শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৫৮ পি.এম
ভারতের জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘পঞ্চায়েত’খ্যাত অভিনেতা আসিফ খান সম্প্রতি বিতর্কের মধ্যে পড়েছেন। এই বিতর্কের সূত্রপাত ঘটে ‘বিগ বস ২০’-এর ঘরে তার একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে। পুরুষত্ব এবং গোঁফ নিয়ে তার বক্তব্যের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয়েছে আলোচনা এবং সমালোচনা।
সম্প্রতি ‘বিগ বস’-এর ঘরে অধিনায়কত্ব নির্বাচন নিয়ে প্রতিযোগীদের মধ্যে আলোচনা চলছিল। এই সময় প্রতিযোগী গুল্লু অভিযোগ করেন, আরেক প্রতিযোগী ইয়াং ডিএসএ তার দলের সকল সদস্যের গোঁফ নিজের পছন্দমতো সাজিয়ে দিচ্ছেন।
আসিফ খান তার জবাবে রাজস্থানি সংস্কৃতির প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আমরা রাজস্থান থেকে এসেছি। এই গোঁফ আমাদের পরিচয়, আর যাদের গোঁফ নেই, তাদের আমরা পুরুষ মানুষ বলে গণ্যই করি না! তাই দাড়ি-গোঁফ এমনই রাখা হয়।’
আসিফের এই মন্তব্যের পর অনুষ্ঠানের অন্যান্য প্রতিযোগীরা প্রতিবাদ জানান। তাদের বক্তব্য ছিল, গোঁফ থাকা বা না থাকার সঙ্গে পুরুষত্বের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা অনুষ্ঠানের সঞ্চালক সালমান খানের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন, কারণ সালমান খানকেও সবসময় গোঁফে দেখা যায় না।
অন্য এক প্রতিযোগী আসিফের বক্তব্যের বিরোধিতা করে বলেন, একজন প্রকৃত পুরুষ কখনো উগ্র বা হিংসুটে হন না; বরং তিনি পুরো পরিবারকে একসঙ্গে আগলে রাখেন।
এদিকে, আসিফ খানের মন্তব্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে নানা আলোচনা। নেটিজেনদের একটি অংশ মনে করছেন, তার বক্তব্যের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে সালমান খানকেও ইঙ্গিত করা হয়েছে। যদিও আসিফ খানের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা বা প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
এ ঘটনার পর ‘বিগ বস ২০’-এর ঘরে বিতর্ক আরও গড়ায় কি না, তা নিয়ে দর্শকদের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী জানিয়েছেন, সরকার পাহাড়ের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি কৃষি ও পর্যটনভিত্তিক অর্থনীতির উন্নয়নে কাজ করছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, পাহাড়ের উন্নয়ন কেবল অবকাঠামো নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং শিক্ষা, সংস্কৃতি ও স্থানীয় অর্থনীতির বিকাশেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে বান্দরবান ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে কবুতর উড়িয়ে উদ্বোধন করেন পার্বত্যমন্ত্রী। পরে মাদ্রাসার কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়, যা শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র্যালিতে মাদ্রাসার সাবেক ও বর্তমান শত শত শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।
পার্বত্যমন্ত্রী আলোচনা সভায় বলেন, সরকার পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নে মানসম্মত শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি জানান, শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট এলাকা নয়, বরং পুরো পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থার গুণগত মান উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, নৈতিক ও আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। এজন্য সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষার ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে। শিক্ষার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে জ্ঞানী ও দক্ষ করে গড়ে তোলার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে তৈরি করতে হবে।
মন্ত্রী পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, স্থানীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, পার্বত্য অঞ্চল কেবল একটি প্রশাসনিক এলাকা নয়, বরং এর সঙ্গে পাহাড়ি জনগণের জীবন, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য জড়িয়ে রয়েছে। এসব সম্পদ সংরক্ষণ করার পাশাপাশি পর্যটন ও স্থানীয় অর্থনীতির উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার পাশাপাশি সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও প্রকৃতি রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের পারস্পরিক সম্মান, সহনশীলতা ও সম্প্রীতির মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে উঠবে। পাহাড়ের উন্নয়নে সব সম্প্রদায়ের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ শাহজাহান চৌধুরী বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষা, যোগাযোগ ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সরকারের চলমান উদ্যোগকে আরো এগিয়ে নিতে সহযোগিতা করা হবে। তিনি পিছিয়ে পড়া পাহাড়ি-বাঙালি মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও রাস্তাঘাটের উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী বান্দরবান ইসলামিয়া সিনিয়র মাদরাসার শিক্ষার মানোন্নয়নে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড থেকে ১ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা দেন।
আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সচিত্র মৈত্রীর সম্পাদক অধ্যাপক মো. ওসমান গনি, অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুল মান্নান কাদেরী, সাবেক অধ্যক্ষ মুহাম্মদ বদরুল হকসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত বান্দরবান ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে দিনব্যাপী নানা আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়, যা মাদ্রাসা প্রাঙ্গণকে উৎসবমুখর করে তোলে। দীর্ঘ পাঁচ দশকের পথচলার স্মৃতিচারণ, সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মিলন এবং নানা আয়োজনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির সুবর্ণজয়ন্তী প্রাণের মিলনমেলায় পরিণত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুর, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : জেলা সদরে আজ ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধ এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ শনিবার দুপুরে শেরপুরের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই ক্যাম্পেইনটির উদ্বোধন করা হয়।
শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শাকিল আহমেদ, শেরপুর প্রেসক্লাবের কার্যকরী সভাপতি কবি রফিক মজিদ এবং শেরপুর সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম।
ইনস্টিটিউট ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইইডি) ও বাংলাদেশ স্কাউটস, শেরপুর জেলা রোভার এর সহযোগিতায় এই কর্মসূচিটি পরিচালিত হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প পরিদর্শনে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি গিয়েছেন। এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত কক্সবাজারের উখিয়ার ২ ডাব্লিউ এবং ৪ এক্সটেনশন রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র ও বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে দেশের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মীর শাহে আলম বলেন, ‘বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিষয়টি আমরা গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। একই সঙ্গে ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের বিদ্যুতের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করতে পারবে।’
সারা দেশের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর বিভিন্ন স্থাপনায় ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় প্রায় ৪ হাজার ইউনিয়ন পরিষদ, ৩৩০টি পৌরসভা, ৬১টি জেলা পরিষদ, ৫০৩টি উপজেলা পরিষদ এবং সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, কমিউনিটি সেন্টার ও হাটবাজারসহ মোট ৬ হাজার ৫৪৪টি প্রতিষ্ঠানে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে চীনের সিএমইসি নামে একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ইতোমধ্যে চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। সেখানে প্রতিদিন ৩ হাজার মেট্রিক টন বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করে প্রায় ৪৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনেও চীনের উইমীম নামে একটি প্রতিষ্ঠান সম্ভাব্যতা যাচাই করছে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনেও যুক্তরাজ্যের একটি প্রতিষ্ঠান বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজ করবে। গাজীপুর সিটি করপোরেশনে ফিনল্যান্ডের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরে জাতিগত হিংসা আবার মাথাচাড়া দিয়েছে। মিয়ানমার সীমান্তের নিকটবর্তী কামজং জেলার পিলং গ্রামের আশপাশে সন্দেহভাজন উগ্রপন্থীদের গুলিতে চার নাগা নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। একই সময়ে পার্শ্ববর্তী কাংপোকপি জেলার তিনটি গ্রামে সশস্ত্র হামলা চালিয়ে অন্তত ৪০টি বাড়ি, একটি গির্জা এবং বেশ কিছু সরকারি স্থাপনা জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এই আকস্মিক হামলায় ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে এবং বহু সাধারণ মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্র ও জনপ্রতিনিধিদের তথ্য অনুযায়ী, কামজং জেলার পিলং এলাকায় সন্দেহভাজন কুকি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যদের আকস্মিক হামলায় চারজন নাগরিক নিহত হন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন—ফামি জাজো, নিংথেম, বেটারসন জাজো এবং ভারেইশিম জাজো।
এদিকে, কাংপোকপি জেলার মাকুই চাম্রিউপিউ, মাকুই থানাম্বা এবং মাকুই থেব্রাম গ্রামে ২৩ ও ২৪ সেপ্টেম্বর দফায় দফায় এই তাণ্ডব চালানো হয়।
স্থানীয় সূত্রের দাবি অনুযায়ী, মাকুই চাম্রিউপিউতে ১৭টি, মাকুই থানাম্বায় ৮টি এবং মাকুই থেব্রাম গ্রামে ১৬টি বসতবাড়ি সম্পূর্ণরূপে পুড়ে যায়। পাশাপাশি, একটি গির্জা ও একটি সরকারি হাসপাতালেও অগ্নিসংযোগ করা হয়। গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটা থেকে শুরু হয়ে রাত আড়াইটা পর্যন্ত টানা প্রায় ১২ ঘণ্টা ধরে এই তাণ্ডব চলে।
এছাড়া, ২৩ সেপ্টেম্বর তামেই মহকুমার লাসানে ওয়াকোটফাই এলাকার বাসিন্দা পাওজাঙ্গাম চংলোই নামের এক ব্যক্তিকেও হত্যা করা হয়।
এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা করেছেন নাগা পিপলস ফ্রন্টের বিধায়ক অবাংবাউ নিউমাই। তিনি কামজং ও কাংপোকপির সাম্প্রতিক সহিংসতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে সব সম্প্রদায়ের মানুষকে হিংসার পথ ত্যাগ করে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী ওয়াই খেমচাঁদ সিং এই হত্যাকাণ্ডের কঠোর নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, সমাজে এ ধরনের পাশবিক সহিংসতার কোনো স্থান নেই এবং সরকার এটি কোনোভাবেই সহ্য করবে না।
উল্লেখ্য, মণিপুরে ২০২৩ সালের মে মাস থেকে জাতিগত সংঘাতের কারণে দীর্ঘদিন ধরে অস্থিরতা বিরাজ করছে। বিভিন্ন এলাকায় হামলা, অগ্নিসংযোগ ও প্রাণহানির ঘটনায় বহু মানুষ ঘরছাড়া হয়েছেন। নতুন করে এই হামলার কারণে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ