১১:০৯ পি.এম
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ‘জুলাই ৩৬’ আবাসিক হলে এক ছাত্রী কর্তৃক প্রবাসী প্রেমিকের কাছে বান্ধবীদের ‘গোপন ছবি’ পাঠানোর ঘটনার পর নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে হল কর্তৃপক্ষ। হল কর্তৃপক্ষ অধ্যাপক ড. এ কে এম শামছুল হক ছিদ্দিকী দ্বারা কক্ষে মোবাইল ফোনে ভিডিও কলে কথা বলা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ৭ আগস্ট শুক্রবার এক প্রজ্ঞাপন জারি করে এ নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে, যা হল প্রভোস্ট নিশ্চিত করেছেন। এর আগে, দুপুরে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিলে, বিকালে প্রজ্ঞাপন জারির বিষয়ে হল কর্তৃপক্ষ আরটিভিকে নিশ্চিত করে। হল প্রভোস্ট আরটিভিকে বলেন, “পুরো হল প্রাঙ্গনে নয়, বরং কক্ষে রুমমেটদের গোপনীয়তা রক্ষার্থে শুধু রুমে ভিডিও কলে কথা বলা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা চাইলে করিডোর বা উন্মুক্ত জায়গায় এসে কথা বলতে পারেন।” আরও পড়ুন: বান্ধবীদের ‘গোপন ছবি’ প্রেমিককে পাঠানোর ঘটনায় ইবি হিউম্যান রাইটস সোসাইটির নিন্দা। এর আগে, দুপুরে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে হল প্রভোস্ট বলেন, হলের ভেতর যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে, এ ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে, সে জন্য হল বডি কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করছে। আজকের মধ্যেই একটি নোটিশ দেওয়া হচ্ছে যে, ভিডিও কল করে কিংবা স্মার্ট ফোনে রুমের ভেতরে কথা বলা যাবে না। যদি কথা বলতে হয়, তাদের রুমের বারান্দায় আসতে হবে কিংবা বাইরে চলে আসতে হবে। বারান্দা ছাড়া রুমের ভেতর ভিডিও কল দেওয়া যাবে না। রুমের ভেতর ভিডিও কল দেওয়ার মতো কিছু প্রমাণিত হলে তারা অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে। আলোচিত ঘটনার পরপরই হলবডি ও আবাসিক শিক্ষকদের নিয়ে জরুরি সভা ডেকে অভিযুক্ত ছাত্রীকে হল থেকে সাময়িক বহিষ্কার এবং তার অভিভাবকের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি অভিযুক্ত ছাত্রীর ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোনও জব্দ করেছে। তাছাড়া অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কারও কোনো অভিযোগ থাকলে তা আগামী ৯ আগস্ট অফিস সময়ের মধ্যে প্রভোস্ট বরাবর লিখিতভাবে জমা দেওয়ার জন্য হলের সব আবাসিক ছাত্রীকে অবহিত করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে গঠিত কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে অধ্যাপক ড. আরিফা আক্তার, সদস্য হিসেবে সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহা. খাইরুল ইসলাম এবং সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. মুহা. কামরুজ্জামানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন