১১:২৪ পি.এম
নোয়াখালীর কবিরহাটে নিখোঁজের একদিন পর আজাদ হোসেন (৩৪) নামে এক যুবদল নেতার মরদেহ ডোবার কাছ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, তার গলায় দড়ি প্যাঁচানো অবস্থায় এবং চোখের উপর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে কবিরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ ঘোষবাগ গ্রামের একটি ডোবায় মরদেহটি ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এসেছে এবং মরদেহটি উদ্ধার করে।
মরদেহ পাওয়া যুবদল নেতা আজাদ একই গ্রামের হানিফ মিয়ার বাড়ির মৃত ফজল হকের ছেলে। তিনি কবিরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর যুবদলের প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
আরও পড়ুন: কাউখালীতে বাস-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীসহ আহত ৪, পুলিশের জিম্মায় গাড়ি
পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১টার দিকে আজাদ হোসেন বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয়ে যান। তার পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরে তারা স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পারেন যে, শুক্রবার বিকেল প্রায় ৫টার দিকে বাড়ির পাশে একটি ডোবায় তার মরদেহ ভাসছে। স্থানীয়রা এ বিষয়ে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন যে, আজাদের চাচাতো ভাই ফারুক (৪০) ও নিজাম (৩৬) এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকতে পারেন। তারা ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন বলেও অভিযোগ করেছেন।
নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য গোলাম মোমিত ফয়সাল বলেছেন, যুবদল নেতা আজাদ ব্যবসা করতেন। তার সংগে সঙ্গে তিনি যুবদলের একজন সক্রিয় নেতা ছিলেন। তিনি পুলিশে আহ্বান জানাচ্ছেন, দ্রুত তার মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন করা হোক এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত জবাবদিহি করা হোক।
কবিরহাট থানার ওসি রোমেল বড়ুয়া জানান, ঘটনাস্থলে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। আজাদ হোসেনের গলায় দড়ি প্যাঁচানো ছিল এবং তার চোখের ওপর আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। পরিবার থেকে অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আরও পড়ুন: পাঁচ শিক্ষকেই ৫ শত ৫০ শিক্ষার্থীর পাঠদান, শিক্ষক সংকটে ভুগছে ভাণ্ডারিয়ার একমাত্র সরকারি বালিকা বিদ্যালয়
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন