বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:১৬ পি.এম
মওলানা মরহুম আবদুর রহীম (রহ.) এর ৩৯তম ওফাত বার্ষিকী উপলক্ষে ইসলামী ঐক্য আন্দোলন ঢাকা মহানগরী শাখার উদ্যোগে কুরআনখানি সেমিনার ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহানগরী আমির মাওলানা মোরশেদ খান।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের আমীর ড. মাওলানা মুহাম্মদ ঈসা শাহেদী। প্রবন্ধ পাঠের দায়িত্ব পালন করেন নায়েবে আমীর ড. মওলানা একেএম মাহবুবুর রহমান।
ঢাকায় অনুষ্ঠিত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, প্রিন্সিপাল শওকত হোসেন, রহমতে আলম মহিলা কামিল মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা মুহাম্মদ মুজিরউদ্দিন, প্রিন্সিপাল এস এম আব্দুল হামিদ, কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক ওলামা সংস্থা আল ইত্তেহাদের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য আহমদ শাওকী আফিফি, আন্দোলনের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. ইসমাঈল হোসেন, মানবাধিকার কর্মী মির্জা আজম।
বক্তাগণ মাওলানা মরহুম মুহাম্মদ আব্দুর রহিমের বর্ণাঢ্য জীবনের উপর আলোকপাত করতে গিয়ে ইসলামিক জ্ঞান গবেষণা, ইসলামী আন্দোলনের গতিধারা নির্ণয় ও ইসলামী বিপ্লব ও ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য তার লালিত স্বপ্নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। বক্তাগণ উল্লেখ করেন যে, বাংলা সাহিত্যে ইসলামী জীবন ব্যবস্থা, জীবন দর্শন ও ইসলামী আন্দোলন সম্পর্কে সমৃদ্ধ লেখনীর মাধ্যমে তিনি আজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
তিনি ছিলেন আপসহীন, তবে ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য বিভিন্ন মহলের সাথে জোটবদ্ধ হওয়া থেকে কখনো পিছপা হননি। অভিজ্ঞতা প্রমাণ করছে, ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য আপোষহীনতার পথই একমাত্র সঠিক পথ। অনুষ্ঠানের শেষভাগে সংগঠনের মরহুম সেক্রেটারি জেনারেল ডক্টর এনামুল হক আজাদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জায়েদি বৃহস্পতিবার নতুন সময়সীমা হিসেবে আগামী বছরের ৩০ জুন নির্ধারণ করেছেন সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে রাষ্ট্রের কাছে অস্ত্র সমর্পণের জন্য।
মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের মিশন শেষ হওয়ার পর তিনি এই ঘোষণা দেন।
বাগদাদ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।
জায়েদি এর আগে ৩০ সেপ্টেম্বরের সময়সীমা থেকে সরে এসে এক বিবৃতিতে বলেন, ‘রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা অস্ত্রের বিষয়টি সমাধানের জন্য ১ অক্টোবরকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচনা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এ জন্য সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা ও সম্মত সময়সূচি অনুযায়ী ২০২৭ সালের ৩০ জুনের মধ্যে শেষ হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা ২০১৩ সালে সিরিয়া সীমান্তের নিকটে সংঘটিত প্রাণঘাতী হামলার সাথে সংশ্লিষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে।
এই সন্দেহভাজনকে ইউরোপে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করার সময় আটক করা হয়। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বৃহস্পতিবার নিরাপত্তা সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
দক্ষিণাঞ্চলীয় রেইহানলি অঞ্চলে ওই বছর দুটি বোমা হামলায় ৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের প্রভাবের সাথে যুক্ত তুরস্কের জন্য এটি ছিল সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা।
বার্তা সংস্থা এএফপি ইস্তাম্বুল থেকে এ খবর জানায়।
আনাদোলু সংবাদ সংস্থা জানায়, ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারি থাকা সিরীয় নাগরিক ওমর আল-খাতিব হামলাকারীদের সাথে তৎকালীন সিরীয় প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের অনুগত গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মধ্যে সমন্বয় করতেন বলে ধারণা করা হয়।
আনাদোলু জানায়, তুরস্কের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এমআইটি) ইউরোপে সমুদ্রপথে যাওয়ার প্রস্তুতির সময় আল-খাতিবকে আটক করে।
আঙ্কারা রেইহানলি হামলার জন্য সিরীয় সরকারের সমর্থনপুষ্ট তুরস্কের উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করে। তবে দামেস্ক এই অভিযোগ অস্বীকার করে।
আসাদকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য সিরীয় বিদ্রোহীদের শক্তিশালী সমর্থক ছিল তুরস্ক। সংঘাত থেকে পালিয়ে আসা লাখ লাখ সিরীয় নাগরিককে দেশটি আশ্রয় দিয়েছে।
প্রায় দুই বছর আগে আসাদ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার নেতৃত্বাধীন সিরিয়ার নতুন সরকারের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছে আঙ্কারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার প্রস্তাবকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, তেহরানের দেওয়া এই প্রস্তাব "একেবারেই যথেষ্ট নয়।" ট্রাম্প সতর্ক করে দিয়েছেন যে, ইরানের পারমাণবিক ক্ষমতা অর্জনের কোনো সুযোগ নেই এবং প্রয়োজন হলে দেশটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।
টাইম ম্যাগাজিনের সঙ্গে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে মার্কিন-ইসরায়েল ও ইরান সংকট নিয়ে ট্রাম্প এসব মন্তব্য করেছেন। যদিও সাক্ষাৎকারটি কিছুদিন আগে নেওয়া হয়েছিল, সম্প্রতি তা প্রকাশিত হয়েছে।
ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত খারাপ এবং তাদের অর্থনীতি ধসে পড়ার পথে রয়েছে। তিনি বলেন, ইরান আমেরিকার সঙ্গে চুক্তি করতে আগ্রহী, কিন্তু ওয়াশিংটন কোনো দুর্বলতা প্রদর্শন করবে না, বরং একটি "প্রকৃত ও কঠোর চুক্তি" চায়। তিনি জানান, আমেরিকা ইরানের জন্য হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে এবং এর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এখন ওয়াশিংটনের হাতে রয়েছে। ইরানের প্রস্তাব তিনি আংশিক দেখেছেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।
মধ্যবর্তী নির্বাচনের (Midterm Elections) পর ইরানে আবার সামরিক হামলা জোরদার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন। ট্রাম্প হুশিয়ারি দিয়েছেন যে, এক বছর আগে যে শর্ত তিনি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন, তা তিনি এখনো মেনে নেবেন না। মার্কিন বাহিনীর সামরিক শক্তিতে কোনো ঘাটতি নেই উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের গোলাবারুদ সংকটের খবরগুলো সম্পূর্ণরূপে ভুয়া। পর্যাপ্ত অস্ত্র মজুত রয়েছে এবং তা মিত্রদেশগুলোর মধ্যে বিতরণ করা হবে।
ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, তেহরানের সঙ্গে একটি চুক্তি সম্পন্ন হলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আবার আগের মতো কমে আসবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সদ্য সমাপ্ত সেপ্টেম্বরে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে এসেছে ২৭৬ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ৩৪ হাজার কোটি টাকার বেশি (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ধরে)।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ মাসিক পরিসংখ্যানে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৬–২৭ অর্থবছরের তৃতীয় মাস সেপ্টেম্বরে ২৭৬ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে এসেছে। আগের বছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ২৬৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে প্রবাসী আয় ৩ শতাংশ বেড়েছে।
চলতি ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৮৬ কোটি মার্কিন ডলার এবং আগস্টে আসে ২৯৬ কোটি ৬৬ লাখ ডলার। এভাবে চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) রেমিট্যান্স এসেছে ৮৫৯ কোটি ১০ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এই আয় ১৩ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি। ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে এসেছিল ৭৫৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার।
রেমিট্যান্স দেশের বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়। বৈধ চ্যানেলে প্রবাসী আয় বৃদ্ধি পেলে দেশে ডলারের সরবরাহ বৃদ্ধি পায়, যা আমদানি ব্যয় মেটানো ও বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষায় সহায়তা করে। হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ, প্রবাসীদের জন্য প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং সেবা সহজ হওয়ায় বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে রেমিট্যান্সের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক বার্তা প্রদান করছে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে গেল ২০২৫-২৬ অর্থবছরের (জুলাই-জুন) মধ্যে দেশে বৈধ চ্যানেলে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৩ হাজার ৫৫৯ কোটি মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরে এ পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৩২ কোটি ৯০ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে প্রবাসী আয় বেড়েছে ৫২৬ কোটি ডলার বা ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ। বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অর্থবছরে এত বেশি রেমিট্যান্স আগে কখনো আসেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ