ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চাটমোহরের কলমীগাড়া বিলের পদ্মফুলে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা


চাটমোহরের কলমীগাড়া বিলের পদ্মফুলে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা

গ্রামের এক কোণে অবস্থিত কলমীগাড়া বিল প্রত্যন্ত অঞ্চলে। এর চারপাশে রয়েছে ধান খেত। বিলের মাঝের অংশ জুড়ে পদ্মফুলের সমারোহ দেখা যায়। সাদা ও গোলাপি রঙের পদ্মগুলো সবুজ পাতার মাঝে মাথা নুইয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। শেষ বিকেলে বিলে এক মোহনীয় আবেশ তৈরি হয়। এই সময়ে পদ্মবিল প্রকৃতি প্রেমীদের মাঝে মুগ্ধতা ছড়ায়।

পাবনার চাটমোহর উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের সুঁইগ্রামে কলমীগাড়া বিল অবস্থিত। উপজেলা সদর থেকে প্রায় আট কিলোমিটার দূরে, সবুজে ঘেরা এই গ্রামের বিলটিতে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় পদ্ম ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ্য হয়ে ওঠে। পদ্ম ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে স্থানীয়দের পাশাপাশি দূরদূরান্ত থেকে মানুষ প্রতিদিন এ বিলের পাড়ে আসছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গ্রামের শেষ প্রান্তে কলমীগাড়া বিল। একটি বাড়ির মাঝখান দিয়ে বিলের পাড়ে ধান খেতের কিনারে পৌঁছালে দেখা যায়, ডিঙি নৌকায় মাছ শিকারে ব্যস্ত স্থানীয় কৃষকেরা। চারপাশে ফুটে থাকা পদ্ম ফুলগুলো মধ্যে কিছু ফুল অভিমানে নিজেকে গুটিয়ে রেখেছে। হাত দিয়ে ছুঁয়ে দেখতে শরীরে শিহরণ খেলে যায়। বিলের চারপাশে সবুজ ধানখেত এবং মাঝখানে সাদা-গোলাপি রঙের পদ্ম ফুল এক অন্য রকম সৌন্দর্য তৈরি করেছে। সূর্যাস্তের সময় পদ্ম ফুলের রং-রূপ মোহনী আবেশ সৃষ্টি করে।

আরও পড়ুন: ‘বসন্তের কোকিল’ হিসেবে পরিচিত কাজী জাহিদ অভি? পূজামণ্ডপে অনুদান, ক্যানসার আক্রান্ত হাফেজকে সহায়তা নিয়ে প্রশ্ন

তবে পদ্ম ফুলের সৌন্দর্যের মাঝে কিছু সমস্যা রয়েছে। বিলে যাতায়াতের তেমন ব্যবস্থা নেই। প্রকৃতিগতভাবে বেড়ে ওঠা পদ্ম বিলের মাঝে মাঝে কচুরিপানা ও অন্যান্য আগাছা রয়েছে। যেগুলো পরিকল্পিতভাবে নিরসন করা গেলে সৌন্দর্য আরও উপভোগ্য হবে।

সুঁইগ্রামের বাসিন্দারা জানান, "কলমীগাড়া বিলে সাধারণত বর্ষা মৌসুমে পদ্মফুল ফোটা শুরু হয়। শরৎকালে বেশিফুল ফোটে। এখানে কেউ পদ্ম ফুলের চাষ করেনা। বছরের পর বছর ধরে প্রাকৃতিকভাবে এই বিলে পদ্ম ফুল ফুটে আসছে। বিলের নিচু এলাকার কিছু জমি চাষাবাদের আওতায় আসায় পদ্মবিলের পরিধি অতীতের চেয়ে এখন অনেক কমে গেছে।"

পদ্মফুল দেখতে আসা দর্শনার্থীরা জানালেন, গ্রাম বাংলায় পদ্মফুল বেশ পরিচিত। খোঁজ পেয়ে দেখতে এসেছি। বিলে পদ্মফুল দেখে মুগ্ধ হলাম। তবে বিলটিকে পরিকল্পিতভাবে সাজানো গেলে দর্শনার্থী আরও বাড়বে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের কয়েকজন পাঁচ বছর ধরে বছরের ছয় মাস কলমীগাড়া বিলের পদ্মফুল, পদ্মচাক ও পদ্মপাতা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। তারা জানান, সকালে বাড়ির পাশের বিল থেকে প্রায় দুই ঘণ্টা পদ্মফুল, পদ্মচাক ও পদ্মপাতা তোলেন। দশটি পদ্মফুলের এক আঁটি ১৫ টাকা, ছয়টি পদ্মচাক ১০ টাকায় এবং প্রতিটি পদ্মপাতা ৬ টাকায় বিক্রি করেন।

আরও পড়ুন: স্বাধীনতার পরও পাকা হয়নি সড়ক, দুর্ভোগে পাঁচ গ্রামের মানুষ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাটমোহরের শরৎগঞ্জ হাইস্কুলের চুরি যাওয়া ১৭ ল্যাপটপ শ্মশানে উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪০ পি.এম


চাটমোহরের শরৎগঞ্জ হাইস্কুলের চুরি যাওয়া ১৭ ল্যাপটপ শ্মশানে উদ্ধার

পাবনার চাটমোহর উপজেলার ফৈলজানা ইউনিয়নের শরৎগঞ্জ টিএ উচ্চ বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাব থেকে চুরি হওয়া ১৭টি ল্যাপটপ ও এডাপটর শ্মশানে উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) সকালে শরৎগঞ্জ বাজারের পাশে অবস্থিত শ্মশানে চটের বস্তায় ল্যাপটপগুলো পাওয়া যায়। এলাকার লোকজন সকালে শ্মশানে কয়েকটি বস্তা দেখতে পান। এসময় তারা শরৎগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেন, পুলিশ এসে সেগুলো দেখে নিশ্চিত হয় যে ল্যাপটপ রয়েছে। পুলিশ সেগুলো উদ্ধার করে ফাঁড়িতে নিয়ে আসে। পরে স্কুলের প্রধান শিক্ষক এসে সেগুলোকে স্কুলের চুরি যাওয়া ল্যাপটপ হিসেবে চিহ্নিত করেন।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ হেলাল উদ্দিন জানান, গত ১১ ও ১২ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতের কোন এক সময় এই চুরির ঘটনা ঘটে। তিনি আরও জানান, ১০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার স্কুল ছুটির পর সবাই চলে যান। রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে আইসিটি শিক্ষক ল্যাব খুলে দেখেন যে কোন ল্যাপটপ নেই। জানালার গ্রিল কেটে চোর সবগুলো ল্যাপটপ নিয়ে গেছে। স্কুলের ছুটিকালীন সময়ে এই চুরির ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

চাটমোহর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ অলিউর রহমান ল্যাপটপ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সেগুলো শরৎগঞ্জ শ্মশানে বস্তায় ভরে ফেলে রাখা হয়েছিল। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সেগুলো উদ্ধার করেছে এবং পরে বিস্তারিত জানানো হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ পুলিশের মেধা বৃত্তি পেলেন আরাফাত আনোয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪১ পি.এম


বাংলাদেশ পুলিশের মেধা বৃত্তি পেলেন আরাফাত আনোয়ার

বাংলাদেশ পুলিশ মেধা বৃত্তি ও বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০২৫ অর্জন করেছেন রাজশাহী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের মেধাবী শিক্ষার্থী আরাফাত আনোয়ার। তিনি বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. আনোয়ার আলী তুহিনের ছেলে। ২০২৫ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় রাজশাহী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রাজশাহী থেকে অংশগ্রহণ করে জিপিএ ৫.০০ অর্জন করায় আরাফাত আনোয়ারকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্ট তার এই শিক্ষাগত সাফল্যের জন্য তাকে অভিনন্দন জানিয়েছে।

গত ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে মেধাবী শিক্ষার্থী আরাফাত আনোয়ারের হাতে বাংলাদেশ পুলিশ মেধা বৃত্তি/২০২৫ ও একাডেমিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডের সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক এবং বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন ফকিরের পক্ষ থেকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

দিনাজপুর পুলিশ সুপারের হাত থেকে এ পুরুস্কার ও সম্মাননা কেষ্ট গ্রহন করেন আরাফাত আনোয়ারের পিতা ইন্সপেক্টর আনোয়ার হোসেন তুহিন। আরাফাত আনোয়ারের এ সাফল্যে তার পরিবার, স্বজন, শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনায় মনোযোগী আরাফাত এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করে পরিবারের পাশাপাশি তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেরও সুনাম বয়ে এনেছেন।

আরাফাত আনোয়ারের বাবা মো. আনোয়ার আলী তুহিন বাংলাদেশ পুলিশের একজন ইন্সপেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পুলিশের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সন্তানের পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ গঠনে তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন। ছেলের এমন সাফল্যে পরিবারে আনন্দের পাশাপাশি গর্বের অনুভূতি তৈরি হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে জানা গেছে, আরাফাত আনোয়ার ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চান। তার এই শিক্ষাগত অর্জন ভবিষ্যতের পথচলায় আরও উৎসাহ জোগাবে বলে মনে করছেন পরিবারের সদস্যরা।

বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের পক্ষ থেকে আরাফাত আনোয়ারকে দেওয়া অভিনন্দন বার্তায় তার অসামান্য শিক্ষাগত সাফল্যের প্রশংসা করা হয়। এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনের স্বীকৃতি হিসেবে এই সম্মাননা তার মেধা ও অধ্যবসায়ের স্বীকৃতি হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

এ বিষয়ে আরাফাত আনোয়ার বলেন, “বাংলাদেশ পুলিশ মেধা বৃত্তি ও একাডেমিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেয়ে আমি আনন্দিত ও গর্বিত। এই সম্মাননা আমার ভবিষ্যৎ পড়াশোনায় আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে। আমার বাবা-মা, শিক্ষক ও যারা সবসময় আমাকে উৎসাহ দিয়েছেন, তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।”

তিনি আরও বলেন, “আমার এই সাফল্যের জন্য যারা আমাকে দোয়া ও ভালোবাসা দিয়েছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জন করে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনতে চাই। আমি সকলের কাছে আমার জন্য দোয়া কামনা করছি।” ইন্সপেক্টর মো. আনোয়ার আলী তুহিন বলেন, “সন্তানের ভালো ফলাফল অবশ্যই একজন বাবা হিসেবে আনন্দের ও গর্বের বিষয়। তবে এই অর্জনের পেছনে আমার ছেলের কঠোর পরিশ্রম, তার শিক্ষকদের আন্তরিক সহযোগিতা এবং সবার দোয়া রয়েছে। আমি চাই, সে ভবিষ্যতেও পড়াশোনায় মনোযোগী থেকে একজন সৎ, যোগ্য ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে উঠুক। আরাফাত আনোয়ারের এই সাফল্যে তার পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেছেন। একই সঙ্গে আরাফাত নিজেও তার আগামী দিনের পড়াশোনা ও পথচলার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেকোরেটর ব্যবসায়ী ইসরাফিল বিশ্বাস মেয়র পদে প্রার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪২ পি.এম


ডেকোরেটর ব্যবসায়ী ইসরাফিল বিশ্বাস মেয়র পদে প্রার্থী

৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিভিন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন ইসরাফিল বিশ্বাস। সংসদ নির্বাচন, উপজেলা পরিষদ নির্বাচন, পৌর নির্বাচনসহ সকল নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হয়েছেন। তবে, তিনি কোনো নির্বাচনে জামানত ফেরত পাননি। ইসরাফিল বিশ্বাস রাজশাহীর বাঘা পৌরসভার বলিহার গ্রামের বাসিন্দা।

পেশায় তিনি টিউবওয়েল মিস্ত্রীর পাশাপাশি ডেকোরেটর ব্যবসায়ী। ১৯৯৬ ও ২০২৪ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে তিনি মনোনয়ন দাখিল করেন। এই দুটি নির্বাচনে ১ শতাংশ ভোটারদের স্বাক্ষর সঠিক না হওয়ায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে যায়। ২০০৯ সালে উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে এবং ২০১৪ সালে ভাইস চেয়ারম্যান পদে তিনি নির্বাচন করেছিলেন। ২০২২ সালের ২৯ ডিসেম্বর বাঘা পৌরসভা নির্বাচনে স্বতন্ত্র মেয়র পদে প্রার্থী হিসেবে তার নাম উঠে আসে। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা ‘স্বাক্ষরজ্ঞান’ বলে জানা যায়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ইসরাফিল বিশ্বাসের ছবি সম্বলিত পোস্টার ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টারে লেখা রয়েছে, ‘আসন্ন বাঘা পৌরসভা নির্বাচনে, বাঘা পৌরসভার সন্তান সৎ, যোগ্য, সু-শিক্ষিত, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক, সততাই মূলনীতি। ইসরাফিল বিশ্বাসকে বাঘা পৌরসভার মেয়র পদে দেখতে চাই। প্রচারে বাঘা পৌরসভার সর্বস্তরের জনগণ। আপনাদের দোয়া ও সমর্থন কামনা করছি। ধন্যবাদ সবাইকে।’

বারবার প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ইসরাফিল বিশ্বাস বলেন, "নির্বাচনকে ঘিরে ভোটের হারানো সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনতে চাই। প্রজন্মকে জানতে হবে, এদেশে একদিন গণতন্ত্র ও ভোটের রাজনীতি ছিল না।" তিনি আরও বলেন, "কোনো দিন যদি নির্বাচিত হই, তাহলে সমাজ সেবক হিসেবে তরুণদের কর্মসংস্থান নিয়ে কাজ করবো সবার আগে।" অতীতের তুলনায় এবার পৌর নির্বাচনে ভোটাররা মূল্যায়ন করবে বলে তার আত্মবিশ্বাস রয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা দোলন কান্তি জানান, আগামী পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে ইসরাফিল বিশ্বাসের নির্বাচনে বারবার অংশগ্রহণের ব্যাপারে তার কাছে কোনো তথ্য নেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাঘায় পদ্মার ১৫টি চরে দুই সপ্তাহ পর আবারও পানি বৃদ্ধি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ পি.এম


বাঘায় পদ্মার ১৫টি চরে দুই সপ্তাহ পর আবারও পানি বৃদ্ধি

রাজশাহীর বাঘার পদ্মার মধ্যে ১৫টি চরে চরে দুই সপ্তাহ পর আবারও পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) রাস্তার উপরে পানি প্রবাহিত হতে দেখা যায়।

এ সম্পর্কে চকরাজাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা জানান, দুই সপ্তাহ আগে পদ্মার পানি কমে গিয়েছিল। শনিবার থেকে আবারও পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। এর মধ্যে পাকা রাস্তা ডিঙিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। রাস্তার উপরে হাটু পানি জমে রয়েছে। এই পানি মাড়িয়ে মানুষ চলাচল করছে। কালিদাসখালী চরের কলেজ পড়ুয়া ছাত্র মিলন খান বলেন, "প্রকৃতির সাথে লড়াই করে চরে বসবাস করতে হচ্ছে। পানির মধ্যে দিয়ে অনেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলতে হয়। আবারও পদ্মায় পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় আতঙ্কের মধ্যে আছি।"

চকরাজাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জগলু শিকদার জানান, গত কয়েক বছরের মধ্যে পদ্মার ভাঙনে প্রায় সহ-্রাধিক বাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাট-বাজার, বিজিবি ক্যাম্প, হাজার হাজার বিঘা আবাদি ও অনাবাদি জমি পদ্মার গর্ভে চলে গেছে। এই ভাঙনে গৃহহারা হয়েছে হাজারো পরিবার। পদ্মার চরের মধ্যে ১৫টি চর নিয়ে চকরাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয়েছে। পদ্মায় পানি আবারও বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%