বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:০৮ পি.এম
আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি) কর্তৃক আয়োজিত চতুর্থ ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন কম্পিউটিং অ্যাডভান্সমেন্ট (আইসিসিএ) শুরু হয়েছে। এই সম্মেলনটি দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে ১৫ ও ১৬ অক্টোবর।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে আইসিসিএ ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা জানান, এবারের সম্মেলনে ১৭টি দেশের পক্ষ থেকে ৯০০টিরও বেশি গবেষণাপত্র জমা পড়েছে, যার মধ্যে ২১৪টি গবেষণাপত্র উপস্থাপনার জন্য নির্বাচিত হয়েছে।
আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই আয়োজনের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের গবেষক ও প্রযুক্তিবিদদের মধ্যে জ্ঞান বিনিময়, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং যৌথ গবেষণার নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এআইইউবির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও ট্রাস্টি বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান ইশতিয়াক আবেদীন।
আইসিসিএ ২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ড. কারমেন জেড লামাগনা, উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম, এফএসটি অনুষদের ডিন, প্রফেসর এবং শিক্ষার্থীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের একটি ইউরোফাইটার টাইফুন যুদ্ধবিমানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চলের আকাশে ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে বিমানটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। তবে বিমানটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি দাবি করেন, সৌদি আরবের তাইফ বিমানঘাঁটি থেকে উড্ডয়ন করা একটি টাইফুন যুদ্ধবিমানকে ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চলীয় সাদা প্রদেশের আকাশে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের সরাসরি আঘাতে বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। তবে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো নিশ্চিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাতের আকাশে দূরবর্তী একটি সংঘর্ষের নিম্নমানের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। কয়েকটি সংবাদমাধ্যমও ভিডিওটি প্রকাশ করেছে। কিন্তু ঘন অন্ধকারে ধারণ করা ফুটেজটি থেকে ঘটনাটি যে কোনো যুদ্ধবিমানকে ঘিরে ঘটেছে, তা নিশ্চিতভাবে বোঝা যায় না।
ইয়েমেনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় তাইজ শহরের বিভিন্ন এলাকায় সরকারি বাহিনী ও হুতি যোদ্ধাদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ চলছে। তীব্র সংঘাতের মধ্যে সৌদি যুদ্ধবিমানে হামলার দাবি করেছে হুতিরা।
গত মাসের মাঝামাঝি (১৬ সেপ্টেম্বর) সৌদি আরবের একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে হুতি বিদ্রোহীরা। তারা প্রমাণ হিসেবে প্রায় চার মিনিটের একটি ভিডিও প্রকাশ করে, যেখানে যুদ্ধবিমানটি লক্ষ্যবস্তু করার দৃশ্য, দুর্ঘটনাস্থলে আগুন ও ধোঁয়া এবং পরে বিমানটির ধ্বংসাবশেষ দেখা যায়।
প্রায় এক যুগ ধরে সংঘাত চললেও গত মাস থেকে হুতি ও সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। হুতিরা লোহিত সাগর উপকূলের মোখা শহরসহ বাব আল-মানদেব প্রণালির আশপাশের কৌশলগত এলাকাগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর উত্তেজনা বেড়ে যায়। হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে এসব এলাকা সৌদি আরবের জ্বালানি রফতানির জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
চলতি মাসের শুরুতে সৌদি আরব ও ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার হারানো ভূখণ্ড পুনর্দখলে পাল্টা অভিযান শুরু করে। জবাবে, হুতিরা সৌদি আরবের বিভিন্ন শহর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা জোরদার করে।
সম্প্রতি সৌদি রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় হুতিরা। পাশাপাশি পূর্বাঞ্চলীয় শহর ধাহরানে সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর একটি প্রশাসনিক ভবনে হামলার দায়ও স্বীকার করে গোষ্ঠীটি।
হুতিদের দাবি, ইয়েমেনের রাজধানী সানার আল-সাবাহ এলাকায় তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি তেল স্থাপনায় সৌদি হামলার প্রতিশোধ হিসেবে এসব আক্রমণ চালানো হয়েছে।
অন্যদিকে, ইয়েমেনের সরকারপন্থি বাহিনীকে সহায়তা দিতে সৌদি আরব নিয়মিত হুতিদের অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালাচ্ছে। ফলে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি আক্রমণে সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তথ্যসূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত হয়েছে সরকারের দীর্ঘ কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এই তথ্য প্রকাশ করেছে। মালয়েশিয়া ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী বিনা খরচে নিয়োগের বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে। এছাড়া, বাংলাদেশের ৩৩৮টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে তালিকাভুক্ত করার জন্য দেশটির কর্তৃপক্ষ সম্মতি প্রদান করেছে।
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগ্রহী কর্মীরা তালিকাভুক্ত ও অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন এবং অনুমোদিত মেডিক্যাল সেন্টার থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষাও করাতে পারবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মালয়েশিয়া বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজার। দীর্ঘ সময় ধরে সেখানে বিপুলসংখ্যক কর্মী সুনামের সঙ্গে কাজ করে আসছেন এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখছেন। তাই সরকার মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় কার্যকর করার পাশাপাশি একটি স্বচ্ছ, সুশৃঙ্খল ও ব্যাপক অংশগ্রহণমূলক নিয়োগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করাকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।
এছাড়া, আগ্রহী কর্মীরা তালিকাভুক্ত ও অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন এবং অনুমোদিত মেডিক্যাল সেন্টার থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে পারবেন। এখানে কোনো নির্দিষ্ট মেডিক্যাল সেন্টারকে এককভাবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হবে না। সরকার চায়, কর্মীরা যেন সহজে, স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় এবং কোনো ধরনের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই মালয়েশিয়ায় যাওয়ার সুযোগ পান।
যেভাবে পরিচালিত হবে নিয়োগ ব্যবস্থা
জব অর্ডার সংগ্রহ
মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত সকল বৈধ ও যোগ্য রিক্রুটিং এজেন্সি মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার থেকে নিজেদের উদ্যোগে জব অর্ডার বা ডিমান্ড সংগ্রহ করতে পারবে।
কর্মী নির্বাচন
যে এজেন্সি জব অর্ডার সংগ্রহ করবে, সেই এজেন্সি বাংলাদেশে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুসরণ করে নিজের কর্মী নির্বাচন ও নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে। অর্থাৎ, কর্মী সংগ্রহ ও নির্বাচন করার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সির নিজের কাছেই থাকবে।
মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক প্রসেসিং
যেখানে মালয়েশিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রশাসনিক প্রসেসিং প্রয়োজন হবে, যেমন কলিং ভিসা, ই-ভিসা এবং অন্যান্য নির্ধারিত সরকারি প্রক্রিয়া, সেখানে সরকারি রিক্রুটিং এজেন্সি বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল)-সহ তালিকাভুক্ত অপর ২৫টি প্রসেসিং ও সার্ভিস এজেন্সি প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে।
বিএমইটি ক্লিয়ারেন্স
মালয়েশিয়ার প্রয়োজনীয় প্রসেসিং সম্পন্ন হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সি বাংলাদেশের নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম সম্পন্ন করবে।
এখানে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত প্রতিটি বৈধ ও যোগ্য রিক্রুটিং এজেন্সি তার নিজের রিক্রুটিং লাইসেন্সের মাধ্যমে তার নিজস্ব কর্মীদের বিএমইটি ক্লিয়ারেন্স সম্পন্ন করতে পারবে। অর্থাৎ, জব অর্ডার যে এজেন্সি সংগ্রহ করবে এবং কর্মী যে এজেন্সি নির্বাচন করবে, সেই এজেন্সি নিজের লাইসেন্সের অধীনেই তার কর্মীদের বাংলাদেশের সরকারি ক্লিয়ারেন্স সম্পন্ন করতে পারবে।
সরকারি রিক্রুটিং এজেন্সি বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল) এবং অপর ২৫টি প্রসেসিং বা সার্ভিস এজেন্সি প্রশাসনিক প্রসেসিংয়ের কাজ করবে। বিএমইটি-এর ছাড়পত্রের জন্য তারা অনুমোদিত এজেন্সিকে অনাপত্তিপত্র (এনওসি) দিতে পারবে। এর মাধ্যমে প্রতিটি রিক্রুটিং এজেন্সির নিজস্ব দায়িত্ব, জবাবদিহিতা এবং ব্যবসায়িক স্বাধীনতা বজায় থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারত অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চলের বিভিন্ন মসজিদে জুমার নামাজের খুতবা এক ও অভিন্ন করার সরকারি প্রস্তাবের ফলে তীব্র রাজনৈতিক ও ধর্মীয় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সমালোচকরা বলছেন, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে নরেন্দ্র মোদির সরকার কাশ্মীরের মুসলিম ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকারে হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করছে।
বিরোধিতা বৃদ্ধি পাওয়ার পর জম্মু ও কাশ্মীর ওয়াকফ বোর্ডের প্রধান দারাকশাঁ আন্দ্রাবি তার পূর্বের বক্তব্য থেকে সরে আসতে বাধ্য হন। তিনি জানিয়েছেন, সামাজিক ইস্যু বা সমসাময়িক সংকট নিয়ে কথা বলার বিষয়টি এখন থেকে স্বাধীন আলেম ও খতিবদের ইচ্ছার উপর নির্ভর করবে।
কী ছিল সেই বিতর্কিত প্রস্তাব?
সম্প্রতি জম্মু ও কাশ্মীর ওয়াকফ বোর্ডের পক্ষ থেকে একটি ঘোষণায় বলা হয়েছে, অঞ্চলটির মসজিদগুলোর জুমার খুতবা অভিন্ন বা নির্ধারিত হওয়া উচিত। স্থানীয় বিজেপি নেত্রী দারাকশাঁ আন্দ্রাবি এই বোর্ডের নেতৃত্বে রয়েছেন। এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে কাশ্মীরের শীর্ষ ধর্মীয় স্কলার ও রাজনৈতিক নেতারা একে “ধর্মীয় বিষয়ে দায়িত্বজ্ঞানহীন হস্তক্ষেপ” বলে অভিহিত করেছেন।
গত রবিবার ওয়াকফ বোর্ড প্রায় দেড় হাজার শীর্ষ আলেম ও খতিবকে একটি বৈঠকে তলব করে। সেখানে জানানো হয়, বোর্ডের গঠিত একটি কমিটির তৈরি করা খুতবাই জুমার দিন সব মসজিদে একযোগে পাঠ করতে হবে। তবে উপস্থিত আলেমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানালে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাদের কথা না শুনে এককভাবে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে দাবি করে।
ধর্মীয় স্বাধীনতা হরণের আশঙ্কা
কাশ্মীরের শীর্ষ ধর্মীয় নেতা মিরওয়াইজ উমর ফারুকসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা এই প্রস্তাবকে সরাসরি ধর্মীয় স্বাধীনতায় আঘাত হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। ২০১৯ সালে জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ সাংবিধানিক মর্যাদা (অনুচ্ছেদ ৩৭০) বাতিলের পর থেকে স্থানীয় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারি বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, এ ধরনের পদক্ষেপ উপত্যকায় নতুন করে অসন্তোষ ও রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। সূত্র: আল জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ