জামিরুল হক সুজন লালমনিরহাট প্রতিনিধি
১১:৩৯ পি.এম
লালমনিরহাট সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের হাড়ীভাঙ্গা মাজার এলাকায় বিদ্যুতের শর্ট সার্কিটের কারণে একটি বসতঘরে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে এবং ফলে এটি পুরোপুরি পুড়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির মালিক হলেন স্থানীয় একটি মাদ্রাসার শিক্ষক নুর মোহাম্মদ। তিনি সেকেন্দার আলীর ছেলে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের উৎপত্তি হয়েছিল।
ঘটনার সময়, স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নুর মোহাম্মদ মাদ্রাসায় কর্মরত ছিলেন এবং তাঁর স্ত্রী মেয়েকে নিয়ে স্কুলে গিয়েছিলেন। বাড়িটি তালাবদ্ধ থাকায় আগুন দ্রুত পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা আগুন দেখতে পেয়ে দ্রুত ছুটে আসেন এবং আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। তবে তখন পর্যন্ত ঘরের আসবাবপত্র, কাপড়চোপড়, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ও অন্যান্য মালামাল পুড়ে যায়।
প্রাথমিক হিসেবে, এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে প্রায় ৮ থেকে ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানান ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার।
এদিকে স্থানীয়দের দাবি, ঘরের প্রায় সবকিছু পুড়ে গেলেও একটি পবিত্র আল-কুরআন অক্ষত অবস্থায় পাওয়া গেছে, যা ঘটনাটিকে এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। তবে এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অগ্নিকাণ্ডের ফলে সর্বস্ব হারিয়ে দিশেহারা নুর মোহাম্মদ পরিবার পুনর্বাসনের জন্য সরকারের, স্থানীয় প্রশাসনের এবং সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার লাকসামে অন্তর (২২) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার জুমার নামাজের পর লাকসাম পৌরসভার পশ্চিমগাঁও এলাকার নিজ বাড়ি থেকে এই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। অন্তর ওই এলাকার মো. জব্বারের ছেলে।
পরিবারের সদস্যদের দাবি, প্রেমের বিয়েকে কেন্দ্র করে পারিবারিক বিরোধের জেরে অন্তর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন।
স্বজনদের মতে, শুক্রবার জুমার নামাজের সময় পরিবারের সদস্যরা মসজিদে উপস্থিত ছিলেন। এসময় অন্তর বাড়িতে একাই অবস্থান করছিলেন। নামাজের পর যখন পরিবারের সদস্যরা ফিরে এসে তাকে ডাকাডাকি করেন, তখন কোনো সাড়া পাননি। পরে দরজা খুলে ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়।
ঘটনার খবর পেয়ে লাকসাম থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করার পর, মরদেহ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।
লাকসাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী কামরুন্নাহার লাইলী বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে, পারিবারিক বিরোধ ও বিয়ে-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে এই ঘটনাটি ঘটেছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে সঠিকভাবে জানা যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে নবগঠিত উপজেলা বিএনপির কমিটির নেতৃবৃন্দকে দীর্ঘ ১৭ বছর পর সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এই সংবর্ধনা প্রদান করেছে তিনটহরী ইউনিয়ন বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) উপজেলার তিনটহরী বাজার প্রাঙ্গণে এই উপলক্ষে একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা মাস্টার আবুল কাশেম, সাধারণ সম্পাদক মীর হোসেন, সহ-সভাপতি জয়নাল আবেদীন, যুগ্ম সম্পাদক মো. আবুল কাশেম, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুজ্জামান মাস্টার ও জাহাঙ্গীর হোসেন।
এছাড়া সভায় তিনটহরী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. শহীদ, সাধারণ সম্পাদক নুর ইসলামসহ অন্যান্য দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দলের শক্তিশালীকরণের জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
আলোচনা সভার শেষে উপজেলা বিএনপির নবগঠিত কমিটির নেতাদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজবাড়ী, ৭ আগস্ট, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, বর্তমান সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে চায়। তিনি আরও জানান, স্থানীয় সরকারের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে যেসব উন্নয়ন প্রকল্পের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো যাচাই-বাছাই শেষে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। জনগণের প্রয়োজন বিবেচনা করে প্রকল্প গ্রহণ করা হবে এবং সেগুলো জনগণের কল্যাণে বাস্তবায়িত হবে।
রাজবাড়ী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা এবং সদর উপজেলা পর্যায়য়ের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি আজ এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. আব্দুস সালামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ড. রাশেদ আল মাহমুদ আরও বলেন, অতীতে পরিকল্পনাহীনভাবে বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হতো। বর্ষা মৌসুম এলেই প্রকল্প গ্রহণ করা এবং মৌসুম শেষ হওয়ার পর তা শেষ হয়ে যাওয়ার যে সংস্কৃতি ছিল, সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা জানান, প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘নতুন কুঁড়ি’ প্রকল্পের আওতায় খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের পরিবেশ তৈরি করতে হবে।
তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে কোমলমতি শিশুদের আত্মবিকাশের পথ সংকুচিত হয়ে গেছে। নতুন কুঁড়ি কর্মসূচির মাধ্যমে খেলাধুলা, সংগীত এবং সাংস্কৃতিক চর্চাকে সম্প্রসারণ করে দেশের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের পরিচিতি বাড়াতে ক্রীড়ার বিকাশে গুরুত্ব দিতে হবে।
বিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামোগত সমস্যা তুলে ধরে তিনি বলেন, অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রীদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট নেই। তাই জরুরি ভিত্তিতে প্রতিটি বিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
ড. রাশেদ আল মাহমুদ বলেন, সরকার কৃষক কার্ড চালু করেছে এবং মানুষের জীবন-জীবিকা ও প্রয়োজন বিবেচনায় এ কর্মসূচির পরিধি আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি, আগামী বাজেটে সৃজনশীল এবং জনকল্যাণমূলক ব্যয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, সংস্কৃতি মানুষের মধ্যে ঐক্য এবং সম্প্রীতির বন্ধন গড়ে তোলে। তাই সাংস্কৃতিক চর্চার প্রসার সরকারে অন্যতম অগ্রাধিকার।
অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ামও তার বক্তব্য প্রদান করে বলেন, দেশের অর্থনীতিকে টেকসই ও সুস্থ ধারায় ফিরিয়ে আনতে সময় প্রয়োজন। একই সাথে রাজবাড়ীর প্রতিটি বিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম চালু করার এবং ‘নতুন কুঁড়ি’ কর্মসূচির মাধ্যমে দক্ষ খেলোয়াড় গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন তিনি।
পরে, সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ, খেলাধুলার সামগ্রী, বাদ্যযন্ত্র এবং স্বাস্থ্যসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন অতিথিরা। এ সময় জেলার ১৮১টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ব্যাট, বল, ঢোল, ডুগি, হারমোনিয়াম, ন্যাপকিনসহ বিভিন্ন শিক্ষা এবং সাংস্কৃতিক উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।
সন্ধ্যায় রাজবাড়ী পৌরসভা অডিটোরিয়ামে জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে আয়োজিত শিক্ষা বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন ড. রাশেদ আল মাহমুদ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের টানা ৩৫ দিন খাবার সরবরাহ করে আলোচনায় আসা মোহাম্মদ জুনাইদ মালিক এবার ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে আন্দোলনরত চাকরিপ্রত্যাশী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। আন্দোলনকারীদের সহায়তা করতে গিয়ে তিনি পুলিশের হয়রানির অভিযোগ তোলেন, তাও সত্বেও আন্দোলনকারীদের সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছেন।
গাজিয়াবাদের ৩০ বছর বয়সী এলএলবি শিক্ষার্থী জুনাইদ মালিক বর্তমানে রাঁচিতে অবস্থান করছেন। সেখানে ঝাড়খণ্ডে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে টানা দুই সপ্তাহ ধরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের জন্য খাবার ও প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা করছেন।
জুনাইদ বলেন, 'আমরা সকালের নাশতার ব্যবস্থা করেছি এবং আন্দোলনকারীদের জন্য নিয়মিত খাবারসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি। এটি শুধু আমার একার উদ্যোগ নয়, এটি একটি সম্মিলিত প্রচেষ্টা।'
তিনি জানান, দিল্লি থেকে তার পুরো স্বেচ্ছাসেবী দল রাঁচিতে এসেছে এবং আরো কয়েকজন যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। সন্ধ্যায় আন্দোলনকারীদের জন্য নিরামিষ বিরিয়ানি পরিবেশনের পরিকল্পনা রয়েছে।
জুনাইদের ভাষায়, 'শিক্ষার্থীরা ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত আমরা তাদের সংগ্রামের পাশে থাকব। আমরা তাদের প্রত্যেককে সমর্থন করি এবং সবসময় তাদের পাশে থাকব।'
তিনি ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের প্রতি শিক্ষার্থীদের দাবি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানান।
জুনাইদ বলেন, 'টানা বৃষ্টিতে আন্দোলনস্থলে পানি জমে রয়েছে। এতে মশার প্রজনন বেড়ে রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। শিক্ষার্থীদের এই সময় পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার কথা, কিন্তু কেন তাদের মূল্যবান সময় এভাবে রাস্তায় কাটাতে হচ্ছে?'
এদিকে, ঝাড়খণ্ডে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে শুরু হওয়া আন্দোলন শুক্রবার ১৪তম দিনে গড়িয়েছে। বর্তমানে ছয়জন আন্দোলনকারী অনির্দিষ্টকালের অনশন পালন করছেন, যার মধ্যে একজনকে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে।
আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, সরকারের কাছে বারবার দাবি জানানো হলেও কার্যকার পদক্ষেপ না নেওয়ায় তারা অনশনের মতো কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছেন। মঙ্গলবার রাতে আরও পাঁচজন, যার মধ্যে দুইজন নারী রয়েছেন, ঝাড়খণ্ড লোকতান্ত্রিক ক্রান্তিকারী মোর্চা (জেএলকেএম)-এর নেতা দেবেন্দ্র নাথ মাহতোর সঙ্গে অনশনে যোগ দেন। মাহতো টানা ছয় দিন ধরে অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন।
সংকট নিরসনে বৃহস্পতিবার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা ১১ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল গঠন করে। মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন জানিয়েছিলেন, আলোচনা করার জন্য সরকারের দরজা খোলা রয়েছে, তবে আন্দোলনকারীদের দাবি, এ বিষয়ে এখনো সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো আমন্ত্রণ তারা পাননি।
উল্লেখ্য, গত ২৫ জুলাই রাঁচির জয়পাল সিং মুন্ডা স্টেডিয়ামে জেপিএসসি-জেএসএসসি রিফর্মস মঞ্চের ব্যানারে শুরু হওয়া এই আন্দোলন সাম্প্রতিক সময়ে ঝাড়খণ্ডের অন্যতম বৃহৎ শিক্ষার্থী-নেতৃত্বাধীন আন্দোলনে পরিণত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ