শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:০১ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্র ইরান ইস্যুতে চরম অনিশ্চয়তা ও জটিল সংকটে পড়েছে।
ইরানকে ঘিরে চলমান সংকটে আমেরিকা আরও গভীরভাবে জড়িয়ে পড়বে এবং এই অঞ্চলে তাদের সামরিক উপস্থিতি বাড়াতে হবে, এমন তথ্য সংবাদসংস্থা 'তাস'-কে জানিয়েছেন ইরানের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘১২ দিনের যুদ্ধের সময় ইরানি কৌশলবিদরা প্রমাণ করেছেন যে, তারা একটি দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের জন্য প্রস্তুত, যা এই সংঘাতের রণক্ষেত্রে স্পষ্টভাবে পরিলক্ষিত হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের অবস্থা এমন কয়েক ডজন উদাহরণের মধ্যে একটি যা শত্রুর ক্লান্তি এবং সংঘাত সহ্য করার অক্ষমতাকে প্রকাশ করে। যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা এবং ইরানি জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে কার্যকলাপ চলতে থাকবে, ততক্ষণ পর্যন্ত দৃঢ়ভাবে জবাব দেওয়া আমাদের অবিচ্ছেদ্য অধিকার। আমাদের জোরালো প্রতিরক্ষা এবং প্রতিশোধমূলক হামলার মতবাদ অনুসারে, ইরান সংঘাতের সময় ও স্থান এমনভাবে নির্ধারণ করতে পারে যা শত্রুর সর্বাধিক ক্ষতিসাধন করবে।’
ইরানি কর্মকর্তাটি বলেন, ‘এই অঞ্চলে আমেরিকার সামরিক উপস্থিতির সম্প্রসারণ কেবল এটাই নিশ্চিত করে যে, ইরানি জনগণের সহনশীলতা ও প্রতিরোধ মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীর আরও ক্ষয়ক্ষতির কারণ হবে এবং আমেরিকাকে আঞ্চলিক সংকটের আরও গভীরে টেনে নিয়ে যাবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ভারতীয় নেশাজাতীয় এস্কাফ সিরাপ ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (৫৩ বিজিবি)।
আজ শুক্রবার (০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) ভোরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি)-এর অধীনস্থ মনাকষা বিওপির একটি বিশেষ টহলদল এই অভিযান পরিচালনা করে। জেলার শিবগঞ্জ থানাধীন মনাকষা ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রাম থেকে ১টি মোটরসাইকেলসহ ৭৬ বোতল ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়।
বিজিবি জানায়, জব্দকৃত এস্কাফ সিরাপের আনুমানিক বাজারমূল্য ৩০,৪০০ টাকা এবং মোটরসাইকেলটির আনুমানিক মূল্য ১,৪০,০০০ টাকা। উদ্ধারকৃত মালামালের সর্বমোট মূল্য ১,৭০,৪০০ (এক লক্ষ সত্তর হাজার চারশত) টাকা। আইনি প্রক্রিয়া শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্য ও মোটরসাইকেল শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
উলেখ্য, মাদকবিরোধী অভিযানে বিজিবির ধারাবাহিক সফলতার অংশ হিসেবে এর আগে আগস্ট মাসেও ৫৩ বিজিবি ৫২২ বোতল এস্কাফ সিরাপ, ১১৫ বোতল ফেয়ারডিল সিরাপ, ৩০ পিস ইয়াবা এবং ২০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করেছিল।
অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে ৫৩ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান, পিএসসি জানান, সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি সরকারের মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে বিজিবি সর্বদা তৎপর রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানুষের শরীরে প্রতিস্থাপন করা শূকরের একটি কিডনি ২৭১ দিন কার্যকর থাকার একটি নতুন রেকর্ড স্থাপন করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মানুষের শরীরে জেনেটিকভাবে পরিবর্তিত শূকরের কিডনি প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে এটি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে দীর্ঘ সময়ের ঘটনা।
রোগী টিম অ্যান্ড্রুজের কিডনি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল টাইপ-২ ডায়াবেটিসের কারণে। ২০২৫ সালের ২৫ জানুয়ারি, ৬৬ বছর বয়সে তার শরীরে জেনেটিকভাবে পরিবর্তিত শূকরের কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়। প্রতিস্থাপনের পরপরই কিডনিটি কার্যকর হতে শুরু করে এবং ২৭১ দিন ধরে রক্ত পরিশোধনের কাজ করে।
অ্যান্ড্রুজ বলেছেন, এই চিকিৎসা তাকে নতুন করে বাঁচার আশা দিয়েছে। কিডনিটি কার্যকর থাকার সময় তিনি কয়েক মাস হাসপাতালে গিয়ে ডায়ালাইসিস করাতে বাধ্য হননি। তিনি উল্লেখ করেন, ডায়ালাইসিস মেশিন থেকে মুক্ত হয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপনের সম্ভাবনাই ছিল তার কাছে সবচেয়ে বড় আশা।
যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাস জেনারেল ব্রিগহামের চিকিৎসক দলের মতে, এই সাফল্য প্রমাণ করে যে মানুষের কিডনি পাওয়ার অপেক্ষায় থাকা রোগীদের জন্য শূকরের অঙ্গকে ‘সেতু’ হিসেবে ব্যবহার করার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে যেসব রোগী মানবদাতার কিডনি পাওয়ার জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেন, তাদের জন্য এই পদ্ধতি ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হতে পারে।
তবে ২৭১ দিন পর শূকরের কিডনিটি কাজ করা বন্ধ করে দেয়। চিকিৎসকরা সেটি অপসারণ করেন এবং এরপর অ্যান্ড্রুজকে ৮২ দিন ডায়ালাইসিস নিতে হয়। পরে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে তিনি একজন মানবদাতার কিডনি পান। নতুন কিডনিটি ভালোভাবে কাজ করছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
অ্যান্ড্রুজকে জানানো হয়েছিল, মানবদাতার কিডনি পাওয়ার জন্য তাকে সাত বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে। দীর্ঘ সময় ডায়ালাইসিসে থাকার বিষয়টি তার জন্য উদ্বেগের ছিল। তিনি বলেন, "সময় কমে আসায় পরিস্থিতি ক্রমেই হতাশাজনক হয়ে উঠছিল।" তাই শূকরের কিডনি প্রতিস্থাপনের সুযোগকে তিনি ‘আশা’ এবং ‘সুড়ঙ্গের শেষের আলো’ হিসেবে দেখেছিলেন।
অঙ্গ প্রতিস্থাপনের জন্য কিডনির সংকট দীর্ঘদিনের। যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় এক লাখ মানুষ কিডনি প্রতিস্থাপনের অপেক্ষায় রয়েছেন। অথচ প্রতি বছর সেখানে প্রায় ২৫ হাজার কিডনি প্রতিস্থাপন করা সম্ভব হয়। যুক্তরাজ্যেও সাত হাজারের বেশি মানুষ কিডনি প্রতিস্থাপনের তালিকায় রয়েছেন।
অঙ্গের ঘাটতির কারণে বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে অন্য প্রাণীর অঙ্গ মানুষের শরীরে প্রতিস্থাপনের পদ্ধতি নিয়ে গবেষণা করছেন। এই পদ্ধতিকে বলা হয় জেনোট্রান্সপ্লান্টেশন। গবেষকদের কাছে শূকরকে এ ধরনের চিকিৎসার জন্য উপযোগী প্রাণী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কারণ তাদের অঙ্গের আকার মানুষের অঙ্গের কাছাকাছি এবং শূকর পালনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতাও রয়েছে।
তবে সাধারণ শূকরের কিডনি মানুষের শরীরে প্রতিস্থাপন করলে রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা সেটিকে বহিরাগত অঙ্গ হিসেবে শনাক্ত করে আক্রমণ করতে পারে। এ কারণে গবেষকেরা জেনেটিকভাবে পরিবর্তিত শূকর তৈরি করেছেন। অ্যান্ড্রুজের শরীরে প্রতিস্থাপন করা কিডনিটি একটি ইউকাটান মিনিয়েচার পিগ থেকে নেওয়া হয়েছিল, যার জিনে ৬৯টি পরিবর্তন করা হয়।
এসব জিনগত পরিবর্তনের মাধ্যমে শূকরের কোষের এমন কিছু বৈশিষ্ট্য বাদ দেওয়া হয়েছে, যা মানুষের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা সহজে শনাক্ত করে আক্রমণ করতে পারে। পাশাপাশি কিছু মানব জিন যুক্ত করা হয়েছে, যা শূকরের টিস্যুকে রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা থেকে আড়াল করতে সহায়তা করে। শূকরের ডিএনএতে থাকা সম্ভাব্য ভাইরাস নিষ্ক্রিয় করার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
প্রতিস্থাপনের পর অ্যান্ড্রুজের কিডনিতে রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার আক্রমণের প্রাথমিক কিছু লক্ষণ দেখা দিয়েছিল। ওষুধের পরিবর্তনের মাধ্যমে তা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়। তবে প্রায় ছয় মাস পর কিডনিটির রক্তনালিতে ক্ষতি ও প্রদাহ দেখা দেয় এবং শেষ পর্যন্ত সেটি কাজ করা বন্ধ করে দেয়। চিকিৎসকরা নিশ্চিতভাবে বলতে পারেননি ঠিক কী কারণে কিডনিটি ব্যর্থ হয়েছিল।
ম্যাস জেনারেল ব্রিগহামের চিকিৎসক ডা. লিওনার্দো রিয়েলা বলেন, "অঙ্গদাতার সংকট এখন একটি বড় সমস্যা। জেনোট্রান্সপ্লান্টেশন এমন রোগীদের জন্য ভবিষ্যতে একটি বিকল্প হতে পারে, যাদের জীবিত মানবদাতা নেই এবং যারা দীর্ঘদিন ডায়ালাইসিসের ওপর নির্ভরশীল।"
চিকিৎসকরা বলছেন, অ্যান্ড্রুজের ঘটনা মানুষের শরীরে শূকরের অঙ্গ প্রতিস্থাপনের সম্ভাবনা যেমন দেখিয়েছে, তেমনি দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এখনো বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এ বিষয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন। তথ্যসূত্র: বিবিসি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ ঘটিকায় সদর উপজেলার শিবতলা এলাকার শ্রী দুর্গা ঠাকুরানীর মন্দির প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের আগে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শিবতলার শ্রী দুর্গা ঠাকুরানীর মন্দির প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। পরে মন্দির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব ও পরিচালনায় স্থানীয় পূজা উদযাপন পরিষদ ও জন্মাষ্টমী উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড বিপ্লব কুমার মজুমদার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ একরামুল হোসাইন পিপিএম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ডাবলু কুমার ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক ধনঞ্জয় চ্যাটার্জী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপন কমিটির সভাপতি শ্রী শ্যামকিশোর দাস গোস্বামী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক দিলিপ কুমার এবং চরজোতপ্রতাপ দুর্গামাতা ঠাকুরানী মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক শ্রী অজিত দাসসহ সনাতন ধর্মাবলম্বী অনুসারীরা।
আলোচনা সভায় বক্তারা শ্রীকৃষ্ণের জীবন, কর্ম ও ধর্মীয় আদর্শের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তারা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, শান্তি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। আলোচনা সভা শেষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এবারের জন্মাষ্টমী উদযাপন অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণ ছিল। অনুষ্ঠানে আনুমানিক পাঁচ শতাধিক সনাতন ধর্মাবলম্বী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতির প্রায় ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও মাধবপুরের ছাতিয়াইন থেকে রতনপুর সড়কের বেহাল দশার কোনো পরিবর্তন হয়নি—এমন অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে সড়কটির বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য বড় বড় গর্ত। এতে প্রতিদিন চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন পথচারী, শিক্ষার্থী, রোগী ও যানবাহনের চালকরা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের অতিরিক্ত ভাঙাচোরা অবস্থার কারণে স্বাভাবিক গতিতে যান চলাচল করতে পারছে না। সামান্য বৃষ্টিতেই গর্তগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কোথায় কতটা গভীর গর্ত রয়েছে, তা বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বেড়ে যায়।
বিশেষ করে অসুস্থ রোগী ও প্রসূতি রোগীদের এই সড়ক দিয়ে হাসপাতালে নেওয়ার সময় দুর্ভোগ চরমে ওঠে। স্থানীয়দের দাবি, ঝাঁকুনির কারণে রোগীদের শারীরিক কষ্ট আরও বেড়ে যায়। বৃষ্টির সময় বিভিন্ন যানবাহন গর্তে আটকে যাওয়া কিংবা উল্টে যাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
শুধু সড়কের দুরবস্থাই নয়, এর প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের খরচেও। সড়কটি দিয়ে চলাচলকারী যানবাহনের চালকরা অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা। ফলে যোগাযোগব্যবস্থার পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এলাকার সাধারণ মানুষ।
স্থানীয়দের ভাষ্য, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে মাধবপুর-চুনারুঘাট আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য এস এম ফয়সাল নির্বাচনের পর ছাতিয়াইন–রতনপুর সড়কটি মেরামতের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। কিন্তু নির্বাচনের পর প্রায় ছয় মাস পার হলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো সংস্কারকাজ শুরু হয়নি বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
অন্যদিকে, সংসদ সদস্যের নিজ এলাকা নোয়াপাড়াসহ বিভিন্ন স্থানে সড়ক সংস্কারের কাজ হতে দেখা গেলেও ছাতিয়াইন–রতনপুর সড়কটি কেন সংস্কারের আওতায় আসছে না—এ প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা।
তাদের দাবি, একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগকে আর উপেক্ষা না করে দ্রুত সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হোক। পাশাপাশি নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ চান তারা।
স্থানীয়দের প্রশ্ন—নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি, নির্বাচনের ছয় মাস পরও যদি কাজ শুরু না হয়, তাহলে ছাতিয়াইনের মানুষের ভাগ্য বদলাবে কবে?
তবে এ বিষয়ে সংসদ সদস্য এস এম ফয়সাল ও সংশ্লিষ্ট সড়ক কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ