রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:০৭ পি.এম
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক হারের পর, দল ও কোচিং স্টাফে ব্যাপক পরিবর্তনের আভাস পাওয়া গেছে, যা আগামী বছরের পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) কে প্রভাবিত করবে। পিসিবি এবং টুর্নামেন্টের আটটি ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকরা জানুয়ারি মাসে আসরটি সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছেন।
পিএসএলের মিডিয়া স্বত্বাধিকারী প্রতিষ্ঠান ‘ওয়ালি টেকনোলজিস’-এর প্রস্তাবিত এই বিষয়টি গত ১ সেপ্টেম্বর লন্ডনে অনুষ্ঠিত পিএসএল গভর্নিং কাউন্সিলের সভায় আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল। এই আলোচনার প্রধান কারণ হলো, এপ্রিল ও মে মাসের বিজ্ঞাপন বাজারের পরিস্থিতি।
পিসিবি ও ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকদের মধ্যে বড় পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চলমান থাকায়, পিএসএল আয়োজনের সময়সূচি জানুয়ারি মাসে পরিবর্তিত হতে পারে। এপ্রিল-মে সময়কালটি রমজান মাসের পরবর্তী সময়ে পড়ে; এই সময়ে অনেক কোম্পানি তাদের বিপণন ও টিভি বিজ্ঞাপনের বাজেটের বড় একটি অংশ আগে থেকেই খরচ করে ফেলে। ফলে এই সময়ে পিএসএল থেকে সম্ভাব্য আয় নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকরা সম্প্রচারজনিত আয় নিয়েও চিন্তিত। বর্তমান চুক্তির অধীনে, কেন্দ্রীয় আয়ের উৎস থেকে প্রাপ্ত সম্প্রচারজনিত আয়ের ৯৫ শতাংশ আটটি দল নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয়। মালিকরা নিশ্চিত হতে চান যে, পিএসএল কখনই অনুষ্ঠিত হোক, তারা যেন তাদের প্রাপ্য পুরো অংশটিই পান।
টিভি স্বত্ব থেকে প্রত্যাশিত আর্থিক আয় না হওয়ায় ‘ওয়ালি টেকনোলজিস’-এর বিজ্ঞাপন বাজেট নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। পাকিস্তানে ২০২৯ সাল পর্যন্ত পিএসএলের সম্প্রচার ও ডিজিটাল স্বত্ব ওয়ালি টেকনোলজিসের হাতে রয়েছে এবং তারা ‘রাওয়ালপিন্ডিজ’ দলের মালিকও।
২০১৬ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত পিএসএল সাধারণত ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল। তবে গত বছরে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি এবং এ বছরের আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কারণে গত দুটি মৌসুমে এটি এপ্রিল ও মে মাসে স্থানান্তরিত হয়েছিল। আইপিএলের সাথে একই সময়ে পিএসএল আয়োজনের একটি সুবিধা পাওয়া গিয়েছিল। আগের মৌসুমগুলোর মতো আইপিএলের কারণে খেলোয়াড়দের প্রাপ্যতা নিয়ে কোনো জটিলতা ছাড়াই টুর্নামেন্টটি আয়োজন করা সম্ভব হয়েছিল।
তবে, পিসিবি যদি পিএসএলকে আবার জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারির উইন্ডোতে ফিরিয়ে আনে, তাহলে সেই সমস্যা পুনরায় দেখা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে পিএসএলে বিদেশি খেলোয়াড়দের জন্য সাউথ আফ্রিকান ২০ এবং বিগ ব্যাশ লিগের (বিবিএল) সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে হবে।
পিএসএল-এর জন্য আরেকটি চ্যালেঞ্জ হতে পারে ঠান্ডা আবহাওয়া। পিসিবি আবহাওয়া নিয়েও সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে। পাঞ্জাবে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাস খুব ঠান্ডা থাকে, যেখানে পিএসএল-এর চারটি নিয়মিত ভেন্যুর মধ্যে তিনটি হলো লাহোর, মুলতান এবং রাওয়ালপিন্ডি। রাতে তাপমাত্রা এক অঙ্কের ঘরে নেমে যেতে পারে, আবার ঘন কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতাও কমে যেতে পারে।
তবে, এই সমস্যার সমাধান হতে পারে যদি টুর্নামেন্টটি করাচিতে শুরু করা হয়, যেখানে শীতকালে আবহাওয়া ভালো থাকে। এরপর আবহাওয়া উষ্ণ হলে পাঞ্জাব ও পেশোয়ারে টুর্নামেন্টটি স্থানান্তর করা যেতে পারে। পাকিস্তানের জন্য ইতোমধ্যেই মধ্য-নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত খেলোয়াড় কেনার একটি উইন্ডো রয়েছে। দলটি অক্টোবর ও নভেম্বরে শ্রীলঙ্কা এবং ইংল্যান্ডকে আতিথ্য দেবে এবং এরপর মার্চে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি টেস্ট খেলবে। আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে (ডব্লিউটিসি) এটিই হবে পাকিস্তানের শেষ ম্যাচ।
পাকিস্তানে ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তার কারণে একটি সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে ই-স্পোর্টস নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। কিছু ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক পাকিস্তানের দুর্বল পারফরম্যান্সের কারণে পিএসএল-এর প্রতি আগ্রহ কমে যেতে পারে, যা উদ্বেগের কারণ। ই-স্পোর্টসে প্রবেশ করা লিগটিকে তরুণ দর্শকদের সাথে সংযোগ স্থাপনে সহায়তা করতে পারে। পিসিবি বর্তমান স্বত্ব চুক্তির অধীনে একটি পৃথক মধ্য-বর্ষ টুর্নামেন্ট আয়োজনের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করেছে। এটি ফ্র্যাঞ্চাইজি এবং সম্প্রচারকারী উভয়কেই অর্থ উপার্জনের আরেকটি উপায় দিতে পারে এবং বছরজুড়ে পিএসএল-কে সক্রিয় রাখতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, কৃষকদের কৃষিকাজ অব্যাহত রাখার জন্য সরকার ঋণসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা প্রদান করতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘কৃষিনীতি প্রণয়নে আমরা কৃষকদের অগ্রাধিকার দিচ্ছি এবং তাদের চাষাবাদ অব্যাহত রাখার সুযোগ সৃষ্টি করতে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক চেষ্টা করা হচ্ছে।’
আজ জাতীয় সংসদে পাবনা-৩ আসনের বিরোধী দলের সদস্য মুহাম্মাদ আলী আছগারের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। সংসদ অধিবেশনটি ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তিনি জানান, কৃষকদের ঋণ প্রদান এবং তাদের কৃষিকাজকে সহজতর করার জন্য সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
এর আগে সরকারি দলের সংসদ সদস্য আনিসুর রহমানের (মাদারীপুর-৩) তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের কৃষকদের মধ্যে সুদমুক্ত ঋণ বিতরণের কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।
তবে তিনি উল্লেখ করেন, কৃষকদের মধ্যে কৃষি ও পল্লী ঋণ সহজ শর্তে এবং কম সুদে বিতরণ করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসরায়েলে নেতানিয়াহুর সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে বিক্ষোভকারীরা রাজপথে নেমেছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) উত্তর ইসরায়েলজুড়ে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইসরায়েলি গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
মারিভ গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নেতানিয়াহু সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগের প্রতিবাদ জানাতে বিক্ষোভকারীরা বেশ কয়েকটি স্থানে জড়ো হয়েছে। রোশ পিনা, কারমিয়েল, হাদেরা এবং হাইফাসহ বিভিন্ন এলাকায় এই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়।
এদিকে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কাতারে বোমা হামলা চালানোর বিষয়টি স্বীকার করে নিজের দম্ভ প্রকাশ করেছেন। তিনি ইসরায়েলের ‘আই২৪নিউজ’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে কথা বলেন। শনিবার তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাক্ষাৎকারটি শেয়ার করেন। সেখানে নেতানিয়াহু বলেন, গাজায় ইসরায়েলের চালানো গণহত্যায় কাতার কোনো নীতি নির্ধারণ করে দেয়নি, বরং কাতার একটি ‘শত্রুতাপূর্ণ’ রাষ্ট্র। অহংকারের সুরে তিনি বলেন, আমি কাতারে হামলা চালিয়েছি, যুদ্ধের সময় আমি সেখানে বোমা হামলাও করেছি এবং তাদের ওপর আক্রমণ চালিয়েছি, আর তারাও আমার ওপর আক্রমণ করেছে। সূত্র: আল জাজিরা,
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের হাকিমপুরে পৃথক মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত এবং মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত মোট ৬ আসামিকে গ্রেপ্তারের পর আদালত ও কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি রয়েছেন। তারা হলেন—মোঃ বিপুল হোসেন, মোঃ নাঈম (২০) ও অজুফা প্রকাশ আন্জুআরা (৩৯)।
এছাড়া মোবাইল কোর্টের পৃথক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত মোঃ মামুন হোসেন (৩৮), মোঃ সাজ্জাদ হোসেন (২৬) ও মোঃ নাঈম ইসলাম (২৪)-কেও প্রেরণ করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে হাকিমপুর ও কোতোয়ালি কুমিল্লা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের পৃথক মামলা রয়েছে। অন্যদিকে, মোবাইল কোর্ট মামলা নং-৮১ ও ৮২, তারিখ ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর মাধ্যমে মোঃ মামুন হোসেন, মোঃ সাজ্জাদ হোসেন ও মোঃ নাঈম ইসলামকে এক মাস করে কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়।
পরে গ্রেপ্তার ও সাজাপ্রাপ্ত ৬ আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পুলিশের স্কটের মাধ্যমে দিনাজপুর জেলা কারাগার ও সদর কোর্ট, দিনাজপুরে প্রেরণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম উল্লেখ করেছেন, কিছু আসামির গতিবিধি ও কার্যকলাপ সন্দেহজনক। গোপন তথ্য রয়েছে যে, আসামিদের মধ্যে কেউ কেউ নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটানোর চেষ্টা করতে পারে। এই কারণে ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রবিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নিজ কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এই বিষয়গুলো তুলে ধরেন।
এর আগে, গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’র সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম তুলির নেতৃত্বে ৫৫টি পরিবারের সদস্যরা চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে এসে উপস্থিত হন। তাদের জবানবন্দি গ্রহণের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু করেছে তদন্ত সংস্থা। ব্রিফিংয়ের সময় ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সদস্যদের সতর্ক করা হয়েছে। কিছু আসামির সন্দেহজনক গতিবিধি ও কার্যকলাপের কারণে সম্ভাব্য নাশকতা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
তিনি জানান, বর্তমানে ২৫১ জন গুমের শিকার হওয়ার অভিযোগ তদন্তাধীন রয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো ‘মায়ের ডাক’র ব্যানারে একাধিকবার প্রসিকিউশনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে এবং লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত সংস্থা কাজ করছে।
আমিনুল ইসলাম বলেন, তদন্তে দেখা যাচ্ছে অধিকাংশ ঘটনায় একই ধরনের কৌশল ব্যবহার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে বা তাদের মাধ্যমে ব্যক্তিদের তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে ঘটনাগুলোকে বিচ্ছিন্ন নয়, বরং ‘ওয়াইডস্প্রেড’ ও ‘সিস্টেমেটিক’ অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। তার ভাষায়, ‘এগুলো শুধু গুম নয়, মানবতাবিরোধী অপরাধের পর্যায়ে পড়ে।’
তদন্ত দ্রুত শেষ করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, চলতি বছরের মধ্যেই তদন্ত সম্পন্ন করে বিচার কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্যে কাজ করছে প্রসিকিউশন ও তদন্ত সংস্থা।
চিফ প্রসিকিউটর আরও জানান, গুমের মামলাগুলোর তদন্ত শুরুর পর কিছু অভিযুক্ত ব্যক্তির কার্যকলাপ বেড়ে যাওয়ার তথ্য তাদের কাছে রয়েছে। এজন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করার প্রয়োজন রয়েছে।
তিনি বলেন, ট্রাইব্যুনালে যাদের বিরুদ্ধে বিচার চলছে, তাদের কার্যক্রমের ওপর নজরদারি করা যেমন জরুরি, তেমনি গুমের শিকার পরিবারগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ