ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাদারীপুরে ডিবি পুলিশের হাত থেকে বোমা হামলায় ছিনিয়ে নেওয়া হলো মাদক মামলার আসামি


মাদারীপুরে ডিবি পুলিশের হাত থেকে বোমা হামলায় ছিনিয়ে নেওয়া হলো মাদক মামলার আসামি

মাদারীপুরে একাধিক মামলার আসামি ও দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত পারভেজ ব্যাপারীকে ৩০০ পিস ইয়াবাসহ আটক করার পর বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ডিবি পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৬ জুলাই) সন্ধ্যার পর সদর উপজেলার লক্ষীগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাদারীপুর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু নাঈম। তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশের একটি দল লক্ষীগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে পারভেজ ব্যাপারীকে আটক করে। এ সময় তার কাছ থেকে ৩০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, আটকের পরবর্তী সময়ে পারভেজের সহযোগীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে ঘটনাস্থলে এসে একাধিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হলে সেই সুযোগে তারা পারভেজকে ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।

আরও পড়ুন: ‎ছেলের মাদকের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ বাবা, ভ্রাম্যমাণ আদালতে চাইলেন নিজেই শাস্তি

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এক ব্যক্তি, যিনি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, জানান, পারভেজকে আটক করার পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অস্ত্র উদ্ধারের উদ্দেশ্যে একটি পুকুরপাড়ে নেওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই ওত পেতে থাকা তার সহযোগীরা হঠাৎ একাধিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পারভেজকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

ঘটনার পরপরই পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ ঘটনাস্থল ঘিরে তদন্ত শুরু করেছে। ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত এবং পলাতক পারভেজ ব্যাপারীকে পুনরায় গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্পের কটাক্ষের জবাবে ইতালি: ‘মানুষ আসে-যায়, সম্পর্ক টিকে থাকে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:০৪ পি.এম


ট্রাম্পের কটাক্ষের জবাবে ইতালি: ‘মানুষ আসে-যায়, সম্পর্ক টিকে থাকে’

চলতি সপ্তাহে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের আগে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সর্বশেষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টের সমালোচনা করেছে ইতালি।

রোম থেকে এএফপি জানায়, রোববার ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ একটি সম্পাদিত ছবি প্রকাশ করেন। এই ছবিতে মেলোনিকে এমনভাবে দেখা যায়, যেন তিনি মুগ্ধ দৃষ্টিতে ট্রাম্পের দিকে তাকিয়ে আছেন। পোস্টটির সঙ্গে ট্রাম্প মন্তব্য করেন, ‘নিয়ন্ত্রণমূলক আদেশ প্রয়োজন’।

ইতালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী গুইদো ক্রোসেত্তো স্কাই টিজি২৪ সংবাদ চ্যানেলকে বলেন, ‘মানুষ আসে-যায়, কিন্তু রাষ্ট্রগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক টিকে থাকতে হয়।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানিও বলেন, ‘আমি নিশ্চিত, আটলান্টিকের দুই তীরের সম্পর্ক কোনো ব্যক্তির মন্তব্যের চেয়ে অনেক বড়।’

তবে প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি ব্যক্তিগতভাবে এ বিষয়ে কোন প্রতিক্রিয়া জানাননি।

গত মাসে জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের পরও ট্রাম্প মেলোনিকে লক্ষ্য করে সমালোচনা করেছিলেন। সে সময় ট্রাম্প দাবি করেন, মেলোনি তার সঙ্গে ছবি তোলার জন্য 'অনুরোধ' করেছিলেন এবং তিনি কেবল 'করুণা করে' তাতে রাজি হয়েছিলেন।

ট্রাম্প আরও অভিযোগ করেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপে ইতালি সমর্থন না দেওয়ার পর অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কারণে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক মেরামতের চেষ্টা করছিলেন মেলোনি।

সেই সময় মেলোনি বলেছিলেন, ‘এ ধরনের ধারাবাহিক ও বিনা উসকানিতে করা আক্রমণের কোনো অর্থ নেই।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘আপনার বন্ধু হওয়া আমার জনপ্রিয়তা বাড়াতে মোটেও সহায়ক হয়নি।’

ট্রাম্পকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘আমি পরামর্শ দেব, আপনি আপনার নিজের জনপ্রিয়তার দিকেই মনোযোগ দিন।’

মেলোনি, যিনি ইউরোপ ও ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছিলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্পের কাছ থেকে ক্রমেই দূরত্ব বজায় রাখছেন।

এদিকে, চলতি সপ্তাহে তুরস্কের আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ৩২ সদস্যবিশিষ্ট ন্যাটো জোটের শীর্ষ সম্মেলনের আগে ইউরোপীয় ন্যাটো সদস্য দেশগুলোর সমালোচনায়ও সরব রয়েছেন ট্রাম্প।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একদিনের ভূমিধসে ৮ জনের মৃত্যু, নিরাপদ আশ্রয়ে ৪৮৯ পরিবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:০৫ পি.এম


রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একদিনের ভূমিধসে ৮ জনের মৃত্যু, নিরাপদ আশ্রয়ে ৪৮৯ পরিবার

টানা ভারী বর্ষণে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে ভয়াবহ ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। একদিনেই ১৯৩টি ভূমিধসের ঘটনায় নারী ও শিশু সহ অন্তত আটজন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে। প্রাণহানি ও দুর্যোগের ঝুঁকি এড়াতে এখন পর্যন্ত ৪৮৯টি পরিবারকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) উখিয়ার বিভিন্ন ক্যাম্পে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে এসব পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে। গত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ২৭৭ মিলিমিটার বৃষ্টির পর আগামী তিন দিনও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হান্নান বলেন, ‘বর্তমানে বায়ুচাপের ব্যাপক তারতম্য বিরাজ করছে। এর প্রভাবের কারণে সমুদ্রবন্দর এলাকায় দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রাখা হয়েছে।’

তিনি জানান, বায়ুচাপের এই তারতম্যের ফলে প্রচুর মেঘ সৃষ্টি হচ্ছে, যার ফলে আগামী তিন দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে। এর কারণে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের ঝুঁকিও অনেক বেড়ে গেছে। বিষয়টি নিয়ে আগাম সতর্কবার্তাও জারি করা হয়েছে।

মো. আব্দুল হান্নান আরও বলেন, ‘রোববার বিকেল ৩টা থেকে সোমবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজারে ২৭৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। অথচ ৮৯ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হলেই তাকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হিসেবে ধরা হয়। টানা দুই-তিন দিনের ভারী বৃষ্টিতে মাটি ইতোমধ্যেই সম্পৃক্ত অবস্থায় রয়েছে। যদি আগামী দুই-তিন দিনও একই মাত্রার বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকে, তাহলে ভূমিধসের ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে।’

এদিকে কক্সবাজারের উখিয়ার ক্যাম্প-৯ থেকে ১৫ পর্যন্ত এলাকা সবচেয়ে বেশি ভূমিধস ও দুর্যোগঝুঁকিতে রয়েছে। এসব ক্যাম্পে বসবাস করছেন প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার মানুষ। পাহাড়ে অনিরাপদ বসবাসের দরুন প্রতি বর্ষাতেই ভূমিধস, প্রাণহানি ও ঘরবাড়ির ক্ষয়ক্ষতি ঘটছে। ফলে সবসময় চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন এসব রোহিঙ্গা।

ক্যাম্প-১০ এর সি ব্লকের বাসিন্দা দিলদার বেগম বলেন, ‘ক্যাম্পের জীবন বেশি কষ্টের। কারণ পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিতে বসবাস করতে হচ্ছে। বৃষ্টির কারণে প্রতিবছরই পাহাড় ধসে মানুষের মৃত্যু হচ্ছে এবং ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই আমরা খুবই ভয়ের মধ্যে আছি।’

ক্যাম্প-৪ এর বাসিন্দা মো. রফিক বলেন, ‘বৃষ্টি হলেই ভয় লাগে। কারণ পাহাড় ধসে পড়ে। তাই রাতে জেগে থাকি।’ একই ক্যাম্পের বাসিন্দা সলিম উল্লাহ বলেন, ‘ভারী বৃষ্টি হলেই পাহাড় ধসে পড়ে। এটা প্রতিবছরই হয়। পাহাড়ের ওপর থাকি, ছেলে-মেয়েদের নিয়ে সবসময় ভয়ে থাকি।’

উখিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা ডলার ত্রিপুরা বলেন, ‘রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাঝি (কমিউনিটি নেতা) এবং স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে বাসিন্দাদের নিয়মিত সচেতন করা হচ্ছে। মাইকিং করে সবাইকে সতর্ক করা হচ্ছে, যাতে টানা বা অতিভারী বৃষ্টিপাত শুরু হলে তারা দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যান।’

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন বলেন, ‘সব ক্যাম্প ইনচার্জকে নিয়ে আমরা প্রস্তুতিমূলক সভা করেছি। আমাদের কাছে থাকা সব প্রয়োজনীয় উদ্ধার সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনায় আমরা প্রস্তুত।’

তবে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশন বলছে, অর্থসংকটে ক্যাম্পের অনেক লার্নিং সেন্টার এখন আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘সাধারণত জরুরি পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের লার্নিং সেন্টার, বিভিন্ন বিতরণ কেন্দ্র, নারী ও শিশুদের জন্য নির্ধারিত নিরাপদ স্থান ব্যবহার করে নিরাপদে সরিয়ে নেয়া হয়। তবে অর্থসংকটের কারণে অনেক লার্নিং সেন্টারের অবস্থা এখন আর আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের উপযোগী নেই। তাই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষদের আত্মীয়-স্বজনের ঘরবাড়ি এবং বিভিন্ন কমিউনিটি স্পেসে সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা চলছে।’

তিনি জানান, ক্যাম্প-৯, ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ ও ১৫-এ ভূমিধস ও দুর্যোগের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। এসব ক্যাম্পে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় তাদের মধ্যে অন্তত ২০ থেকে ৩০ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা চলছে। এরই মধ্যে পাহাড় ধসের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা ৪৮৯টি রোহিঙ্গা পরিবারকে অন্যত্র নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালয়েশিয়ার সান্ধ্যকালীন বাজারে অভিযান, বাংলাদেশিসহ ২০০ অবৈধ অভিবাসী আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:০৭ পি.এম


মালয়েশিয়ার সান্ধ্যকালীন বাজারে অভিযান, বাংলাদেশিসহ ২০০ অবৈধ অভিবাসী আটক

মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের তামান মালুরি সান্ধ্যকালীন বাজারে (পাসার মালাম) একটি চিরুনি অভিযান পরিচালনা করে ২০০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ।

স্থানীয় জনগণের অভিযোগের ভিত্তিতে দীর্ঘ দুই সপ্তাহ গোয়েন্দা নজরদারির পর রোববার (৫ জুলাই) কুয়ালালামপুর ও পুত্রজায়া ইমিগ্রেশন বিভাগ এবং কুয়ালালামপুর সিটি হলের (ডিবিকেএল) যৌথ উদ্যোগে এই বিশেষ অভিযানটি পরিচালিত হয়। অভিযানের বিকেল ৬টায় শুরু হওয়ার সাথে সাথে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার উপস্থিতি টের পেয়ে চারদিকে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেক বিদেশি নাগরিক পালানোর চেষ্টা করেন। এমনকি কেউ কেউ লুকিয়ে থাকার চেষ্টা করলেও কঠোর নজরদারির কারণে শেষ পর্যন্ত তারা ধরা পড়েন।

কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক হামশাহ ইনজাউ সাংবাদিকদের জানান, অভিযানের সময় মোট ৫০০ জন ব্যক্তির কাগজপত্র পরীক্ষা করা হয়, যার মধ্যে ৪০৭ জন বিদেশি এবং ৯৩ জন স্থানীয় নাগরিক ছিলেন। যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ নথিপত্র না থাকায় ১২৫ জন পুরুষ এবং ৭৫ জন নারীসহ মোট ২০০ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়।

আটকদের মধ্যে বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, মিয়ানমার, ভিয়েতনাম, চীন, পাকিস্তান ও ভারতের নাগরিক রয়েছেন। মূলত, বৈধ ভ্রমণ নথি না থাকা, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অতিরিক্ত সময় অবস্থান করা, ভিজিট পাসের অপব্যবহার এবং পাসের শর্ত লঙ্ঘনের মতো গুরুতর অপরাধে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

ইমিগ্রেশন পরিচালক আরও জানান, রাজধানী কুয়ালালামপুরের অন্যান্য সান্ধ্যকালীন বাজারগুলোতেও এই ধরনের কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে, যাতে আইন অমান্যকারী কোনো বিদেশি নাগরিক রেহাই না পায়। এছাড়া, ইমিগ্রেশন বিভাগ অবৈধ অভিবাসী ছাড়াও যেসব নিয়োগকর্তা, প্রাঙ্গণের মালিক, এজেন্ট বা সিন্ডিকেট অবৈধদের আশ্রয় ও প্রশ্রয় দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধেও সমভাবে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এই বিষয়ে কোনো ধরনের আপস করা হবে না উল্লেখ করে তিনি অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের যেকোনো তথ্য অবিলম্বে ইমিগ্রেশন বিভাগকে জানিয়ে সহযোগিতা করার জন্য জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের স্বার্থে সবাইকে আরও দায়িত্বশীল ও সচেতন হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:০৯ পি.এম


দেশের স্বার্থে সবাইকে আরও দায়িত্বশীল ও সচেতন হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

আজ সোমবার বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, সমস্যা থাকবেই, তবে সেই সমস্যা জর্জরিত হয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। দেশের স্বার্থে সকলের জন্য আরও দায়িত্বশীল ও সচেতন হওয়া জরুরি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশ এক সময় আমাদের চেয়েও অনুন্নত ছিল, কিন্তু আজ তারা অনেক দূর এগিয়ে গেছে। আমাদেরকেও এগিয়ে যেতে হবে। তিনি বলেন, সবাই যদি একসঙ্গে আন্তরিকভাবে কাজ করে তাহলে অবশ্যই সেটা সম্ভব। আজ সোমবার বিকেলে অনুষ্ঠিত সভার সময় প্রধানমন্ত্রী এসব কথাগুলি বলেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, সভায় প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ, পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ এবং ভেজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধান দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে সেসব প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকর করতে তিন সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করার নির্দেশও দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উল্লেখ করেন, কমিটিকে আগামী এক মাসের মধ্যে প্রয়োজনীয়তা সাপেক্ষে দ্রুত সমাধানযোগ্য এবং দীর্ঘ মেয়াদি সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সুপারিশসহ রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মো. সুজাউদ্দৌলা জানান, জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনির সমন্বয়ে তিন সদস্যের এই কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বিএসটিআই এবং সিটি কর্পোরেশনসহ মাঠ পর্যায়ে ভেজাল বিরোধী অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী কর্মকর্তাদের নিয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভেজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের কর্মকর্তাদের সামনে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কথা আলোচনা করা হয়। তারা বিশেষভাবে জেলাপর্যায়ে জনবল বাড়ানো, উন্নত মানের ল্যাবরেটরি স্থাপন, মাঠ পর্যায়ে কাজ করার জন্য আধুনিক সরঞ্জামসহ সিন্ডিকেট ও প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করার সময় নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা তুলে ধরেন। মোবাইল কোর্টের ক্ষমতা বৃদ্ধির দাবি জানান তারা। উপ-প্রেস সচিব আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তাদের সঙ্কটের কথা অত্যন্ত ধৈর্যসহকারে শুনেছেন এবং দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। এজন্য তিনি তিন সদস্য বিশিষ্ট উচ্চপর্যায়ের এই কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন। ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় প্রধানমন্ত্রী গুলশান লেকের ব্যবস্থাপনার উদাহরণ তুলে ধরে জনসচেতনতাকে গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, 'আমাদের অনেক লেকই আবর্জনায় ভর্তি হয়ে যাচ্ছে। দুঃখজনক হলেও সত্য, এসব আবর্জনা সমাজের শিক্ষিত মানুষরাই ফেলছেন। যাদের সচেতন হওয়ার কথা, অনেক সময় তারাই সচেতন হন না। দেশের পরিবর্তনের জন্য শুধুমাত্র সরকারের উদ্যোগ নয়, নাগরিকদেরও সদিচ্ছা ও দায়িত্বশীলতা প্রয়োজন। সকলকে সচেতন হয়ে এগিয়ে আসতে হবে।' সভায় প্রধানমন্ত্রীর কর্মকর্তাদের মধ্যে জন প্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আব্দুস সাত্তার, বাণিজ্য সচিব আতাউর রহমান খান, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হক উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%