প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা ও গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদনকারীদের জন্য সময়সীমা গণনার নিয়মে পরিবর্তন এনেছে নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা সংস্থা। নতুন নিয়মটি ২৩ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়েছে। এর ফলে, যদি কোনো আবেদনের শেষ তারিখ সাপ্তাহিক ছুটি বা সরকারি ছুটির দিনে পড়ে, তবে সব ক্ষেত্রে পরবর্তী কর্মদিবস পর্যন্ত সময় বাড়ানো হবে না।
২৩ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত নীতিগত নির্দেশনায়, সংস্থাটি আবেদনের সময়সীমা গণনার বিষয়টি পরিষ্কার করেছে। এতে সাধারণ দাপ্তরিক সময়সীমা এবং অভিবাসন সুবিধা পাওয়ার যোগ্যতা নির্ধারণের শেষ তারিখের মধ্যে পার্থক্য করা হয়েছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাগজে জমা দেওয়া কিছু আবেদনের শেষ তারিখ যদি শনিবার, রোববার বা সরকারি ছুটিতে পড়ে, তবে পরবর্তী কর্মদিবস পর্যন্ত সময় বাড়ানো যেতে পারে। তবে, অনলাইনে আবেদন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে আলাদা নিয়ম রয়েছে। অনলাইনে ছুটির দিনেও আবেদন করা সম্ভব। সুতরাং, আবেদনকারীদের তাদের নিজ নিজ আবেদনপত্রের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
নতুন নিয়মে বয়সভিত্তিক যোগ্যতার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। পরিবারভিত্তিক কিছু অভিবাসন আবেদনে অন্তর্ভুক্ত সন্তান এবং বিশেষ অভিবাসী অপ্রাপ্তবয়স্ক শ্রেণির আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে সাধারণত ২১ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই সংশ্লিষ্ট আবেদন জমা দিতে হয়।
এ ধরনের আবেদনের শেষ সময় যদি শনিবার, রোববার বা সরকারি ছুটিতে পড়ে, তবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অতিরিক্ত এক দিন পাওয়া যাবে না। ফলে, নির্ধারিত বয়সসীমার মধ্যে আবেদন জমা না দিলে অভিবাসন সুবিধা পাওয়ার যোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত এইচ-১বি ভিসাধারী এবং তাঁদের নিয়োগদাতাদেরও অবস্থানের অনুমোদিত মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখের দিকে নজর রাখতে বলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে আই-৯৪ নথিতে উল্লেখিত মেয়াদ গুরুত্বপূর্ণ।
অনুমোদিত অবস্থানের মেয়াদসংক্রান্ত কোনো সময়সীমা যদি ছুটির দিনে শেষ হয়, তবে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরবর্তী কর্মদিবস পর্যন্ত বাড়বে—এমনটি ধরে নেওয়া যাবে না। সংশ্লিষ্ট নিয়ম মেনে সময়মতো মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন জমা দিতে হবে। দেরিতে আবেদন করার পরিণতি নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতি ও অভিবাসন আইনের বিধানের ওপর।
আবেদনকারীদের করণীয়
আবেদনকারীদের প্রথমেই নিশ্চিত হতে হবে, তাদের আবেদনের শেষ সময়টি সাধারণ দাপ্তরিক সময়সীমা, নাকি অভিবাসন সুবিধা পাওয়ার যোগ্যতা নির্ধারণের তারিখ। পাশাপাশি আবেদন অনলাইনে নাকি কাগজে জমা দিতে হবে, সেটিও যাচাই করা জরুরি।
বিশেষ করে বয়সসীমাসংক্রান্ত আবেদন এবং যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানের অনুমোদিত মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখা উচিত। সময়মতো আবেদন জমা দিলে এমন কোনো সময় বাড়ানোর ওপর নির্ভর করতে হবে না, যা সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন