ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভাইরাল পোস্টে স্বামীকে নিয়ে দীপ্তি চৌধুরীর আবেগঘন বার্তা


ভাইরাল পোস্টে স্বামীকে নিয়ে দীপ্তি চৌধুরীর আবেগঘন বার্তা

দেশের টেলিভিশন অঙ্গনের আলোচিত উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী। 

তিনি চ্যানেল আইয়ের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান টু দ্য পয়েন্ট, স্ট্রেইট কাটসহ নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দর্শকের কাছে পরিচিত মুখে পরিণত হয়েছেন। 

গেল শুক্রবার (৫ জুন) দীপ্তি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। রাজধানীর বাংলামোটরের একটি রেস্টুরেন্টে পারিবারিক আয়োজনে তার বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসতেই তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার অন্যতম কেন্দ্র হয়ে উঠেছেন। 

আরও পড়ুন: নায়ক মান্নার গাড়িতে আগুন, গ্রেফতার দুজন কারাগারে

নববধূর স্বামী, মুশতাক ইবনে আইয়ুব, একজন শিক্ষক ও গবেষক। তিনি যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পর অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। 

তবে এই দম্পতিকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে, সেখানে আলোচনা-সমালোচনা উভয় দিকেই পরিলক্ষিত হচ্ছে। নেটিজেনদের একাংশ যেমন তাদেরকে জীবনের নতুন অধ্যায়ের জন্য শুভেচ্ছা জানান, অন্যদিকে কিছু মানুষ দীপ্তির ব্যক্তিগত জীবন, তার ও তার স্বামীর বয়স, পেশাগত পরিচয় এবং তার স্বামীকে ঘিরে নানা ধরনের অযাচিত মন্তব্যে মুখর হয়েছেন। 

নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি অনলাইনে ব্যবহারকারীদের একাংশ তাদের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে অহেতূক কৌতূহল ও সমালোচনায় মেতে উঠেছেন। তবে এসব কথায় যেন দীপ্তি কান দিচ্ছেন না। নেতিবাচক কথা নিয়ে এ উপস্থাপিকা কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাননি, বরং জীবনের নতুন অধ্যায়ে স্বামী মুশতাক ইবনে আইয়ুবকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। 

স্বামীর সঙ্গে বিয়ের অনুষ্ঠানের একগুচ্ছ ছবি ফেসবুকে শেয়ার করেছেন দীপ্তি। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘যাকে না পাওয়া ছিল একমাত্র আফসোস, আল্লাহ তাকে জীবনসঙ্গী হিসেবে উপহার দিয়েছেন। আল্লাহ মহান! তিনি আমার দেখা সবচেয়ে সুন্দর হৃদয়ের মানুষ। তার প্রতি ভালোবাসার সঙ্গে জড়িয়ে আছে গভীর শ্রদ্ধা। চলুন ভদ্রলোক, আমরা আমাদের এই নতুন যাত্রা শুরু করি।’ 

আরও পড়ুন: রূপপুরের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৭ সেন্ট হতে পারে

দীপ্তির এই পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। নিজের টাইমলাইনে শেয়ারের তিন দিন পর পোস্টটিতে রিঅ্যাকশন পড়েছে আড়াই লাখের বেশি এবং মন্তব্য করা হয়েছে ২৫ হাজারের বেশি। পোস্টটি শেয়ার হয়েছে দেড় হাজারের কাছাকাছি। 

এর একদিন পর গায়েহলুদ অনুষ্ঠানেরও বেশ কিছু ছবি প্রকাশ করেন দীপ্তি। অনুষ্ঠানের বিভিন্ন মুহূর্তের একগুচ্ছ ছবি শেয়ার করে পোস্টের ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘একমুঠো হলুদ, এক আকাশ আনন্দ, আর এক জীবনের অপেক্ষা।’ এ পোস্টটির মন্তব্যের ঘরেও শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি তার অনুসারীরা নানা রকম প্রতিক্রিয়া জানান। 

এদিকে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পর আবারও চিরচেনা পেশাগত ব্যস্ততায় যোগ দিয়েছেন আলোচিত এই উপস্থাপিকা। ব্যক্তিগত জীবনের নতুন অধ্যায়ের পাশাপাশি পেশাগত ক্ষেত্রে অনুষ্ঠান রেকর্ডিং ও উপস্থাপনায় মনোনিবেশ করেছেন।

আরও পড়ুন: ছাত্রদল নেতার জানাজার পরপরই গুরুদাসপুরে প্রবাসীর শপিংমলে হামলা-লুটপাট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাম খাওয়ার ১০ স্বাস্থ্য উপকারিতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫৯ এম


জাম খাওয়ার ১০ স্বাস্থ্য উপকারিতা

গ্রীষ্মকালে পাওয়া যায় এমন ফল জাম খেতে সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর। অসংখ্য উপকারী গুণ থাকায় জাম বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় কার্যকর হতে পারে।

দেশীয় এই ফলটির স্থায়িত্বকাল অন্যান্য ফলের তুলনায় তুলনামূলক কম। তাই পুষ্টির উপকারিতা পেতে পুষ্টিবিদরা ক্ষণিকের এই সময়ের মধ্যে জাম খাওয়া বাদ না দেয়ার বিষয়ে সতর্ক করেছেন।

এখন দেখা যাক সুস্বাদু ও রসালো ফল জামের পুষ্টিগুণগুলি কি কি-

১. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক: জামে উপস্থিত জ্যাম্বোলিন ও জ্যাম্বোসিন নামক উপাদান রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এটি ইনসুলিনের কার্যকারিতাও বৃদ্ধি করতে সক্ষম।

২. হজমশক্তি বৃদ্ধি করে: জামে বিদ্যমান ফাইবার ও অন্যান্য পদার্থ হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে এবং পাচনতন্ত্রের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।

৩. রক্ত বিশুদ্ধ করে: জাম রক্ত পরিশোধক হিসেবে কাজ করে এবং শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে। রক্তস্বল্পতার সমস্যাও কমাতে সহায়তা করে।

৪. অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর: জাম অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ, যা দেহের কোষগুলোকে মুক্ত মৌল থেকে রক্ষা করে এবং বার্ধক্যজনিত ক্ষয় কমাতে দ্বান্দ্বিকভাবে সাহায্য করে।

৫. ইমিউন সিস্টেম (রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা) বাড়ায়: জামে উপস্থিত ভিটামিন সি এবং অন্যান্য পুষ্টিগুণ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করতে সাহায্য করে।

৬. ওজন কমাতে সহায়তা করে: জামে ক্যালোরির পরিমাণ কম এবং ফাইবারের পরিমাণ বেশি, যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখতে সহায়তা করে এবং ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

৭. ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী: জামে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন ত্বকের গø্যতা বাড়াতে এবং চুলের স্বাস্থ্য উন্নত করতে প্রয়োজনীয় ভূমিকা পালন করে।

৮. মূত্রজনিত সমস্যা দূর করে: জাম ডায়ুরেটিক হিসেবে কাজ করে, যা কিডনি পরিষ্কার রাখতে এবং মূত্রসংক্রান্ত সমস্যাগুলো কমাতে সহায়ক।

৯. মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে: জামের রস দাঁত ও মাড়ির সংক্রমণ কমাতে সাহায্য করে। এটি মুখের দুর্গন্ধও দূর করতে কার্যকরী।

১০. ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়ক: গবেষণায় দেখা গেছে, জামে উপস্থিত ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কিছু ধরনের ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোবাইল অ্যাপে কুরআন তিলাওয়াত করলে সওয়াব পাওয়া যাবে কি?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০৮ এম


মোবাইল অ্যাপে কুরআন তিলাওয়াত করলে সওয়াব পাওয়া যাবে কি?

মোবাইলের মাধ্যমে কুরআন তেলাওয়াতের প্রশ্ন উঠেছে। বর্তমানে ইসলামের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগে কুরআন মাজিদ মসজিদ, মাদরাসা বা বইয়ের সীমা থেকেই বেরিয়ে গেছে। আসলে স্মার্টফোন, ট্যাবলেট ও বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে মুহূর্তেই মানুষের কাছে কুরআন পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে। অনেক মুসলমান প্রতিদিন মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে কুরআন তিলাওয়াত করছেন। কিন্তু, এখানে একটি প্রশ্ন উঠছে— মোবাইলের পর্দায় কুরআন দেখে পড়লে কি মাসহাফ থেকে পড়ার মতো সওয়াব পাওয়া যাবে?

এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া দরকার। কারণ ইসলাম মানুষের জন্য ইবাদতকে সহজ করতে এসেছে। আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কুরআনের সঙ্গে যুক্ত থাকা এবং আল্লাহর বাণী তিলাওয়াত করা প্রশংসনীয়। তবে এই বিষয়ে শরিয়তের দৃষ্টিভঙ্গি জানা জরুরি।

মোবাইল অথবা অন্য কোনো ডিভাইসের স্ক্রীন থেকে কুরআন পড়লে সওয়াব পাওয়া যাবে, কিন্তু মাসহাফ থেকে পড়ার সওয়াব পাওয়া যাবে না। কারণ মোবাইলের অ্যাপ বা ডিভাইসটি সরাসরি কুরআন নয়; এটি কুরআনের একটি প্রতিচ্ছবি। হাদিসের একটি বর্ণনা থেকে এই বিষয়টি পরিষ্কার। হজরত ওসমান ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু আওস আস্ সাকাফি (রহ.) তার দাদা আওস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "কোনো ব্যক্তির মাসহাফ ছাড়া (অর্থাৎ কুরআন দেখা ছাড়া) মুখস্থ কুরআন পড়া এক হাজার গুণ মর্যাদা সম্পন্ন। আর কুরআন মাসহাফে পড়া (অর্থাৎ কুরআন খুলে দেখে দেখে পড়া) মুখস্থ পড়ার দু’ গুণ থেকে দু’ হাজার গুণ পর্যন্ত মর্যাদা রাখে।"

এছাড়াও, আল্লামা ত্বীবী (রহ.) বলেন, "মাসহাফ দেখে পড়া বেশি ফজিলতপূর্ণ। কারণ এতে কুরআনের দিকে তাকানোর সওয়াব পাওয়া যায়, মাসহাফ বহন ও স্পর্শ করার আমল হয় এবং আয়াতগুলো নিয়ে গভীর চিন্তা-ভাবনা ও অর্থ অনুধাবনের সুযোগ সৃষ্টি হয়।" এর মানে হল, এই বিষয়ের দিকগুলো বিবেচনায় মাসহাফ দেখে পড়া মনে করা হয় উত্তম। তবে এই কথা মানে এটা নয় যে, সব অবস্থায় মুখস্থ পড়ার মর্যাদা কম।

হাদিসে এসেছে যে, কুরআনে দক্ষ ব্যক্তি সম্মানিত ফেরেশতাদের সঙ্গী হবে। কিছু আলেম বলেন, "মাসহাফ দেখে তিলাওয়াত করা সর্বাবস্থায় উত্তম।" আবার অন্যবার কিছু আলেম বলেছেন, "মুখস্থ থেকে তিলাওয়াত করা সর্বাবস্থায় উত্তম।" তবে ভারসাম্যপূর্ণ মত হিসেবে বলা যায়, যে পদ্ধতিতে একজনের খুশু বেশি থাকে, সেটি তার জন্য উত্তম হবে। যদি উভয় ক্ষেত্রে সমান হয় তবে মাসহাফ দেখে পড়া অধিক উত্তম, কারণ এতে সাধারণত আয়াতের অর্থ নিয়ে বেশি চিন্তা ও মনোযোগ থাকে।

আসলে কুরআন আল্লাহর কালাম। তা কাগজে মুদ্রিত মাসহাফ থেকে পড়া হোক অথবা মোবাইল অ্যাপের পর্দা থেকে— উভয় ক্ষেত্রেই যদি একজন মুসলিম আন্তরিকতার সঙ্গে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে তিলাওয়াত করেন, তাহলে তিনি কুরআন তিলাওয়াতের সওয়াব লাভ করবেন। কারণ সওয়াবের মূল ভিত্তি হলো আল্লাহর কালাম পাঠ করা, তা থেকে হেদায়েত গ্রহণ করা এবং এর নির্দেশনা অনুযায়ী জীবন পরিচালনার চেষ্টা করা। তবে সুযোগ থাকলে মাসহাফ হাতে নিয়ে আদবের সঙ্গে কুরআন তিলাওয়াত করা অধিক মর্যাদাপূর্ণ। যখন মাসহাফ কাছে না থাকে, তখন মোবাইল অ্যাপ কুরআনের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে সহায়তা করে। আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত, তা বুঝে পড়া এবং বাস্তবায়নের তৌফিক দান করুন। আমিন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজকের নামাজের সময় নির্ধারণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১৭ এম


আজকের নামাজের সময় নির্ধারণ

প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর ওপর ফরজ হলো সময়মতো নামাজ পড়া। এজন্য প্রয়োজনীয় যে, নামাজের সময় কখন শুরু হচ্ছে এবং কখন শেষ হচ্ছে, তা প্রত্যেক মুসলমানের জানা অপরিহার্য। এটি জানার ফলে নামাজের সময় শেষ হওয়ার আগেই নামাজ আদায় করা সম্ভব হয়।

আজ বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬; ২৮ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বাংলা; ২৩ জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি। চলুন এখন দেখে নিই আজকের নামাজের সময়সূচি:

বিভাগীয় শহরের জন্য উল্লিখিত সময়ের সঙ্গে খেয়াল রাখতে হবে, যেসব বিভাগে সময় যোগ/বিয়োগ করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চোট কাটিয়ে দলে ফিরেছেন মেসি, দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নামার সম্ভাবনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১৯ এম


চোট কাটিয়ে দলে ফিরেছেন মেসি, দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নামার সম্ভাবনা

বিশ্বকাপের আগে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে আইসল্যান্ডের মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা। আগামী সপ্তাহে বিশ্বকাপের ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামার আগে এটি আলবিসেলেস্তেদের শেষ পরীক্ষা।

বুধবার (১০ জুন) আলাবামার জর্ডান-হেয়ার স্টেডিয়ামে এই ম্যাচের প্রথম একাদশে হন্ডুরাসের বিপক্ষে জয়ের ম্যাচ থেকে স্কালোনি চারটি পরিবর্তন এনেছেন। তবে, প্রথম একাদশে মেসির নাম নেই। কিন্তু, ভালো খবর হলো যে তিনি চোট কাটিয়ে ম্যাচের স্কোয়াডে জায়গা করে নিয়েছেন। ইন্টার মায়ামির হয়ে ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের বিপক্ষে খেলতে গিয়ে তিনি পেশির চোট পেয়েছিলেন, যা থেকে সেরে ওঠার পর কোচ লিওনেল স্ক্যালোনি তাকে বেঞ্চে রেখেছেন। দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নামবেন মেসি।

মেসির জায়গায় শুরুর একাদশে খেলছেন নিকো পাজ। কোমোর এই তরুণ মিডফিল্ডার হাঁটুর চোট থেকে সেরে উঠে সোমবার (৮ জুন) পূর্ণাঙ্গ অনুশীলনে ফিরে এসেছেন। কোমোর হয়ে হেল্লাস ভেরোনার বিপক্ষে ম্যাচে তিনি চোট পেয়েছিলেন।

রক্ষণভাগে একটি পরিবর্তন রয়েছে। রাইট-ব্যাকে আবারও শুরুর একাদশে খেলছেন অগাস্টিন গিয়াই। নিকোলাস কাপালদোকে বেঞ্চে থাকতে হচ্ছে। সেন্টার-ব্যাকে ফিরছেন নিকোলাস ওতামেন্দি এবং লিসান্দ্র মার্টিনেজ। লেফট-ব্যাকে রয়েছেন ফাকুন্দো মেদিনা। দ্বিতীয়ার্ধে ক্রিস্টিয়ান রোমেরো ও গনসালো মন্তিয়েলকে মাঠে দেখা যেতে পারে।

বিশ্বকাপের আগে স্কালোনি তার নিয়মিত মিডফিল্ডারদের বিশ্রাম দিচ্ছেন। ফলে এজেকুয়েল পালাসিওস, জিওভান্নি লো সেলসো, ভ্যালেন্টিন বার্কো এবং জুলিয়ানো সিমিওনে প্রথম একাদশে খেলছেন। আক্রমণে নিকো পাজের পাশাপাশি সুযোগ পেয়েছেন হোসে মানুয়েল লোপেজ। বদলি হিসেবে আছেন লাউতারো মার্টিনেজ।

এদিকে এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, লিয়ান্দ্রো পারেদেস এবং হুলিয়ান আলভারেজ এখনও চোট থেকে পুরোপুরি সেরে ওঠেননি এবং এই ম্যাচে খেলছেন না। তাদের ঝুঁকিতে না ফেলে আলজেরিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত রাখাই দলের লক্ষ্য। পারেদেস ও আলভারেজকে সেই ম্যাচে শুরুর একাদশে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আইসল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার একাদশ:

গোলরক্ষক: জেরেনিমো রুল্লি;

ডিফেন্ডার: অগাস্টিন গিয়াই, নিকোলাস ওতামেন্দি, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ, ফাকুন্দো মেদিনা;

মিডফিল্ড: জিওভান্নি লো সেলসো, এজেকুয়েল পালাসিওস, ভ্যালেন্টিন বার্কো;

ফরোয়ার্ড: নিকো পাজ, হোসে মানুয়েল লোপেজ ও জুলিয়ানো সিমিওন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%