০৮:৩৫ এম
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষিত হওয়ার পর থেকেই নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সাথে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ সামনে এসেছে। এই অভিযোগের বিরুদ্ধে কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক তোফায়েল আহমেদ এবং এ. এস. এম সানোয়ার রাব্বী প্রমিস দায়ী হয়েছেন।
বুধবার (৭ জুলাই) একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ৬৮ সদস্যবিশিষ্ট নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। কমিটি প্রকাশ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ছাত্রলীগের সাথে তাদের সংশ্লিষ্টতা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে যায়। অভিযোগ থেকে জানা যাচ্ছে যে ২০২২ সালের ৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের আইন অনুষদ কমিটির সহ সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পান তোফায়েল আহমেদ এবং সানোয়ার রাব্বী উপ-ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়ে ছিলেন।
তবে ছাত্রলীগের সাথে সম্পর্কের বিষয়ে তোফায়েল আহমেদ বলেন, ওই সময় আওয়ামী লীগের স্বর্ণযুগ ছিল। ক্যাম্পাস এবং হলের পরিস্থিতির কারণে হয়তো কৌশলে অথবা পারিপার্শ্বিক সুবাদে তৎকালীন ছাত্রলীগের কিছু কর্মসূচিতে তার উপস্থিতি ছিল। তিনি আরও বলেন, "আমরা মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান,学生ত্ব চলে গেলে আমাদের জীবন অন্ধকারে চলে যেত।" মাঝে মাঝে তাদের প্রোগ্রামে ডেকে নেওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা ভালো করেই জানেন।" তবে তিনি দাবি করেন যে ২০২২ সাল, ২০২৪ সাল বা তার আগেও তিনি ওপেন ফেসবুকে পোস্ট এবং ভিডিও বার্তা মাধ্যমে ছাত্রদলের রাজনীতি করেছেন এবং এর সমস্ত ডকুমেন্ট তার কাছে
আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু
এদিকে ছাত্রলীগের সাথে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ অস্বীকার করে সানোয়ার রাব্বী জানান, ২০২২ সালের ছাত্রলীগের কমিটিতে আইন অনুষদ থেকে অনেকের নাম অজ্ঞাত কারণে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, "আমি কখনোই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলাম না।" এমনকি তার কোনো ছবি কারও কাছে নেই। অযাচিতভাবে নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় বিভাগের বিষয়টি তিনি জানিয়ে দেন। পরে জুলাই আন্দোলনের সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন। তিনি জানান, "জাতীয়তাবাদী আদর্শের কারণে ছাত্রদলে যোগ দিয়েছি এবং কাজ করে যাবো।"
এ বিষয়ে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখেছি যে, তারা জুলাই আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছে। অতীতে ছাত্রদলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে তাদের উপস্থিতি ছিল। এছাড়া বাধ্যতামূলক ছাত্রলীগের অংশগ্রহণ করতে হতো, তাই অনেকের অনিচ্ছার কারণে বা জানিয়ে না রেখে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এসব বিষয় যাচাই করেই তাদের দায়িত্বে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু যদি পরবর্তীতে ছাত্রলীগের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততার কোনো তথ্য বা অভিযোগ পাওয়া যায়, তাহলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন