শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:১০ পি.এম
ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল লাদাখে কৃষকদের সেচ সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সিন্ধু নদে একটি নতুন চেক ড্যাম নির্মাণ করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, আপশি এলাকায় নির্মিত এই বাঁধটি লাদাখে সিন্ধু নদীর ওপর প্রতিষ্ঠিত প্রথম ‘রক চেক ড্যাম’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। খবরটি প্রকাশ করেছে ইন্ডিয়া ডটকম।
বাঁধটি নির্মাণের জন্য বড় বড় প্রাকৃতিক পাথর ও বোল্ডার ব্যবহার করা হয়েছে, যেখানে কোনো সিমেন্টের ব্যবহার করা হয়নি। চেক ড্যামটি নির্মাণের ফলে ওই অঞ্চলে নদীর পানির স্তর প্রায় ১০ ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে ইগু ফে সেচ খাল দিয়ে নদীর পানি কৃষিজমিতে প্রবাহিত করা সম্ভব হচ্ছে।
এই পাথরের কাঠামোটি প্রায় ৪ কোটি লিটার পানি ধারণ করার ক্ষমতা রাখে। সংরক্ষিত পানি ইগু ফে খালের মাধ্যমে তুলনামূলকভাবে শুষ্ক কৃষিজমিতে পৌঁছানো হচ্ছে। ফলে আশপাশের গ্রামগুলোর কৃষকদের জন্য সেচের পানির একটি আরও নির্ভরযোগ্য উৎস তৈরি হয়েছে।
লাদাখের ঠান্ডা ও শুষ্ক আবহাওয়ায় কৃষিকাজে পানির সংকট দীর্ঘকালীন সমস্যা। বিশেষ করে বসন্তকালে বীজ বপনের সময় সিন্ধু নদীর পানির স্তর অনেকটা নেমে যায়। এর ফলে অনেক কৃষকের জন্য পাম্পের সাহায্যে নদী থেকে পানি তোলা কঠিন হয়ে পড়ে।
গভীর ও সরু গিরিখাতের মধ্য দিয়ে সিন্ধু নদ প্রবাহিত হওয়ার ফলে এ সমস্যা আরও তীব্র হয়ে ওঠে। নতুন চেক ড্যামটি পানি আটকে নদীর পানির স্তর বৃদ্ধি করবে। এতে কৃষিজমিতে পানি পৌঁছানো সহজ হবে বলে প্রশাসনের আশা।
তবে কৃষির বাইরেও প্রকল্পটির কৌশলগত গুরুত্ব রয়েছে। বর্তমানে ভারত সিন্ধু পানি চুক্তি স্থগিত রেখেছে। এই পরিস্থিতিতে লাদাখের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সিন্ধু নদীর পানি ব্যবস্থাপনা এবং ছোট আকারের পানি অবকাঠামো উন্নয়নে ভারতের মনোযোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এই কারণে আপশির চেক ড্যামকে কেবল সেচ প্রকল্প হিসেবে দেখা সম্ভব নয়। এটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় পানি ব্যবস্থাপনা ও অবকাঠামো উন্নয়নের বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।
লাদাখ প্রশাসন সিন্ধু নদীর বিভিন্ন এলাকায় আরও চেক ড্যাম নির্মাণের পরিকল্পনা করছে। ইতিমধ্যে কিছু এলাকায় কাজ শুরু হয়েছে এবং আরও কয়েকটি প্রকল্প পরিকল্পনার পর্যায়ে রয়েছে।
এছাড়া, লাদাখ প্রশাসন ভারতের জলশক্তি মন্ত্রণালয়ের কাছে ৩৬টি চেক ড্যাম নির্মাণের অনুমোদন চেয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছে। এতে লেহতে সাতটি হিমালয়ান রক চেক ড্যাম এবং কারগিলে ২৯টি চেক ড্যাম বা ওয়্যার নির্মাণের প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলোর মোট ব্যয় ৫৬ কোটি রুপির বেশি ধরা হয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে লাদাখের বিভিন্ন গ্রামের পানি সরবরাহ, সেচ সুবিধা এবং সামগ্রিক পানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বর্তমান সংকটের প্রেক্ষাপটে সরকারের কার্যক্রম মূল্যায়নে সময় না দিয়ে বিরোধী দলের লং মার্চের মতো কর্মসূচি পালনকে অনুচিত বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। তিনি উল্লেখ করেন যে, আন্দোলন করা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার হলেও, বর্তমান পরিস্থিতিতে এই কর্মসূচি কিছুদিন পরে হলে অধিকতর উপযুক্ত হতো।
শনিবার সকালে এমপি হোস্টেলে বরিশাল ডিভিশনাল জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের (বিডিজেএ) নেতাদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব মন্তব্য করেন। বিরোধী দলের কর্মসূচির প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, ‘সরকারি দল থেকে রাজপথে তাদের (বিরোধী দল) বিরুদ্ধে কোনো সংঘাতময় কর্মসূচি দেওয়া হবে না। আমরা মানুষের বিবেকের কাছে বিচার দেব। জনগণ বোকা নয়, তারা সব বোঝে। ছয় মাস সময় পাওয়ার আগেই যদি রাজপথে নেমে যায়, তবে মানুষই তা মূল্যায়ন করবে।’
তিনি আরও বলেন, সংসদের আগামী অধিবেশনেই বর্তমান সংকট ও জ্বালানি সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। সেখানে সব দলের পক্ষ থেকে আসা নোটিশ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা উল্লেখ করেন, তারা এক ভঙ্গুর অর্থনীতি ও ধ্বংসপ্রাপ্ত গণতন্ত্রের ওপর দাঁড়িয়ে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। গণতন্ত্রের প্রতিটি স্তম্ভ ধ্বংস করা হয়েছিল এবং দেশের বিপুল সম্পদ নিঃশেষ করে তাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে ঝুঁকির মুখে ফেলা হয়েছিল।
বিগত সরকারের চুক্তি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে চিফ হুইপ বলেন, অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের দেওয়া রিপোর্টে বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের মাত্র সাত মাসের মাথায় দেশ থেকে ৩০ লাখ কোটি টাকা লুটের তথ্য উঠে এসেছিল। পরবর্তীতেও বহু কোটি টাকা পাচারের তথ্য বেরিয়ে আসছে।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা নিজে সাধারণ জীবনযাপনের নাটক করলেও বাস্তবে দেশের চরম ক্ষতি করে গেছেন। একটি নির্দিষ্ট দেশের সঙ্গে ৯৮ শতাংশ গ্যাস চুক্তি করে জ্বালানি খাতকে চরম সংকটে ফেলে গেছেন। বিদ্যুৎ খাতের সেই দায়ভার এখন আমাদের বহন করতে হচ্ছে।
জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট সমাধানে সরকারের নেওয়া নতুন পদক্ষেপের কথা জানিয়ে চিফ হুইপ বলেন, নবায়নযোগ্য শক্তিতে মানুষকে আগ্রহী করতে ১০ থেকে ৫০ টাকা রেটিং সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। পাকিস্তান সোলার সিস্টেমে যেমন সাফল্য পেয়েছে, আমাদের দেশেও এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দ্রুত জ্বালানি সমস্যা সমাধান সম্ভব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোণা, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার লক্ষ্যে নেত্রকোণায় ৩ হাজার গাছের চারা রোপণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
সরকারের ঘোষিত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রাকে সামনে রেখে কলমাকান্দা উপজেলায় ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এই স্লোগানে সামাজিক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
আজ শনিবার দুপুরে খারনৈ ইউনিয়নের বামনগাঁও এলাকায় স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক মোস্তাক আহমেদ পলাশের ব্যক্তিগত অর্থায়নে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপির দিকনির্দেশনায় ইউনিয়নভিত্তিক সবুজায়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রথম ধাপে খারনৈ ইউনিয়নের বামনগাঁও এলাকায় ফলজ, বনজ ও ভেষজ প্রজাতির ৫০০টি গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এই ইউনিয়নে মোট ৩ হাজার চারা রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আক্কাছ আলী, খারনৈ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. বাবুল মিয়া, ইউনিয়ন বিএনপি নেতা শহীদ উল্লাহ শহীদ, উপজেলা ওলামা দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক এরশাদ আকঞ্জি, সদস্য সচিব মো. আনিসুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. হানিফ মিয়া, শ্রমিক দল নেতা মো. নুর উদ্দিন এবং সাবেক ইউপি সদস্য নুরুল ইসলামসহ স্থানীয় অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ।
উদ্বোধনী বক্তব্যে বক্তারা উল্লেখ করেন, ‘বৃক্ষ শুধু পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে না, বরং মানবজীবন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুরক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পরিবেশ সচেতনতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে শুরু হওয়া এই উদ্যোগের মাধ্যমে খারনৈ ইউনিয়নকে একটি পরিবেশবান্ধব এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা আমাদের মূল লক্ষ্য।’
চারা রোপণের পাশাপাশি সেগুলো সংরক্ষণে স্থানীয়দের এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।
বৃক্ষরোপণ শেষে দেশ ও জাতির সার্বিক কল্যাণ এবং পরিবেশ সংরক্ষণের শুভকামনা জানিয়ে বিশেষ দোয়া পরিচালনা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামী বছরের মে মাসে ক্রিকেটের মক্কাখ্যাত লর্ডসে বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ দীর্ঘ ১৭ বছর পর ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে। টেস্টের উত্তাপ ক্রিকেট অঙ্গনে ছড়িয়ে পড়েছে প্রায় আট মাস আগে থেকেই।
লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ড ইতিমধ্যে টিকিট বিক্রির প্রক্রিয়া শুরু করেছে। গতকাল শুক্রবার ২০২৭ সালের আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলোর জন্য সাধারণ দর্শকদের টিকিট উন্মুক্ত করেছে লর্ডস। ‘হোম অব ক্রিকেট’-এ গ্রীষ্মকালীন আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলোর টিকিট পেতে ব্যালটের মাধ্যমে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। এতে অংশ নিতে পারবেন ক্রিকেটপ্রেমীরা।
ব্যালটে আবেদনের শেষ সময় ২৬ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্বাচিত দর্শকদের নভেম্বরের শুরুতে ই-মেইলে জানিয়ে দেওয়া হবে। নির্বাচিতরা ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত টিকিট কেনার সুযোগ পাবেন। এরপর ১০ ডিসেম্বর থেকে সাধারণ বিক্রির প্রক্রিয়া শুরু হবে।
বাংলাদেশের সর্বশেষ ইংল্যান্ড সফর ছিল ২০১০ সালে। সেই সফরে বাংলাদেশ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট খেলেছিল। দুই দলের সর্বশেষ টেস্ট সিরিজ ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে দুই ম্যাচের সিরিজটি ১-১ সমতায় শেষ হয়েছিল।
লর্ডসে বাংলাদেশের শেষ টেস্টের স্মৃতিও বেশ উজ্জ্বল। ২০১০ সালে এই মাঠেই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তামিম ইকবাল তার প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি করেছিলেন। মাত্র ৯৪ বলে তিন অঙ্ক ছুঁয়ে সেঞ্চুরি উদযাপন করেছিলেন তিনি। বর্তমানে তামিম বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি।
ঐতিহাসিক সেই মাঠে বাংলাদেশের পরবর্তী অধ্যায় শুরু হতে এখনো আট মাস বাকি। তবে টিকিটের ব্যালট খুলে যাওয়ায় লর্ডসে বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড টেস্টের কাউন্টডাউন যেন শুরু হয়ে গেল এখনই
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মঙ্গলবার জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির পদ গ্রহণ করবেন ড. খলিলুর রহমান।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন। তিনি আগামী ৮ সেপ্টেম্বর এই পদে আসীন হবেন।
সূত্রে জানা গেছে, ৮ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন। এরপর ২২ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের ভাষণের মাধ্যমে উচ্চ পর্যায়ের সাধারণ বিতর্ক শুরু হবে। এই অধিবেশনে সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন ড. খলিলুর রহমান। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ওই অধিবেশনে বক্তব্য রাখার পরিকল্পনা করেছেন।
গত ২ জুন নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ড. খলিলুর রহমানকে ইউএনজিএর ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।
তিনি সাইপ্রাসের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিশেষ দূত আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিসকে আট ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন।
বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্রসচিব ও রাজনীতিবিদ হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী ১৯৮৬ সালে ইউএনজিএর ৪১তম অধিবেশনে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
চার দশক পর আবারও একজন বাংলাদেশি কূটনীতিক জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ