বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৩৫ পি.এম
ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগ গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনের অনুমোদিত ফলাফল গ্রহণ করেছেন এবং নতুন সরকার গঠনের দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে, তা নিয়ে দলগুলোর নেতাদের সাথে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করেছেন।
বুধবার প্রেসিডেন্টের এই পদক্ষেপের ফলে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নির্বাচনকে বিতর্কিত বা অকার্যকর করার প্রচেষ্টায় বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে। ১২০ সদস্যের পার্লামেন্টে নেতানিয়াহু ও তার সহযোগীরা তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছেন, অন্যদিকে আরব-চালিত দলগুলো ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেছে।
প্রেসিডেন্ট হারজোগ বলেন, "নির্বাচন শেষ হয়েছে। এখন বাস্তবতার মুখোমুখি হওয়ার সময়।"
২৭ অক্টোবরের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর জোট কিংবা তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকোটের জোট- কোনো পক্ষই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১টি আসন নিশ্চিত করতে পারেনি। নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রীর জোট পেয়েছে ৫৩টি আসন, আর আইজেনকোটের জোট পেয়েছে ৪৮টি আসন।
এর ফলে দুই নেতার (নেতানিয়াহু ও আইজেনকোট) মধ্যে একটি সমঝোতা জোট গঠন কিংবা আরব-চালিত দুটি প্রধান দল- 'রাম’ ও 'জয়েন্ট লিস্ট'-এর সাথে আইজেনকোটের জোটের জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এই আরব দল দুটি রেকর্ড ১৯টি আসনে জয়লাভ করেছে।
বুধবার রাতে প্রথম দিনের আলোচনা শেষে হারজোগ জানান, বৃহস্পতিবারও আলোচনা অব্যাহত থাকবে।
এক্সে (টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় হারজোগ জানান, বুধবার তিনি ধর্মীয় জায়নবাদ ও জেহুত, শাস এবং ইজরায়েল বেইতেনু দলের প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠক করেছেন। দলগুলো সরকার গঠনের দায়িত্ব দিতে কাকে মনোনীত করা উচিত, সে বিষয়ে তাদের সুপারিশ জমা দিয়েছে।
নেতানিয়াহুর ধর্মীয়-জাতীয়তাবাদী জোটের সমর্থক তিনটি দল প্রধানমন্ত্রীকে আবার সুযোগ দেওয়ার সুপারিশ করেছে। অন্যদিকে, নেতানিয়াহুর সাবেক সহযোগী ও বর্তমানে তার প্রতিদ্বন্দ্বী একটি দল আইজেনকোটকে সমর্থন দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার আইজেনকোটের 'ইয়াশার' দল এবং নেতানিয়াহুর 'লিকুদ' পার্টিসহ আরও আটটি দল প্রেসিডেন্টের সাথে সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে।
আইজেনকোটের সমর্থনে 'রাম'
প্রধান আরব দল 'রাম' বিরোধী নেতা আইজেনকোটকে সমর্থন দেওয়ার কথা জানানোর পর তার সরকার গঠনের সম্ভাবনা অনেকটাই উজ্জ্বল হয়েছে। ইসরায়েলি সংবাদ মাধ্যম 'ওয়াইনেট'-এর মতে, এর ফলে আইজেনকোটের অনুমিত সমর্থন দাঁড়িয়েছে ৫৬ জন সংসদ সদস্যের, যা সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছাকাছি।
অন্য আরব দল 'জয়েন্ট লিস্ট' এখনো তাদের চূড়ান্ত অবস্থান ঘোষণা করেনি। তবে ইসরায়েলের চ্যানেল ১২-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তারা আইজেনকোটের সাথে সমন্বয় করে সিদ্ধান্ত নেবে- আইজেনকোট চাইলে তারা সরাসরি তাকে সমর্থন দেবে অথবা ভোটদানে বিরত থাকবে। তাদের ১১টি আসন আইজেনকোটকে সহজে ৬১ আসন পার হতে সাহায্য করতে পারে।
অন্যদিকে, নেতানিয়াহুর ৫৩ আসনের জোটের সব ভোট নিশ্চিত নয়। 'ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজম'-এর অন্যতম শরিক 'দেগেল হাতোরাহ' (যার রয়েছে ৪টি আসন) জানিয়েছে, তারা কোনো প্রার্থীকেই সমর্থন দেবে না। 'দ্য টাইমস অব ইসরায়েল'-এর মতে, অতি-অর্থোডক্স এই দলটি হারিদি (ধর্মীয়) যুবকদের সামরিক সেবা থেকে ছাড় দেওয়ার বিল পাস না করায় নেতানিয়াহুর ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে জোটের সঙ্গ ছেড়েছে।
সব দলের সাথে আলোচনা শেষে প্রেসিডেন্ট হারজোগ এমন একজনকে সরকার গঠনের আহ্বান জানাবেন, যার সরকার গঠনের সুযোগ সবচেয়ে বেশি। নিশ্চিতভাবেই সেই ব্যক্তি হবেন নেতানিয়াহু বা আইজেনকোট। প্রেসিডেন্টকে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাতে হবে, এবং নির্বাচিত মনোনীত ব্যক্তি সরকার গঠনের জন্য ২৮ দিন সময় পাবেন (প্রয়োজনে অতিরিক্ত ১৪ দিন বাড়ানো যেতে পারে)।
যদি কোনো নেতাই সরকার গঠনে সফল না হন, তবে আগামী বছরের শুরুতে ইসরায়েলে পুনরায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে নেতানিয়াহু ও তার সমর্থকরা কোনো তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই ক্রমাগত দাবি করে আসছেন যে, আরব দলগুলো বহিরাগত শক্তির সহায়তায় নির্বাচন চুরি করেছে।
তবে ইসরায়েলের নির্বাচন কমিশন বুধবার স্পষ্ট জানিয়েছে, জালিয়াতি সংক্রান্ত সব ধরনের অভিযোগের পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করা হয়েছে এবং নির্বাচনের সততা ক্ষুণ্ন করে বা ফলাফলে প্রভাব ফেলে এমন কোনো অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
অ্যাটর্নি জেনারেল গালি বাহারাভ-মিয়ারা তথ্য-প্রমাণ ছাড়া নির্বাচিত প্রতিনিধিদের জিজ্ঞাসাবাদের দাবি প্রত্যাখান করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৫ নভেম্বর, ২০২৬ : সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৯ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন ঢাকার একটি আদালত। তদন্ত সংস্থা ১৩১ বার প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সময় পেয়ে যাচ্ছে।
আজ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু তদন্ত সংস্থা প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম নতুন এদিন ধার্য করেন।
শেরেবাংলা নগর থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম বাসসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া করা বাসায় খুন হন সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি।
এরপর নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
গত ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্তের দায়িত্ব র্যাব থেকে সরিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে গঠিত একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্সের মাধ্যমে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শ্রমিকদের অসন্তোষের প্রেক্ষাপটে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) পোশাক কারখানা ও শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তা বৃদ্ধি করেছে। ঢাকা এবং এর আশপাশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে মোট ৩৩ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। তারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে, শিল্পাঞ্চলে নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে এবং জননিরাপত্তা বজায় রাখতে দায়িত্ব পালন করছেন।
বৃহস্পতিবার বিজিবির একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মোতায়েন করা বিজিবি সদস্যদের মধ্যে মিরপুরে ৩ প্লাটুন, সাভার ও আশুলিয়ায় ১১ প্লাটুন, গাজীপুরে ১২ প্লাটুন এবং নারায়ণগঞ্জে ৭ প্লাটুন দায়িত্ব পালন করছে।
নিরাপত্তা কার্যক্রমকে আরও জোরদার করতে এসব এলাকায় আর্মার্ড পারসোনেল ক্যারিয়ার (এপিসি) ও রায়ট কন্ট্রোল ভেহিকল (আরসিভি) মোতায়েন করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য এসব যান ব্যবহার করা হবে।
শিল্পাঞ্চলের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারিও চালানো হচ্ছে। ড্রোনের মাধ্যমে সরাসরি পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। দায়িত্ব পালনের সময় বিজিবি সদস্যরা বডি ওর্ন ক্যামেরা এবং ইম্প্রোভাইজড বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করছেন। বিজিবি সদর দপ্তরের মনিটরিং সেল থেকে এসব কার্যক্রম সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ ও সমন্বয় করা হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, শিল্পাঞ্চলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা এবং সম্ভাব্য অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। তারা স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে দায়িত্ব পালন করছেন। সংশ্লিষ্ট এলাকার সার্বিক পরিস্থিতিও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা, শিল্পাঞ্চলে স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ বজায় রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিজিবির এই তৎপরতা অব্যাহত থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এএম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের পুরান দিল্লির চান্দনি চক এলাকার গলি সিতারায় একটি নির্মাণাধীন তিনতলা ভবন ধসে অন্তত দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপের নিচে বেশ কয়েকজন আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সকালে ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে চান্দনি চক মেট্রো স্টেশনের নিকটে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের অন্তত ছয়টি ইউনিট উদ্ধারকাজে অংশগ্রহণ করে। সরু গলি এবং দুপাশে পার্ক করা যানবাহনের কারণে উদ্ধারকাজে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শী মোহাম্মদ নাঈম জানান, তারা ঘুমের মধ্যে একটি বিকট শব্দ শুনে বাইরে বেরিয়ে আসেন। পরে তারা বুঝতে পারেন যে, পাশের নির্মাণাধীন ভবনটি ধসে পড়েছে। স্থানীয়দের মতে, ভবনটিতে কেউ বসবাস করতেন না। সেখানে গত তিন-চার মাস ধরে নির্মাণকাজ চলছিল এবং দুর্ঘটনার সময় কয়েকজন শ্রমিক ভেতরে ছিলেন।
এর কয়েক দিন আগে, উত্তর-পূর্ব দিল্লির মিলান গার্ডেন এলাকায় নির্মাণকাজ চলাকালীন ভবনের দুটি ছাদ ধসে দুই শ্রমিকের মৃত্যু ঘটে। এছাড়া, গত ৭ অক্টোবর সিলামপুরের সীমাপুরী এলাকায় চারতলা ভবন ধসে এক শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু হয়।
সূত্র: এনডিটিভি
আরএ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের শ্রীপুরে শ্রমিক আন্দোলনে নিহত তৌফিক হোসেনের পরিবারের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার সকালে তিনি মরহুমের স্ত্রী ও বড় ভাইয়ের সঙ্গে মুঠোফোনে আলাপ করে এই আশ্বাস প্রদান করেন। পরে তিনি বিষয়টি তার ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে নিশ্চিত করেন।
ফেসবুক পোস্টে জামায়াত আমির উল্লেখ করেন, ‘গাজীপুরের শ্রীপুরে শ্রমিক আন্দোলনে নিহত তৌফিক হোসেনের পরিবারের পাশে থাকব, ইনশাআল্লাহ। আজ বেলা ১১টা ২০ মিনিটে তার স্ত্রী ও বড় ভাইয়ের সঙ্গে ফোনে কথা হলো। এ সময় তারা উভয়েই কান্নায় ভেঙে পড়েন।’
তিনি আরও লেখেন, ‘দুই এতিম ভাই অনেক কষ্ট করে বড় হয়েছিল; অত্যন্ত টানাটানির সংসার ছিল তাদের। তারা একই পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। কিন্তু চোখের সামনেই বড় ভাই তার ছোট ভাইকে হারিয়ে ফেললেন। হাসপাতালে নেওয়ার পর তৌফিক সংজ্ঞাহীন অবস্থায় ছিলেন; শেষ কথাটুকুও ভাইয়ের সঙ্গে বলতে পারেননি—এ কথা বলেই বড় ভাই কান্নায় ভেঙে পড়েন।’
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘তৌফিকের সদ্য বিধবা স্ত্রীও অভাবের তাড়নায় একই কারখানায় চাকরি করতেন। কিন্তু তাদের একমাত্র সন্তান সিয়ামের জন্মের পর তার লালন-পালনের জন্য স্ত্রী চাকরিটি ছেড়ে দেন। শিশু সিয়ামের বয়স এখন মাত্র ১১ মাস। এ কথাগুলো বলতে বলতে তৌফিকের স্ত্রীও কান্নায় ভেঙে পড়েন।’
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ‘মাথা গোঁজার জন্য গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে তাদের এক শতাংশ জায়গাও নেই। বর্তমানে স্বামীর চাচার ছোট্ট একটি ঘরে তারা আশ্রয় নিয়েছেন। পরিবারটির এমন পরিণতি দেখে সত্যিই খুব খারাপ লাগছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা তৌফিক হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার চাই। এ দেশে গরিবের বিচার পাওয়ার সুযোগ কতটা আছে জানি না, তবুও আমরা বিচার চাইব। এই ন্যায্য বিচারটুকু পেলে অন্তত এই বিধ্বস্ত পরিবারটি কিছুটা সান্ত্বনা পাবে। আমরা ইনশাআল্লাহ এই পরিবারের পাশে থাকব। আল্লাহ তাআলা এই অসহায় পরিবারের সহায় হোন, আমিন।’
মরহুমের পরিবারের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলার সময় জামায়াতে ইসলামীর গাইবান্ধা জেলা শাখার আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল করিম, সাবেক আমির বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. আব্দুর রহিম সরকার, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা আমিরসহ স্থানীয় নেতারা শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে উপস্থিত ছিলেন। তারা সেখানে উপস্থিত হয়ে পরিবারটিকে সান্ত্বনা দেন এবং তাদের সার্বিক খোঁজখবর নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ