প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের তামান মালুরি সান্ধ্যকালীন বাজারে (পাসার মালাম) একটি চিরুনি অভিযান পরিচালনা করে ২০০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ।
স্থানীয় জনগণের অভিযোগের ভিত্তিতে দীর্ঘ দুই সপ্তাহ গোয়েন্দা নজরদারির পর রোববার (৫ জুলাই) কুয়ালালামপুর ও পুত্রজায়া ইমিগ্রেশন বিভাগ এবং কুয়ালালামপুর সিটি হলের (ডিবিকেএল) যৌথ উদ্যোগে এই বিশেষ অভিযানটি পরিচালিত হয়। অভিযানের বিকেল ৬টায় শুরু হওয়ার সাথে সাথে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার উপস্থিতি টের পেয়ে চারদিকে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেক বিদেশি নাগরিক পালানোর চেষ্টা করেন। এমনকি কেউ কেউ লুকিয়ে থাকার চেষ্টা করলেও কঠোর নজরদারির কারণে শেষ পর্যন্ত তারা ধরা পড়েন।
কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক হামশাহ ইনজাউ সাংবাদিকদের জানান, অভিযানের সময় মোট ৫০০ জন ব্যক্তির কাগজপত্র পরীক্ষা করা হয়, যার মধ্যে ৪০৭ জন বিদেশি এবং ৯৩ জন স্থানীয় নাগরিক ছিলেন। যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ নথিপত্র না থাকায় ১২৫ জন পুরুষ এবং ৭৫ জন নারীসহ মোট ২০০ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়।
আটকদের মধ্যে বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, মিয়ানমার, ভিয়েতনাম, চীন, পাকিস্তান ও ভারতের নাগরিক রয়েছেন। মূলত, বৈধ ভ্রমণ নথি না থাকা, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অতিরিক্ত সময় অবস্থান করা, ভিজিট পাসের অপব্যবহার এবং পাসের শর্ত লঙ্ঘনের মতো গুরুতর অপরাধে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
ইমিগ্রেশন পরিচালক আরও জানান, রাজধানী কুয়ালালামপুরের অন্যান্য সান্ধ্যকালীন বাজারগুলোতেও এই ধরনের কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে, যাতে আইন অমান্যকারী কোনো বিদেশি নাগরিক রেহাই না পায়। এছাড়া, ইমিগ্রেশন বিভাগ অবৈধ অভিবাসী ছাড়াও যেসব নিয়োগকর্তা, প্রাঙ্গণের মালিক, এজেন্ট বা সিন্ডিকেট অবৈধদের আশ্রয় ও প্রশ্রয় দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধেও সমভাবে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এই বিষয়ে কোনো ধরনের আপস করা হবে না উল্লেখ করে তিনি অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের যেকোনো তথ্য অবিলম্বে ইমিগ্রেশন বিভাগকে জানিয়ে সহযোগিতা করার জন্য জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন