মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:২৮ পি.এম
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, দেশে মোট ৮ হাজার ২২৯টি এমপিওভুক্ত মাদরাসা বিদ্যমান। তিনি উল্লেখ করেন, মাদরাসাগুলিকে এমপিওভুক্ত করার প্রক্রিয়া একটি চলমান উদ্যোগ।
মঙ্গলবার, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মো. জালাল উদ্দিনের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এই তথ্য প্রদান করেন। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে দেশে ৮ হাজার ২২৯টি এমপিওভুক্ত মাদরাসা রয়েছে। এমপিওভুক্তকরণ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (মাদরাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০২৬’ তৈরি করা হয়েছে।
নীতিমালার আওতায়, যদি সব মানদণ্ড সঠিকভাবে পূরণ করা হয়, তবে ভবিষ্যতে মাদরাসা এমপিওভুক্ত করার বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় থাকবে বলেও তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দেশে উগ্রবাদ, অসহিষ্ণুতা, সহিংসতা, সামাজিক বিভাজন ও মেরুকরণের মতো সংকট মোকাবিলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ।
তিনি বলেন, গবেষণার লক্ষ্য শুধু গবেষণাপত্র প্রকাশ, উদ্ধৃতি বাড়ানো কিংবা গবেষকের ব্যক্তিগত ও পেশাগত প্রোফাইল সমৃদ্ধ করা নয়। মানুষের জীবন ও সমাজের বাস্তব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গবেষণার ফল কাজে লাগলেই গবেষণার প্রকৃত সার্থকতা মিলবে।
আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘সহিংস উগ্রবাদ মোকাবিলায় মানবকেন্দ্রিক ও প্রমাণভিত্তিক নীতি’ নিয়ে আয়োজিত এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অধ্যাপক মামুন আহমেদ বলেন, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণা বাড়ছে, আন্তর্জাতিক মানের সাময়িকীতেও প্রকাশিত হচ্ছে গবেষণাপত্র। তবে গবেষণার ফল মানুষের জীবনের বাস্তব সমস্যা সমাধানে কাজে লাগানো না গেলে তার পূর্ণ সুফল মিলবে না।
তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন নয়। তাই উগ্রবাদ ও অসহিষ্ণুতাকে শুধু ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে না দেখে এর পেছনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিকসহ নানা কারণ অনুসন্ধান করতে হবে। এ জন্য বিভিন্ন শাখার গবেষকদের সমন্বিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন।
এ সময় ক্যাম্পাস ও শ্রেণিকক্ষে বিভিন্ন ধর্ম, বিশ্বাস ও সামাজিক পটভূমির শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংলাপের পরিবেশ গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেন ইউজিসি চেয়ারম্যান। তার মতে, এমন চর্চা শিক্ষার্থীদের মানবিক, বিজ্ঞানমনস্ক ও যুক্তিবাদী হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির পাশাপাশি মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, সমাজের জটিল সমস্যা মোকাবিলায় সব ধরনের জ্ঞান ও গবেষণার সমন্বয় প্রয়োজন।
তরুণ গবেষকদের উদ্দেশে মামুন আহমেদ বলেন, সমাজে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে— এমন মানসম্পন্ন গবেষণা প্রকল্প নিয়ে এগিয়ে এলে অর্থায়নে ইউজিসি প্রস্তুত। বিশ্ববিদ্যালয় বড় না ছোট কিংবা পুরোনো না নতুন— এসব বিবেচ্য হবে না। প্রকল্পের মান ও গবেষকদের সক্ষমতার ভিত্তিতেই অর্থায়ন দেওয়া হবে।
ইউজিসি কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রকল্পের ‘ইন্টার রিলিজিয়াস ডায়ালগ, রিজিলিয়েন্স বিল্ডিং, অ্যান্ড কাউন্টারিং ভায়োলেন্ট এক্সট্রিমিজম’ শীর্ষক উপপ্রকল্পের আওতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি পলিসি ল্যাব এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগ এ সম্মেলন আয়োজন করেছে।
সম্মেলনে মূল বক্তা ছিলেন যুক্তরাজ্যের লিডস বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. গর্ডন ক্লাব। উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আবু সায়েম।
বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের ডিআইজি মোহাম্মদ মুসলিম, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জাতিসংঘ অনুবিভাগের মহাপরিচালক মো. কামরুজ্জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী নুরুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের উপ-উপাচার্য মেজর জেনারেল (অব.) ড. নাঈম আশফাক চৌধুরী।
এ ছাড়া হিট উপ-প্রকল্পের এসপিএম ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নীতি ল্যাবের গবেষণা পরিচালক ড. মো. দিদারুল ইসলাম প্রকল্পের কার্যক্রম নিয়ে বক্তব্য দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নীলফামারী জেলার সুবর্ণখুলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুর্বৃত্তদের দ্বারা চুরির পর অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ভোরে এই ঘটনা ঘটে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দুর্বৃত্তরা বিদ্যালয়ের অফিসের ভেন্টিলেটর ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে। তারা ওয়াই-ফাই রাউটার, অনু এবং সোলারের একটি বড় ব্যাটারি চুরি করে নিয়ে যায়। পরে তারা অগ্নিসংযোগ করে, যার ফলে সরকারি প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ শিক্ষক-শিক্ষিকাদের হিজাব ও জায়নামাজ পুড়ে যায়।
বিদ্যালয়ের অফিসের পেছনে নির্মীয়মাণ একটি মন্দির থেকে বাঁশের মই ব্যবহার করে দুর্বৃত্তরা দেয়ালের ভেন্টিলেটর ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে। এরপর তারা কার্যালয় থেকে বিভিন্ন মালামাল চুরি করে নিয়ে যায়।
ধারণা করা হচ্ছে, চুরির পর তারা অগ্নিসংযোগ করে। এতে শিক্ষকদের জায়নামাজ ও হিজাব পুড়ে যায়। পাশাপাশি, দুটি স্টিলের আলমারি ভেঙে সরকারি গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নষ্ট করা হয়েছে।
স্থানীয় জনগণ জানিয়েছেন, ভোরে এলাকার বাসিন্দা ও স্কুল পরিচালনা কমিটির সদস্যরা বিদ্যালয়ের ভিতর থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে সেখানে প্রবেশ করেন।
তারা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে ৯৯৯ নম্বরে কল করে নীলফামারী সদর থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোছা. উম্মে সালমা নাজনীন জানিয়েছেন, এ ঘটনায় নীলফামারী সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
নীলফামারী সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার জছিজুল আলম মণ্ডল বলেন, ‘আমাদের একটি বিদ্যালয়ে চুরি ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে আমরা আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছি, যাতে দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করা যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রাজধানীর কদমতলীর শনিরআখড়া এলাকায় ক্রোকারিজের দোকানে ঢুকে ব্যবসায়ীকে গুলির অভিযোগে অস্ত্র আইনে করা মামলায় মঞ্জুরুল ইসলাম নামে একজনের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন ঢাকার একটি আদালত।
আজ ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গত রোববার মঞ্জুরুলকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কদমতলী থানার এসআই মিঠুন মণ্ডল মঞ্জুরুলের পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একই সঙ্গে রিমান্ড শুনানির জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করেন আদালত।
গত শনিবার রাত সোয়া ৮টার দিকে কদমতলীর দক্ষিণ দনিয়া-শনিরআখড়া এলাকায় একটি ক্রোকারিজের দোকানে ঢুকে ব্যবসায়ী মো. আসলাম খানকে গুলি করা হয়। স্থানীয়দের সহায়তায় ঘটনাস্থল থেকে মঞ্জুরুল ইসলামকে আটক করা হয়। গুলিবিদ্ধ আসলামকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
এ ঘটনায় কদমতলী থানার এসআই অশোক কুমার সরকার বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে মামলা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মান নিয়ে সংসদে প্রশ্ন উত্থাপন করা হয়েছে।
প্রতিটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রত্যন্ত ও অনুন্নত অঞ্চলের মেধাবী কিন্তু দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য মোট আসনের ৩ শতাংশ সংরক্ষিত রয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানিয়েছেন, এসব আসনে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি ও অন্যান্য ফি মওকুফের বিধান রয়েছে।
জাতীয় সংসদের অধিবেশনে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিনের লিখিত প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রীর পক্ষে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।
জয়নাল আবদিন জানতে চান, সরকার কি নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীদের জন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার ব্যয় সহজলভ্য করার জন্য কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
ববি হাজ্জাজের বক্তব্যে তিনি জানান, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার ব্যয় সহজলভ্য করার জন্য আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা বিদ্যমান রয়েছে।
তিনি বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০-এর ধারা ৯(৪) অনুযায়ী প্রত্যেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট আসনের ৩ শতাংশ মেধাবী অথচ দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষণ করতে হয়।
এসব আসনে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের অধ্যয়নকালে টিউশন ফি ও অন্যান্য ফি মওকুফের বিধান রয়েছে।
এছাড়া, বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর অ্যাকাডেমিক ফলাফল, পরিবারের আর্থিক অবস্থা ও বিশেষ প্রয়োজন বিবেচনায় বিভিন্ন হারে বৃত্তি এবং টিউশন ফি মওকুফ বা কমানোর ব্যবস্থা রয়েছে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব নীতিমালা অনুযায়ী নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীরাও আর্থিক সুবিধা পাওয়ার সুযোগ পান।
উগ্রবাদ-সহিংসতা মোকাবেলায় গবেষণা কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আইনের এই বিধান যথাযথভাবে বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) মাধ্যমে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সংরক্ষিত আসনে ভর্তি, ফি মওকুফ ও বৃত্তি প্রদানের তথ্য পরিবীক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে।
এছাড়া, সুবিধাভোগী নির্বাচনে স্বচ্ছতা, যোগ্য শিক্ষার্থীদের কাছে তথ্য পৌঁছানো এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে বৃত্তি ও ফি মওকুফের তথ্য প্রকাশ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
জয়নাল আবদিন পরে সম্পূরক প্রশ্নে অভিযোগ করেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইনে নির্ধারিত কাঠামো থাকা সত্ত্বেও বেশিরভাগ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় তা যথাযথভাবে মানছে না। তিনি উল্লেখ করেন, একটি ভবনে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় সার্টিফিকেট বাণিজ্য করছে এবং সেখানে গবেষণার সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, গত ১৬ বছরে দলীয় বিবেচনায় অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
ফলে, ব্যাঙের ছাতার মতো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বেড়ে গেছে। এ অবস্থায়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী মানসম্মত শিক্ষা, গবেষণা ও পর্যাপ্ত ক্যাম্পাস নেই—এমন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিরুদ্ধে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নেবে কিনা, জানতে চান তিনি।
জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সংসদ সদস্য যদি বিস্তারিত তথ্য জানতে চান, তবে নোটিশ দিলে তা সরবরাহ করা সম্ভব হবে।
স্থায়ী ক্যাম্পাস নিয়ে প্রশ্ন
পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী সম্পূরক প্রশ্নে পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস, আবাসিক ব্যবস্থা, ল্যাবরেটরি ও গবেষণার সুবিধা চালুর বিষয়ে জানতে চান।
তিনি বলেন, পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ২০২৪ সাল থেকে একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করলেও দুই বছর পার হয়ে গেলেও বিশ্ববিদ্যালয়টির স্থায়ী ক্যাম্পাস এখনও তৈরি হয়নি। পিরোজপুর সদর উপজেলার কদমতলা ও ব্রাহ্মণকাঠি মৌজায় ৭৫ একর জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হলেও এর অগ্রগতি নেই।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, আবাসিক ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষার্থীদের ভাড়া বাসায় থেকে পড়াশোনা করতে হচ্ছে। এ অবস্থায়, বিশ্ববিদ্যালয়টির স্থায়ী ক্যাম্পাস, আবাসিক ব্যবস্থা, ল্যাবরেটরি ও গবেষণার সুবিধা কবে থেকে পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হবে, জানতে চান তিনি।
জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রশ্নটির সঠিক উত্তর দিতে বিস্তারিত তথ্য প্রয়োজন। সংসদ সদস্য যদি নোটিশ দেন, তবে সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে উপযুক্ত উত্তর দেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ