০৮:৪৮ পি.এম
ঢাকা, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ : ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠান ভার্জিনকে বিশেষভাবে ২০৩০ সাল থেকে শুরু করে নতুন ক্রস-চ্যানেল ট্রেনসেবা পরিচালনার জন্য রেলপথ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। দেশটির রেল নিয়ন্ত্রক সংস্থা সোমবার এই তথ্য জানায়। এর ফলে ইউরোস্টারের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে সেবা চালুর জন্য ভার্জিন আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল।
অফিস অব রেল অ্যান্ড রোড (ওআরআর) একটি বিবৃতিতে জানায়, এই চুক্তির আওতায় ভার্জিন ট্রেনস ২০৩০ সালের ১ অক্টোবর থেকে ২০৪০ সালের শেষ পর্যন্ত লন্ডন থেকে প্যারিস, ব্রাসেলস ও আমস্টারডামে প্রতি দিন সর্বোচ্চ ২০টি করে যাওয়া-আসার ট্রেন পরিচালনা নেবে।
লন্ডন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবরটি জানিয়েছে। ব্রিটিশ উদ্যোক্তা রিচার্ড ব্র্যানসন প্রতিষ্ঠিত ভার্জিন ইউরোপের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে ব্রিটেনের রেল যোগাযোগে প্রতিযোগিতার সৃষ্টি করতে চায়।
আরও পড়ুন: মালদ্বীপের স্পিকারের সঙ্গে বাংলাদেশের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ, আলোচনা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে
১৯৯৪ সালে ব্রিটেন ও ফ্রান্সকে সংযুক্তকারী চ্যানেল টানেল চালুর পর থেকে যাত্রীসেবায় ইউরোস্টারের একচেটিয়া আধিপত্য বিদ্যমান রয়েছে। ইউরোস্টার জানিয়েছে, গত বছর তারা রেকর্ড ২ কোটি যাত্রী পরিবহন করেছে।
ওআরআরের অ্যাক্সেস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনালের উপপরিচালক মার্টিন জোন্স বলেন, আন্তর্জাতিক রেলসেবার বাজারে প্রতিযোগিতা ও প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর ক্ষেত্রে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
তিনি আরও বলেন, ‘এখনও অনেক কাজ বাকি রয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক রেলসেবা সম্প্রসারণে আমরা ভার্জিন ও পুরো খাতের সহযোগিতা করছি।’
ট্রেন রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ টেম্পল মিলস ইন্টারন্যাশনাল সাইট ব্যবহারের অনুমতি গত বছরই পেয়েছে ভার্জিন। সেবা চালুর ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হিসেবে কাজ করবে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দশম স্থলবাহিনী সংলাপ ঢাকা সেনানিবাসে সফলভাবে সম্পন্ন
সেবা চালুর আগে ভার্জিনকে এই রুটের জন্য ট্রেন সংগ্রহ করতে হবে। পাশাপাশি অন্যান্য রেল নেটওয়ার্ক ব্যবহারের অনুমতি গ্রহণ এবং ব্রিটিশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নিরাপত্তা অনুমোদন নিতে হবে।
বর্তমানে চ্যানেল টানেল প্রায় ৫০ শতাংশ সক্ষমতায় ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে এর আগে এই রুটে নতুন সেবা চালুর অন্যান্য উদ্যোগগুলো নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা ও স্টেশনের সীমিত সক্ষমতা সহ বিভিন্ন বাধার মুখে পড়েছে।
যাত্রীরা এখন আশা করছেন, রেলসেবায় প্রতিযোগিতা চালু হলে টিকিটের দাম হবে কম। কারণ বর্তমানে অনেক সময় প্যারিস-লন্ডন বিমানের ভাড়ার তুলনায় ট্রেনের টিকিটের দাম বেশি হয়ে যায়।
আরও পড়ুন: গণতন্ত্রের শর্ত ও রাজনৈতিক সংকটের গুরুত্ব: তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে বিতর্ক
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন