শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৪৮ পি.এম
হাইকোর্ট এস আলম গ্রুপের নামে ইসলামী ব্যাংকে থাকা ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন। বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের নেতৃত্বে হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশটি ইসলামী ইকোনমিক রিসার্চ ব্যুরোর আবেদনের পর প্রদান করে।
আইনজীবী শিশির মনির জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) আদেশটির লিখিত অনুলিপি প্রকাশিত হয়েছে।
রিট আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আইন অনুযায়ী ১০ শতাংশের বেশি শেয়ার একই গ্রুপভুক্ত বা পারিবারিকভাবে রাখা সম্ভব নয়। কিন্তু এস আলম সংশ্লিষ্ট ২৪টি প্রতিষ্ঠান ব্যাংকটিতে প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ারহোল্ডার হিসেবে যুক্ত হয়েছে এবং তাদের শেয়ার ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ।
গত বছর হাইকোর্ট ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ২৪ প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ারহোল্ডার, পরিচালক এবং ব্যক্তিবিশেষের ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করার নির্দেশনা দিয়েছিল। একই সঙ্গে এসব শেয়ারহোল্ডার পরিচালকদের আদালতের অনুমতি ছাড়া দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইংল্যান্ডের কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে হাসান মাহমুদের অভিষেক অনেক আগেই সম্পন্ন হয়েছে। গত জুন মাসে কেন্টের হয়ে দুটি ম্যাচ খেলার পর চলতি সেপ্টেম্বরে তিনি আরেকটি ম্যাচ খেলছেন।
বাংলাদেশের আরেক পেসার খালেদ আহমেদকেও কেন্ট দলে অন্তর্ভুক্ত করেছে। তবে ওরচেস্টারশায়ারের বিপক্ষে ডিভিশন টু-এর ম্যাচে হাসানকে একাদশে রাখা হলেও খালেদের সুযোগ হয়নি। এর ফলে সিলেটের এই পেসারের ইংলিশ কাউন্টিতে অভিষেকের অপেক্ষা দীর্ঘ হচ্ছে।
ক্যান্টারবুরির সেন্ট লরেন্স গ্রাউন্ডের সিমিং কন্ডিশনে কেন খালেদ আহমেদকে খেলানো হয়নি, এ নিয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে।
আসলে নিয়মের কারণে ৩৩ বছর বয়সী পেসার এই ম্যাচে অংশগ্রহণ করতে পারছেন না।
বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, ইংলিশ কাউন্টি ক্রিকেটের প্রধান তিনটি টুর্নামেন্ট কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপ (প্রথম শ্রেণি), ওয়ানডে কাপ (লিস্ট ‘এ’) এবং ভাইটালিটি ব্লাস্টে (টি২০) একটি দল তাদের একাদশে সর্বাধিক দুজন বিদেশি খেলোয়াড় রাখতে পারে।
ওরচেস্টারশায়ারের বিপক্ষে কেন্টের হয়ে খেলছেন বাংলাদেশের হাসান মাহমুদ এবং দক্ষিণ আফ্রিকার কিথ ডাজন। তাই তৃতীয় বিদেশি হিসেবে খালেদের খেলার সুযোগ নেই।
ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) ২০২১ মৌসুম থেকে একাদশে দুই বিদেশির নিয়ম কার্যকর করেছে। এর আগে মাত্র একজন বিদেশি খেলানোর অনুমতি ছিল।
তবে ব্রেক্সিটের কারণে ‘কোলপ্যাক চুক্তি’ বাতিল হয়ে যাওয়ার পর কাউন্টি ক্লাবগুলোর শক্তিমত্তা ও ভারসাম্য বজায় রাখতে ইসিবি বিদেশি খেলোয়াড়ের কোটা বাড়িয়ে দুজনে উন্নীত করেছে।
ওরচেস্টারশায়ারের বিপক্ষে ২ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া ম্যাচে কেন্ট বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। গতকাল দ্বিতীয় দিন শেষে দুই ইনিংসে মিলিয়ে ২১৮ রানে এগিয়ে আছে হাসান-খালেদের দল।
হাতে আছে ৭ উইকেট।
টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম ইনিংসে ২৩৮ রানে অলআউট হয় কেন্ট। ব্যাটিং অর্ডারের দশে নেমে ৪ রানে অপরাজিত থাকেন হাসান।
এরপর হাসান তার আসল কাজটি যথাযথভাবে সম্পন্ন করেছেন। বল হাতে তিনি ৪ উইকেট নিয়েছেন। এর ফলে ওরচেস্টারশায়ার ২১৭ রানে গুটিয়ে গেলে কেন্ট প্রথম ইনিংসে ২১ রানের লিড নেয়।
দ্বিতীয়বার ব্যাটিংয়ে নেমে ৩ উইকেটে ১৯৭ রান তুলে গতকাল দ্বিতীয় দিন শেষ করেছে কেন্ট। আজ বিকেলে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি মন্তব্য করেছেন যে, সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর মাত্র ছয় মাসে সব কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, বিরোধী দলেরও এই বিষয়টি বুঝতে হবে।
শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে লক্ষ্মীপুর পৌর এলাকায় রহমতখালী খাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এই কর্মসূচিটি জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল ও জেলা কৃষকদলের উদ্যোগে আয়োজন করা হয়।
এ্যানি উল্লেখ করেন, ‘সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর মাত্র ছয় মাস হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সব কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কি ছয় মাসে শেষ হয়ে গেছে? বিরোধী দলের এটি বুঝা উচিত। ছয় মাসের মধ্যে তারা লংমার্চ করবেন। আমরা ফটোসেশনের রাজনীতি করি না।’
তিনি আরও বলেন, আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। গত মার্চে দিনাজপুর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, খাল পুনঃখননের ফলে পানি নিষ্কাশন, কৃষি উৎপাদন, মৎস্য চাষ ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকায় এর সুফল দেখা যাচ্ছে। তারেক রহমানের দূরদর্শী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখননের কাজ শুরু করা হয়েছে।
এর আগে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে। মার্চে দিনাজপুরের কাহারোল থেকে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।
এ্যানি আরও বলেন, খাল খনন শুধুমাত্র একটি কর্মসূচি নয়, এটি দেশের কৃষি, পানি ব্যবস্থাপনা ও গ্রামীণ অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত একটি বৃহৎ উদ্যোগ। দীর্ঘমেয়াদে এর সুফল জনগণ পাবে।
এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক সাহাব উদ্দিন সাবু, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান, বাফুফের সহসভাপতি ওয়াহিদ উদ্দীন চৌধুরী হ্যাপি, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মহসিন কবির স্বপন, সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ, জেলা কৃষকদলের সভাপতি মাহাবুব আলম মামুন ও সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান সোহেলসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে তৈরি হওয়া জনআকাঙ্ক্ষা ও রাষ্ট্র সংস্কারের প্রত্যাশা পূরণে সরকার এবং বিরোধী দল—দুজনেই ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে।
তিনি উল্লেখ করেন, গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্রের কাঠামোগত সংস্কার, বিচারপ্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে দ্রুত ও কার্যকর উদ্যোগের অভাবের কারণে জাতীয় ঐক্যের মধ্যে বিভাজন তৈরি হচ্ছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে মঞ্চ ২৪ আয়োজিত ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তির অনৈক্য ও বাংলাদেশের ক্ষতি’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
তাজুল ইসলাম বলেন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণির আন্দোলন ছিল না। এতে অংশ নিয়েছেন বিচারক, সচিব, পুলিশ কর্মকর্তা, কৃষক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, হকার, রিকশাশ্রমিক এবং শিক্ষার্থী—বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। গুলি, হেলিকপ্টার ও সাঁজোয়া যান সামনে থাকা সত্ত্বেও শিক্ষার্থীরা রাজপথে অবস্থান নিয়েছিলেন এবং তাদের সঙ্গে সাধারণ মানুষও ছিলেন।
তিনি বলেন, এই আন্দোলনের মাধ্যমে যে জাতীয় ঐক্য তৈরি হয়েছিল, সেখানে অনৈক্যের সুযোগ থাকা উচিত নয়। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে; তবে জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের প্রশ্নে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
তাজুল ইসলাম বলেন, মানুষের প্রত্যাশা ছিল এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা, যেখানে একজন ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে ক্ষমতা পরিচালিত হবে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিপীড়ন, হত্যাকাণ্ড কিংবা হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের কাজে ব্যবহার করা হবে না। নির্বাচন প্রহসনে পরিণত হবে না এবং রাষ্ট্র দুর্নীতি থেকে বেরিয়ে সুশাসন ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার ও বিরোধী দল এটি বাস্তবায়নে সম্মত হয়ে স্বাক্ষর করেছে। এখন মূল মতপার্থক্য বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে। তবে জনগণ কোন পদ্ধতিতে এটি বাস্তবায়ন হবে, সেটিকে মুখ্য মনে করে না। তারা জুলাই সনদ নিয়ে গণভোটে দেওয়া রায়ের বাস্তবায়ন দেখতে চায়।
তিনি বলেন, সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে পরিবর্তন হবে, নাকি সংস্কারের মাধ্যমে—এটি জনগণের কাছে বড় বিষয় নয়। তারা দেখতে চায়, সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে জনগণের সমস্যা নিয়ে কথা বলছেন, সংসদ কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করছে এবং রাষ্ট্রের কাঠামোয় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন এসেছে।
গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে তাজুল ইসলাম বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন ন্যায়বিচারের ধারণা সামনে রেখে বিচারপ্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে হবে। গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এসব বিচার দ্রুত শেষ করার উদ্যোগ প্রয়োজন।
তিনি বলেন, প্রধান অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করা না গেলে সমাজে প্রকৃত স্বস্তি ও শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।
গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাগুলো রাষ্ট্রীয়ভাবে সংরক্ষণের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। কারা এবং কীভাবে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত ছিল, কোন বাহিনী বা প্রতিষ্ঠান এতে ভূমিকা রেখেছিল—এসব তথ্য যথাযথভাবে নথিবদ্ধ ও সংরক্ষণ করতে হবে।
তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানে আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এবং জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার সম্পন্ন করতে হবে।
নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক মাস পরেও কাঙ্ক্ষিত সংস্কারে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় ক্ষোভ তৈরি হতে পারে উল্লেখ করে তাজুল ইসলাম বলেন, যারা ট্যাংক, সাঁজোয়া যান ও হেলিকপ্টারের সামনে বুক পেতে জীবন দিয়েছেন, তারা প্রত্যাশা অনুযায়ী রাষ্ট্র সংস্কার না হলে হতাশ হবেন। সেই ক্ষোভ বাড়তে থাকলে আবারও আন্দোলনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
রাষ্ট্র সংস্কারে সরকারের দক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। বলেন, সরকার দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না এবং বিভিন্ন সমস্যার কার্যকর সমাধানেও ব্যর্থ হচ্ছে।
সংসদ সদস্যদের ভূমিকার সমালোচনা করে তাজুল ইসলাম বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান কোন প্রেক্ষাপটে সংঘটিত হয়েছিল, তা অনেক সংসদ সদস্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করতে পারেননি।
বিরোধী দলের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকারের কর্মকাণ্ডের গঠনমূলক বিরোধিতা করা এবং বিকল্প পথ তুলে ধরা বিরোধী দলের দায়িত্ব। কিন্তু তারাও এ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারছেন না। ফলে সরকার ও বিরোধী দল—দুই পক্ষই জনগণের গণআকাঙ্ক্ষা বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।
তাজুল ইসলাম বলেন, জুলাইয়ে প্রায় দুই হাজার মানুষ প্রাণ দিয়েছেন। এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘ ১৭ বছরের গুম, নিখোঁজ, মামলা ও কারাবরণের ইতিহাস। এসব ত্যাগের কথা মনে রেখে সরকার ও বিরোধী দলকে জাতীয় দায়িত্ব পালন করতে হবে। অন্যথায় কঠিন পরিণতি অপেক্ষা করতে পারে।
জুলাইয়ের শহীদ ও নিখোঁজদের পরিবারের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সন্তান হারানো পরিবারের বেদনা এবং গুম হয়ে যাওয়া স্বজনের অপেক্ষায় থাকা মানুষের কষ্ট ভুলে গেলে রাষ্ট্র তার পথ হারাবে। জুলাইয়ের শহীদদের স্বপ্ন ও জনগণের আকাঙ্ক্ষা কোনোভাবেই ভুলে যাওয়া উচিত নয়।
সেমিনারে মঞ্চ ২৪-এর আহ্বায়ক ফাহিম ফারুকীর সভাপতিত্বে সংগঠনটির উপদেষ্টা ডিউক হুদা, ড. ফয়জুল হক, লে. কর্নেল ফেরদৌস আজিজ, শেখ মহিউদ্দিন, সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, সাবেক উপদেষ্টা শারমিন এস মুরশেদ এবং সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এ এস এম শাহরিয়ার কবিরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র ইরান ইস্যুতে চরম অনিশ্চয়তা ও জটিল সংকটে পড়েছে।
ইরানকে ঘিরে চলমান সংকটে আমেরিকা আরও গভীরভাবে জড়িয়ে পড়বে এবং এই অঞ্চলে তাদের সামরিক উপস্থিতি বাড়াতে হবে, এমন তথ্য সংবাদসংস্থা 'তাস'-কে জানিয়েছেন ইরানের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘১২ দিনের যুদ্ধের সময় ইরানি কৌশলবিদরা প্রমাণ করেছেন যে, তারা একটি দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের জন্য প্রস্তুত, যা এই সংঘাতের রণক্ষেত্রে স্পষ্টভাবে পরিলক্ষিত হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের অবস্থা এমন কয়েক ডজন উদাহরণের মধ্যে একটি যা শত্রুর ক্লান্তি এবং সংঘাত সহ্য করার অক্ষমতাকে প্রকাশ করে। যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা এবং ইরানি জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে কার্যকলাপ চলতে থাকবে, ততক্ষণ পর্যন্ত দৃঢ়ভাবে জবাব দেওয়া আমাদের অবিচ্ছেদ্য অধিকার। আমাদের জোরালো প্রতিরক্ষা এবং প্রতিশোধমূলক হামলার মতবাদ অনুসারে, ইরান সংঘাতের সময় ও স্থান এমনভাবে নির্ধারণ করতে পারে যা শত্রুর সর্বাধিক ক্ষতিসাধন করবে।’
ইরানি কর্মকর্তাটি বলেন, ‘এই অঞ্চলে আমেরিকার সামরিক উপস্থিতির সম্প্রসারণ কেবল এটাই নিশ্চিত করে যে, ইরানি জনগণের সহনশীলতা ও প্রতিরোধ মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীর আরও ক্ষয়ক্ষতির কারণ হবে এবং আমেরিকাকে আঞ্চলিক সংকটের আরও গভীরে টেনে নিয়ে যাবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ