ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় পুতুলের নিয়োগ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর জন্য লজ্জার’


‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় পুতুলের নিয়োগ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর জন্য লজ্জার’

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সম্প্রতি পদত্যাগ করা সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেওয়ার ঘটনাকে ‘দুঃখজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন। এত উচ্চপর্যায়ের একটি পদের জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা তার ছিল না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

সায়মা ওয়াজেদের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটা কোনো বিস্ময়ের বিষয় ছিল না। বিশ্বাসযোগ্য কোনো যোগ্যতা ও দক্ষতা না থাকা সত্ত্বেও শুধু তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে—এই কারণে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুন: ইশরাকের পিস্তল উঁচানো দৃশ্য ত্রাসের রাজত্বের প্রতীক: জামায়াত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে পুতুলকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক পদে নিয়োগ দেওয়ার ঘটনাকে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর জন্য ‘লজ্জার’ বিষয় বলেও বর্ণনা করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে আরও গুরুত্ব ও যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

হুমায়ুন কবির বলেন, এমন মানুষ দরকার, যারা সংস্থার নেতৃত্ব দিতে পারবেন। এসব নিয়োগের ক্ষেত্রে খুবই সতর্ক ও দায়িত্বশীল হতে হবে।

ভবিষ্যতে উপযুক্ত যোগ্যতাসম্পন্ন কোনো প্রার্থীকে বাংলাদেশ সমর্থন করবে বলেও জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। এ ক্ষেত্রে তিনি মালদ্বীপের একজন প্রার্থীর কথা উল্লেখ করেন, যার ভালো রেকর্ড ও শক্তিশালী যোগ্যতা রয়েছে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, অদূর ভবিষ্যতে ডব্লিউএইচও উপযুক্ত নেতৃত্বের হাতে থাকবে।

কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক পরিবার বা শাসকগোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্ক থাকার কারণে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কোনো ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়া উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে কোনো নিয়োগের ক্ষেত্রে অনিয়ম বা দুর্নীতি হয়ে থাকলে তা শেষ পর্যন্ত প্রকাশ্যে আসবে বলেও জানান।

আরও পড়ুন: রাজনীতিকে সঠিক পথে পরিচালনায় সাংবাদিকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: সড়ক পরিবহণমন্ত্রীর মন্তব্য

দেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ ফেরত আনার বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় অংশীদারের সঙ্গে এ বিষয়ে কাজ করছে। যুক্তরাজ্যের সঙ্গেও বাংলাদেশের এ বিষয়ে একটি অংশীদারত্ব রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ফরেনসিক দক্ষতা ও সহযোগিতা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমরা কাজ করব, যাতে বাংলাদেশের মানুষের কাছ থেকে চুরি করা সম্পদ ও অর্থ উদ্ধার করা যায়। যাতে জনগণ তাদের অর্থ ফিরে পায় এবং সেই অর্থ তাদের জন্য ব্যয় করা হয়, তা বিদেশে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে।

 

আরও পড়ুন: রটারডাম কনভেনশনে যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ, বিপজ্জনক রাসায়নিক ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা পাবেন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্র এখন বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার, পেছনে ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:২০ এম


যুক্তরাষ্ট্র এখন বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার, পেছনে ভারত

ভারতকে টপকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য হ্রাস এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বৃদ্ধির ফলে এমন চিত্র দেখা গেছে। আর বাংলাদেশের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার এখনও চীন।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য অনুযায়ী, বিগত অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১২ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

অন্যদিকে, ভারতের সঙ্গে এই বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১০ দশমিক ৭২ বিলিয়ন ডলার। ফলে ভারতের চেয়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ১ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন ডলারে এগিয়ে রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশের পণ্য আমদানি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাওয়াকেই এই পরিবর্তনের প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এক বছরে দেশটি থেকে বাংলাদেশে আমদানি ৪৩ শতাংশ বেড়ে ২ দশমিক ৪৯ বিলিয়ন ডলার থেকে ৩ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এর বিপরীতে ভারত থেকে বাংলাদেশের আমদানি হ্রাস পেয়েছে প্রায় ৭ দশমিক ৫ শতাংশ এবং ভারতে রপ্তানি কমেছে প্রায় ৩ শতাংশ।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), সয়াবিন বীজ এবং তুলার আমদানি বাড়িয়েছে বাংলাদেশ। এ ছাড়া, মার্কিন অ্যারোস্পেস জায়ান্ট বোয়িংয়ের কাছ থেকে ১৪টি বিমান কেনার সিদ্ধান্তেও সম্মত হয়েছে সরকার।

এনবিআরের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, আগের বছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে কোনও গম আমদানি না করা হলেও বিগত অর্থবছরে দেশটির কাছ থেকে ২২৭ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলারের গম আমদানি করেছে বাংলাদেশ।

সয়াবিন বীজের আমদানি প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ৬২০ মিলিয়ন ডলার এবং তুলা ক্রয় ২৩০ মিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ৩৮০ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া সরকারি খাতে এলএনজি আমদানির পরিমাণ প্রায় ৪৮০ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গত ফেব্রুয়ারিতে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তির আওতায় আগামী ১৫ বছরে প্রায় ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন কৃষিপণ্য এবং প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলারের জ্বালানি পণ্য কেনার পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর পাশাপাশি বিমান ও সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়ও বৃদ্ধি পেতে পারে।

তবে ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য চিত্রের দৃশ্যপট সম্পূর্ণ উল্টো। ২০২৫ সাল থেকে আরোপিত একাধিক নিষেধাজ্ঞা ও পাল্টাপাল্টি ব্যবস্থার কারণে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশ স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে সুতা আমদানি স্থগিত করেছে। অন্যদিকে কলকাতা বিমানবন্দর ব্যবহার করে তৃতীয় কোনও দেশে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির সুযোগ তুলে নিয়েছে ভারত।

সূত্র: ফার্স্টপোস্ট

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে অবরোধ করা যাবে না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:২৭ এম


হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে অবরোধ করা যাবে না

উচ্চ আদালতের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে হরতাল, অবরোধ অথবা ধর্মঘটের আয়োজন করা যাবে না। এই নির্দেশনা প্রদান করেছেন হাইকোর্ট।

গতকাল রোববার বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকারের নেতৃত্বে হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করে। এর ফলে বাস মালিক সমিতি এবং সড়ক পরিবহন সমিতির পক্ষ থেকে কোনো হরতাল বা অবরোধের আয়োজন করা সম্ভব হবে না।

আদেশের প্রেক্ষিতে বিআরটিএর অ্যাডভোকেট রাফিউল ইসলাম মন্তব্য করেন, "হাইকোর্টের কোনো জাজমেন্ট অ্যান্ড ভার্ডিকের বিরুদ্ধে কোনো স্ট্রাইক বা হরতাল ডাকতে পারবে না।" তিনি আরও বলেন, "যদি ডাকতে হয়, তাহলে প্রপার মেজার নিতে বলা হচ্ছে রেসপন্ডেন্ট নম্বর ২ হোম মিনিস্ট্রিকে, বিআরটিএ-কে এবং বিআরটিসিকে।" বাস মালিক সমিতি, ট্রান্সপোর্ট রিলেটেড মালিক অ্যাসোসিয়েশন বা শ্রমিক অ্যাসোসিয়েশন, কেউই এই ধরনের ডাক দিতে পারবে না। মালিক সমিতি এবং শ্রমিক সমিতি, এরা কেউ ডাক দিতে পারবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালয়েশিয়ায় ৩৬৪ বাংলাদেশি আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:২৯ এম


মালয়েশিয়ায় ৩৬৪ বাংলাদেশি আটক

মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দেশটিতে ২ হাজার ৫০০ বিদেশির মধ্যে তল্লাশি চালানোর পর ৪৭২ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩৬৪ জন বাংলাদেশি। মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের ব্যস্ত লেবুহ পুডু ও জালান সিলাংয়ের কোতারায়া বাংলা মার্কেট এলাকায় এই মেগা অভিযানের চিত্র উঠে এসেছে। আটক বিদেশিদের মধ্যে প্রায় ৭৭ শতাংশ বাংলাদেশি বলে জানা গেছে।

গতকাল রোববার বিদেশি নাগরিকদের উপস্থিতি এবং সন্দেহজনক অবৈধ ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের অভিযোগের ভিত্তিতে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের ‘সমন্বিত মেগা আইন প্রয়োগ অভিযান’ শুরু হয়। কয়েক ঘণ্টার অভিযানে ১৮ থেকে ৬২ বছর বয়সি ৪৭২ বিদেশিকে আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে ৪৩৯ পুরুষ এবং ৩৩ জন নারী রয়েছেন। আটকদের জাতীয়তা বিশ্লেষণ করলে বাংলাদেশিদের সংখ্যা স্পষ্টভাবে বেশি দেখা যায়। ৩৬৪ বাংলাদেশির পর মিয়ানমারের ৫৭, ফিলিপাইনের ৯, নেপালের ৮, ইন্দোনেশিয়ার ৭, পাকিস্তানের ৭, ভারতের ৬, চীনের ৩, জিম্বাবুয়ে ও সৌদি আরবের একজন করে নাগরিক আটক হয়েছেন। কুয়ালালামপুরের আঞ্চলিক পরিচালক দাতুক হামশা ইঞ্জাউ জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বৈধ পরিচয়পত্র বা প্রয়োজনীয় নথি না থাকা, অনুমোদিত সময়ের বেশি মালয়েশিয়ায় অবস্থানসহ অভিবাসন আইনের বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে।

অভিযান চলাকালীন লেবুহ পুডুতে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। আইন প্রয়োগকারী দলের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন বিদেশি পালানোর চেষ্টা করেন। তাদের আটক করতে গিয়ে অভিবাসন কর্মকর্তাদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি ঘটে। কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও শ্রমিকদের আবাসিক স্থাপনা ভেতর থেকে তালাবদ্ধ থাকায় সেগুলোর তালা ভেঙে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির সময় ভবনের ওপরের তলায় সন্দেহজনক কয়েকটি স্থাপনার সন্ধান পাওয়া যায়, যা পতিতাবৃত্তির আস্তানা হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল বলে কর্তৃপক্ষ সন্দেহ করছে। এছাড়া বিদেশিদের কাছে অবৈধ ওষুধ বিক্রি করা হয় এমন একটি দোকানও শনাক্ত করা হয়েছে। অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে লেবুহ পুডু ও কোতারায়ার কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দ্রুত ফাঁকা হয়ে যায়। স্থানীয় প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কয়েকজন বিদেশি নিজেদের আড়াল করতে মুদ্রা বিনিময়কেন্দ্রে সাধারণ গ্রাহক সেজে অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পশ্চিমবঙ্গের ২৫২ মাদরাসায় তালা, বন্ধ শিক্ষা কার্যক্রম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৭ এম


পশ্চিমবঙ্গের ২৫২ মাদরাসায় তালা, বন্ধ শিক্ষা কার্যক্রম

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকার ইসলাম বিদ্বেষের বিরুদ্ধে একটি বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, যেখানে অনুমোদনহীন মাদরাসাগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রাজ্যের ২৫২টি অনুমোদনহীন মাদরাসা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে প্রাথমিক পর্যায়ের যাচাইয়ের পর।

এছাড়া, আরও ১০০টি মাদরাসাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না দেওয়া হয়, তাহলে ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।

রাজ্য সরকারের সংখ্যালঘু ও মাদরাসা শিক্ষা দপ্তরের উদ্যোগে কলকাতা সহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় মাদরাসাগুলোর অবস্থা যাচাই করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

গত ২২ জুলাই রাজ্যের সব জেলায় মাদরাসাগুলো নিয়ে সমীক্ষা পরিচালিত হয়। সেখানে প্রতিষ্ঠানগুলোর সরকারি অনুমোদন, পরিকাঠামো, পাঠদানের ব্যবস্থা এবং শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হয়।

সমীক্ষার পর দপ্তরের হাতে আসা তথ্যে উল্লেখ করা হয়, রাজ্যে প্রায় ২ হাজার ৩৯৬টি মাদরাসার সরকারি অনুমোদন নেই। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেশ কিছু মাদ্রাসা খারিজি মাদরাসা হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। সরকারি অনুমোদন ছাড়া এসব প্রতিষ্ঠান কীভাবে চলছে এবং সেখানে শিক্ষার্থীদের কী ধরনের শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

সমীক্ষার দাবির ভিত্তিতে প্রথম পর্যায়ে ২৫২টি মাদরাসা বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসকদের কাছে এ বিষয়ে নোটিশের অনুলিপি পাঠানো হয়েছে। প্রশাসনের মাধ্যমে ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

অন্যদিকে, ১০০টি মাদরাসার কাছে প্রয়োজনীয় নথি এবং অনুমোদনের বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে বলা হয়েছে। যদি তাদের জবাব সন্তোষজনক না হয়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধেও বন্ধসহ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সমীক্ষার মূল উদ্দেশ্য ছিল পশ্চিমবঙ্গে কতগুলো অনুমোদিত এবং কতগুলো অনুমোদনহীন মাদরাসা রয়েছে, তার সঠিক তথ্য সংগ্রহ করা। একই সঙ্গে মাদরাসাগুলোতে শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো রয়েছে কি না, সেটিও যাচাই করা হয়েছে।

সংখ্যালঘু উন্নয়নমন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু জানিয়েছেন, কলকাতার পাশাপাশি রাজ্যের ২২টি জেলা থেকে মাদরাসাগুলোর প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করা হয়েছে। যেসব মাদরাসার সরকারি অনুমোদন রয়েছে এবং নিয়ম মেনে চলছে, সেগুলো চালু থাকবে। অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%