংস্থা। নতুন নিয়মটি ২৩ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়েছে। এর ফলে, যদি কোনো আবেদনের শেষ তারিখ সাপ্তাহিক ছুটি বা সরকারি ছুটির দিনে পড়ে, তবে সব ক্ষেত্রে পরবর্তী কর্মদিবস পর্যন্ত সময় বাড়ানো হবে না।
২৩ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত নীতিগত নির্দেশনায়, সংস্থাটি আবেদনের সময়সীমা গণনার বিষয়টি পরিষ্কার করেছে। এতে সাধারণ দাপ্তরিক সময়সীমা এবং অভিবাসন সুবিধা পাওয়ার যোগ্যতা নির্ধারণের শেষ তারিখের মধ্যে পার্থক্য করা হয়েছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাগজে জমা দেওয়া কিছু আবেদনের শেষ তারিখ যদি শনিবার, রোববার বা সরকারি ছুটিতে পড়ে, তবে পরবর্তী কর্মদিবস পর্যন্ত সময় বাড়ানো যেতে পারে। তবে, অনলাইনে আবেদন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে আলাদা নিয়ম রয়েছে। অনলাইনে ছুটির দিনেও আবেদন করা সম্ভব। সুতরাং, আবেদনকারীদের তাদের নিজ নিজ আবেদনপত্রের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
নতুন নিয়মে বয়সভিত্তিক যোগ্যতার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। পরিবারভিত্তিক কিছু অভিবাসন আবেদনে অন্তর্ভুক্ত সন্তান এবং বিশেষ অভিবাসী অপ্রাপ্তবয়স্ক শ্রেণির আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে সাধারণত ২১ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই সংশ্লিষ্ট আবেদন জমা দিতে হয়।
এ ধরনের আবেদনের শেষ সময় যদি শনিবার, রোববার বা সরকারি ছুটিতে পড়ে, তবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অতিরিক্ত এক দিন পাওয়া যাবে না। ফলে, নির্ধারিত বয়সসীমার মধ্যে আবেদন জমা না দিলে অভিবাসন সুবিধা পাওয়ার যোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত এইচ-১বি ভিসাধারী এবং তাঁদের নিয়োগদাতাদেরও অবস্থানের অনুমোদিত মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখের দিকে নজর রাখতে বলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে আই-৯৪ নথিতে উল্লেখিত মেয়াদ গুরুত্বপূর্ণ।
অনুমোদিত অবস্থানের মেয়াদসংক্রান্ত কোনো সময়সীমা যদি ছুটির দিনে শেষ হয়, তবে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরবর্তী কর্মদিবস পর্যন্ত বাড়বে—এমনটি ধরে নেওয়া যাবে না। সংশ্লিষ্ট নিয়ম মেনে সময়মতো মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন জমা দিতে হবে। দেরিতে আবেদন করার পরিণতি নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতি ও অভিবাসন আইনের বিধানের ওপর।
আবেদনকারীদের করণীয়
আবেদনকারীদের প্রথমেই নিশ্চিত হতে হবে, তাদের আবেদনের শেষ সময়টি সাধারণ দাপ্তরিক সময়সীমা, নাকি অভিবাসন সুবিধা পাওয়ার যোগ্যতা নির্ধারণের তারিখ। পাশাপাশি আবেদন অনলাইনে নাকি কাগজে জমা দিতে হবে, সেটিও যাচাই করা জরুরি।
বিশেষ করে বয়সসীমাসংক্রান্ত আবেদন এবং যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানের অনুমোদিত মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখা উচিত। সময়মতো আবেদন জমা দিলে এমন কোনো সময় বাড়ানোর ওপর নির্ভর করতে হবে না, যা সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) পূর্বাভাস দিয়েছে যে, চলতি বছরে মাথাপিছু মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) বাংলাদেশ প্রতিবেশী ভারতকে ছাড়িয়ে যেতে পারে। প্রতিষ্ঠানটির মতে, বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি ২ হাজার ৮৮৬ মার্কিন ডলারে পৌঁছাতে পারে। অন্যদিকে, ভারতের মাথাপিছু জিডিপি ২ হাজার ৭৪৯ ডলার হতে পারে।
এ পূর্বাভাসটি আইএমএফের ২০২৬ সালের অক্টোবরের ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
ভারত, যা বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ, মাথাপিছু জিডিপিতে বাংলাদেশকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাকে বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্প, প্রবাসী আয় এবং কর্মক্ষেত্রে নারীদের ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণ দেশের অর্থনীতির অগ্রগতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
মাথাপিছু জিডিপি একটি দেশের মোট অর্থনৈতিক উৎপাদনকে জনসংখ্যার সংখ্যা দিয়ে ভাগ করে নির্ধারণ করা হয়। এটি নাগরিকদের গড় অর্থনৈতিক উৎপাদনের একটি ধারণা প্রদান করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পদ্মবিল থেকে একটি পদ্মের আঁটি তুলে এনে, নীল আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে কারও জন্য অপেক্ষা করার একটি কাব্যিক দৃশ্যের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার এক শিক্ষিকা। মাজিশাইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তন্নী রহমান পদ্ম হাতে ছবি তুলে কবিতার ভাষায় ভালো লাগা ও আবেগ প্রকাশ করে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) তার ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, "তোমার জন্য-ই! পদ্মবিল থেকে তোমার জন্য এক আঁটি পদ্ম তুলে এনেছি। চা-বাগানের পাশে, নীল আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে আছি— তুমি আসবে বলেই তো অপেক্ষাটা এত সুন্দর!"
পোস্টের শেষে ছবিটি তিনি ‘সাহেবের তোলা’ বলে উল্লেখ করেছেন। এই মন্তব্যের মাধ্যমে পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। কবিতার আবেগ, পদ্ম হাতে ছবি এবং অপেক্ষার রোমান্টিক বর্ণনা মিলিয়ে অনেকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে তার এই প্রকাশভঙ্গি।
তন্নী রহমান পূর্বেও বিভিন্ন সামাজিক ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করে আলোচনায় এসেছেন। সম্প্রতি টিয়া পাখির সঙ্গে ছবি তুলে তিনি আবারও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার বিষয়বস্তু হয়েছেন। সাবেক নির্বাচিত শিক্ষক নেত্রী তন্নী রহমানের স্বামীও শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত এবং একই বিদ্যালয়ে কর্মরত বলে জানা গেছে।
মনতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও শিক্ষক নেতা সোলেমান মিয়া মন্তব্য করেন, "তন্নী রহমান একটি শিক্ষক পরিবারের সম্পদ। কবিতা, কনটেন্ট ক্রিয়েশন ও পড়াশোনায় তিনি ব্যতিক্রমী। তার প্রতিভা ও সৃজনশীলতার যথাযথ মূল্যায়ন হওয়া উচিত। তাকে সেরা শিক্ষিকা হিসেবে নির্বাচিত করার বিষয়টিও বিবেচনা করা যেতে পারে।"
শিক্ষক নেতা নয়ন চৌধুরী বলেন, "তন্নী রহমান বরাবরই নানা বিষয়ে আলোচনায় থাকেন। আমরা তার প্রতিভার আরও বিকাশ কামনা করি।"
মাধবপুরের সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কবির হোসেন বলেন, "শিল্প-সাহিত্য চর্চা অবশ্যই ভালো বিষয়। আশা করি, তিনি নিয়মনীতি মেনে এসব সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে শিক্ষা বিভাগের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করবেন।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টোকিওর প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উষ্ণ অভ্যর্থনা গ্রহণ করেন। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় টোকিওর চিয়োডা ওয়ার্ডের নাগাতাচোর প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের (‘কান্তেই’) নিকটবর্তী সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে প্রবাসী বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা তাকে শুভেচ্ছা জানান।
প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী গাড়িটি যখন কার্যালয়ে প্রবেশ করে, তখন ‘জাপানে তারেক রহমানের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম’ স্লোগানে চারপাশ মুখরিত হয়ে ওঠে। এ সময় নেতা-কর্মীরা করতালি দিয়ে তাকে স্বাগত জানান। তাঁদের হাতে থাকা বিভিন্ন ব্যানারে প্রধানমন্ত্রীর ছবি এবং শুভেচ্ছাবাণী খোদাই করা ছিল।
জাপান বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
উপস্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে ছিলেন জাপান শাখা বিএনপির সভাপতি মীর রেজাউল করিম রেজা, সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল ইসলাম মনি, সহসভাপতি মাসুম জাকির, কেন্দ্রীয় নেতা কাজী সাদেকুল হায়দার বাবলু, জুয়েল পাঠান, মাকসুদুল হাসান, টুটুল ইব্রাহিম, ওমর ফারুক রিপন, ফরহাদ প্রিন্স, মাসুদ প্লাবন, ইমরান আল ইমু, ইসমাইল হোসেন, শেখ ফয়সাল, সাইফুল ইসলাম এবং তাওহিদুল ইসলাম হেলাল প্রমুখ।
বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের সরকারপ্রধানের এই আগমনকে কেন্দ্র করে প্রবাসী নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত এই অভ্যর্থনা অনুষ্ঠান দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাঝে এক অনন্য উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা তার ৮১তম জন্মদিনের সবচেয়ে বড় উপহার হিসেবে নির্বাচনে জয় লাভ করেছেন। জন্মদিনের দুদিন আগে তিনি ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট হিসেবে নজিরবিহীন চতুর্থ মেয়াদে নির্বাচিত হয়েছেন। আজ ৮১তম জন্মদিন উদযাপনের আনন্দের পাশাপাশি, ব্রাজিলের শাসনের চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে উদ্বেগও রয়েছে।
লুলার সামনে অন্তত চারটি বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এগুলো হলো একটি বিভক্ত ব্রাজিল, একটি বৈরী কংগ্রেস, দুর্বল রাষ্ট্রীয় অর্থনীতি এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করার কৌশলই নির্ধারণ করবে ব্রাজিলের ভবিষ্যৎ।
রবিবারের নির্বাচনে লুলা ৫১.৭ শতাংশ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ফ্লাভিও বলসোনারো ৪৮.২ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। এই হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ফলাফল প্রমাণ করে যে, রাজনৈতিক বিভাজন ব্রাজিলকে এক দশক ধরে টুকরো করে রেখেছে এবং এটি আরও দেখায় যে, অভ্যুত্থানের চেষ্টার দায়ে কট্টর ডানপন্থী নেতার ২৭ বছরের কারাদণ্ড হওয়ার পরও ‘বলসোনারিজম’ এখনো শক্তিশালী।
বর্তমান মেয়াদের মতো এবারও কংগ্রেসে লুলার একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকবে না। এই মাসের শুরুর দিকে অনুষ্ঠিত আইনসভা নির্বাচনে ডানপন্থীদের শক্তি বৃদ্ধি পেয়েছে। বলসোনারোর লিবারেল পার্টি ৫১৩ জন ডেপুটির মধ্যে ১২১টি এবং ৮১ জন সিনেটরের মধ্যে ২৮টি আসন নিয়ে প্রধান শক্তিতে পরিণত হয়েছে। লুলাকে তার প্রস্তাবগুলো পাস করার জন্য ‘সেন্ট্রাও’-এর ওপর নির্ভর করতে হবে। এটি হলো কেন্দ্র-ডানপন্থী দলগুলোর একটি ব্লক, যারা সাধারণত ক্ষমতায় যেই থাকুক না কেন, তাকে সমর্থন দিয়ে থাকে।
কিন্তু রিও ডি জেনেরিও ফেডারেল ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞানী মায়রা গৌলার্টের মতে, তাদের সাথে আলোচনা করা দিন দিন আরো কঠিন হয়ে উঠছে। তিনি এএফপি-কে বলেছেন, আইনপ্রণেতারা এখন ফেডারেল বাজেটের একটি বড় অংশের ভাগ্য নির্ধারণ করেন, যা তাদের নির্বাহী বিভাগের কাছ থেকে আরো বেশি স্বাধীনতা দেয়।
গেটুলিও ভার্গাস ফাউন্ডেশন-এর অর্থনীতিবিদ মাউরো রচলিন এএফপি-কে বলেছেন, ’অর্থনৈতিক দিক থেকে, ব্রাজিলের তিনটি বড় সমস্যা হলো— আর্থিক সমস্যা, আর্থিক সমস্যা এবং আর্থিক সমস্যা।’ এই বাস্তবতা হলো, রাষ্ট্র যা আয় করে, তা ব্যয় করে তার চেয়ে অনেক বেশি। সরকারি ঋণ জিডিপির ৮০ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে এবং ব্রাজিলের কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশ্বের অন্যতম সর্বোচ্চ সুদের হার বজায় রাখছে। রচলিন বলেন, ’এই পরিস্থিতি খুব দ্রুত অর্থনৈতিক সংকটে রূপ নিতে পারে।’
তার মতে, এই অবস্থার সমন্বয় বা সংস্কার করা অনিবার্য, কিন্তু কঠিন। কারণ এর সাথে অপ্রীতিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ এবং কংগ্রেসের ভেতরে থাকা অত্যন্ত শক্তিশালী লবিগুলোর মুখোমুখি হওয়ার বিষয় জড়িত রয়েছে। এই চ্যালেঞ্জটি লুলার প্রধান সামাজিক কল্যাণমূলক কর্মসূচির সাথে সাংঘর্ষিক হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা লাখ লাখ মানুষকে দারিদ্র্য থেকে মুক্তি দিয়েছে।
নির্বাচনী প্রচারণা জুড়ে নিরাপত্তা উদ্বেগ সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পেয়েছে, কারণ সহিংসতা অনেক ব্রাজিলীয় নাগরিকের জন্য একটি বড় দুশ্চিন্তার কারণ। বিরোধীদের পক্ষ থেকে অপরাধের প্রতি নরম মনোভাব দেখানোর অভিযোগ তোলার পর, লুলা এবার ফলাফল দেখানোর জন্য বেশ চাপের মধ্যে থাকবেন; বিশেষ করে বিভিন্ন শহরে রাজত্ব করা অপরাধী চক্র ও মিলিশিয়া বাহিনীকে দমন করার ক্ষেত্রে। নির্বাচনী প্রচারণার সময় তিনি বলেছিলেন যে, জঘন্য অপরাধের জন্য ফৌজদারি অপরাধের বয়সসীমা ১৮ থেকে কমিয়ে ১৬ বছর করার পক্ষে তিনি সমর্থন দেবেন। অন্যদিকে রাজনৈতিক ডানপন্থীরা এটি কমিয়ে ১৪ বছর করতে চায়।
ল্যাটিন আমেরিকাজুড়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান হস্তক্ষেপ নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকায় লুলা ব্রাজিলের সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রচারণা চালিয়েছিলেন। ট্রাম্প গত বছর তার মিত্র জাইর বলসোনারোর বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়ার প্রতিশোধ হিসেবে ব্রাজিলের ওপর শুল্ক আরোপ করেছিলেন, যার ধারাবাহিকতায় এই বছরও কিছু পণ্যের ওপর আরো ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়। ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টকে ওয়াশিংটনের সাথে সম্পর্ক এমনভাবে বজায় রাখতে হবে যাতে তার সাম্রাজ্যবাদ-বিরোধী সুর নরম না হয়, বিশেষ করে যখন ট্রাম্প প্রশাসন এই অঞ্চলে ক্রমশ নিজেদের আধিপত্য জাহির করছে।
লাতিন আমেরিকা নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনায় বড় বাধা হয়ে এসেছে লুলার জয়। এরই মধ্যে তিনি ব্রাজিলের নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ